আতাউস সামাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আতাউস সামাদ
আতাউস সামাদ.jpeg
জন্ম(১৯৩৭-১১-১৬)১৬ নভেম্বর ১৯৩৭
মৃত্যু২৬ সেপ্টেম্বর ২০১২(2012-09-26) (বয়স ৭৪)
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পরিচিতির কারণসাংবাদিক
দাম্পত্য সঙ্গীকামরুন্নাহার রেনু
সন্তানএক ছেলে ও দুই মেয়ে
পুরস্কারএকুশে পদক

আতাউস সামাদ (জন্ম: ১৬ নভেম্বর, ১৯৩৭ - মৃত্যু: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২) বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক লাভ করেন।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

আতাউস সামাদের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর ময়মনসিংহে। তার মাতৃভূমি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার সতেরদরিয়া গ্রামে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিলাভের পর ১৯৫৯ সালে সাংবাদিকতা শুরু করেন।[১] তার স্ত্রীর নাম কামরুন্নাহার রেনু। তিনি দীর্ঘদিন প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশে (পিআইবি) কর্মরত ছিলেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। [২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৫৯ সালে সাংবাদিকতা শুরু করেন আতাউস সামাদ। ১৯৬৯১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টের (ইপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান অবজারভারের চিফ রিপোর্টারের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। এ ছাড়া তিনি ১৯৮২ সাল থেকে টানা ১২ বছর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নিউজের বাংলাদেশ সংবাদদাতা ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন।[৩] এছাড়া তিনি সাপ্তাহিক ‘এখন’ এর সম্পাদক ছিলেন। বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভি’র নির্বাহী প্রধান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি আতাউস সামাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও কাজ করেছেন।

== পুরস্কার ও সম্মাননা = সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক লাভ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বিডিনিউজ ২৪ ডট কম"। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  2. বাংলানিউজ ২৪ ডট কম[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. দৈনিক প্রথম আলো

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]