স্যামসাং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাম্সেওং দল (স্যামসাং গ্রুপ)
삼성그룹 (三星그룹)
সাম্-সেওং গেউরুব্
ধরন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি
শিল্প গ্রুপ
প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৮
প্রতিষ্ঠাতা লি বাইয়োং চাল্‌
সদর দপ্তর স্যামসাং টাউন, সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
অঞ্চলিক পরিসেবা বৈশ্বিক
প্রধান ব্যক্তি লি কুন হি
(চেয়ারম্যান , স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স)
পণ্য এপারেল, রসায়ন, ইলেক্ট্রনিক্স,ইলেকট্রিক কমপোনেন্টস, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট, ক্ষুদ্র যন্ত্রপাতি, অর্ধপরিবাহী, জাহাজ, যোগাযোগ
পরিসেবা বিজ্ঞাপন, বিনির্মান, বিনোদন, আর্থিক সেবা, আতিথিয়তা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, medical services, খুচরা ব্যবসা
আয় বৃদ্ধি US$ ৩২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৩)[১]
নীট আয় বৃদ্ধি ৩০.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৩)[১]
মোট সম্পদ বৃদ্ধি ১০০.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৩)[১]
মোট ইকুইটি বৃদ্ধি ৭০.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৩)[১]
কর্মীসংখ্যা ৪২৭,০০০ (২০১৩)[১]
ওয়েবসাইট Samsung.com

সাম্সেওং দল বা স্যামসাং গ্রুপ (হাঙ্গুল্: 삼성그룹, হাঞ্জা: 三星그룹) একটি দক্ষিণ কোরীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। এরা বিভিন্ন খাতে ব্যবসা করে থাকে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সাম্সেওং ইলেকট্রনিক্স যারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। সাম্সেওং দল কোরিয়ার সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান। এর বর্তমান চেয়ারম্যান হচ্ছেন "ই গেওন্-হ্বি, যিনি স্যামসাং-এর প্রতিষ্ঠাতা 'ই ব্যেওং-চেওল্'-এর তৃতীয় সন্তান। কোরীয় ভাষায় "সাম্সেওং"-এর অর্থ "তিন তারকা"।

পরিচ্ছেদসমূহ

নামকরণ[সম্পাদনা]

স্যামসাং গ্রুপ এর প্রতিষ্ঠাতা অনুযায়ী জানা যায়, কোরিয়ান হাঞ্জা শব্দের অর্থ স্যামসাং () "Tristar" বা "তিনটি তারা" বোঝানো হয়।বড়, অনেক এবং শক্তিশালী কথাগুলো প্রতিনিধিত্ব করে এই "তিন" শব্দটি।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৩৮ থেকে ১৯৭০[সম্পাদনা]

১৯৩০ সালে ডেইগ শহরে সানঘো সদর দপ্তর

১৯৩৮ সালে, ইউইয়াং কাউন্টির মধ্যে বিশাল ভূসম্পত্তি পরিবারের লি বাইয়োং চাল্‌ (১৯১০–১৯৮৭) ডেইগ শহরের কাছাকাছি আসেন এবং স্যামসাং সানঘো প্রতিষ্ঠা করেন (삼성 상회, 三星 商會), সু-ডং(বর্তমানে ইনয়ো-ডং)[৩]-এ অবস্থিত চল্লিশ কর্মী নিয়ে একটি ছোট ব্যাবসায়ী কোম্পানী চালু করেন।উৎপাদিত মুদিখানার পণ্যদ্রব্য মোকবেলায় সমগ্র শহরে তারা নিজস্ব উৎপাদিত নুডলস সরবরাহ করা শুরু করে। ১৯৪৭ সালে লি এর মূল অফিস সিউল-এ স্থানান্তর করেন।যখন কোরিয়ান যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে লি সিউল ছাড়তে বাধ্য হন এবং বুসান শহরে চেল যেডাং নামের চিনি শোধনাগার চালু করেন।যুদ্ধের পর, ১৯৫৪ সালে লি চাল মোজিক প্রতিষ্ঠা করেন এবং চিমযান-ডং,ডেইগ শহরে এ প্ল্যান্ট নির্মাণ করেন।এটি দেশের মধ্যে সর্বকালের বৃহত্তম সেরা পশমী কল এবং কোম্পানী একটি প্রধান কোম্পানির দৃষ্টিভঙ্গি লাভ করেন।

স্যামসাং অনেক এলাকায় বিচিত্রতা লাভ করে এবং লি স্যামসাং কোম্পানিকে স্থাপন করতে চান শিল্প দৃষ্টান্ত হিসেবে, তাই বীমা, অর্থপত্র, এবং খুচরা হিসাবে ব্যবসার পরিবর্তন ঘটান।প্রেসিডেন্ট পার্ক চুং হি শিল্পায়ন উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তিনি দেশের আভ্যান্তরীন আর্থিকভাবে উন্নয়নের কৌশল নিবন্ধন করেন, যাতে প্রতিযোগিতা থেকে তাদের রক্ষা এবং আর্থিকভাবে তাদের সাহায্য করা যায়।[৪]

১৯৪৭ সালে, স্যামসাং গ্রুপ প্রতিষ্ঠাতা লি বাইয়োং চাল্‌ এর সাথে চো হং যাই (হইসাং গ্রুপ এর প্রতিষ্ঠাতা) যৌথভাবে স্যামসাং মুলসন গোনসা (삼성 물산 공사), বা স্যামসাং ট্রেডিং কর্পোরেশন বলা হয় তাতে বিনিয়োগ করেন।বানিজ্য প্রতিষ্ঠানটি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমান স্যামসাং সিএন্ডটি কর্পোরেশন হয়।ভিন্ন ব্যবস্থাপনা পার্থক্য কারণে কিছু বছর পর চো এবং লি বিভক্ত হয়ে যান।সে কোম্পানিরে ৩০ ভাগ শেয়ার চান।নিষ্পত্তির পর স্যামসাং গ্রুপ, হইসাং গ্রুপ, হেনকক টায়ার এবং অন্যদের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যায়।[৫][৬]

১৯৬০ সালে স্যামসাং গ্রুপ ইলেকট্রনিক্স শিল্পে প্রবেশ করে।সুয়োন Suwon সুবিধার মাধ্যমে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, স্যামসাং ইলেক্ট্রো-যন্ত্রসংক্রান্ত, স্যামসাং ক্রোনিং, স্যামসাং সেমিকন্ডাক্টর ও টেলিযোগাযোগ বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক্স সংক্রান্ত বিভাগ গঠন করে।প্রথম ইলেকট্রনিক্স পণ্য একটি সাদা কালো টেলিভিশন সেট।

১৯৭০ থেকে ১৯৯০[সম্পাদনা]

SPC-1000, ১৯৮২ সালে প্রবর্তিত।স্যামসাং এর প্রথম ব্যক্তিগত কম্পিউটার (শুধুমাত্র কোরিয়ান বাজার) এবং অডিও ক্যাসেট টেপ এর মধ্যে তথ্য লোড এবং সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়-বিকল্প ছিল ফ্লপি ড্রাইভ[৭]

