ইকবাল খন্দকার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ইকবাল খন্দকার কথাসাহিত্যিক, টিভি উপস্থাপক,গীতিকার ও নাট্যকার, টিভি স্ক্রিপ্ট লেখক। তবে তিনি কথাসাহিত্যিক ও উপস্থাপক হিসেবে পরিচয় দিতে ভালবাসেন।

ইকবাল খন্দকার
ইকবাল খন্দকার
জন্ম(১৯৮৩-০১-১১)১১ জানুয়ারি ১৯৮৩
ভাবলা গ্রাম, বেলাবো উপজেলা,নরসিংদী,বাংলাদেশ
পেশালেখক,উপস্থাপক।
বাসস্থানঢাকা
জাতীয়তাবাংলাদেশী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সময়কালবর্তমান
ধরনউপন্যাস,গোয়েন্দা,রহস্য,থ্রিলার,মুক্তিযুদ্ধ,রম্য,ভৌতিক ইত্যাদি

শৈশব ও পড়ালেখা[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকারের জন্ম ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দের ১১ জানুয়ারি নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলা ভাবলা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. শামসুদ্দীন খন্দকার, মায়ের নাম আমিনা খাতুন। চার বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে ইকবাল খন্দকার সবার ছোট। তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরু ভাবলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে তিনি অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। [১]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকার যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, তখনই সিদ্ধান্ত নেন লেখালেখির বাইরে কিছু করবেন না। অর্থাৎ লেখকজীবনই হবে তাঁর কর্মজীবন। সেসময় তিনি পেশাদার লেখক হিসেবে লিখতে শুরু করেন দেশের প্রায় সবকটি জাতীয় দৈনিক- এ। পাশাপাশি লিখতে শুরু করেন টিভি অনুষ্ঠানের স্ক্রিপ্ট। সর্বপ্রথম তিনি স্ক্রিপ্ট লেখেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভি এর ‘বিভ্রাট’ অনুষ্ঠানের জন্য। আর জাতীয় দৈনিক- এ ছাপা হওয়া তাঁর প্রথম লেখার শিরোনাম ‘চামচা’। ১৯৯৯ সালে যেটি ছাপা হয় দৈনিক ইনকিলাব - এর ‘উপহার’ নামক পাতায়। ইকবাল খন্দকারের কর্মজীবনকে সমৃদ্ধ করেছে তাঁর লেখা বই আর উপস্থাপিত টিভি অনুষ্ঠানগুলো। তাঁর প্রথম বইয়ের নাম ‘ভুলে যেও আমায়’। যেটি প্রকাশিত হয় ২০০১ সালে। আর উপস্থাপিত প্রথম টিভি অনুষ্ঠান ‘বেআক্কেলের আড্ডা’। ২০১২ সালে যেটি প্রচারিত হয় একুশে টিভি ঈদুল ফিতর এর বিশেষ অনুষ্ঠানমালায়।

প্রকাশিত বইসমূহ[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকার সব বয়সের পাঠকের জন্যই লিখে থাকেন। লিখে থাকেন বিচিত্র সব বিষয় নিয়ে। যেমন থ্রিলার, গোয়েন্দা, ভৌতিক, রম্য, রহস্য, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাঁর লেখা প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৭৩টি।

শিশুতোষ গল্প ও ছড়ার বই[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
১.দোয়েল ও জোনাকি [২] রুম টু রিড ২০১০ একদিন খাবার খেতে গিয়ে এক আহত জোনাকির দেখা পায় এক দোয়েল। দোয়েলটি চাইলেই খেয়ে ফেলতে পারে জোনাকিটিকে। কিন্তু খায় না। বরং আদর করে দিয়ে আসে পাশের বনে। তারপর একদিন বিপদে পড়ে দোয়েলটি। কী সেই বিপদ? কীভাবে সে উদ্ধার পায় বিপদ থেকে? জোনাকি তাকে কোনোভাবে সাহায্য করে কি? কীভাবে? উল্লেখ্য, এই বইয়ের গল্পটি ছড়ায় ছড়ায় লিখিত।
২.অহংকারী অজগর [৩] অনিন্দ্য প্রকাশ ২০১২ পুরনো এক জমিদার বাড়িতে বসবাস করে অনেকগুলো সাপ। সুখে-শান্তিতে কাটে তাদের দিন। একদিন সেখানে ঢুকে পড়ে এক অজগর সাপ। বিশাল আকারের এই সাপটি ভীষণ অহংকারী। অত্যাচারীও বটে। তার অত্যাচারে সব সাপ যখন অতিষ্ঠ, তখন আগমন ঘটে দুই সাপুড়ের। এবার ঘটে বিচিত্র এক ঘটনা। কী সেই ঘটনা?
৩.বনজুড়ে হইচই অনিন্দ্য প্রকাশ ২০১২ বিশাল এক বন। বন ভরা নানা প্রজাতির প্রাণী। একদিন তারা দেখতে পেল বড়সড় একটা ডিম পড়ে আছে। হইচই লেগে গেল বনজুড়ে। কিন্তু ডিমটা কার? কী রহস্য এই ডিমের?
৪.কাকের গান শেখা [৪] শিশুরাজ্য প্রকাশন ২০১৪ টুনটুনির মন ভীষণ খারাপ। তার মন খারাপের কারণ কাক। কাকের কর্কশ কণ্ঠের বেসুরো গানের কারণে সে না পারে বসতে, না পারে ঘুমুতে। কাককে পরামর্শ দেওয়া হলো কোকিলের কাছে গিয়ে গান শেখার জন্য। এরপর কাক কোকিলের কাছে যেতেই কোকিল উড়ে চলে যায় ভয়ে। কিন্তু এই ভয়ের কারণ কী? শেষ পর্যন্ত কাক কি পারে গান শিখতে? উল্লেখ্য, এই গল্পের বইটিতে গল্প রয়েছে মোট ৩টি।
৫.শালিক ও কাঠঠোকরা [৫] নওরোজ কিতাবিস্তান ২০১৫ ঠকঠক শব্দে ঘুম ভাঙানোর অপরাধে কাঠঠোকরাকে বকাঝকা করে শালিক। খুব কষ্ট পায় কাঠঠোকরাটি। মনের দুঃখে সে চলে যায় বন ছেড়ে। একদিন মহাবিপদে পড়ে শালিকটি। কী সেই বিপদ? তার এই বিপদের কথা যখন কাঠঠোকরাটি জানতে পারে, তখন কি এগিয়ে আসে? নাকি...
৬.ইঁদুর ও কাক শৈশব প্রকাশ ২০১৭ তুলতুলে একটি ইঁদুর। তার শখ হয় দূরে কোথাও বেড়াতে যাবে। এরপর হাঁটতে হাঁটতে সে চলে গেল একটা টিলায়। যে টিলায় ছিল ছোট একটি গাছ। ইঁদুরটি মনের খেয়ালে কেটে ফেলে গাছটি। এবার এগিয়ে আসে একটা কাক। ইঁদুরকে সে বলে গাছ কাটা ঠিক হয়নি। হঠাৎ টিলাটি ডুবে যেতে থাকে বন্যার পানিতে। ইঁদুরটি বুঝতে পারে, এখনই সে মারা যাবে। তারপর?
