পাকুন্দিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পাকুন্দিয়া
উপজেলা
পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদ
পাকুন্দিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
পাকুন্দিয়া
পাকুন্দিয়া
বাংলাদেশে পাকুন্দিয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°১৯′৫৫″ উত্তর ৯০°৪০′৫৯″ পূর্ব / ২৪.৩৩১৯৪° উত্তর ৯০.৬৮৩০৬° পূর্ব / 24.33194; 90.68306স্থানাঙ্ক: ২৪°১৯′৫৫″ উত্তর ৯০°৪০′৫৯″ পূর্ব / ২৪.৩৩১৯৪° উত্তর ৯০.৬৮৩০৬° পূর্ব / 24.33194; 90.68306 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাকিশোরগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট১৮০.৫২ বর্গকিমি (৬৯.৭০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১ [১])
 • মোট২,৩৭,২১৮
 • জনঘনত্ব১,৩০০/বর্গকিমি (৩,৪০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড২৩২৬ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৪৮ ৭৯
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

পাকুন্দিয়া বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

পাকুন্দিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা। এর আয়তন ১৮০.৫২ বর্গ-কিলোমিটার। পাকুন্দিয়াকে ঘিরে, পশ্চিমে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী দ্বারা ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা, দক্ষিণ পশ্চিমে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলা, দক্ষিণে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা, পূর্ব-দক্ষিণে কটিয়াদি উপজেলা, উত্তর দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা, উত্তর-পশ্চিমে হোসেনপুর উপজেলা। প্রধান নদী পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী। উপজেলার অভ্যন্তরে সিংগুয়া নামে আর একটি নদী বিল মইসবের থেকে কালিয়াচাপড়া হয়ে জেলার ভাটি এলাকা নিকলীর সাথে ঘোড়াউত্রা নদীতে মিশেছে।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই উপজেলা কিশোরগঞ্জ শহর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। কিশোরগঞ্জ জেলা সদর থেকে পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার।

একটি পৌরসভা হচ্ছে

  1. পাকুন্দিয়া পৌরসভা

ইউনিয়নগুলো হচ্ছে,[২]

  1. জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন, পাকুন্দিয়া
  2. চন্ডিপাশা ইউনিয়ন
  3. চরফরাদি ইউনিয়ন
  4. এগারসিন্দুর ইউনিয়ন
  5. হোসেন্দী ইউনিয়ন, পাকুন্দিয়া
  6. বুরুদিয়া ইউনিয়ন
  7. নারান্দী ইউনিয়ন
  8. পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন
  9. সুখিয়া ইউনিয়ন

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

সড়কপথই যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। এ উপজেলায় কোন রেল যোগাযোগ নেই।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

পাকুন্দিয়া উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২,১০৩,৫৫(প্রায়)। এর মধ্যে পুরুষ ৫১.২৬ শতাংশ এবং মহিলা ৪৮.৭৪ শতাংশ(ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ৯৫.৭৫ শতাংশ মুসলমান ও ৪.২৫ শতাংশ হিন্দু)।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

পাকুন্দিয়া উপজেলায় মোট কলেজের সংখ্যা ৮ টি।

১। পাকুন্দিয়া ডিগ্রী কলেজ, পাকুন্দিয়া।

২। পাকুন্দিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ, পাকুন্দিয়া।

৩। হোসেন্দী আদর্শ কলেজ, হোসেন্দী, পাকুন্দিয়া।

৪। হাজী জাফর আলী কলেজ, মঠ‌খোলা, পাকুন্দিয়া।

৫। শিমুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, শিমুলিয়া, পাকুন্দিয়া।

৬। জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, জাঙ্গালিয়া, পাকুন্দিয়া।

৭। চর আদর্শ ক‌লেজ ,চরকাওনা,পাকু‌ন্দিয়া।

৮।চর‌টেকী গার্লস ক‌লেজ,পাকু‌ন্দিয়া ।

পাকুন্দিয়া উপজেলায় মোট স্কুল সংখ্যা ১২ টি।

১।কালিয়া চাপড়া চিনি কল উচ্চ বিদ্যালয়।

২। শহীদ আলাউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর, পাকুন্দিয়া।

৩। বুরুদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বুরুদিয়া, পাকুন্দিয়া ।

৪। চরকাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া।

শিল্প প্রতিষ্টান[সম্পাদনা]

কালিয়া চাপড়া চিনিকল (বিলুপ্ত) বর্তমানে নিটল-‌নিলয় চিনিকল হিসেবে বেসরকারী পর্যায়ে এখনো চালু আছে। পাকু‌ন্দিয়ায় এক‌টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্র‌তিষ্টান আছে নাম ডেল্টা ফার্মা‌সি‌টিক্যাল। একটা কোল্ড স্টোরেজ আছে যার নাম এগারসিন্দুর কোল্ডস্টোরেজ, আজলদী,পাকুন্দিয়া, হিমাগার আছে, ছিরামদী, পাকুন্দিয়া, B A D C স্টোরেজ সরকারি যা পাকুন্দিয়া পৌরসভা, একটা ময়দা ফ্যাক্টরি. জাংগালিয়া, পাকুন্দিয়া, অটোরাইসমিল, পাকুন্দিয়া পৌরসভা, এখনও সব চালু আছে

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এ উপজেলা সবজির জন্য বিখ্যাত।প্রতি বছর এখানে অনেক সবজি ও ফল উৎপাদিত হয়।এখানের সবজি /ফল বিশেষ করে সিলেট,ঢাকা সহ সারা দেশে সারা বছর সরবরাহ করা হয়। মংগলবাড়িয়ার লিচুর ঐতিহাসিক খ্যাতি এ উপজেলাতেই।তাছাড়া এখানে প্রচুর ধানও উৎপাদিত হয়,যা এখানের খাবারের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি[সম্পাদনা]

নদ নদী[সম্পাদনা]

পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৪টি নদী রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী, বানার লোয়ার নদী এবং নরসুন্দা নদী[৪][৫] ঘোড়াউত্রা নদী

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • বারভূইয়াঁদের অন্যতম সোনার গাঁর শাসক ঈসা খাঁর দুর্গ হিসাবে পরিচিত এগারসিন্দুর পাকুন্দিয়ার ঐতিহাসিক স্থান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাপিডিয়া (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "পাকুন্দিয়া উপজেলা"http://bn.banglapedia.org/। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১৬  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৭ 
  3. সুবোধ সেনগুপ্ত; অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সম্পাদকগণ (নভেম্বর ২০১৩)। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড (দ্বিতীয় মুদ্রণ সংস্করণ)। সাহিত্য সংসদ, কলকাতা। পৃষ্ঠা ৫৩৬। আইএসবিএন 978-81-7955-135-6 
  4. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০১, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  5. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬০৮। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]