১৯৮০ সালে, স্যামসাং গুমি ভিত্তিক হ্যানগক যওনিয়া টংযান অর্জন ও টেলিযোগাযোগ হার্ডওয়্যার শিল্প প্রবেশ করে।তাদের প্রাথমিকভাবে পণ্য ছিল সুইচবোর্ড।টেলিফোন ও ফ্যাক্স উৎপদনের পদ্ধতির মধ্যে আরো উন্নত করা হয় এবং স্যামসাং এর মোবাইল ফোন উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোল হয়। তারা ৮০০ মিলিয়ন মোবাইল ফোন উৎপাদন করেছিল সেই সময়।[৮]১৯৮০ সালে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স নামক গ্রুপের অধীনে, কোম্পানী একসঙ্গে করে।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠাতা লি এর মৃত্যুর পর- স্যামসাং গ্রুপ, শিনছুজিয়া গ্রুপ, সিজে গ্রুপ, এবং হ্যানছিল গ্রুপ এ চার ব্যবসায়িক ভাগে স্যামসাং গ্রুপ বিভক্ত করা হয়।[৯]শিনছুজিয়া (মূল্য ছাড়ের দোকান, ডিপার্টমেন্ট স্টোর) মূলত স্যামসাং গ্রুপ এর অংশ, সিজে গ্রুপ (খাদ্য / কেমিক্যালস / বিনোদন / সরবরাহ) এবং হ্যানছিল গ্রুপ (কাগজ / টেলিকম) সহ স্যামসাং গ্রুপ থেকে ১৯৯০ সালে বিভক্ত হয়।বর্তমানে এই পৃথক গ্রুপ স্বাধীন এবং তারা স্যামসাং গ্রুপের অংশ এর সাথে সংযুক্ত নয়।[১০]হ্যানছিল গ্রুপের একজন প্রতিনিধি বলেন, "তাই অযৌক্তিক কিছু বিশ্বাস করতে পারে ব্যবসা বিশ্বের শাসক, আইন সম্পর্কে অজ্ঞ শুধু মানুষ", যোগ করা, "যখন হ্যানছিল গ্রুপ ১৯৯১ সালে স্যামসাং গ্রুপ থেকে বিভক্ত হয়, এটা স্যামসাং অনুমোদিত সব পেমেন্ট গ্যারান্টী এবং শেয়ারের জোত বন্ধন ছিন্ন করে"।"এক হ্যানছিল গ্রুপের উৎস দাবী করে "হ্যানছিল, শিনছুজিয়া, এবং সিজে স্যামসাং গ্রুপ থেকে তাদের নিজ নিজ বিচ্ছিন্নতার থেকে স্বাধীন ব্যবস্থাপনার অধীন হয়েছে"।একজন শিনছুজিয়া ডিপার্টমেন্ট স্টোর এর নির্বাহী পরিচালক বলেন-"শিনছুজিয়া স্যামসাং গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত পেমেন্ট নিশ্চয়তা আছে।"[১০]

১৯৮০ সালে, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স গবেষণা ও উন্নয়ন কাজে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করতে শুরু করে, বিশ্বব্যাপী ইলেকট্রনিক্স শিল্প সামনের সারিতেই কোম্পানী এগিয়ে নিতে কেন্দ্রীয়ভাবে বিনিয়োগ শুরু করেন।১৯৮২ সালে পর্তুগালে একটি টেলিভিশন অ্যাসেম্বলি এর প্ল্যান্ট নির্মান করেন, ১৯৮৪ সালে নিউ ইয়র্ক-এ প্ল্যান্ট, ১৯৮৫ সালে টোকিওতে একটি প্ল্যান্ট, ১৯৮৭ সালে ইংল্যান্ড-এ এবং ১৯৯৬ সালে অস্টিন, টেক্সাস -এ প্ল্যান্ট তৈরী করেন।২০১২ সালের হিসেবে, স্যামসাং অস্টিন সেমিকন্ডাক্টর অধীনে পরিচালিত অস্টিন ব্যবস্থাপনায় স্যামসাং আরো বেশী ১৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে।এটি অস্টিন অবস্থান তৈরী করে বৃহত্তম বিদেশী টেক্সাস বিনিয়োগ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তম একক বিদেশী বিনিয়োগ এর মধ্যে একটি।[১১][১২]

১৯৯০ থেকে ২০০০[সম্পাদনা]

স্যামসাং ১৯৯০ সালে একটি আন্তর্জাতিক কর্পোরেশন হয়ে ওঠা শুরু করে।স্যামসাং কনস্ট্রাকশন ব্রাঞ্চ মালয়েশিয়ায় দুই পেট্রোনাস টাওয়ার্স, তাইওয়ান-এর তাইপে ১০১ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত বুর্জ খলিফা নির্মাণ করতে একটি চুক্তি ভূষিত করা হয়।[১৩]১৯৯৩ সালে লি কুন-হি, স্যামসাং গ্রুপ এর অধীনস্থ কোম্পানীর দশভাগ বিক্রি বন্ধ, কোম্পানি ডাউনসাইজড, এবং (ইলেকট্রনিক্স, প্রকৌশল, এবং রাসায়নিক) তিনটি শিল্প মনোযোগ দিয়ে করতে কাজকর্ম একীভূত করা হয়।সিংকিয়ানকুয়েন বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তি ১৯৯৬ সালে স্যামসাং গ্রুপ পুনরায় অর্জন করে।

১৯৯২ সালে বিশ্বের বৃহত্তম মেমরি চিপ প্রস্তুতকারক হয়ে ওঠে স্যামসাং এবং ইন্টেল পরে (বাৎসরিক বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ২০ অর্ধপরিবাহী মার্কেট শেয়ার অবস্থান অনুযায়ী) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিপ প্রস্তুতকারক।[১৪]১৯৯৫ সালে, এটি তার প্রথম লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে পর্দা তৈরি করে।দশ বছর পরে, স্যামসাং লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে প্যানেল বিশ্বের বৃহত্তম প্রস্তুতকারক হিসেবে বৃদ্ধি পায়।টিএফটি-এলসিডি-তে বড় আকার বিনিয়োগ ছিল না সনির, ২০০৬ সালে সহযোগিতা করতে স্যামসাং যোগাযোগ করে, এস-এলসিডি উভয় নির্মাতাদের জন্য স্যামসাং এবং সনি এলসিডি প্যানেল একটি স্থিতিশীল সরবরাহ প্রদান করার লক্ষ্যে এটি যৌথ উদ্যোগ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।এস-এলসিডি স্যামসাং (৫০% প্লাস এক ভাগ) এবং সনি (৫০% বিয়োগ এক ভাগ) দ্বারা মালিকানাধীন, ট্যাংজাং, দক্ষিণ কোরিয়ার কারখানা থেকে এবং সুযোগ সুবিধা নিয়ে পরিচালনা করা হয়।২৬ ডিসেম্বর ২০১১ সালে স্যামসাং ঘোষণা করে এই যৌথ উদ্যোগ সনির পণ অর্জিত হয়েছিল।[১৫]

অন্যান্য প্রধান কোরিয়ান কোম্পানি তুলনা করলে দেখা যায়, ১৯৯৭ সালের এশিয়ান আর্থিক সংকট হতে অপেক্ষাকৃত অক্ষত অবস্থায় স্যামসাং বেঁচে যায়।তবে, স্যামসাং মোটর উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণে রেনল্ট এর কাছে বিক্রি করা হয়।২০১০ সালের হিসাবে, রেনল্ট স্যামসাং ৮০.১ শতাংশ মালিকানাধীন রেনল্ট এবং ১৯.৯ শতাংশ মালিকানাধীন স্যামসাং।তাছাড়া, ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত স্যামসাং একটি বিমান পরিসীমা নির্মান করে।কোম্পানি ১৯৯৯ সালে কোরিয়া এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (কাই) নামে প্রতিষ্ঠা হয়, প্রতিষ্ঠিত হবার ফলে স্যামসাং এরোস্পেস, ডেউ হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, এবং হুন্ডাই স্পেস এবং বিমান কোম্পানির অভ্যন্তরীণ বিভাগ সংযুক্ত করা হয়।যাইহোক, স্যামসাং এখনও বিমানের ইঞ্জিন এবং গ্যাস টারবাইন উৎপাদন করে। [১৬]

২০০০ থেকে ২০১৪[সম্পাদনা]

এক্সপো ২০১২ এর স্যামসাং প্যাভিলিয়ন।

স্যামসাং ২০০০ সালে ওয়ারশ, পোল্যান্ড মধ্যে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং পরীক্ষাগার খোলে।ডিজিটাল টিভি এবং স্মার্টফোনের মধ্যে প্রবেশ করার পূর্বে সেট-টপ-বক্স প্রযুক্তির কাজ শুরু করে।২০১১ সালের হিসাবে, ওয়ারশ ভিত্তিক স্যামসাং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরএন্ডডি কেন্দ্র ছিল ইউরোপে, পূর্বপরিকল্পনানুযায়ী ৪০০ নতুন শ্রমিক প্রতিবছর নিয়োগ দেওয়া হয় শেষ ২০১৩ পর্যন্ত।[১৭]

২০০১ সালে, বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী বিমান এয়ারবাস এ৩৮০ ব্যবহৃত রোলস রয়েস ট্রেন্ট ৯০০ জন্য কমবুস্টার মডিউলের একমাত্র সরবরাহকারী ছিল স্যামসাং টেকউইন।[১৮]বোয়িং’স ড্রিমলাইনার ৭৮৭ জেনেক্স ইঞ্জিন প্রোগ্রাম তৈরীর একটি ভাগ উপার্জনের অংশগ্রহণকারীও ছিল স্যামসাং টেকউইন।[১৯]