৭.এক যে ছিল কেঁচো শৈশব প্রকাশ ২০১৭ মোটাসোটা এক কেঁচো। কেঁচোটি ঠিক করল, নতুন এলাকায় গিয়ে নিজের পরিচয় বদলে ফেলবে। সবাইকে বলবে আমি সাপ। নতুন জাতের সাপ। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। নিজেকে সে সাপ বলে পরিচয় তো দিলই, বনের রাজা বলেও দাবি করল। হঠাৎ একদিন সে মুখোমুখি হয়ে গেল বেজির। বেজিরা কামড়ে ধরল কেঁচোটাকে। তারপর...

কিশোরোপযোগী গল্পের বই[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
৮.মহাবিপদে ছোটমামা [৬] অনিন্দ্য প্রকাশ ২০১৫ ছোটমামার মহাবিপদ। পত্রিকায় মামার ছবি ছাপিয়ে লিখে দেওয়া হয়েছে ‘একে ধরিয়ে দিন’। ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হবে। পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে মামাকে। এদিকে পুরস্কারের লোভে অন্যেরাও খুঁজছে তাকে। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মামা। সারাদিন গোপন জায়গায় লুকিয়ে থাকেন তিনি। কিন্তু ছোটমামার কেন এই বিপদ? তিনি যদি কোনো অপরাধ করেই থাকেন, তাহলে কী সেই অপরাধ? শেষ পর্যন্ত কী হয় মামার? তিনি কি বাঁচতে পারেন? নাকি ধরা পড়েন পুলিশের হাতে? উল্লেখ্য, এই গল্পের বইটিতে রয়েছে মোট ১৬টি গল্প।
৯.ভুতুড়ে বটগাছ [৭] অনিন্দ্য প্রকাশ ২০১৬ খেলার মাঠের পাশে বহুবছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে একটা বটগাছ। সবাই জানত গাছটি অন্যান্য গাছের মতোই সাধারণ। কিন্তু... । একদিন খেলতে নামার আগে গায়ের শার্ট খুলে বটগাছটার গোড়ায় রাখে পাভেল। তারপর সন্ধ্যা নেমে আসে। খেলা শেষ হয়। পাভেল শার্টের জন্য বটগাছটার গোড়ায় আসে। দেখে শার্ট নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও শার্টটা না পেয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়ায় পাভেল। রাস্তায় তার দেখা হয় রহস্যময় এক মহিলার সঙ্গে। মহিলার পরনে সাদা শাড়ি, হাতে সাদা লাঠি। তারপর... । উল্লেখ্য, এই গল্পের বইটিতে রয়েছে মোট ১৪টি গল্প।
১০.টিফিনবক্সে দৈত্য [৮] আদিগন্ত প্রকাশন ২০১৭ টিফিনবক্সের ভেতর থেকে লাফ দিয়ে বের হয় বাচ্চা দৈত্যটা। তারপর লাফিয়ে লাফিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে রোহানের দিকে। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও বাঁচার শেষ চেষ্টা করে রোহান। সে অল্প অল্প করে যেতে থাকে পেছনের দিকে। হঠাৎ তার পিঠ ঠেকে যায় দেয়ালে। তার আর নড়ার উপায় থাকে না। তাকে আটকে যেতে দেখে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে দৈত্যটা। আর বাচ্চা দৈত্যটা লাফাতে লাফাতে চলে আসে রোহানের পায়ের কাছে। হয়তো এখনই কামড়ে ধরবে তাকে। তারপর... । উল্লেখ্য, এই গল্পের বইটিতে রয়েছে মোট ৭টি গল্প।

রম্য বই[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল বইটি সম্পর্কে
১১.ছড়ায় ছড়ায় কৌতুক সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স ২০১০ এই বইয়ে রয়েছে মোট ৮৭টি কৌতুক-ছড়া।
১২.দাঁত ভাঙা হাসি [৯] ইতি প্রকাশন ২০১১ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ১ম বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ১৮টি রম্য রচনা।
১৩.বস্তা ভরা হাসি [১০] ইতি প্রকাশন ২০১২ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ২য় বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ১৫টি রম্য রচনা।
১৪.ফাটাফাটি হাসি মুক্তদেশ প্রকাশন ২০১৩ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৩য় বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ১৫টি রম্য রচনা।
১৫.জবরদস্ত হাসি [১১] জাগৃতি প্রকাশনী, ২০১৪ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৪র্থ বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ১৯টি রম্য রচনা।
১৬.গুদাম ভরা হাসি মেধা পাবলিকেশন্স ২০১৫ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৫ম বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ২৬টি রম্য রচনা।
১৭.গড়াগড়ি হাসি [১২] আদিগন্ত প্রকাশন ২০১৬ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৬ষ্ঠ বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ৩০টি রম্য রচনা।
১৮.পেট ফাটা হাসি অনিন্দ্য প্রকাশ ২০১৭ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৭ম বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ২৫টি রম্য রচনা।
১৯.দাঁতখোলা হাসি [১৩] সাহিত্যদেশ ২০১৮ এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৮ম বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ৩১টি রম্য রচনা।
২০.রমরমা হাসি [১৪] শব্দশিল্প ২০১৯) এটি ‘হাসি’ সিরিজের ৯ম বই। এই বইয়ে রয়েছে মোট ৩১টি রম্য রচনা।

ভৌতিক বই[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
২১.গলাকাটা ভূত [১৫] ইতি প্রকাশন ২০১০ ‘হঠাৎ দেখি লাশটা সত্যি সত্যি নেমে গেছে ভ্যানগাড়ি থেকে। তারপর আমার দিকে এগিয়ে আসছে আর বলছে আপনে আমারে নামাইলেন না। তাতে কী! আমি মন খারাপ করি নাই। নিজেই নাইমা গেছি। আসেন দুইজনে মিল্লা কোলাকুলি করি। কোলাকুলির কথা শুনে পিছু হটতে লাগলাম আমি। দৌড় দিতে যাবো, অমনি পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটা খপ করে ধরে ফেলল আমার হাত। লাশটাও ততক্ষণে হাঁটতে হাঁটতে চলে এসেছে আমার কাছে। হাত বাড়ালেই ধরতে পারবে আমাকে। তারপর...’। উল্লেখ্য, এই গল্পের বইটিতে রয়েছে মোট ৮টি ভৌতিক গল্প।
২২.তিনচোখা ভূ্ত [১৬] ইতি প্রকাশন ২০১১ গভীররাত। হিন্দুদের চিতার মাঝখানে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। কখনও হাঁটছে ধুপধুপ করে। ভয়ে ভয়ে তার কাছে এগিয়ে যায় চাঁদ মিয়া। কথা বলতে চেষ্টা করে তার সঙ্গে। কিন্তু সে কথা বলে না। অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। হঠাৎ চাঁদ মিয়ার দিকে ঘুরে তাকায় সে। চাঁদ মিয়া দেখতে পায় তার তিন তিনটি চোখ। চোখগুলো থেকে আলো বের হচ্ছে টর্চের মতো। চাঁদ মিয়া ভয়ে দৌড়ে পালাতে চায়। কিন্তু পারে না। তিনচোখা ভূতটা এসে দাঁড়ায় তার সামনে। ধরতে চায় তাকে। হঠাৎ... । উল্লেখ্য, এই গল্পের বইটিতে রয়েছে মোট ১০টি ভৌতিক গল্প।
২৩.রক্তচোষা ভূত [১৭] তাম্রলিপি, ২০১৩ পুরনো জমিদার বাড়ির ভুতুড়ে একটা রুমে ঢোকেন কবিরাজ। আচমকা দরজা বন্ধ হয়ে যায়। তিনি রুমের উত্তর কোনায় একটা গর্ত দেখতে পান। এই গর্তের ভেতর একটা মাথাও দেখা যায়। এবার দেখেন এটা আসলে একটা মেয়ে। তবে মেয়েটির মুখ বলে কিছু নেই। নাক গোড়া থেকে কাটা। চোখের জায়গাটা একেবারে সমতল। ঠোঁটও কাটা গোড়া থেকে। শুধু বড় কয়েকটা দাঁত দেখা যাচ্ছে। আর জিহ্বাটা বের হয়ে আছে লম্বা হয়ে। তবে জিহ্ববা দুইভাগে বিভক্ত। দুই পাশে কানের কোনো চিহ্ন নেই। হঠাৎ মেয়েটা গলা টিপে ধরে কবিরাজের। টান মেরে গর্তের ভেতর নামিয়ে নেয় কবিরাজকে। এবার মেয়েটা তার লম্বা দুটো দাঁত বসিয়ে দেয় কবিরাজের ঘাড়ে।
২৪.ভুতুড়ে লাশঘর [১৮] তাম্রলিপি, ২০১৪ সুদূর গ্রামের এক পাড়া। লাশ রাখার জন্য এই পাড়ায় তৈরি করা হয় লাশঘর। তবে যে গাবগাছের কাছে ঘরটি বানানো হয়, সেটি সাধারণ কোনো গাছ না। অভিশপ্ত গাছ। আজ থেকে বহু বছর আগে এই গাছের ডালে... । লাশঘরের পাশেই গোরস্থান। একরাতে লাশ পাহারা দিতে গিয়ে চমকে ওঠে লাশঘরের পাহারাদার মতি মিয়া। দেখে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে গোরস্থানের দিকে মুখ করে। সাদা শাড়ি পরা। মতি মিয়া তার পরিচয় জানতে চায়। কোনো উত্তর আসে না। আসে শুধু হাসির শব্দ। ভুতুড়ে হাসি। মতি মিয়া এগিয়ে যায়। মহিলাটি হাঁটতে থাকে। মতি মিয়াও হাঁটে তার পিছু পিছু। চারদিকে তখন বিদঘুটে অন্ধকার। মতি মিয়া দেখে মহিলাটি এক পা দু পা করে এগিয়ে যাচ্ছে সেই অভিশপ্ত গাবগাছের দিকে। তারপর, তারপর হঠাৎ... ।
২৫.লাশখেকো পিশাচ [১৯] তাম্রলিপি, ২০১৫ হিন্দুবাড়ির শ্মশানে পিশাচদের বসবাস। চেয়ারম্যান সাহেবের ছোটভাইয়ের ওপর নজর দেয় পিশাচরা। বাগে পেলেই তার রক্ত-মাংস খেয়ে ফেলবে। একদিন গভীররাতে মানুষের রূপ ধরে পিশাচরা ঘর থেকে বের করে আনে চেয়ারম্যান সাহেবের ছোটভাইকে। নিয়ে যায় শ্মশানঘাটে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় আরো একদল পিশাচ। তারপর...। চেয়ারম্যান সাহেব সিদ্ধান্ত নেন মৃত্যুর পর নিজের লাশটা দান করে দেবেন মেডিক্যাল কলেজে। এবার পিশাচদের অশুভ দৃষ্টি পড়ে চেয়ারম্যান সাহেবের উপর। একদিন মারা যান তিনি। অন্ধকার রাতে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকরা যখন চেয়ারম্যান সাহেবের লাশ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন, তখন তাদের পিছু নেয় পিশাচরা। শ্মশানের কাছে এসে হঠাৎ করেই থেমে যায় লাশবাহী গাড়ি।
২৬.অভিশপ্ত স্টেশন [২০] কথাপ্রকাশ, ২০১৬ বহু বছরের পুরনো একটি রেলস্টেশন। এই স্টেশনের দোকানদার কাশেম মিয়া। একদিন গভীররাতে দোকানে শুয়ে ছিল সে। হঠাৎ কেউ তার নাম ধরে ডাক দেয়। কাশেম মিয়া দরজা খুলে বাইরে বের হয়। চারদিক তখন অন্ধকার। নীরব, নিস্তব্ধ। সে কাউকে দেখতে পায় না। এসময় স্টেশনের অদূরে গোলাকার একটা আলো দেখা যায়। কাশেম মিয়া আলোটার দিকে তাকাতেই দেখে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে চুপ করে। পরনে কাফনের মতো ধবধবে সাদা পোশাক। আর মুখ অন্যদিকে ফেরানো। কাশেম জিজ্ঞেস করেÑ কে? কোনো উত্তর আসে না। কাশেম মিয়া এগিয়ে যায় লোকটার দিকে। হঠাৎ নিভে যায় আলোটা।
২৭.মরাবাড়ির আত্মা [২১] কথাপ্রকাশ, ২০১৭ মরাবাড়ির নাম শুনলেই ভয়ে আঁৎকে ওঠে সবাই। রাতেরবেলা এ বাড়ির আশপাশে যাওয়ারও সাহস হয় না কারো। কিন্তু মরাবাড়িকে ঘিরে এতো আতঙ্ক কেন? কী আছে এ বাড়িতে? হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যায় মরাবাড়ির কেয়ারটেকার। তার নিখোঁজ-রহস্য উদঘাটন করতে মরাবাড়িতে আসে রাজিন। দাদা তাকে বলেন রাতে যেন কোনোভাবেই জানালা খোলা না রাখে। দাদার কথা অমান্য করে জানালা খোলা রাখে রাজিন। গভীররাতে সে কারো ফোঁপানোর শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে জানালার বাইরে। সাদা কাপড়ে মুখ ঢাকা। আরেক রাতে একা একা জানালা বন্ধ করতে যায় রাজিনের বন্ধু ইভান। এসময় সে দেখতে পায় দূরে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে সাদা কাপড় পরে। হঠাৎ লম্বা একটি হাত এসে চেপে ধরে তার গলা।
২৮.রক্তখেকো পাহাড় [২২] শব্দশিল্প, ২০১৭ একটি দুর্ঘটনা ঘটে। পাথরে হোঁচট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন রশিদ চাচা। তার পা বাঁকা হয়ে যায়। ফেনা বের হতে থাকে মুখ দিয়ে। কিন্তু ফেনা কেন বের হবে? পাথরটার খোঁজ নিতে গিয়ে অবাক হন কবিরাজ। কারণ পাথরটা যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে নেই। চলে গেছে কবরের পাশে। কিন্তু কেন? কবরের সঙ্গে কী সম্পর্ক এই পাথরের? অন্ধকার রাত। পাথরটা হাঁটছে। হাঁটতে হাঁটতে এক জায়গায় গিয়ে আচমকা থেমে যায় পাথরটি। কবিরাজ দেখতে পান সামনে ঝুলে আছে বিশাল একটি সাদা পর্দা। হঠাৎ দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায় পর্দাটি। আর বেরিয়ে আসে... ।
২৯.অভিশপ্ত সিন্দুক [২৩] তাম্রলিপি ২০১৮ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় রাফির। শোনে উপরতলায় কে যেন কী হেঁচড়াচ্ছে। পরদিন সেই ফ্ল্যাটের দরজায় দাঁড়িয়ে কলিংবেল বাজাতেই আঁৎকে ওঠে রাফি। কারণ, কলিংবেলের স্বাভাবিক শব্দ নেই। শুধু কান্নার শব্দ। একদিন রাফি উত্তেজিত হয়ে লাথি মারে উপরতলার দরজায়। এর পর থেকে তার পা অবশ হয়ে যেতে থাকে ব্যথায়। হাসপাতালে যায় চিকিৎসার জন্য। কিন্তু ডাক্তার কোনো সমস্যা পায় না। ফেরার পথে তার দেখা হয় রহস্যময় এক রিকশাওয়ালার সঙ্গে। কে এই রিকশাওয়ালা? একরাতে রাফির জানালার পাশে এসে দাঁড়ায় কেউ। তারপর... হঠাৎ একদিন এসে বাসায় ঢোকে রহস্যময় সেই রিকশাওয়ালা। কিন্তু কেন? এর আগে বাড়িওয়ালা শোনান উপরতলার ভয়ঙ্কর এক গল্প।
৩০.ভুতুড়ে ডাকঘর [২৪] কথাপ্রকাশ, ২০১৮ রহস্যজনক মৃত্যু হয় সামিউলের বড়ভাই বদিউলের। ডাকঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় তার লাশ। এরপর এই লাশ যখন নেওয়া হয় গোসল দেওয়ার জন্য, তখন...। সামিউলের চাকরি হয় তার মৃত ভাইয়ের পদে। অর্থাৎ সেই ডাকঘরের পিয়ন পদে। একদিন সে অফিসে গিয়ে দেখতে পায় পোস্টমাস্টারের চেয়ারে কে যেন বসে আছে। গায়ে সাদা পাঞ্জাবি। ধবধবে সাদা। কে সে? একরাতে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে কেউ ডাক দেয় সামিউলকে। সে বাইরে বের হয়। তারপর সাদা পোশাক পরা একজনকে অনুসরণ করতে করতে এগিয়ে যায় অন্ধকার পথ ধরে। একসময় সামিউল দেখতে পায় যাকে সে অনুসরণ করছে, তার হাত নেই। পা উল্টো। মুখ লোমে ভরা। সামিউল ভয়ে দৌড় দিতে চায়। কিন্তু পারে না। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সেই ভুতুড়ে ডাকঘরে। চারদিকে তখন ফোঁপানোর শব্দ।
৩১.ছমছমে ভূতঘর [২৫] শব্দশিল্প, ২০১৮ হুতুমতলায় রেখে আসা হয় আতাহার চাচাকে। সেখানে বানানো হয় বিশেষ একটি ঘর। একদিন ঘরটি চলে যায় ভূতদের দখলে। কিন্তু আতাহার চাচার কী হয়? একরাতে মিন্টুর ঘরের দরজায় টোকা দেয় কেউ। সে বের হয়ে কাউকে না পেয়ে যেই ঘরে চলে আসবে, এমন সময় তার পায়ে শীতল কিছুর স্পর্শ লাগে। কী সেটি? আরেক রাতে কেঁপে ওঠে শামসু চাচার খাট। তিনি দেখেন তার মশারির উপর বসে আছে ভয়ংকর চেহারার এক হুতুমপাখি। দৌড়ে ঘর থেকে বের হন চাচা। অন্ধকারে তার মুখ চেপে ধরে কেউ। কে সে? আর কার লাশ পাওয়া যায় ভূতঘরে?
৩২.রাক্ষুসে দোলনা [২৬] পার্ল পাবলিকেশন্স, ২০১৯ বেতের তৈরি একটি দোলনা। খুব শখ করে কিনে আনা হয় দোলনাটি। ঝোলানো হয় বারান্দায়। এবার বাসায় একের পর এক ঘটতে থাকে ভুতুড়ে ঘটনা। গভীররাতে দোলনায় বসে দোল খায় কেউ। সাদা কাপড় পরিহিত। আর মুখজুড়ে রক্তের দাগ। কে এই সাদা পোশাকধারী? দোলনার সঙ্গে কী তার সম্পর্ক? কবিরাজের নির্দেশে বাসা ছেড়ে দিতে হয় সবাইকে। একদিন এই ফাঁকা বাসায় ঢুকে পড়ে কাজের বুয়া। কিন্তু বাসা কি সত্যি ফাঁকা? ফাঁকা হলে বুয়াকে বারান্দায় ডাকে কে? শেষ পর্যন্ত কী হয় বুয়ার? দোলনাটির পেছনের ইতিহাসই বা কী?
৩৩.মধ্যরাতের প্রেতাত্মা [২৭] কথাপ্রকাশ, ২০১৯ গভীররাতে দীপনকে ঘরের বাইরে নিয়ে যায় কেউ। শুইয়ে রাখে আমতলায়। চেষ্টা করে রক্ত চুষে খেয়ে হত্যা করতে। কে এই রক্তচোষা? কাজের ছেলে আবদুল আলীকে খুঁজে পাওয়া যায় না কোথাও। একদিন তার সন্ধান মেলে জঙ্গলে। গাছের মগডালে। কিন্তু সত্যি কি এটা আবদুল আলী? নাকি অন্যকেউ? জাহাঙ্গীর ভাইয়ের উপর চোখ পড়ে প্রেতাত্মার। হত্যা করতে চায় গলা টিপে। কিন্তু ব্যর্থ হয়। তাই বলে থেমে থাকে না। একদিন তাকে নিয়ে যায় শ্মশানে। তারপর? একরাতে বাহাদুর ভাই দেখেন পায়ের কাছে একটা লাশ পড়ে আছে। কার লাশ এটা? আর শরাফত নানার রূপ ধরে কে তাকে বের করে নিয়ে যায় ঘর থেকে? শেষে কী হয় বাহাদুর ভাইয়ের? প্রেতাত্মা কি তাকে ফিরতে দেয় ঘরে?

গোয়েন্দা/রহস্য/থ্রিলার[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
৩৪.রোল নং এক [২৮] শুভ্র প্রকাশ, ২০১২ পিকনিক থেকে ফেরার পথে গাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক রাত হয়ে যায়। হঠাৎ এই গাড়িতে ডাকাত ওঠে। তারপর ঘটে ভয়ঙ্কর এক ঘটনা।
৩৫.স্কুলজুড়ে আতঙ্ক [২৯] শুভ্র প্রকাশ, ২০১৩ ক্লাস এইট এবং নাইনের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এমন একটি ঘটনা ঘটে, যে ঘটনা এই স্কুলে আগে কখনোই ঘটেনি। তারপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বন্ধ হয়ে যায় স্কুল। কিছুদিন পর যখন আবার স্কুল খোলে, তখন ঘটে আরেক আতঙ্কের ঘটনা। এর জন্য সবাই দায়ী করে হেডস্যারকে। অভিভাবকরা এসে ঘেরাও করে স্কুল।
৩৬.অপারেশন দস্যুবাড়ি [৩০] অন্বেষা প্রকাশন, ২০১৪ দস্যুবাড়ির নাম শুনলেই ভয়ে থরথরিয়ে কেঁপে ওঠে এলাকাবাসী। কারণ, দস্যুবাড়ি মানেই খুন-লুটপাট। দস্যুবাড়ির পাশেই একটি স্কুল। এই স্কুলে কোনো অনুষ্ঠান হয় না। কারণ, অনুষ্ঠান হলেই দস্যুরা কোনো না কোনো অঘটন ঘটায়। যেমন একবার তারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল হেডস্যারকে। কিন্তু এভাবে আর কত! সাহসী একদল ছাত্রের দাবির মুখে ঝুঁকি নেন স্যাররা। ঘোষণা করা হয় এবার অনুষ্ঠান হবেই। প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। হেডস্যার বক্তৃতা দিতে ডায়াসে দাঁড়ান।
৩৭.লম্বু জনি [৩১] নওরোজ কিতাবিস্তান, ২০১৫ লম্বু জনির একটা বদভ্যাস আছে। সে ঘনঘন স্কুল বদলায়। কিন্তু কেন বদলায়, কেউ জানে না। শুরু হয় তদন্ত। তদন্তে কী বেরিয়ে আসে? কী কারণে ঘনঘন স্কুল বদলায় লম্বু জনি? একদিন পত্রিকায় জনির ছবি ছাপা হয়। কী করেছে সে? কেন তাকে নিয়ে এতকিছু লেখা হয় পত্রিকায়? এলাকার মানুষের কাছে সেলিম বখাটে আর মাস্তান হিসেবে পরিচিত। এই সেলিম লম্বু জনিকে মারতে চায়। কিন্তু কেন? সেলিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তার বলেছে তার পা কেটে ফেলে দিতে হবে। সেলিম লম্বু জনির কাছে ক্ষমা চায়। জনি তাকে কথা দেয়, তার পা সুস্থ করে তুলবেই। কিন্তু কীভাবে? হাসপাতালে সেলিমের রুমে আগুন লাগে। সেলিম আটকা পড়ে। লম্বু জনি এগিয়ে যায় সেলিমকে উদ্ধার করতে।
৩৮.রহস্যময় ক্লাসরুম [৩২] জাগৃতি প্রকাশনী ২০১৫ গভীররাতে লাইট জ্বলে ক্লাসরুমে। ঘোরে ফ্যানও। লাইট-ফ্যানের রহস্য উদঘাটনের জন্য অভিযানে নামে রাকিবসহ তার একদল বন্ধু। এরমধ্যে আবু বকর ভাই সেই ক্লাসরুমে লাশ বহনের খাটিয়া দেখতে পান। একটা লাশও ছিল খাটিয়ায়। লাশের নাকে তুলো দেওয়া। নিঃশাস নেওয়ার চেষ্টা করছিল লাশটা। রহস্যময় সেই ক্লাসরুমের ফ্যানে একদিন একটা লাশ ঝুলতে দেখেন নাজমুল ভাই। কেন এই ক্লাসরুমকে ঘিরে এত রহস্য? একদিন রাকিবরা নাজমুল ভাইয়ের বালিশের নিচে দেখতে পায় একটা পিস্তল। এদিকে আবু বকর ভাই রাকিবদের কাছে ফাঁস করেন একটা গোপন কথা। কী সেই গোপন কথা? তার কথা শুনে কি রাকিবরা রহস্যময় ক্লাসরুমের রহস্য উদঘাটন করতে পারবে?
৩৯.ক্লাস লিডার [৩৩] তাম্রলিপি, ২০১৬ স্কুলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। কারণ, ক্লাসরুমে ইয়া বড় বাঘ ঢুকেছে। হেডস্যার থানায় ফোন করেন। একদল পুলিশ আসে। দারোগা বন্দুক তাক করেন বাঘটার দিকে। হঠাৎ এই স্কুলেরই ছাত্র ফাহাদ ছুটে যায় বাঘটার কাছে। তারপর...। বিশেষ একটা কারণে ক্লাসের সবাই ফাহাদকে ‘ক্লাস লিডার’ উপাধি দেয়। কী সেই কারণ? এই ফাহাদকেই মেরে হাত-পা ভেঙে দিতে চায় আবরার এবং তার বন্ধুরা। রাস্তার পাশে ঝোপের ভেতরে ওৎ পেতে বসে থাকে তারা।
৪০.ভয়ঙ্কর ডাকুবাড়ি [৩৪] জয়তী ২০১৬ ভুল করেও কেউ ডাকুবাড়িতে ঢুকলে সে আর ফিরে আসে না। ডাকুবাড়ির সদস্যরা খুন করে যায় একের পর এক। পুলিশ জামিলকে বলে ডাকুবাড়ির ভেতরের গোপন খবর সংগ্রহ করার জন্য। একদিন জামিল গাছে উঠে দেখতে পায় ডাকুবাড়ির বারান্দায় গোল হয়ে বসে আছে দুর্ধর্ষ চেহারার কিছু মানুষ। কিছুদিন পর কবির নামের একজন ডাকুবাড়ি থেকে পানি আনতে গিয়ে ধরা পড়ে ডাকুদের হাতে। ডাকুরা তাকে মৃত ভেবে জঙ্গলে ফেলে দিলেও ভাগ্যের জোরে বেঁচে যায় সে। তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। গভীররাতে হাসপাতাল থেকে কবিরকে ছিনিয়ে আনতে যায় মুখোশধারী ডাকুরা। এদিকে ডাকুবাড়ির গোপন খবর পুলিশকে দেওয়ার অপরাধে ডাকুরা যায় জামিলকে জবাই করে হত্যা করতে। শেষ পর্যন্ত কী হবে জামিলের? কবিরেরই বা কী হবে?
৪১.দুর্ধর্ষ মুখোশধারী [৩৫] কলি প্রকাশনী, ২০১৬ একদল দুর্ধর্ষ মুখোশধারী ঢুকে পড়ে গ্রামে। একের পর এক খুন করে চলে তারা। তাদের আস্তানায় হামলা করার পরিকল্পনা করে আশরাফ এবং তার বন্ধুরা। কিন্তু এই পরিকল্পনার খবর জেনে ফেলে মুখোশধারীরা। আশরাফের বন্ধুদের মধ্য থেকেই কেউ একজন খবরটা জানিয়ে দেয় তাদের। কে এই বিশ্বাসঘাতক বন্ধু? এই বিশ্বাসঘাতক বন্ধুটিও একদিন খুন হয় মুখোশধারীদের হাতে। খুন হয় এক পুলিশ অফিসারও। হঠাৎ একদিন মুখোশধারীদের আস্তানায় ঢুকে পড়েন বোকা আলকাস ভাই। আলকাস ভাই মুখোশধারীদের বুদ্ধি দেন আশরাফ ও তার বন্ধুদের পুড়িয়ে মারার জন্য। গভীররাতে মুখোশধারীরা রওনা হয় পেট্রোল নিয়ে।
৪২.রহস্যময় গোয়েন্দা [৩৬] কথাপ্রকাশ, ২০১৬ হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যায় সোহাগ। কোথাও পাওয়া যায় না তাকে। এরমধ্যে অপরিচিত নম্বর থেকে একজন ফোন করে বলেÑ সোহাগকে জীবিত পেতে চাইলে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা দিতে হবে। টাকা যোগাড় করা হয়। নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় টাকার ব্যাগ। আর চারপাশ ঘিরে রাখে পুলিশ। আবারও ফোন আসে সেই অপরিচিত নম্বর থেকে। বলে সঙ্গে পুলিশ নিয়ে আসার অপরাধে আপনাদের ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলা হলো। গুলির শব্দ শোনা যায় মোবাইলে। পুলিশ লাশ উদ্ধারের অভিযানে নামে। আর ভিন্ন এক উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে নামে রহস্যময় গোয়েন্দা। কী সেই উদ্দেশ্য? কী হয় শেষ পর্যন্ত?
