গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
গোপালগঞ্জ সদর
উপজেলা
গোপালগঞ্জ সদর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গোপালগঞ্জ সদর
গোপালগঞ্জ সদর
বাংলাদেশে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°০′৫২″ উত্তর ৮৯°৪৯′৫৭″ পূর্ব / ২৩.০১৪৪৪° উত্তর ৮৯.৮৩২৫০° পূর্ব / 23.01444; 89.83250স্থানাঙ্ক: ২৩°০′৫২″ উত্তর ৮৯°৪৯′৫৭″ পূর্ব / ২৩.০১৪৪৪° উত্তর ৮৯.৮৩২৫০° পূর্ব / 23.01444; 89.83250 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা গোপালগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট ৩৮৯.৪২ কিমি (১৫০.৩৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩,১৯,৯৩৪
 • ঘনত্ব ৮২০/কিমি (২১০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৪.৫৩%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৮১০০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তরে- মুকসুদপুর উপজেলা, কাশিয়ানী উপজেলা ও নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা। পূর্বে- কোটালীপাড়া উপজেলা ও মাদারিপুর জেলার রাজৈর উপজেলা, দক্ষিণে- টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ও বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলা, পশ্চিমে - নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলা ও বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে গোপালগঞ্জ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারিপুর মহকুমা ও থানাধীন ছিল। ঐ সময়ে মাদারিপুরের সাথে এ এলাকায় জলপথ ছাড়া কোন স্থল পথের সংযোগ ছিল না। কোন স্টীমার বা লঞ্চ চলাচলও ছিল না। কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়া নৌকা, গয়না নৌকা, ইত্যাদি ছিল চলাচলের একমাত্র বাহন। যোগাযোগ অসুবিধার দরুন ১৮৭০ সালে গোপালগঞ্জ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। ১৯০৯ খ্রি. সদর মহকুমা থেকে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর থানা এবং মাদারিপুর থেকে গোপালগঞ্জ ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগজ্ঞ পৌরসভা গঠিত হয়। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ : ২১ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ১৩৯ মাদ্রাসা : ৭২

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

গোপালগঞ্জ মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। এখানে ধান, গম, পাট, আখ, নানা ধরনের সবজি জন্মে। এছাড়া মৎস্য আহরণসহ এ জায়গার লোকজন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে প্রবাসে বসবাসকারীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নদনদী[সম্পাদনা]

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে মধুমতি নদী, মাদারিপুর নদী এবং আঠারোবাঁকি নদী[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • ফিরোজা বেগম( সংগীতশিল্পী)

বিবিধ[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক নিদর্শন ও ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৯৭, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]