২০১০ সালে, স্যামসাং পাঁচ ব্যবসার কাছাকাছি কেন্দ্রিক একটি দশ বছরের বৃদ্ধির কৌশল ঘোষণা করেন। এই ব্যবসার এক কোম্পানী বায়োফার্মাসিটিক্যালস উপর গুরুত্বারোপ করে, যা কোম্পানি ২.১ ট্রিলিয়ন কোরিয়ান ওন অর্জন করে।

২০১১ সালের ডিসেম্বরে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স তার হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (এইচডিডি) ব্যবসা সীগেইট এর কাছে বিক্রি করে।[২০]

২০১২ এর প্রথমদিকে, একক বিক্রয় দ্বারা নকিয়া ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল ফোন নির্মাতা হয়ে ওঠে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স, যা ১৯৯৮ সাল থেকে বাজার নেতা হয়ে আসছে।[২১][২২] অস্টিন আমেরিকান স্টেটসম্যান ২১ আগস্ট এর সংস্করণ অনুযায়ী, স্যামসাং তার নিশ্চিত পরিকল্পনার ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যায় করে অস্টিন চিপ উৎপাদন শিল্প থেকে রূপান্তর করে আরো লাভজনক চিপ তৈরীতে।[২৩] ২০১৩ সালের প্রথমে উৎপাদন সক্রিয় রেখে রূপান্তর শুরু করা হয় যা একই বছর ২০১৩ সালের শেষের দিকে শেষ হয়।১৪ মার্চ ২০১৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৪ উন্মোচন করেন।

২৪ আগষ্ট ২০১২,স্মার্টফোন প্রযুক্তিতে ছয়টি পেটেন্ট লঙ্ঘনের জন্য নয়জন আমেরিকান জুরি রায় দেয় স্যামসাং এই ক্ষতির জন্য অ্যাপল ১.০৫ বিলিয়ন ডলার পাবে।অ্যাপল দ্বারা অনুরোধকৃত ২.৫ বিলিয়ন ডলার তুলনায় এখনও কম ছিল।সিদ্ধান্তে আরো রায় দেওয়া হয় এই মামলা অ্যাপল উপস্থাপিত পাঁচ স্যামসাং পেটেন্ট লঙ্ঘন করা হয়নি।[২৪]এই পদক্ষেপ উদ্ভাবনের খাতে ক্ষতি করতে পারে, স্যামসাং এই বলে সিদ্ধানন্তে নিন্দা জানায়।[২৫]দক্ষিণ কোরিয়ার আদেশের অনুযায়ী উভয় কোম্পানি একে অপরের মেধা সম্পত্তি লঙ্ঘনকারী হিসেবে দোষী।[২৬]আদেশের পর প্রথম বাণিজ্যে, কসপি সূচক স্যামসাং শেয়ার ৭.৭% পড়ে যায়, ২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর ১,১৭৭,০০০ কোরিয়ান ওন সবচেয়ে বড় রকমের দড়পতন হয়।[২৭] অ্যাপল তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্যামসাং এর আটটি ফোন (গ্যালাক্সি এস ৪জি, গ্যালাক্সি এস২ এটিএন্ডটি, গ্যালাক্সি এস২ স্কাইরকেট, গ্যালাক্সি এস২ টি মোবাইল, গ্যালাক্সি এস২ এপিক ৪জি, গ্যালাক্সি এস শোকেস, ড্রয়েড চার্জ এবং গ্যালাক্সি প্রভেল) বিক্রয় নিষিদ্ধ চায়।[২৮]যা আদালত দ্বারা খারিজ করে দেওয়া হয়।[২৯]

৪ সেপ্টেম্বর ২০১২, শ্রম নীতিমালা যতটুকু সম্ভব লঙ্ঘন না করার লক্ষ্যে চীনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সব পরীক্ষা করার পরিকল্পনা স্যামসাং ঘোষণা করে।কোম্পানী বলে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের তাদের কারখানায় ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা দেখতে একচেটিয়া সরবরাহকারী যে ২৫০ চীনা কোম্পানি রয়েছে তা অডিট করাতে হবে।[৩০]


২০১৩ সাল, কিছু সংখ্যার স্যামসাং ওয়াশিং মেশিন এমনি আগুন ধরে বলে একটি রিপোর্ট নিউজিল্যান্ড এ খবরে প্রকাশ করা হয়।[৩১]টিভি এবং সিনেমা বিজ্ঞাপন প্রদর্শনে সঙ্গে, বিলবোর্ড, ক্রীড়া এবং কলা ইভেন্ট এ কর্পোরেশন ২০১৩ সালে বিজ্ঞাপন ও বিপনন উপর ১৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়।নভেম্বর ২০১৩ সালে, ২২৭ বিলিয়ন ডলার এর মূল্যবান ছিল কর্পোরেশন।[৩২]

২০১৪ সালের মে মাসে, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইনস্টল স্যামসাং মিউজিক হাব অ্যাপ্লিকেশন সেবা বন্ধ এবং ১ জুলাই ২০১৪ থেকে স্ট্রিমিং সেবা বন্ধ করা হবে ঘোষণা দেয় স্যামসাং।[৩৩]

৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪, স্যামসাং ঘোষণা করে গিয়ার ভি, যা একটি চোখের ভিআর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যামে ভার্চুয়াল বাস্তবতা সৃষ্টিকারী যন্ত্র এবং স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৪ এর জন্য উন্নত করা হবে।[৩৪]

অক্টোবর ২০১৪ সালে, স্যামসাং দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি চিপ প্ল্যান্ট নির্মাণে ১৪.৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা করে। আগামী বছরে নির্মাণ কাজ, ২০১৭ সালে উৎপাদন শুরু হবে।এখনো কোম্পানি কোন প্রকার চিপ উৎপাদন করবে তার সিদ্ধান্ত হয়নি। [৩৫]

অক্টোবর ২০১৪ সালে, স্যামসাং আরো ঘোষণা করে ভিয়েতনাম এর একটি ৭০০,,০০০ বর্গ মিটারের কমপ্লেকক্স নির্মাণে ৫৬০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।[৩৬]

২০১৫ এর শুরুতে স্যামসাং এর একটি নতুন সেট সেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।নতুন এই সংকলন প্রস্থাবের লক্ষ্য, শহরটিতে স্যামসাং ৩৬০ সেবা, ব্যবসায়ী আইটি বিভাগের জন্য সহায়তা ডেস্ক হিসেবে কাজ করবে।স্বনির্ধারিত সেবা চালু যা নিরাপত্তা সমাধান প্রদানের জন্য প্রযুক্তি সহায়ক এবং ব্যাবসায়ী ক্লায়েন্ট এর প্রতিষ্ঠানের একজন সমর্থন পরিচালক বা প্রযুক্তি পরামর্শক এর মত কাজ করবে।[৩৭]

২ ডিসেম্বর ২০১৪, স্যামসাং ঘোষণা দেয় মার্কিন বিশিষ্টতা কাচ নির্মাতা কর্ণিং ইনক এর কাছে ফাইবার অপটিকস বিক্রি করবে।[৩৮]

অধিগ্রহণ এবং অধিগ্রহণের চেষ্টা[সম্পাদনা]

স্যামসাং নিম্নলিখিত অধিগ্রহণ এবং অধিগ্রহণ প্রয়াসগুলো করে:[৩৯]