৪৩.কালাদিঘি রহস্য [৩৭] কথাপ্রকাশ, ২০১৭ জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে মারা যান বাদল ভাই। হঠাৎ এগিয়ে আসেন রহস্যময় এক বৃদ্ধ। তিনি সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলেন বাদল ভাই নাকি মারা যাননি। বৃদ্ধের কথা সত্য প্রমাণিত হয়। সত্যি সত্যি বেঁচে ওঠেন বাদল ভাই। কিন্তু সেটা সাময়িকের জন্য। আশঙ্কা করা হয়, যেকোনো সময় তিনি আবার মৃত্যু বরণ করতে পারেন। বৃদ্ধ বলেন তার ওষুধ ব্যবহার করলে বাদল ভাই স্বাভাবিক আয়ু পাবেন। আর এটাও বলেন, ওষুধটা তৈরি করতে হলে কালাদিঘির মাটি লাগবে। কিন্তু কালাদিঘির মাটি আনা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। কারণ, কালাদিঘি ঘিরে রেখেছে একদল অস্ত্রধারী ডাকাত। আছে বিষাক্ত সব সাপ। এখন তাহলে কী করবে হিমেলরা? কালাদিঘির মাটি আনতে পারবে? নাকি মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবে বাদল ভাইকে?
৪৪.দুঃসাহসী বিচ্ছুদল [৩৮] জয়তী, ২০১৭ প্রথমে হাত কাটা হয় আফতাব ভাইয়ের। এর কিছুদিন পর খুন করা হয় তাকে। এবার কেউ একজন তার স্বজনদের কাছে কাফনের কাপড় পাঠায় উপহার হিসেবে। যাকে দিয়ে পাঠায়, তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলে শোয়েবরা। শুরু হয় শোয়েবদের পলাতকজীবন। তারা নিশ্চিত থাকে, তাদের ফাঁসি হবে। একদিন জাকির ভাই বলেন, আমি তোমাদের ফাঁসি ঠেকাতে পারি যদি তোমরা একজন মানুষকে উদ্ধার করতে পারো। শোয়েবরা অভিযানে নামে মানুষটাকে উদ্ধার করার জন্য। কিন্তু কে সে? শেষ পর্যন্ত কি শোয়েবরা তাকে উদ্ধার করতে পারে? ঠেকাতে পারে কি নিজেদের ফাঁসি?
৪৫.অন্ধ গোয়েন্দা [৩৯] কলি প্রকাশনী, ২০১৭ প্রকাশ্যে জবাই করা হয় কালাচাঁনকে। তার অপরাধ সে বিশ্বাসঘাতকতা করে হাত মিলিয়েছে জয়নাল সর্দারের সঙ্গে। কিন্তু সত্যিই কি সে বিশ্বাসঘাতক? জয়নাল সর্দারের মাথা কেটে আনার নির্দেশ দেন লিডার। পুরস্কার ঘোষণা করেন এক লক্ষ টাকা। পুরস্কারের লোভে জয়নাল সর্দারের আস্তানায় ঢোকে খুনিরা। কেটে আনে তার মাথা। পুরস্কারের টাকা চাইলে গড়িমসি শুরু করেন লিডার। তুচ্ছ কারণে খুন করেন রতনকে। তারপর আরমানকে খুন করতে চাইলে ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন লিডার। হঠাৎ সেখানে হাজির হন হারিস ভাইরা। লিডার জানতে পারেন ভয়ঙ্কর একটি সত্য। কী সেই সত্য?
৪৬.গলাকাটা গোয়েন্দা [৪০] অনিন্দ্য প্রকাশ, ২০১৮ জানালার গ্রিলের ফাঁক দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বরকতকে। পুলিশ এসে লাশ নিয়ে যায় থানায়। এর পরপরই ঘটে বিস্ময়কর এক ঘটনা। থানা থেকে উধাও হয়ে যায় বরকতের লাশ। পুলিশ সন্দেহ করে গুপ্ত পার্টিকে। কারণ, আলামত নষ্টের জন্য তারা লাশ চুরি করতেই পারে। এলাকায় চিরুনি-অভিযান চালানো হয়। কিন্তু লাশ পাওয়া যায় না কোথাও। একদিন বরকতের বন্ধু মুকুলের কাছে ভয়ঙ্কর একটা চিঠি আসে। সে জানতে পারে, এক সপ্তাহের মধ্যে তার চোখ তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু কেন? কী অপরাধ করেছে সে? আর চিঠিটাই বা পাঠিয়েছে কে? অপহরণের শিকার হয় মুকুল। তাকে আটকে রাখা হয় একটা বদ্ধঘরে। অপহরণকারী পিস্তল উঁচিয়ে এগিয়ে আসে তার দিকে।
৪৭.রহস্যময় গুহা [৪১] কথাপ্রকাশ, ২০১৮ একরাতে নিখোঁজ হয় রকিব। জঙ্গলের পাশে পাওয়া যায় তার স্যান্ডেল। গোপনে সেই স্যান্ডেল ঘরে এনে রাখে তুহিন। কিন্তু পরদিন সকালে দেখে স্যান্ডেলটা নেই। কে নিল? কেন নিল? পায়ের দাগ অনুসরণ করতে করতে কড়ইতলায় যায় তুহিন। আচমকা গাছ থেকে লাফিয়ে পড়ে সাদা পোশাক পরিহিত দুজন। তারা কি মানুষ? নাকি ভূত? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে এগিয়ে আসেন এক কবিরাজ। কিন্তু পারেন না। অপহরণ করা হয় তাকে। একদিন জঙ্গলের ভেতর মুমূর্ষু অবস্থায় পাওয়া যায় কবিরাজকে। তার অপহরণ এবং রকিবের নিখোঁজ হওয়ার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন দুর্ধর্ষ এক বাহিনীর কথা। ধলাবাহিনী। ধলাবাহিনীর সন্ধান করতে গেলে সন্ধান মেলে রহস্যময় গুহার। সন্ধান মেলে ভয়ঙ্কর কালাজাদুর। কিন্তু রকিবের সন্ধান মেলে কি? সে কি বেঁচে আছে?
৪৮.লাশবাড়ি অ্যাটাক [৪২] জয়তী, ২০১৮ অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে দারোগা সাহেবের কাছে। জানানো হয় এক পুলিশ-সদস্যের খুন হওয়ার খবর। তবে দারোগা সাহেব স্পটে যান না। স্পটে যায় তার ছেলে রোহান। কিন্তু সে আর ফিরে আসে না। রোহানকে অপহরণের দায়ে গ্রেফতার করা হয় তার বন্ধু প্রদীপকে। সত্যিই কি প্রদীপ অপহরণকারী? অপহরণকারী না হলে সে কেন পালাবে থানা থেকে? আবার ফোন আসে দারোগা সাহেবের কাছে। জানানো হয়, যদি তিনি অপহরণকারীদের হাতে ধরা দেন, তাহলে ছেড়ে দেওয়া হবে রোহানকে। এখন কী করবেন দারোগা সাহেব? নিজের জীবন বাঁচাবেন, নাকি ছেলের জীবন? শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয় কার লাশ?
