গোয়ালন্দ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
গোয়ালন্দ
উপজেলা
গোয়ালন্দ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গোয়ালন্দ
গোয়ালন্দ
বাংলাদেশে গোয়ালন্দ উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৪′১৬″ উত্তর ৮৯°৪৫′৩৬″ পূর্ব / ২৩.৭৩৭৭৮° উত্তর ৮৯.৭৬০০০° পূর্ব / 23.73778; 89.76000স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৪′১৬″ উত্তর ৮৯°৪৫′৩৬″ পূর্ব / ২৩.৭৩৭৭৮° উত্তর ৮৯.৭৬০০০° পূর্ব / 23.73778; 89.76000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ঢাকা বিভাগ
জেলা রাজবাড়ী জেলা
আয়তন
 • মোট ১২২ কিমি (৪৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,৩৮,২৫৭
 • ঘনত্ব ১১০০/কিমি (২৯০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট %
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

গোয়ালন্দ বাংলাদেশের রাজবাড়ী জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই উপজেলার অবস্থান ২৩°৪৪′০০″ উত্তর ৮৯°৪৫′৪০″ পূর্ব / ২৩.৭৩৩৩° উত্তর ৮৯.৭৬১১° পূর্ব / 23.7333; 89.7611। এই উপজেলার উত্তরে বেড়া উপজেলাশিবালয় উপজেলা, দক্ষিণে ফরিদপুর সদর উপজেলারাজবাড়ী সদর উপজেলা, পূর্বে শিবালয় উপজেলাহরিরামপুর উপজেলা, পশ্চিমে রাজবাড়ী সদর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

নির্বাচনী এলাকাঃ রাজবাড়ী -১ থানাঃ ০১ টি পৌরসভাঃ ০১টি ইউনিয়নঃ ০৪টি মৌজাঃ ১১৫ সরকারী হাসপাতালঃ ১টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিকঃ ০৪টি অফিসার্স ক্লাবঃ০১ টি পৌষ্ট অফিসঃ০১টি নদ-নদীঃ০১টি হাট-বাজারঃ০৫টি ব্যাংকঃ ০৩ টি

পৌরসভা ১টি- গোয়ালন্দ পৌরসভা

  • ইউনিয়নসমূহঃ

১.দৌলতদিয়া ইউনিয়ন ২.দেবগ্রাম ইউনিয়ন ৩.ছোটভাকলা ইউনিয়ন ৪.উজানচর ইউনিয়ন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮ শতাব্দীর শেষভাগে কুঁশাহাটা ঘাটে গোয়ালন্দের গোরাপত্তন হয়। দৌলতদিযা ইউনিয়নের কুঁশাহাট মৌজার পার্শ্বেই ছোট গোয়ালন্দ নামের একটি ছোট মৌজার সন্ধান পাওয়া যায় যা পাবনা জেলার সীমান সংলগ্ন পদ্মা যমুনার সীমা রেখার কাছাকাছি । পদ্মা যমুনার যৌবন জৌলুসের দিনে এক জীঘাংসু প্রকৃতির জলদস্যুর বিচরণ ছিল এ অঞ্চলে। গঞ্জালিশ নামের এ জলদস্যু পদ্মা মেঘনা যমুনায় ডাকাতি করে বেড়াত, যতদূর জানা যায় তার নামানুসারেই গঞ্জালিশ থেকে কালক্রমে গোয়ালন্দ নামের উৎপত্তি । গোয়ালন্দ ঘাটে গ্যাঞ্জেল ঘাট নামক স্থানে অতীতে জাহাজ নোঙ্গর করা হতো। এ পর্যন্ত ১১ বার নদী ভাঙ্গন/চর পড়ার কারণে গোয়ালন্দ ঘাট স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

জনসংখ্যাঃ ১,৩৮,২৫৭ জন ঘনত্বঃ ৭৮৭ জন প্রতিবর্গ কিলোমিটার

শিক্ষা[সম্পাদনা]