রোলি – সুইস ঘড়ি যুদ্ধ
১৯৯৫ সালে স্যামসাং টেকউইন জার্মান ক্যামেরা নির্মাণকারী রোলি অর্জিন করে।স্যামসাং (রোলি) ১০০% সুইস-তৈরি ঘড়ির একটি নতুন লাইন স্ফটিক তার অপটিক দক্ষতা ব্যবহার করে,যার ডিজাইন করে বেসিকোর্ট নোভেল পিকারেজ এস.এ, সুইজারল্যান্ড এর একদল ঘড়ি-নির্মাতা।দুটি নাম ঘনিষ্ঠ মিল থাকার কারনে রোলেক্স সিদ্ধান্ত নেয় রোলির সাথে সামনাসামনি লড়াই করবে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে।এই ধরনের একটি হুমকির মুখে, জেনেভা ফার্ম মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নেয়।নিজেদের রক্ষা করতে সুইস ঘড়ি শিল্প এর নির্ধারণকারীরা বিক্ষোভ করে, এই প্রতিষ্ঠিত শিল্প রক্ষা করতে ব্র্যান্ড হুমকির সম্মুখীন না হয়।সম্পূর্ণ সুইস ঘড়ি শিল্পের জন্য অপরিহার্য হয়ে ওঠে এই সম্মুখ লাইন যুদ্ধ রোলেক্স লক্ষ করে।জার্মান বাজারে রোলি বাহিরে রাখতে রোলেক্স সফল হয়।১১ মার্চ ১৯৯৫, জার্মান অঞ্চলে রোলি ঘড়ির বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করে কোলোন জেলা আদালত।[৪০][৪১]
ফকার, একটি ডাচ বিমান নির্মাতা
বিমান নির্মানের অন্য একটি দল গঠন করে যখন তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ডাচ বিমান নির্মাতা ফকার নিলাম সময় স্যামসাং পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ হারিয়ে ফেলে।হুন্ডাই, হ্যানজিন, এবং ডেউ এই তিনটি প্রস্তাবিত অংশীদার স্যামসাং অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ যোগদান না করার কথা দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার কে অবহিত করে।[৪২]
এএসটি গবেষণা
স্যামসাং এএসটি (১৯৯৪) ক্রয় করে এবং উত্তর আমেরিকা মধ্যে বিরতি চেষ্টা করে কিন্তু চেষ্টা অসফল হয়।স্যামসাং ব্যাপক গবেষণা কর্মীদের পদত্যাগ এবং ক্ষতির একটি রজ্জু নিম্নলিখিত ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক কম্পিউটার নির্মান কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়।[৪৩]
এফইউবিইউ পোশাক এবং বস্ত্র
১৯৯২ সালে, নিউ ইয়র্ক শহরের কুইন্স এলাকায় ডেমন্ড জন একটি বাড়িতে তৈরী করা হয় টুপির সাথে কোম্পানির শুরু করে।জন তার বাড়ি বন্ধক রেখে ১০০,০০০ ডলার কোম্পানির জন্য তহবিল যোগাড় করে।বাড়ীর অর্ধেক বসবাস আবাস রয়ে যায় আর অন্য অর্ধেক জে আলেকজান্ডার মার্টিন, কার্ল ব্রাউন, এবং কিথ পেরার সঙ্গে নিয়ে এফইউবিইউ কারখানায় পরিণত করা হয়।স্যামসাং ১৯৯৫ সালে এফইউবিইউ এ বিনিয়োগ করে পাশাপাশি এফইউবিইউ সম্প্রসারণ করা হয়।[৪৪]
লেহম্যান ব্রাদার্স হোল্ডিংস’ এশিয়ান কাজকর্ম
লেহম্যান ব্রাদার্স হোল্ডিংস এর মধ্যে স্যামসাং সিকিউরিটিজ অল্প পরিমাণ ব্রোকারেজ খুজে পেয়েছিল।লেহম্যান ব্রাদার্স হোল্ডিংস 'এশিয়ান কাজকর্মের জন্য, স্যামসাং সিকিউরিটিজ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, এবং বার্কক্লীস পেছনে ফেলে নোমুরা হোল্ডিংস বিড বেশী জিতে সবচেয়ে বড় চেক সংগ্রহ করে।হাস্যকর ভাবে, স্যামসাং সিকিউরিটিজ কোং. লিমিটেড এবং সিটি অব লন্ডন ভিত্তিক এনএম রথসচাইল্ড অ্যান্ড সন্স (আরো সাধারণভাবে কেবল রথসচাইল্ড হিসাবে পরিচিত) কয়েক মাস পর ব্যাংকিং ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে একটি কৌশলগত জোট গঠন করতে সম্মত হয়। দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে মিলিত এবং অধিগ্রহণ ডিল দুই পক্ষ যৌথভাবে কাজ করে।[৪৫] Ironically, after few months Samsung Securities Co., Ltd. and City of London-based N M Rothschild & Sons (more commonly known simply as Rothschild) have agreed to form a strategic alliance in investment banking business. Two parties will jointly work on cross border mergers and acquisition deals.[৪৬]
মেডিসন কোং. লিমিটেড – আল্ট্রাসাউন্ড মনিটর
ডিসেম্বর ২০১০ সালে, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স মেডিসন কোং. ক্রয় করে, একটি দক্ষিণ কোরিয়ার চিকিৎসা-সরঞ্জাম কোম্পানি, কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স হতে বৈচিত্রপূর্ণ একটি দীর্ঘ বিষয় আলোচনা পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ।[৪৭]
গ্রেন্ডিস ইনক - মেমরি ডেভেলপার
জুলাই ২০১১ সালে, স্পিন ট্রান্সফার টর্কে রেণ্ডম এক্সেস মেমরি (এমআরএএম) বিক্রেতা গ্রেন্ডিস ইনক এটা স্যামসাং কেনার ঘোষণা করে।স্যামসাং এর আরএন্ডডি কাজকর্ম অংশ গ্রেন্ডিস এবং পরবর্তী প্রজন্মের রেণ্ডম এক্সেস মেমরি উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ শুরু করে।[৪৮] Grandis will become a part of Samsung's R&D operations and will focus on development of next generation random-access memory.[৪৯]
স্যামসাং এবং সনি যৌথ উদ্যোগ - এলসিডি পর্দা
২৬ ডিসেম্বর ২০১১ সালে, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বোর্ড সনির সম্পূর্ণ ২০০৪ জয়েন্ট লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে (এলসিডি) ১.০৮ ট্রিলিয়ন ওন (৯৩৮.৯৭ মিলিয়ন ডলার) এর বিনিময় কেনার একটি পরিকল্পনার উদ্যোগ নেয়।[৫০]
এমস্পট, ইনক – সঙ্গীত সেবা
৯ মে ২০১২ সালে, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স এর সঙ্গে ক্লাউড ভিত্তিক সঙ্গীত সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে এটি যুক্ত হয়েছে বলে এমস্পট ঘোষনা করে। স্যামসাং মিউজিক হাব ছিল সফল সেবা।[৫১] The succeeding service was Samsung Music Hub.
এনভিইএলও ইনক - ক্যাশ সফটওয়্যার ডেভেলপার
ডিসেম্বর ২০১২ সালে,স্যামসাং সান্টা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক ব্যক্তিগত স্টোরেজ সফটওয়্যার বিক্রেতা এনভিইএলও ইনক অর্জন করার হয়েছিল বলে ঘোষণা করে।[৫২] স্যামসাং এর আরএন্ডডি কাজকর্ম অংশ হয় এনভিইএলও, ভোক্তা এবং এন্টারপ্রাইজ কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের স্যামসাং এসএসডি স্টোরেজ বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনা এবং নিখুঁত করার জন্য গুরুত্বারোপ করে।
নিউরোলজিকা - পোর্টেবল সিটি স্ক্যানার
জানুয়ারী ২০১৩ সালে, স্যামসাং নিউরোলজিকা মেডিকেল ইমেজিং কোম্পানি অর্জিত হয়েছে বলে ঘোষণা করে,একটি নেতৃস্থানীয় চিকিৎসা প্রযুক্তি ব্যবসা গড়ে তুলতে বহুজাতিক কনগ্লরোমেট এর একটি পরিকল্পনার অংশ।এই চুক্তির শর্তাবলী প্রকাশ করা হয় নি।[৫৩]
স্মার্টথিংস - হোম অটোমেশন
১৪ আগস্ট ২০১৪, স্মার্টথিংস অর্জন করে স্যামসাং, এটি একটি দ্রুত ক্রমবর্ধমান বাড়িতে স্বয়ংক্রিয়তার সূচনা।কোম্পানি অর্জনের মূল্য প্রকাশ করে না, কিন্তু জুলাই ২০১৪ সালের প্রথম চুক্তিতে ধরা পড়ে যখন টেকক্রান্চ একটি ২০০ মিলিয়ন ডলারের মূল্যের রিপোর্ট উপস্থাপন করে। [৫৪]
কোয়ইটসাইড - মার্কিন এয়ার কন্ডিশনার প্রতিষ্ঠান
১৯ আগস্ট ২০১৪,স্যামসাং তার "স্মার্ট হোম" ব্যবসা জোরদার করার অংশ হিসাবে মার্কিন এয়ার কন্ডিশনার পরিবেশক কোয়ইটসাইড এলএলসি অর্জন করে।একজন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স মুখপাত্র জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ১০০ শতাংশ অর্জন করেছে কোয়ইটসাইড হতে কিন্তু তিনি দাম বা অন্যান্য বিবরণ ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান।[৫৫]
তথ্য নিকটবর্তী - ভার্চুয়ালাইজেশন কোম্পানি
০৩ নভেম্বর ২০১৪,স্যামসাং সান ডিয়েগো, প্রক্সিমাল ডাটা ইনক অর্জন করেছে বলে ঘোষনা করে, ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক অগ্রগামী সার্ভার সাইড ক্যাশিং সফটওয়্যার সঙ্গে আই/ও ইন্টেলিজেন্স ভার্চুয়ালাইজ সিস্টেমের মধ্যে কাজ করে।[৫৬]