৪৯.ছদ্মবেশী ঘাতক [৪৩] পার্ল পাবলিকেশন্স, ২০১৮
৫০.একচোখা গোয়েন্দা [৪৪] কথাপ্রকাশ, ২০১৯ পুলিশ ধাওয়া করে হাতকাটা তারা মিয়াকে। তারা মিয়া দৌড়াতে দৌড়াতে আশ্রয় নেয় পুকুরপাড়ে। কিন্তু বাঁচতে পারে না। নির্মমভাবে খুন করা হয় তাকে। কে খুন করে তারা মিয়াকে? তার ভাতিজা মোক্তার কি? কিন্তু ভাতিজা কেন চাচাকে খুন করবে? তাহলে কি তাদের মধ্যে পুরনো কোনো শত্রুতা ছিল? কারণ কী সেই শত্রুতার? ‘কারণ’ খুঁজতে এগিয়ে আসে নাহিদ। আচমকা তার সামনে হাজির হয় একচোখা গোয়েন্দা। নাহিদকে সে খুলে বলে বিস্ময়কর সব ঘটনা। চেইন পার্টির লিডারের হাতে ধরা পড়ে একচোখা গোয়েন্দা। কে এই লিডার? কেন তার দলের নাম ‘চেইন পার্টি’? একরাতে একচোখা গোয়েন্দার সহায়তায় নাহিদকে খুন করতে যায় লিডার। ঢুকে পড়ে নাহিদের ঘরে। হঠাৎ পাটাতন থেকে নেমে আসে একটা ফাঁসির দড়ি।
৫১.কফিন রহস্য [৪৫] কথাপ্রকাশ, ২০১৯ কামরুলের লাশ আসে কফিনে করে। এরপর লাশ সমাহিত করা হলেও কফিনটা রেখে দেওয়া হয় বারান্দায়। কিন্তু কেন? একরাতে হাওয়া হয়ে যায় কফিনটা। সবাই সন্দেহ করে এলাকার কুখ্যাত চোর তমিজকে। জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায় কফিন চুরির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তাহলে সে দৌড়ে পালায় কেন? কেন খুঁজে পাওয়া যায় না চায়ের দোকানদার হযরত আলীকে? হযরত আলীকে খুঁজে সবাই যখন ক্লান্ত, তখন তার আংটি পাওয়া যায় কফিনের ভেতর। আর এই আংটির সূত্র ধরেই সামনে চলে আসে রহস্যময় সব ঘটনা। চলে আসে জাদুকর মজুমদারের নাম। কে এই মজুমদার? কফিনের প্রতি কেন তার এত লোভ? কেন তাকে ধরে এনে শোয়ানো হয় কফিনের ভেতর? এরপর সে কি জীবন্ত বের হতে পারে কফিন থেকে? নাকি... ।
৫২.কঙ্কাল বাড়ি [৪৬] পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স, ২০১৯ আতাউরকে বন্দি করে রাখা হয় অন্ধকার ঘরে। তাকে শক্ত করে বাঁধার জন্য খোঁজা হয় মজবুত দড়ি। তার অপরাধ সে কঙ্কাল বাড়িতে দুজন মানুষ ঢুকতে দেখেছে। সাদা পোশাক পরা। কিন্তু কঙ্কাল বাড়িতে মানুষ ঢুকতে দেখলে সমস্যা কোথায়? আর ধবধবে সাদা পোশাকধারী যে দুজনকে সে ঢুকতে দেখল সত্যিই কি তারা মানুষ? নাকি মানুষরূপী অন্যকিছু? কালাম ভাইয়ের নির্দেশে অন্ধ করে দেওয়া হয় আতাউরকে। কে এই কালাম ভাই? কঙ্কাল বাড়ির প্রতি কেন তার এত আগ্রহ? একদিন রহস্যমানব সিদ্দিকুর রহমানের মুখোমুখি হন কালাম ভাই। হঠাৎ কঙ্কাল বাড়ির দেয়াল ফুঁড়ে বেরিয়ে আসে আতাউর।
৫৩.বুলেট আতঙ্ক [৪৭] জয়তী, ২০১৯ স্বর্ণের তৈরি একটি বুলেট ঢাকায় আনা হয় মাছের পেটে ভরে। কিন্তু মাছের পেটে কেন? কার ভয়ে? আর যার জন্য আনা হয়, সে কেন পায় না বুলেটটি? হঠাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বুলেটটিকে ঘিরে। বিস্ফোরণের আতঙ্ক। কিন্তু স্বর্ণের তৈরি বুলেট বিস্ফোরণ ঘটাবে কেন? তাহলে কি এর ভেতরে কেউ রাসায়নিক দ্রব্য পুরে দিয়েছে? কে দিয়েছে? কেন দিয়েছে? বিস্ফোরণ ঠেকাতে ছুটে আসে কিশোর রিমন। কিন্তু সত্যিই কি তার উদ্দেশ্য বিস্ফোরণ ঠেকানো? নাকি অন্যকোনো উদ্দেশ্য আছে? কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? ফাঁস হতে সময় লাগে না রিমনের আসল উদ্দেশ্য। শুরু হয় তোলপাড়। অতঃপর শুধু লাশ আর লাশ। কার লাশ? কাদের লাশ? আর রিমন? কেন চোখের পানি ঝরে তার? কেন ঘটে হাতবোমা ছোড়ার ঘটনা?
৫৪.নাইট গ্যাং [৪৮] অনিন্দ্য প্রকাশ, ২০১৯ মেরে প্রদীপের নাক ফাটিয়ে দেয় চুন্নু। পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায় তাকে। সে যখন ছাড়া পায়, তখন মুখোমুখি হয় প্রদীপের। আর ঘটায় বিস্ময়কর এক ঘটনা। একরাতে চুন্নুকে ছুরি মারে কেউ। এরপর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে লড়তে মারা যায় সে। পুলিশ সন্দেহ করে প্রদীপকে। পুলিশের সন্দেহ গাঢ় হয়, যখন নিহত চুন্নুর মানিব্যাগ পাওয়া যায় প্রদীপদের বাড়িতে। শুরু হয় প্রদীপের পলাতকজীবন। তাকে আশ্রয় দিতে এগিয়ে আসেন দয়ালু এক বড়ভাই। কিন্তু কে এই বড়ভাই? কেন তিনি আশ্রয় দিতে চান প্রদীপকে? সব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে হাজির হয় নাইটগার্ড আনোয়ার। সে প্রকাশ করে ভয়ংকর ‘নাইট গ্যাং’ এর কথা। কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যুর মুখে পড়ে যায় প্রদীপের জীবন। শেষ পর্যন্ত কী হয়? প্রদীপ কি ফিরতে পারে তার অসুস্থ মায়ের কাছে?
৫৫.দস্যুর কবলে ক্লাসরুম তৃণলতা প্রকাশ, ২০১৯ গভীর রাত। স্কুলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল খালিদ। হঠাৎ দেখে ক্লাসরুম দখল করে রেখেছে একদল দস্যু। খালিদ খবরটি রুবেলকে দিতেই সে ব্যস্ত হয়ে পড়ে দস্যু তাড়ানোর জন্য। কিন্তু দস্যু তাড়ানো কি এত সহজ? কেন রুবেলকেই সন্দেহ করেন আলফাজ কাকারা? মুখোশধারীদের হাতে ধরা পড়ে রুবেল আর খালিদ। এরপর রুবেল রক্ষা পেলেও খালিদের রক্তাক্ত শার্ট পাওয়া যায় জঙ্গলে। কিন্তু শার্টটি সংগ্রহ করে গাছের কোটরে রাখলে ঘটে বিস্ময়কর এক ঘটনা। হাওয়া হয়ে যায় শার্টটি। কিন্তু কেন? খুন হন রুবেলদের শিক্ষক বাহার স্যার। তার লাশের পাশে পাওয়া যায় রহস্যময় একটি ক্যাপ। এই ক্যাপের সূত্র ধরে এগোতেই খোঁজ মেলে খালিদের লাশের। কিন্তু খালিদের লাশ আসলে কোনটি? থানারটি? নাকি ব্রিজের পাশে যেটি পড়ে আছে, সেটি?

