কাশিয়ানী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
কাশিয়ানী
উপজেলা
কাশিয়ানী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
কাশিয়ানী
কাশিয়ানী
বাংলাদেশে কাশিয়ানী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১২′৫৪″ উত্তর ৮৯°৪২′৯″ পূর্ব / ২৩.২১৫০০° উত্তর ৮৯.৭০২৫০° পূর্ব / 23.21500; 89.70250স্থানাঙ্ক: ২৩°১২′৫৪″ উত্তর ৮৯°৪২′৯″ পূর্ব / ২৩.২১৫০০° উত্তর ৮৯.৭০২৫০° পূর্ব / 23.21500; 89.70250 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা গোপালগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট ২৯৯.৬৪ কিমি (১১৫.৬৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,০৭,৬১৫
 • ঘনত্ব ৬৯০/কিমি (১৮০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫২%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৮১৩০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

কাশিয়ানী বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

কাশিয়ানী উপজেলা ৩০১৪র্ উত্তর অক্ষাংশ এবং  ৮৯১২র্ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। কাশিয়ানী উপজেলার উত্তরে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা, পশ্চিমে আলফাডাংগা পুর্বে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা এবং দক্ষিনে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ।  মধুমতি ও  বারাশিয়া নদী  দ্বারা কাশিয়ানীকে অন্য উপজেলা হতে পৃথক করেছে ।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এককালের একটি বিখ্যাত গ্রাম৷ এখন গোপালগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা৷ এটি ৩০০১র্৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০১র্২ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত৷ কাশিয়ানী-ভাটিয়াপাড়া রেলপথ এই উপজেলার যোগাযোগের একটি বড় মাধ্যম৷ মধুমতি নদী এবং বারাশিয়া নদীও এই উপজেলার মুখ্য নৌপথ৷ নওয়াব আলীবর্দি খাঁর আমলে এই গ্রামের জমিদার ছিলেন বাবু দর্পনারায়ণ সেন৷ নিজ গ্রামে তিনি স্থাপন করেছিলেন কাশীনাথ দেবের ৫টি মূর্তি সহ ৫টি সুদৃশ্য মন্দির৷ কাশীনাথ দেবের নামানুসারে দর্পনারায়ণ সেনের গ্রামটির নাম হয়ে যায় কাশিয়ানী৷ অন্যমতে শোনা যায় যে, এ অঞ্চলে পূর্বে প্রচুর কাশফুল হতো, এজন্য এ উপজেলার নাম হযেছে কাশিয়ানী৷ ভটিয়াপাড়া ও ফুকরা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত স্থান, ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ী সমধিক পরিচিত তীর্থস্থান৷ ১৯০৮ সালে মুকসুদপুরকে ভেঙ্গে কাশিয়ানী একটি সতন্ত্র থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়৷ ১৯৮৩ সালে কাশিয়ানী মানউনি্নত থানায় রম্নপান্তরিত হয়৷

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা ২,২৮,৬৪৭ জন। ঘনত্ব- ৭৬২ জন (প্রতি ব:কি:মি:)৷

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

পিংগলিয়া সিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাযিল মাদ্রাসা

কাশিয়ানি গোপালগঞ্জ

বাথান ডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়

বাথান ডাঙ্গা বাজার, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।

গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসা

গোয়ালগ্রাম, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।

জয়নগর ইয়ার আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজ

জয়নগর বাজার, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।

জয়নগর বালিকা বিন্যালয়

জয়নগর বাজার, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।

জয়নগর এম ইউ সিনিয়র মাদ্রাসা

জয়নগর বাজার, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।

ফুকরা মদনমোহন একাডেমী।

কাশিয়ানী জি সি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

রামদিয়া সরকারি এস কে কলেজ।

এম এ খালেক কলেজ, কাশিয়ানী।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

নদনদী[সম্পাদনা]

কাশিয়ানী উপজেলায় দুটি নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে মধুমতি নদী এবং চন্দনা-বারাশিয়া নদী[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  1. কাজী হায়াৎ পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক এবং অভিনেতা [১]
  2. ফিরোজা বেগম। প্রখ্যাত নজরুল শিল্পী।
  3. রকিবুল হাসান।বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক
  4. হানিফ মাহমুদ : কাশিয়ানীর প্রথম সংবাদপত্র ‘কাশিয়ানী বার্তা’র প্রকাশক ও সম্পাদক।
  5. আবুল হাসান : ছাত্র তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা
  6. সুফী আব্দুস সাত্তার: প্রতিষ্ঠাতা গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসা।
  7. হরি চাদ ঠাকুর।
  8. ইন্জিনিয়ার আবুল হোসেন: বিঙ্গান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামি লীগ।

বিবিধ[সম্পাদনা]

  • নির্বাচনী এলাকা- ২১৫ গোপালগঞ্জ- ১, ২১৬ গোপালগঞ্জ-২
  • ইউনিয়ন - ১৪টি৷
  • মৌজা-১৫৩ টি৷
  • সরকারি হাসপাতাল- ১টি৷
  • স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ক্লিনিক- ০৯টি৷
  • পোস্ট অফিস- ১৩টি৷
  • নদ-নদী- ০৩টি৷
  • হাটবাজার- ১৭টি৷
  • ব্যাংক- ০৮টি৷

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কাশিয়ানী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৮, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]