কাজকর্ম[সম্পাদনা]

স্যামসাং লাইব্রেরী সিংকিয়ানকুয়েন বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাচার‌্যাল সাইন্স ক্যাম্পাস সুওন, দক্ষিণ কোরিয়ার।
স্যামসাং জংগনো টাওয়ার, জংগনো-গু,শিউল
স্যামসাং টাওয়ার প্যালিস
স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমার প্রধান কার্যালয়।

স্যামসাং প্রায় ৮০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত।[৫৭] এটা বিভিন্ন বহুমুখী, এলাকা ভিত্তিক নির্মাণ, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স, আর্থিক সেবা, জাহাজ নির্মাণ এবং চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে।[৫৭]

২০০৯ অর্থবছর, স্যামসাং রিপোর্ট অনুযায়ী আয় ২২০ ট্রিলিয়ন কোরিয়ান ওন (১৭২.৫ বিলিয়ন ডলার)।২০১০ অর্থবছর, স্যামসাং রিপোর্ট অনুযায়ী আয় ২৮০ ট্রিলিয়ন কোরিয়ান ওন (২৫৮ বিলিয়ন ডলার), এবং লাভ ৩০ ট্রিলিয়ন কোরিয়ান ওন (২৭ বিলিয়ন ডলার)(১৯ আগস্ট ২০১১ স্পট হিসাবে ১,০৮৪.৫ কোরিয়ান ওন প্রতি ডলার,কোরিয়ান ওন-ডলার বিনিময় হার উপর ভিত্তি করে)। ১৯ আগস্ট ২০১১ (২০১১-০৮-১৯) মোতাবেক).[৫৮] তবে, উল্লেখ করা উচিত এই পরিমাণ আয় দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক স্যামসাং এর অধীনস্থ বাইরের কোম্পানীর হিসাব যোগ করা হয়নি।[৫৯]

অধীনস্থ কোম্পানী এবং শাখা[সম্পাদনা]

এপ্রিল ২০১১, কোরিয়া এক্সচেঞ্জ এর প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী, স্যামসাং গ্রুপ ৫৯ তালিকাবহির্ভূত কোম্পানি এবং ১৯ তালিকাভুক্ত কোম্পানি নিয়ে গঠিত।[৬০]

স্যামসাং এর অন্তর্ভুক্ত প্রধান সহায়ক এবং অধিভুক্ত কোম্পানি:

এইস ডিজিটেক[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ এইস ডিজিটেক তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০৩৬৫৫০)।

চেল ইন্ডাস্ট্রিজ[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ চেল ইন্ডাস্ট্রিজ তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০০১৩০০)।

চেল ওয়ার্ল্ডওয়াইড[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ চেল ওয়ার্ল্ডওয়াইড তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০৩০০০০)।

ক্রাডু[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ ক্রাডু তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০৬৭২৮০)।

আইমার্কেট কোরিয়া[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ আইমার্কেট কোরিয়া তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ১২২৯০০)।

স্যামসাং কার্ড[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং কার্ড তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০২৯৭৮০)।

স্যামসাং এসডিএস[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: স্যামসাং এসডিএস

স্যামসাং এসডিএস একটি বহুজাতিক আইটি সার্ভিস কোম্পানী যার সদর দফতর সিউলে।এটি ১৯৮৫ সালের মার্চ মাসে স্থাপন করা হয়।এর প্রধান কাজ আইটি সিস্টেম(ইআরপি, আইটি অবকাঠামো, আইটি পরামর্শ, আইটি আউটসোর্সিং, ডাটা সেন্টার)।স্যামসাং এসডিএস কোরিয়ার বৃহত্তম আইটি সেবা কোম্পানী।এটা ২০১২ সালে মোট ৬,১০৫.৯ কোটি কোরিয়ান ওন (মার্কিন ৫.৭১ বিলিয়ন ডলার) আয় করে।

স্যামসাং সিএন্ডটি কর্পোরেশন[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং সিএন্ডটি কর্পোরেশন তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০০০৮৩০)।

স্যামসাং ইলেক্ট্রো-মেকানিক্স[সম্পাদনা]

স্যামসাং ইলেক্ট্রো-মেকানিক্স, ইলেকট্রনিক কী উপাদক প্রস্তুতকারকের হিসাবে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত, যার সদর দফতর সুওন, জায়ওংজি-ডু, দক্ষিণ কোরিয়া। এটি কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০০৯১৫০)।[৬১]

স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স[সম্পাদনা]

স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স সুওন এ অবস্থিত সদর দফতর একটি বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি কোম্পানী এবং স্যামসাং গ্রুপ

এর কোম্পানীর একটি অংশ।[৬২] তার পণ্য হল এয়ার কন্ডিশন, কম্পিউটার, ডিজিটাল টেলিভিশন, লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে(পাতলা ফিল্ম ট্রানজিস্টর (টিএফটি)এবং সক্রিয়-ম্যাট্রিক্স জৈব হালকা আ্যমেটিং ডায়োড (আ্যামলয়েড)), মোবাইল ফোন, মনিটর, প্রিন্টার, ফ্রিজ, সেমিকন্ডাক্টর এবং টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কিং সরঞ্জাম।[৬৩] এটা ২৫.৪% একটি আন্তর্জাতিক মার্কেট শেয়ারের সঙ্গে, ২০১২ সালের প্রথম প্রান্তিকে একক বিক্রয় দ্বারা বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক[৬৪] এটি আরো (ইন্টেল পর) ২০১১ আয় দ্বারা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা।[৬৫]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০০৫৯৩০)।

স্যামসাং ইঞ্জিনিয়ারিং[সম্পাদনা]

স্যামসাং ইঞ্জিনিয়ারিং সিউলে অবস্থিত সদর দফতর একটি বহুজাতিক নির্মাণ কোম্পানী।এটি ১৯৬৯ সালের জানুয়ারী মাসে স্থাপন করা হয়।এর প্রধান কার্যকলাপ তেল পরিশোধন প্লান্ট নির্মাণ; মূল প্রজেক্টের তেল এবং গ্যাস সুবিধা; পেট্রোকেমিক্যাল প্লান্ট এবং গ্যাস প্লান্ট; ইস্পাত তৈরীর প্লান্ট ; পাওয়ার প্লান্ট ; জল ব্যবস্থা সুবিধা; এবং অন্যান্য পরিকাঠামো।[৬৬] এটা ২০১১ সালে মোট ৯,২৯৮.২ কোটি কোরিয়ান ওন (মার্কিন ৮.০৬ বিলিয়ন ডলার) আয় করে।[৬৭]কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং ইঞ্জিনিয়ারিং তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০২৮০৩৪৫০)।

স্যামসাং এভারল্যান্ড[সম্পাদনা]

জীবন ও ব্যবসায়িক কাজকর্ম যুক্ত শ্রেণীবিন্যাস এর মাধ্যামে স্যামসাং এভারল্যান্ড ঘনিষ্ঠভাবে তার গ্রাহকদের সঙ্গে দিনের পর দিন সেবা দানে জড়িত।এই ব্যবসা সুযোগ পরিবেশ ও সম্পদ, খাদ্য সংস্কৃতি এবং রিসোর্ট তিনটি প্রধান খাতে জুড়ে।থিম পার্ক "এভারল্যান্ড" ১৯৬৩ সালের গোড়ার দিকে শুরু এবং ১৯৭৬ সালে চালু করা হয়।স্যামসাং এভারল্যান্ড ক্রমান্বয়ে গলফ, ভবন ব্যবস্থাপনা, খাদ্য ও পানীয়, শক্তি, এবং পরিবেশ এ তাদের উপস্থিতি নির্মান করে।এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, স্যামসাং এভারল্যান্ড তার বর্তমান বাজার পরিচালনার স্থায়ীত্ব অর্জন হয়েছে।বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত একটি কর্পোরেশন হিসাবে স্থানীয় সম্প্রদায় দ্বারা বিশ্বস্ত এবং জীবনের পরিকাঠামো একটি অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য,স্যামসাং এভারল্যান্ড তার গ্রাহকদের পরিপূরক জীবনযাপনে বিনোদন, রন্ধনসম্পর্কীয়, এবং ব্যবসা সহ জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি জন্য পরিকাঠামো নির্মাণের দ্বারা তাদের ব্যবসায়িক কাজকর্ম সাফল্য অর্জন করতে সাহায্য করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে।

