পাগলা মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাগলা মসজিদ
باجلا مسجد
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম
নেতৃত্বমুফতি খলিলুর রহমান, পেশ ইমাম
পৃষ্ঠপোষকওয়াকফ্ স্টেট
অবস্থান
অবস্থানকিশোরগঞ্জ সদর
দেশ বাংলাদেশ
স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলীআধুনিক
অর্থায়নেমুসল্লি
নির্দিষ্টকরণ
ধারণ ক্ষমতা১৫০০
অভ্যন্তরীণ এলাকা৩.৮৮ একর
গম্বুজসমূহ
মিনারসমূহ
মসজিদটিতে ২৪ ঘণ্টা দান-খয়রাত করার ব্যবস্থা রয়েছে
নরসুন্দা নদীর তীরে পাগলা মসজিদ

পাগলা মসজিদ বা পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ যা কিশোরগঞ্জ সদরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত।[১] তিন তলা বিশিষ্ট মসজিদটিতে একটি সুউচ্চ মিনার রয়েছে। মসজিদ কমপ্লেক্সটি ৩ একর ৮৮ শতাংশ জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত।[২] ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ্ স্টেট মসজিদটি পরিচালনা করছে।[৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পাগলা মসজিদটি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার হারুয়া নামক স্থানে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত।[৩][৪][৫] জনশ্রুতি অনুসারে, ঈসা খান-র আমলে দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে জিল কদর পাগলা নামক একজন ব্যক্তি নদীর তীরে বসে নামাজ পড়তেন। পরবর্তীতে স্থানটিতে মসজিদটি নির্মত হয়। জিল কদর পাগলার নামানুসারে মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ হিসেবে পরিচিতি পায়।।[৩] অপর জনশ্রুতি অনুসারে, তৎকালীন কিশোরগঞ্জের হয়বতনগর জমিদার পরিবারের ‘পাগলা বিবি’র নামানুসারে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।।[৩]

সমাজ কল্যাণ[সম্পাদনা]

মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসায় এর অর্থ ব্যয় করা হয়। এবার মসজিদের আয় দিয়ে কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে দেওয়া হয়। [৬]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

পাগলা মসজিদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা এবং এর তিনটি গম্বুজ, কিশোরগঞ্জ

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক 'পাগলা মসজিদ'"ঢাকা টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  2. "বাংলাদেশের পাগলা মসজিদ!"বাংলা নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  3. "পাগলা মসজিদের ইতিকথা"ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  4. "ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ"কিশোরগঞ্জ জেলা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  5. "জীবন্ত কিংবদন্তি কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ"কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  6. "পাগলা মসজিদের সিন্দুকে পাওয়া গেল ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা"