গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গোপালগঞ্জ সদর
উপজেলা
গোপালগঞ্জ সদর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গোপালগঞ্জ সদর
গোপালগঞ্জ সদর
বাংলাদেশে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°০১′০০″উত্তর ৮৯°৫০′০০″পূর্ব / ২৩.০১৬৭° উত্তর ৮৯.৮৩৩৩° পূর্ব / 23.0167; 89.8333স্থানাঙ্ক: ২৩°০১′০০″উত্তর ৮৯°৫০′০০″পূর্ব / ২৩.০১৬৭° উত্তর ৮৯.৮৩৩৩° পূর্ব / 23.0167; 89.8333
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা গোপালগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট ৩৮৯.৪২ কিমি (১৫০.৩৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩,১৯,৯৩৪
 • ঘনত্ব ৮২০/কিমি (২১০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৪.৫৩%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট https://sadar.gopalganj.gov.bd


গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তরে- মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী উপজেলা ও নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা। পূর্বে- কোটালীপাড়া উপজেলা ও মাদারিপুর জেলার রাজৈর উপজেলা, দক্ষিণে- টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ও বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলা, পশ্চিমে - নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলা ও বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে গোপালগজ্ঞ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারিপুর মহকুমা ও থানাধীন ছিল। ঐ সময়ে মাদারিপুরের সাথে এ এলাকায় জলপথ ছাড়া কোন স্থল পথের সংযোগ ছিল না। কোন স্টীমার বা লঞ্চ চলাচলও ছিল না। কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়া নৌকা, গয়না নৌকা, ইত্যাদি ছিল চলাচলের একমাত্র বাহন। যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন ছিল খুবই দুর্বল। মামলায় আসামীরা গ্রেফতারের ভয়ে দুর্গম বিল অঞ্চলে আত্বগোপন করে থাকত। এ সমস্ত অসুবিধার দরুন ১৮৭০ সালে গোপালগজ্ঞ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। ক্রমান্বয়ে এ অঞ্চলের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। বর্তমানে যেখানে থানা অবস্থিত ঐ স্থানে একটি টিনের ঘরে থানা অফিসের কাজকর্ম চালু করা হয়। ১৯০৯ খ্রি. সদর মহকুমা থেকে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর থানা এবং মাদারিপুর থেকে গোপালগজ্ঞ ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। মিশন স্কুলের দক্ষিণ পার্শ্বে দেওয়ানী আদালত ও সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের স্থান নির্দিষ্ট হয়। তার দক্ষিণে মোক্তার লাইব্রেরীসহ ফৌজদারী আদালত ভবন ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্ধারিত হয়। বর্তমানে যেখানে ডিসি অফিস সেখানে বিরাটকায় চারচালা গোলপাতার ঘর বাঁশের বেড়া দিয়ে ফৌজদারী কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্মিত হয়। তার দক্ষিণে বর্তমান জেলখানার স্থানে একটি বিরাটকায় গোলের ঘর তুলে মজবুত বাঁশের বেড়া অস্থায়ী জেলখানা নির্মিত হয়। বর্তমানে যেখানে মোক্তার বার ভবন ঐ স্থানে একটি ছনের ঘরে মোক্তারগণ আইন ব্যবসা শুরু করেন। ঐ সময়ে কোন উকিল এখানে আইন ব্যবসা করতে আসেনি। গোপালগজ্ঞের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগজ্ঞ পৌরসভা গঠিত হয়। পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান পান্না বিশ্বাস। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়। প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন এইচ নুর মোহাম্মদ।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ : ২১ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ১৩৯ মাদ্রাসা : ৭২

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

গোপালগঞ্জ মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। এখানে ধান, গম, পাট, আখ, নানা ধরনের সব্জি জন্মে। এছাড়া মৎস আহরণসহ এ জায়গার লোকজন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে প্রবাসে বসবাসকারীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নদনদী[সম্পাদনা]

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে মধুমতি নদী, মাদারিপুর নদী এবং আঠারোবাঁকি নদী[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৭, ISBN 978-984-8945-17-9
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


গোপালগঞ্জ জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানাঃ কোটালীপাড়া | মুকসুদপুর | টুঙ্গীপাড়া | কাশিয়ানী | গোপালগঞ্জ সদর |