গজারিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গজারিয়া
উপজেলা
গজারিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গজারিয়া
গজারিয়া
বাংলাদেশে গজারিয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩২′৪৭″ উত্তর ৯০°৩৬′৩১″ পূর্ব / ২৩.৫৪৬৩৯° উত্তর ৯০.৬০৮৬১° পূর্ব / 23.54639; 90.60861স্থানাঙ্ক: ২৩°৩২′৪৭″ উত্তর ৯০°৩৬′৩১″ পূর্ব / ২৩.৫৪৬৩৯° উত্তর ৯০.৬০৮৬১° পূর্ব / 23.54639; 90.60861 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলামুন্সিগঞ্জ জেলা
আয়তন
 • মোট১৩১ কিমি (৫১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)[১]
 • মোট১,৩৮,১০৮
 • জনঘনত্ব১১০০/কিমি (২৭০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫৩.৭৭%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

গজারিয়া উপজেলা বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। এটি একটি সুপ্রাচীন জনপদ।[২]

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

গজারিয়া উপজেলার উত্তর-পশ্চিমে নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা, দক্ষিণে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা ও পুর্বে মেঘনা উপজেলা এবং দক্ষিণ পশ্চিমে চাঁদপুরের মতলব উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

১৯৫৪ সালে গজারিয়া থানা প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় রুপান্তরিত হয়। এই উপজেলায় মোট ৮টি ইউনিয়ন, ১১৪টি মৌজা এবং ১২০টি গ্রাম রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় ১৯৭১ সালের ৯ মে পাকবাহিনী স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে প্রায় ৬০ জন নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা করে। ১৪ মে মুক্তিযোদ্ধারা বোমা বিস্ফোরণের সাহায্যে ভাটেরচর ব্রীজ ধ্বংস করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ২২ মে পাকবাহিনী বাউশিয়া গ্রামের অধিকাংশ বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে। ৩ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাটেরচর বেইলি ব্রিজ ধ্বংস করার সময় পাকবাহিনীর আক্রমণে ৯জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৮ ডিসেম্বর পাকবাহিনী ভবেরচরে ১০জন কিশোরকে হত্যা করে এবং ৯ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ১জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ১৪ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর বিমান হামলায় পাকবাহিনীর ২টি গানবোট ডুবে যায় এবং এই দিনে গজারিয়া উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গণকবর ১(ভবেরচর)

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুসারে এখানকার লোকসংখ্যা ১,৩৮,১০৮ জন; যার মধ্যে পুরুষ ৬৯,৬৯৮ জন এবং মহিলা ৬৮,৪১০ জন। এখানে মোট মুসলমান ১,৩৩,৪৫৩ জন, হিন্দু ৪,৬৩১ জন এবং অন্যান্য ৩০ জন।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ

  • বিশ্ববিদ্যালয় - ১টি,
  • কলেজ - ২টি,
  • ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ - ১টি,
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ১২টি,
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৬৭টি,
  • ভকেশনাল ইন্সটিটিউট - ১টি,
  • মাদ্রাসা - ৫টি,
  • কিন্ডারগার্ডেন স্কুল - ৬৩টি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

১.আল্লামা ইসহাক ফরীদী রহঃ,

২.ডাঃ আবদুল গাফফার খান ( সাবেক গজারিয়া জনকল্যাণ সমিতি সভাপতি)

৩.অালহাজ্ব অাব্দুল হাই (সাবেক মন্ত্রী ও ৫ বারের সংসদ সদস্য)

৪.অালহাজ্ব কলিমউল্লাহ (জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি,গজারিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান, দানবীর)

৫.মেজর জসীমউদ্দিন (অব:) (সাবেক গজারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান)।

দর্শনীয় এলাকা[সম্পাদনা]

  • রাধাকৃষ্ণ মন্দির - ভবেরচর,
  • মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট- বালুয়াকান্দি,
  • ময়ূর রিসোর্ট - ষোলআনি,
  • পিং পং কিডস পার্ক - ভবেরচর।
  • শ্রীচৈতন্য মন্দির -মধ্য বাউশিয়া

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে গজারিয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "গজারিয়ার পটভূমি"munshiganj.gov.bd। ১৭ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]