টুঙ্গিপাড়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টুংগীপাড়া
উপজেলা
টুংগীপাড়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
টুংগীপাড়া
টুংগীপাড়া
বাংলাদেশে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৫৩′৪৯″ উত্তর ৮৯°৫২′৫৪″ পূর্ব / ২২.৮৯৬৯৪° উত্তর ৮৯.৮৮১৬৭° পূর্ব / 22.89694; 89.88167স্থানাঙ্ক: ২২°৫৩′৪৯″ উত্তর ৮৯°৫২′৫৪″ পূর্ব / ২২.৮৯৬৯৪° উত্তর ৮৯.৮৮১৬৭° পূর্ব / 22.89694; 89.88167 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাগোপালগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট১২৭.২৫ কিমি (৪৯.১৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট৯৯,৭০৫
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫৩%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৮১০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৩৫ ৯১
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

টুংগীপাড়া উপজেলা বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। এ উপজেলায় জন্মগ্রহন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

আয়তন ১২৭.২৫ বর্গ কিলোমিটার। টুংগীপাড়া উপজেলার উত্তরে রয়েছে গোপালগঞ্জ জেলা সদর, দক্ষিণে ও পশ্চিমে মধুমতি নদী

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

পৌরসভা ১টিঃ

  • টুংগীপাড়া পৌরসভা

ইউনিয়ন ৫টিঃ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নামকরণ[সম্পাদনা]

শোনা যায় পারস্য এলাকা থেকে আগত কতিপয় মুসলিম সাধক অত্র এলাকার প্লাবিত অঞ্চলে টং বেঁধে বসবাস করতে থাকেন এবং কালক্রমে ঐ টং থেকেই নাম হয় টুংগীপাড়া।

মুক্তিযুদ্ধে টুংগীপাড়া[সম্পাদনা]

১৭ মার্চে পাটগাতি বাজারে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। ধানমন্ডি ৩২ থেকে শেখ জামাল পালিয়ে গেলে তাকে খোঁজ করতে হানাদার বাহিনী ১৯ মে ১৯৭১ তারিখে বঙ্গবন্ধুর বাড়ীতে চলে আসে। এ সময় তারা বঙ্গবন্ধুর বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। ঐ দিন হানাদার বাহিনী নির্মম ভাবে এই গ্রামের ছয় জনকে গুলি করে হত্যা করে। ভারতের বাগুন্ডিয়া ক্যাম্প থেকে মূলত টুংগীপাড়ার অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষন ও অস্ত্র নিয়েছিলেন। টুংগীপাড়ায় বড় ধরনের কোন যুদ্ধ হয়নি। কারণ সে সময় এ অঞ্চল ছিল দূর্গম। এ কারণে হানাদার বাহিনী নদী দিয়ে গানবোট নিয়ে টহল দিত। তাই এ অঞ্চলের যোদ্ধারা দেশের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ করেছে।[১]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এলাকার মানুষের প্রধান উপজীবিকা কৃষি। তবে চাকুরীজীবি ও ব্যবসায়ীর রয়েছে।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

নদনদী[সম্পাদনা]

টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় তিনটি নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে ঘাঘর নদী, মধুমতি নদী, দাড়ির গাঙ নদী, কাটাখাল নদী এবং শালদহ নদী[২][৩]

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

  • বঙ্গবন্ধুর মাজার কমপ্লেক্স,
  • শেখ রাসেল পৌর শিশু পার্ক,
  • বর্নির বাওড়,
  • মধুমতি নদীর উপর পাটগাতি সেতু,
  • মধুমতি নদী
  • [বাঘিয়া বিল]
  • বঙ্গবন্ধুর পৈতৃক বাড়ি
  • গওহরডাংগা মাদরাসা।

বিবিধ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [১] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ আগস্ট ২০১৩ তারিখে, additional text
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৮, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬০৬। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]