36.8%

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে গোয়ালন্দ দুই দশকের গোয়ালন্দ ( নিয়াজ মোর্শেদ 'পরাগ' ) : পর্ব-১ .............................................................................................. দুই দশকের গোয়ালন্দ বলতে একটি সময়-পরিসর নির্দেশ করা হয়েছে। নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গোয়ালন্দের সব কিছু মিলেমিশে বিপুল স্মৃতির ভান্ডার গড়ে উঠেছে। ১৯৭৫ সালের পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক চরিত্র নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে এবং তারও পরে দ্রুত প্রসারমান প্রযুক্তির জোয়ারে জীবন-জীবীকার ধরন ও ধারণায় আমূল পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। শুরু হয়েছে আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের নতুন অধ‌্যায়। এ অধ‌্যায়ে আপাতত প্রবেশ না করে স্মৃতির রাশ টেনে ধরেছি। তবে, অনিবার্য ক্ষেত্রে হয়তো এই সময় পরিসরের পেছনের কথা এসে গেছে। সামনের কথা সামনের প্রজন্মের মেধাবী ছেলেমেয়েরা তুলে ধরবে। গোয়ালন্দ মহকুমার জন্ম ও মৃত‌্যু ............................................ গোয়ালন্দের ঐতিহাসিক তথ্যাদি খুব বেশি জানা যায় না। এখনও পর্যন্ত নথীপত্র ঘেঁটে সে সব তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয় নি। সরকারীভাবে, সাংগঠনিকভাবে বা ব‌্যক্তিগত উদ‌্যোগে এই শ্রমসাধ‌্য কাজে কেউ-ই হাত দেন নি। হালে ফরিদপুর জেলা এবং রাজবাড়ি জেলার ইতিহাস নিয়ে কিছু বই লেখা হয়েছে এবং ইন্টারনেটেও কিছু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ সব উৎস থেকে জানা যায়, গোয়ালন্দ, ফরিদপুর সদর, মাদারিপুর এবং গোপালগঞ্জ - এই চারটি মহকুমা নিয়ে ফরিদপুর জেলা গঠিত হয়েছিল। গোয়ালন্দ মহকুমার অধীন চারটি থানা ছিল যথাক্রমে গোয়ালন্দ, রাজবাড়ি, পাংশা এবং বালিয়াকান্দি। বৃটিশ আমল থেকে ভারত বিভাগের পর বহু বছর পর্যন্ত গোয়ালন্দের খ্যাতি ছিল। এ খ্যাতির জন্য গোয়ালন্দের রেল ও নৌ-বন্দরের ভুমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বৃটিশ আমল থেকে বিদ্যমান প্রশাসনিক গঠন-কাঠামো অনুযায়ী কয়েকটি থানা নিয়ে একটি মহকুমা গঠিত হতো এবং কয়েকটি মহকুমা নিয়ে একটি জেলা গঠিত হতো। এ নিয়ম স্বাধীন বাংলাদেশের আশির দশকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বহাল ছিল। ফরিদপুর জেলা ১৭৮৬ সালে গঠিত হলেও তখন এটির নাম ছিল জালালপুর এবং প্রধান কার্যালয় ছিল ঢাকা। ১৮০৭ সালে জালালপুর ঢাকা হতে বিভক্ত হয়ে ফরিদপুর জেলা নামে অভিহিত হয় এবং সদর দফতর স্হাপিত হয় ফরিদপুর শহরে। গোয়ালন্দ, ফরিদপুর সদর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ - এই চারটি মহকুমা সমন্বয়ে ফরিদপুর জেলা পূর্ণতা পায়। (সূত্র: সরকারি ওয়েবসাইট: www.faridpur.gov.bd/)। ১৮৭১ সালে গোয়ালন্দ মহকুমা গঠিত হলে পাংশা ও রাজবাড়ি এই নতুন মহকুমার সঙ্গে যুক্ত হয় এবং রাজবাড়িতে মহকুমা সদর দফতর স্হাপিত হয়। ১৯৮৩ সালে সরকার প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রতিটি থানাকে উন্নীত থানায় রূপান্তরিত করলে রাজবাড়িকে মান উন্নীত থানা ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৩ সালের ১৮ই জুলাই থেকে সরকার অধ্যাদেশ জারী করে সকল মান উন্নীত থানাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করার ফলে রাজবাড়ি উপজেলা হয়। অবশেষে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ সকল মহকুমা জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। গোয়ালন্দ ছিল মহকুমা। সরকারী অধ্যাদেশ অনুযায়ী গোয়ালন্দ স্বাভাবিকভাবেই জেলায় উন্নীত হওয়ার কথা। কিন্তু, কিছু খোঁড়া যুক্তি বের করে রাজবাড়িকে জেলায় রূপান্তরিত করা হয়। (সূত্র: সরকারি ওয়েবসাইট: www.rajbari.gov.bd/)"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  অজানা প্যারামিটার |1= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); line feed character in |title= at position 19 (সাহায্য); এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]