স্যামসাং ফাইন কেমিক্যালস[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং ফাইন কেমিক্যালস তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০০৪০০০)।

স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমা[সম্পাদনা]

স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমা সিউলে অবস্থিত সদর দফতর একটি বহুজাতিক নির্মাণ কোম্পানী।[৬৮] ১৯৫২ সালে জানুয়ারিতে কোরিয়া আনবু ফায়ার এন্ড মেরিন বীমা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমা নামকরণ করা হয়।[৬৯] স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমা দুর্ঘটনা বীমা, অটোমোবাইল বীমা, ক্ষয়ক্ষতি বীমা, অগ্নি বীমা, দায় বীমা, সামুদ্রিক বীমা, ব্যক্তিগত পেনশন এবং ঋণ সহ পরিষেবার প্রস্তাব করে।[৭০] মার্চ ২০১১ হিসাবে এটি ১০টি দেশে এবং ৬.৫ মিলিয়ন গ্রাহক মধ্যে কার্যকম ছিল।[৭০] ৩১ মার্চ ২০১১ সালে স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমার মোট সম্পদ ২৮.৮১ বিলিয়ন ডলার এবং মোট প্রিমিয়াম আয় ১১.৭ বিলিয়ন ডলার ২০১১ সালে।[৭০] এটি দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম সাধারণ বীমা প্রদানকারী।১৯৭৫ সাল থেকে কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং ফায়ার এন্ড মেরিন বীমা তালিকাভুক্ত(নম্বর ০০০৮১০)।[৭০]

স্যামসাং ভারি শিল্প[সম্পাদনা]

স্যামসাং ভারি শিল্প সিউল সদর দফতর একটি জাহাজ নির্মাণ ও প্রকৌশল কোম্পানী।এটা আগস্ট ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তাদের প্রধান পণ্য বাল্ক বাহক, ধারক জাহাজ, অশোধিত তেলের ট্যাঙ্কারস, ক্রুইজার, যাত্রী ফেরি, ইস্পাত উপাদান হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি এবং সেতু কাঠামো।[৭১] এটি ২০১১ সালে ১৩,৩৫৮.৬ বিলিয়ন কোরিয়ান ওন আয় থেকে অর্জন করে এবং আয়ের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাহাজ নির্মাতা হয়(হুন্ডাই ভারি শিল্প পর)।[৭২][৭৩]কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং ভারি শিল্প তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০১০১৪০)।

স্যামসাং জীবন বীমা[সম্পাদনা]

স্যামসাং জীবন বীমা কোং. লিমিটেড সিউলে অবস্থিত সদর দফতর একটি বহুজাতিক জীবন বীমা কোম্পানী।মার্চ ১৯৫৭ সালে ডংব্যাং জীবন বীমা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জুলাই ১৯৬৩ সালে স্যামসাং গ্রুপের একটি শাখা হয়ে ওঠে।[৭৪] স্যামসাং জীবন বীমা এর প্রধান কাজ পৃথক জীবন বীমা, বার্ষিক পণ্য এবং সেবা ব্যবস্থা দেওয়া।[৭৫] ডিসেম্বর ২০১১ হিসাবে, এটির সাতটি দেশে ৮.০৮ মিলিয়ন গ্রাহক এবং ৫,৯৭৫ কর্মচারী রয়েছে।[৭৪] স্যামসাং জীবন বীমা ২০১১ সালে মোট ২২,৭১৭ কোটি কোরিয়ান ওন বিক্রয় এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত মোট ১৬১,০৭২ বিলিয়ন কোরিয়ান ওন সম্পদ ছিল।[৭৪] এটি দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম জীবন বীমা প্রদানকারী।কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং জীবন বীমা তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০৩২৮৩০)।

স্যামসাং মেশিন টুলস[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মেশিনের একটি জাতীয় পরিবেশক স্যামসাং মেশিন টুলস অব আমেরিকা।স্যামসাং জিএম মেশিন টুলস এর প্রধান অফিস চীনে,এটি আইনানুযায়ী অন্তর্ভূক্ত এসএমইসি কোম্পানী।[৭৬]

স্যামসাং মেডিকেল সেন্টার[সম্পাদনা]

৯ নভেম্বর ১৯৯৪ সালে "অসাধারণ চিকিৎসা কর্মীদের সেরা চিকিৎসা সেবা, উন্নত চিকিৎসা গবেষণা, এবং উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় স্বাস্থ্যের উন্নতি অবদান" দর্শনের অধীনে স্যামসাং মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত করা হয়।একটি হাসপাতাল এবং ক্যান্সার কেন্দ্র স্যামসাং মেডিকেল সেন্টার গঠন করে।হাসপাতাল অবস্থিত ৪০টি বিভাগ, ১০টি বিশেষজ্ঞ সেন্টার, ১২০টি বিশেষ ক্লিনিক এবং ১,৩০৬টি বিছানা, অধিকতর ২০০,০০০ বর্গ মিটার, মাটির উপরে ২০ তলা এবং ভূগর্ভস্থ ৫ তলা যা একটি ইন্টেলিজেন্ট ভবন।৬৫৫ শয্যার ক্যান্সার সেন্টার ১০০,০০০ বর্গ মিটার স্থান নিয়ে ভূগর্ভস্থ ৮ তলা এবং মাটির উপরে ১১ তলা রয়েছে।এসএমসি ১২০০ ডাক্তার, ২,৩০০ সেবিকা, প্রায় ৭,৪০০ কর্মীসহ সদস্যদের একটি প্রশাখা হাসপাতাল।এর ভিত্তি হিসেবে, স্যামসাং মেডিকেল সেন্টার সফলভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং কোরিয়াতে "রোগীর কেন্দ্রিক হাসপাতালে" নীতিবাক্যর সঙ্গে একটি নতুন ধারণা হয়ে উঠছে।

স্যামসাং এসডিআই[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং এসডআই তালিকাভুক্ত করা হয় (নম্বর ০০৬৪০০)।৫ ডিসেম্বর ২০১২ সালে,প্রায় এক দশক স্যামসাং এসডিআই এবং কিছু অন্যান্য প্রধান কোম্পানি দুই কার্টেল এর টিভি ক্যাথোড রে দাম ফিক্সিংয়ের জন্য ইইউ এর এন্টিট্রাস্ট নিয়ন্ত্রক জরিমানা করে।[৭৭]

স্যামসাং সিকিউরিটিজ[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্ত করা হয়(নম্বর ০১৬৩৬০)।

স্যামসাং টেকউইন[সম্পাদনা]

কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ স্যামসাং টেকউইন তালিকাভুক্ত করা হয় (নম্বর ০১২৪৫০)।

স্যামট্রন[সম্পাদনা]

এটি স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত ১৯৯৯ সালে স্যামসাং এর একটি সহায়ক ছিল স্যামট্রন যখন।পরবর্তীতে ২০০৩ পর্যন্ত কম্পিউটার মনিটর এবং প্লাজমা ডিসপ্লে তৈরী চালিয়ে যায়, স্যামট্রন স্যামসাং হয়ে ওঠে তখন স্যামট্রন একটি ব্র্যান্ড ছিল। ২০০৩ সালে ওয়েবসাইট স্যামসাং পুনঃপরিচালনা করে।

শিলা হোটেল এবং রিসোর্ট[সম্পাদনা]

