আলফাডাঙা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আলফাডাঙা
উপজেলা
আলফাডাঙা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
আলফাডাঙা
আলফাডাঙা
বাংলাদেশে আলফাডাঙা উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১৭′৭″ উত্তর ৮৯°৪৩′৫″ পূর্ব / ২৩.২৮৫২৮° উত্তর ৮৯.৭১৮০৬° পূর্ব / 23.28528; 89.71806স্থানাঙ্ক: ২৩°১৭′৭″ উত্তর ৮৯°৪৩′৫″ পূর্ব / ২৩.২৮৫২৮° উত্তর ৮৯.৭১৮০৬° পূর্ব / 23.28528; 89.71806 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা ফরিদপুর জেলা
আয়তন
 • মোট ১২৮ কিমি (৪৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,০৮,৩০২
 • ঘনত্ব ৮৫০/কিমি (২২০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৬.৫০%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

আলফাডাঙ্গা, বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে বোয়ালমারী উপজেলাবারাশিয়া নদী, পূর্বে কাশিয়ানী উপজেলা, দক্ষিণে লোহাগড়া উপজেলা এবং মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আলফাডাঙ্গায় ৩ টি কলেজ রয়েছে। আলফাঙ্গা সরকারী ডিগ্রী কলেজ, আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ, কাজী সিরাজুল ইসলাম হোমিওপ্যাথিক কলেজ। শিক্ষার উন্নয়নে এই ৩ টি কলেজ বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। আলফাঙ্গা সরকারী ডিগ্রী কলেজ ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ইহার গুনগত শিক্ষার মান বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর। বর্তমানে আলফাডাঙ্গা সরকালেরী কলেজে ৪ উচ্চতালা ভবন রয়েছে। এই কলেজে মনোরম পরিবেশ সবাইকে মুগ্ধ করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ১৩তম জেলা যশোরের অন্তর্গত ছিল বর্তমান (২০১১) আলফাডাঙ্গা উপজেলা। কবে কখন আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়েছিল তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। তবে কেউ কেউ বলেন মধুমতি নদীর কূলে "আলফা" নামক এক ধরণের লতানো ফুল ডাঙ্গায় ফুটতো এবং সেই ফুলের নামানুসারে আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়েছে। আবার অনেকে মনে করেন অল্পডাঙ্গা বা আলিফাডাঙ্গা থেকে আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়। ১৯৬০ সালে আলফাডাঙ্গা থানাকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পূর্বে এটি ছিল যশোর জেলার নড়াইল মহাকুমার আওতাধীন। ভৌগলিক দিক থেকে আলফাডাঙ্গা একটি গুরুত্বপূর্ন স্থান। এখানে ইতিহাসের অনেক সাক্ষীবহন করে আছে।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

নদনদী[সম্পাদনা]

আলফাডাঙা উপজেলায় দুটি নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে মধুমতি নদীচন্দনা-বারাশিয়া নদী[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

মোঃ মনিরুল হক শিকদার আলফাডাঙ্গা উপজেলার কৃতী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। যিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার ফলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। আলফাডাঙ্গা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্হিত, আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সততা, আস্হা, ও দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার স্পর্শে ধন্য হয়েছে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজ পরিবার তথা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিকামী মানুষ।

বিবিধ[সম্পাদনা]

ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

মীরগঞ্জ নীলকুঠি[সম্পাদনা]

মীরগঞ্জ নীলকুঠি আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাংকুলা ও ফলিয়া গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে বারাশিয়া নদী সংলগ্ন অবস্থিত। ফরিদপুর অঞ্চলের নীল চাষের প্রধান কার্যালয় ছিল মীরগঞ্জ নীলকুঠি। ১৮৩৩ সালের পরবর্তী সময়ে এই কুঠির আওতায় ৫২টি কুঠি ছিল। এখানে এক ইংরেজ সাহেবের সমাধী ছিল। কুঠি ঘিরে এখানে গড়ে উঠেছিল বাজার।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে আলফাডাঙ্গা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৭, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৫, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]