মৃত লি বাইয়োং চাল্‌, স্যামসাং গ্রুপ এর প্রতিষ্ঠাতার উদ্দেশ্য করে,মার্চ ১৯৭৯ সালে হোটেল খোলা।রাষ্ট্র পরিদর্শন এবং আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান আয়োজক হিসেবে অসংখ্য সেবা শিল্পে "কোরিয়া প্রতিনিধিত্বমূলক হোটেল" এবং "স্যামসাং গ্রুপ প্রতিনিধিত্বমূলক ফেইস" হিসেবে কোরিয়ার মধ্যে গর্ব এবং দায়িত্বের সাথে সচল ভূমিকা পালন করে।মার্জিত ভাব এবং ঐতিহ্য আপায়ন শিলা অতিথিদের হৃদয় বিজয়ী করে "সেরা আতিথেয়তা কোম্পানী" হওয়ার উদ্দেশ্য সফল করে।এলএইচডব্লিউ যোগদান করে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল হোটেল সঙ্গে সমাবস্থা হয়।এদিকে,এটা আধুনিক নকশা উপাদান যোগ করে উপরের ছাদে যা ঐতিহ্যগত, এইভাবে নিজেই একটি প্রিমিয়াম জীবনধারা স্থান পরিবর্তন করা মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়।শিলা পটভূমিতে একটি সেবা কোম্পানি হিসেবে এটি একটি শুল্কমুক্ত দোকান ব্যবসা শুরু এবং শ্রেষ্ঠ বিশ্বব্যাপী বিতরণ কোম্পানি হিসেবে তার ভাবমূর্তি তৈরী করে।আরো, কোরিয়াতে পাঁচ তারকা হোটেল ফিটনেস সুবিধাসহ এবং বিদেশে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা ভাল হিসাবে কমিশন পরিচালনার মধ্যে তার ব্যবসা বিস্তৃত হয়।শিলা সৃজনশীল প্রবর্তিত তৈরীর এবং ক্রমাগত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে মান সম্পন্ন একটি বিশ্বব্যাপী মর্যাদাপূর্ণ আতিথেয়তা কোম্পানী হতে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ শিলা হোটেল এবং রিসোর্ট তালিকাভুক্ত করা হয় (নম্বর ০০৮৭৭০)।

এস-১ কর্পোরেশন[সম্পাদনা]

১৯৯৭ সালে কোরিয়ার প্রথম বিশেষজ্ঞ সিকউরিটি ব্যাবসায়ী হিসেবে এস-১ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং শীর্ষ স্থনিীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখার জন্য প্রদত্ত নিয়মানুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গ্রহন করে।কোরিয়া এক্সচেঞ্জ স্টক-বিনিময় এ এস-১ কর্পোরেশন তালিকাভুক্ত করা হয় (নম্বর ০১২৭৫০)।

লোগো[সম্পাদনা]

স্যামসাং বিয়োলপিও নুডুস এর লগো, ১৯৩৮ সালের শেষের দিক হতে ১৯৫৮ সালে পরিবর্তনের আগপর্যন্ত ব্যাবহৃত হয়। 
স্যামসাং গ্রুপ লগো, ১৯৬৯ সালের শেষের দিক হতে ১৯৭৯ সালে পরিবর্তনের আগপর্যন্ত ব্যাবহৃত হয়। 
স্যামসাং গ্রুপ লগো (“থ্রি স্টারস”),১৯৮০ সালের শেষের দিক হতে ১৯৯২ সালে পরিবর্তনের আগপর্যন্ত ব্যাবহৃত হয়। 
স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স লগো, ১৯৮০ সালের শেষের দিক হতে ১৯৯২ সালে পরিবর্তনের আগপর্যন্ত ব্যাবহৃত হয়। 
স্যামসাং এর বর্তমান লগো, যা ১৯৯৩ সাল হতে ব্যাবহৃত হয়ে আসছে।[৭৮] 

বর্তমান স্যামসাং লোগো উপবৃত্ত, মহাবিশ্বের প্রতীক এবং বিশ্বের পর্যায়ের মধ্য দিয়ে একটি গতিশীল এবং উদ্ভাবনী দৃষ্টিকোনে পৌঁছে যখন নমনীয়তা এবং সরলতা জোর দেয়ার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।লগোতে অবস্থিত অক্ষর "এস" এবং "জি" উপবৃত্তের দুই প্রান্তে অবস্থিত যা দ্বারা কোম্পানির মুক্তমনার এবং বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ইচ্ছা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়।ইংরেজি উপস্থাপনে প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহক সেবার একটি মূল কর্পোরেট দৃষ্টি এর শ্রেষ্ঠ চাক্ষুষ অভিব্যক্তি।লোগো মৌলিক রং নীল, কোম্পানি বছর ধরে ব্যবহার করেছে যা স্থায়িত্ব, নির্ভরযোগ্যতা, এবং কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব প্রতীক।[৭৯]

অঙ্গ প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

ইলেকট্রোনিক্স[সম্পাদনা]

  • স্যামসাং ক্যামেরা[৮০]
  • স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স
  • স্যামসাং অপ্টো-ইলেকট্রনিক্স
  • স্যামসাং ইলেক্ট্রো-মেকানিক্স
  • স্যামসাং এসডিআই (স্যামসাং ডিসপ্লে ইন্টারফেস)
  • স্যামসাং ফাইবারঅপটিক্স]]
  • স্যামসাং মোবাইল
  • স্যামসাং করনিং
  • স্যামসাং এসডিএস (স্যামসাং ডাটা সিস্টেম)
  • স্যামসাং নেটওয়ার্কস
  • স্যামসাং কর্নিং প্রেসিশন গ্লাস
  • স্যামসাং টেকউইন
  • স্যামসাং মাল্টি-ক্যাম্পাস
  • স্যামসাং সেমিকন্ডাক্টর
  • স্যামসাং টেলিকমিউনিকেশন

যন্ত্রপাতি ও ভারি শিল্প[সম্পাদনা]

রাসায়নিক শিল্প[সম্পাদনা]

অর্থনৈতিক সেবাসমূহ[সম্পাদনা]

খুচরা সেবাসমূহ[সম্পাদনা]

প্রকৌশল ও নির্মাণ শিল্প[সম্পাদনা]

বিনোদন[সম্পাদনা]

অন্যান্য[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ "Samsung"। bloomberg.com। সংগৃহীত ২০১৪-০৫-১৩ 
  2. "한국 10대 그룹 이름과 로고의 의미"। www.koreadaily.com। ২০০৬-০৭-১০। সংগৃহীত ২০১০-০৯-১৯ 
  3. "History – Corporate Profile – About Samsung – Samsung"Samsung Group। Samsung Group। সংগৃহীত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ [অকার্যকর সংযোগ]
  4. Kelly Olsen (২০০৮-০৪-২২)। "Samsung chairman resigns over scandal"। Associated Press via Google Newsআসল থেকে ২০০৮-০৪-২৯-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-০৪-২২ 
  5. "Industrial giant’s roots tied to nylon products"। Joongangdaily.joins.com। ২০০৯-১১-০৯। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ 
  6. "효성 40년史..오너 일가 뒷얘기 '눈길'"। www.chosun.com। ২০০৭-০৬-১৯। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ [অকার্যকর সংযোগ]
  7. "SPC-1000"। old-computers.com। সংগৃহীত ১৯ মার্চ ২০১২ 
  8. (কোরীয়) Gumisamsung.com
  9. "Samsung to celebrate 100th anniversary of late founder"। koreaherald.com। ২০১০-০৩-২৯। সংগৃহীত ২০১১-০১-২১ 
  10. ১০.০ ১০.১ Hansol, Shinsegae Deny Relations with Saehan May 24, 2000. Joongangdaily
  11. "Samsung invests $4B in Austin to boost chip output", Austin Business Journal, আগস্ট ২১, ২০১২, সংগৃহীত আগস্ট ২২, ২০১২ 
  12. "Samsung Austin Semiconductor Begins $3.6B Expansion for Advanced Logic Chips"। Austinchamber.com। ২০১০-০৬-০৯। সংগৃহীত ২০১০-০৯-১৩ [অকার্যকর সংযোগ]
  13. "Dubai skyscraper symbol of S. Korea's global heights"। CNN। অক্টোবর ১৯, ২০০৯। সংগৃহীত ২০০৯-১০-১৯ 
  14. Cho, Kevin (২০০৯-০৪-২৪)। "Samsung Says Hopes of Recovery Are ‘Premature’ as Profit Falls"। Bloomberg। সংগৃহীত ২০১০-০৯-০৪ 
  15. "Samsung buys Sony's entire stake in LCD joint venture"। bbc.co.uk। ডিসেম্বর ২৬, ২০১১। 
  16. "Samsung Techwin to spin off camera business"। reuters.com। ২০০৮-১১-০৬। সংগৃহীত ২০১১-০৪-০৫ 
  17. Tchorek, Kamil (১ নভেম্বর ২০১১)। "Samsung: Proud tradition of maths proves a strong draw"The Financial Times (London)। সংগৃহীত ২৮ মে ২০১৩ 
  18. "Customers, suppliers & partners"। rolls-royce.com। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৭ 
  19. "GEnx-1B Engine Makes its First Flight on Boeing's 787 Dreamliner"। General Electric Company। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৭ 
  20. "Seagate Completes Acquisition of Samsung’s Hard Disk Drive Business"। Seagate। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ [অকার্যকর সংযোগ]
  21. "Samsung overtakes Nokia in mobile phone shipments"। BBC News। ২৭ এপ্রিল ২০১২। সংগৃহীত ৬ আগস্ট ২০১২ 
  22. "Samsung overtakes Nokia for Cellphone Lead"। সংগৃহীত ২৯ এপ্রিল ২০১২ 
  23. Kirk Ladendorf (আগস্ট ২১, ২০১২), "Analysts: Samsung's Austin upgrades will keep it near head of the pack on low-power processors", Austin American-Statesman 
  24. Vascellaro, Jessica E.. (2012-08-25) The Wall Street Journal. Online.wsj.com. Retrieved on 2013-03-19.
  25. Samsung bites back after Apple victory – Asia. Al Jazeera English. Retrieved on 2013-03-19.
  26. South Korean court rules Samsung didn’t copy Apple’s iPhone design. BennyLabamba.com. Retrieved on 24 August 2012.
  27. Samsung Shares Fall After Apple Wins $1 Billion Verdict. Bloomberg. Retrieved on 2013-03-19.
  28. Apple Seeks Ban on Sales of Eight Samsung Phones in U.S.. Bloomberg. Retrieved on 2013-03-19.
  29. Apple Denied Motion for Permanent Injunction. Scribd.com. Retrieved on 2013-03-19.
  30. "Samsung to audit 250 of its suppliers in China amid allegations of child labor violations"। CBS News। সংগৃহীত ৪ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  31. "Worried customers clog phones"3 News NZ। মে ৩, ২০১৩। 
  32. Miyoung Kim (২৭ নভেম্বর ২০১৩)। "Samsung's marketing splurge doesn't always bring bang-for-buck"Reuters। সংগৃহীত ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  33. "Samsung Music closing July 1"Digital Journal। মে ২০, ২০১৪। সংগৃহীত মে ২৩, ২০১৪ 
  34. http://www.theverge.com/2014/9/3/6098745/samsung-gear-vr-oculus-announcement-hands-on
  35. Lee, Min- Jeong। "Samsung to Invest $14.7 Billion in New Chip Plant in South Korea"The Wall Street Journal। সংগৃহীত ৬ অক্টোবর ২০১৪ 
  36. Samsung to invest $560 million in Vietnam TV production plant. Reuters, 1 October 2014
  37. By Cadie Thompson, CNBC. “How Samsung plans to get inside your company.” October 7, 2014. October 7, 2014.
  38. By Min-Jeong Lee, The Wall Street Journal. “Samsung to Sell Fiber Optics Business to Corning.” December 2, 2014. December 2, 2014.
  39. "Samsung buys Swedish wireless chip company Nanoradio"। computerworld.com। সংগৃহীত ১১ জুন ২০১২ 
  40. "Voigtlander & Rollei non-camera items"। ১৯৯৭-০৬-০৯। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ [অকার্যকর সংযোগ]
  41. "Basel 96 Watches Take Back the Spotlight"। jckonline.com। জুন ১৯৯৬। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ 
  42. "Samsung Loses Attempt to Acquire Fokker"। latimes.com। ১৯৯৭-০১-০১। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ 
  43. "Samsung buys Dutch group in return to M&A"। ১৯৯৭-০৬-০৯। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ 
  44. "FUBU Shoes"। shoeshowcase.net। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৫ 
  45. "Nomura Wins The Lehman Asia Stakes"। Forbes। ২০০৮-০৯-২২। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৭ 
  46. "Samsung-Rothschild alliance"। koreatimes.co.kr। ২০০৮-১১-০৫। সংগৃহীত ২০১১-০২-০৭ 
  47. Ramstad, Evan (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। "Samsung Electronics Buys Ultrasound-Monitor Maker Medison - WSJ.com"The Wall Street Journal। সংগৃহীত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  48. Dylan McGrath, EE Times. "Samsung buys MRAM developer Grandis." August 2, 2011. Retrieved August 2, 2011.
  49. Chris Preimesberger, eWeek. "Samsung Acquires New-Gen Memory Maker Grandis." August 2, 2011. Retrieved August 2, 2011.
  50. "Samsung to buy Sony half of LCD venture"। ডিসেম্বর ২৬, ২০১১। 
  51. Samsung Electronics Acquires Mspot | Mspot. Mspotcorporate.com (2012-05-09). Retrieved on 2013-03-19.
  52. Samsung Electronics Acquires NVELO. Samsung.com (2012-12-14). Retrieved on 2013-03-19.
  53. Samsung Buys Medical Imaging Company NeuroLogica. TechCrunch (2013-01-28). Retrieved on 2013-03-19.
  54. Samsung Acquires SmartThings, A Fast-Growing Home Automation Startup. Forbes (2014-08-14). Retrieved on 2014-08-19.
  55. Samsung buys U.S. air conditioner firm Quietside in 'smart home' push. Foxbusiness (2014-08-19). Retrieved on 2014-08-19.
  56. http://www.samsung.com/global/business/semiconductor/news-events/press-releases/printer?newsId=13801
  57. ৫৭.০ ৫৭.১ Miyoung Kim (১৭ জানুয়ারি ২০১২)। "Samsung Group plans record $41 billion investment in 2012"। Reuters। সংগৃহীত ১৮ জুলাই ২০১৩ 
  58. "삼성 8년전 타임캡슐 열어보니…지난해 매출 정확히 맞춰"। news.naver.com। ২০১১-০১-১৩। সংগৃহীত ২০১১-০৮-২২ 
  59. টেমপ্লেট:Cite web url=http://economy.hankooki.com/lpage/industry/201007/e2010073015293447580.htm
  60. Kim Kyung-rok  (২০১১-০৪-১১)। "Chaebol asset holdings swell under Lee administration"। hani.co.kr। সংগৃহীত ২০১১-০৯-১৮ 
  61. "Samsung Electro-Mechanics Co – Profile"। Bloomberg Businessweek। সংগৃহীত ২৬ আগস্ট ২০১২ 
  62. Barkham, Patrick (৯ আগস্ট ২০১২)। "Samsung: Olympic smartphone firm aims for big global wins"। London: The Guardian। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  63. "Profile: Samsung Electronics Co Ltd"। Reuters। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  64. "Samsung overtakes Nokia in mobile phone shipments"। BBC News। ২৭ এপ্রিল ২০১২। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  65. "Preliminary Worldwide Ranking of the Top 20 Suppliers of Semiconductors in 2011"। IHS Isuppli। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ [অকার্যকর সংযোগ]
  66. "Profile: Samsung Engineering Co Ltd"। Reuters। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০০০ 
  67. "2011 Financial Statements"। Samsung Engineering। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ [অকার্যকর সংযোগ]
  68. "Profile: Samsung Fire & Marine Insurance Co Ltd"। Reuters। সংগৃহীত ১৮ অক্টোবর ২০১২ 
  69. "Corporate Profile"। Samsung Fire & Marine Insurance। সংগৃহীত ১৮ অক্টোবর ২০১২ 
  70. ৭০.০ ৭০.১ ৭০.২ ৭০.৩ "Annual Report 2010"। Samsung Fire & Marine Insurance। সংগৃহীত ১৮ অক্টোবর ২০১২ 
  71. "Company Profile for Samsung Heavy Industries Co Ltd"। Bloomberg। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  72. "Separate Statements of Income Years Ended December 31, 2011 and 2010"। Samsung Heavy Industries। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  73. "From bad to worse"। The Korea Times। ১৯ আগস্ট ২০১২। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  74. ৭৪.০ ৭৪.১ ৭৪.২ "2011 Annual Report"। Samsung Life Insurance। সংগৃহীত ২৮ আগস্ট ২০১২ [অকার্যকর সংযোগ]
  75. "Company Profile for Samsung Life Insurance Co Ltd"। Bloomberg। সংগৃহীত ২৮ আগস্ট ২০১২ 
  76. [http://www.ccjk.com/competing-apple-samsung-going-release-next-galaxy-note-early-september/ The Samsung mission]. Samsung going to release next glaxy note in early September. Retrieved on 2014-08-18.
  77. "Philips, LG Electronics, 4 others fined 1.47 billion Euros for EU cartel"। The Economic Times। ৫ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  78. Samsung 1993. Corporatebrandmatrix.com (2007-05-19). Retrieved on 2013-03-19.
  79. "한국 10대 그룹 이름과 로고의 의미"। Koreadaily। সংগৃহীত ১০ জুলাই ২০০৬ 
  80. http://www.samsungcamerausa.com/about.asp

http://www.jenerakhi.com/2015/07/samsung-galaxy-s6-review.html

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]