বড়দের উপযোগী গল্পের বই[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
৫৬.মেয়েটিকে খুন না করলেও হতো [৪৯] রোদেলা প্রকাশনী, ২০১২ একই রাতে খুন হয় মা আর মেয়ে। অনেক চেষ্টার পর ধরা সম্ভব হয় আসল খুনিকে। তার মুখোমুখি হন পুলিশ অফিসার। খুনি তাকে হড়বড় করে বলে দেয় কীভাবে খুন করেছে, কেন খুন করেছে। সব শুনে অফিসার বলেন ধর্ষণ করার পর মহিলাকে খুন করেছো, ঠিক আছে। কিন্তু মহিলার মেয়েটাকে কেন খুন করলে? তাকে তো খুন না করলেও হতো। কিন্তু কেন? কেন খুন না করলে হতো? কী রহস্য লুকিয়ে আছে অফিসারের কথায়? উল্লেখ্য, এই গল্পগ্রন্থটিতে ছোটগল্প রয়েছে মোট ১১টি।
৫৭.একটি বেওয়ারিশ লাশ [৫০] মেধা পাবলিকেশন্স, ২০১৬ ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি যৌনপল্লী। নিহত হয় পঁচিশজন যৌনকর্মী। তাদের লাশ সারি বেঁধে রাখা হয় রাস্তায়। টিভি রিপোর্টাররা সংবাদ সরবরাহের জন্য ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। সন্ধ্যার আগেই চব্বিশটি লাশ হস্তান্তর করা হয়ে যায় স্বজনদের কাছে। থেকে যায় কেবল একটি লাশ। এই লাশটির মুখের কাপড় যখন সরানো হয়, তখন চিৎকার করে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায় এক টিভি-রিপোর্টার। যৌনকর্মীর জন্য কিসের মায়া এই রিপোর্টারের? সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় লাশটি দাফন করা হবে বেওয়ারিশ হিসেবে। হঠাৎ... । উল্লেখ্য, এই গল্পগ্রন্থটিতে ছোটগল্প রয়েছে মোট ৭টি।
৫৮.একটি চাঞ্চল্যকর খুন [৫১] মেধা পাবলিকেশন্স, ২০১৭ হঠাৎ করেই প্রকাশ হয়ে যায় ভয়ঙ্কর একটি সত্য। মোকাররমের বাবার মৃত্যু নাকি স্বাভাবিক ছিল না। তাকে খুন করা হয়েছিল। আর খুন করেছিল মোকাররম নিজে। মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে মোকাররমের। নিজের বাবাকে খুন করবে এও কি সম্ভব? এতোটা পশু কি সে? মা সাক্ষ্য দেন ঘটনা মিথ্যে নয়। সত্যিই নিজের বাবাকে খুন করেছে মোকাররম। কিন্তু কীভাবে? খুন যদি করেই থাকবে তাহলে মোকাররম সেটা কেন জানবে না? তাহলে কি... । উল্লেখ্য, এই গল্পগ্রন্থটিতে ছোটগল্প রয়েছে মোট ৭টি।
৫৯.সুইসাইড রুম [৫২] মেধা পাবলিকেশন্স, ২০১৯ মেয়েদের হোস্টেল। এই হোস্টেলের বিশেষ একটি রুম। যে রুমের নাম সুইসাইড রুম। কারণ, এই রুমে ইতোপূর্বে পাওয়া গিয়েছিল দু দুজন তরুণীর ঝুলন্ত লাশ। একদিন এই সুইসাইড রুমে ভাড়াটিয়া হয়ে আসে আরেক তরুণী। তারপর...। উল্লেখ্য, এই গল্পগ্রন্থটিতে ছোটগল্প রয়েছে মোট ৭টি।

উপন্যাস[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
৬০.ভুলে যেও আমায় [৫৩] আগামী প্রকাশনী, ২০০১ গভীররাতে কারো চিৎকার শুনতে পায় জাফর। সে ছুটে যায় নদীরপাড়ের দিকে। রক্ষা করে হতভাগ্য আসিফকে। কিন্তু তাকে মারতে চেয়েছিল কারা? তার সঙ্গে তাদের কিসের শত্রুতা? আসিফের জীবনে সোমা আসে ভালোবাসার বার্তা নিয়ে। কে এই সোমা? আসিফের সঙ্গে সোমার বিয়ের দিন-তারিখ পাকা হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের আগেই এলাকা ছাড়তে হয় আসিফকে। তাও রাতের অন্ধকারে। কেন? আসিফ নিজেকে কী এমন অপরাধের সঙ্গে জড়িয়েছে, যার কারণে তার এই পরিণাম? বিশেষ একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমা হন্যে হয়ে খোঁজে আসিফকে। কী সেই ঘটনা? শেষ অবধি আসিফের সন্ধান কি সে পায়?
৬১.এ হৃদয় চায় তোমাকে [৫৪] তানিয়া বুক ডিপো, ২০০৪ দেশখ্যাত বেতারশ্রোতা রায়হান। তার প্রেমে পড়ে কাকলী। কিন্তু তার পরিবার এই প্রেমের স্বীকৃতি দিতে চায় না। কাকলী সিদ্ধান্ত নেয় রায়হানের হাত ধরে পালিয়ে যাবে দূরে কোথাও। তারপর যেই সে রায়হানের সঙ্গে পালিয়ে যেতে চায়, নৃশংস একটি ঘটনা ঘটে। কী সেই ঘটনা? বহুবছর পর। কাকলীর সঙ্গে কাকতালীয়ভাবে দেখা হয়ে যায় রায়হানের। রায়হান তখন পঙ্গু। এক জোড়া ক্রাচ তার সঙ্গী। কিন্তু সুস্থ-সবল রায়হান পঙ্গু হলো কীভাবে? আর পঙ্গু রায়হানকে নদীতেই বা ঝাঁপ দিতে হয় কেন? আবারও নৃশংসতার শিকার হয় রায়হান। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কাকলী হাসপাতালে ছুটে যায় তার স্বামীকে নিয়ে। কিন্তু সে কি রায়হানকে দেখতে যায়? নাকি অন্য কাউকে? কে সে? কী হয় রায়হানের শেষ পরিণতি?
৬২.নিঃশব্দ নির্বাসন [৫৫] ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ ২০০৮ হঠাৎ করেই মুক্তিকে ভালোলাগার কথা জানিয়ে দেয় ডিপার্টমেন্টের ‘আদু ভাই’ শাহরিয়ার। এরপর ঘটনাচক্রে শাহরিয়ারের টার্গেটে পরিণত হয় মুক্তি ও তার প্রেমিক সাজ্জাদ। একদিন খুন হয় সাজ্জাদ। খুনের দায়ে গ্রেফতার করা হয় শাহরিয়ারকে। আর মুক্তিকে বরণ করতে হয় অন্ধত্ব। কিন্তু কেন? তার এই অন্ধত্বের জন্য কে দায়ী? তাহলে কি শাহরিয়ারই সব অপকর্মের নাটের গুরু? শাহরিয়ারের ফাঁসির দিন ঘনিয়ে আসে। এদিকে মুক্তি প্রস্তুত হয় তার লাশের উপর থুতু ছিটানোর জন্য। তারপর হঠাৎ... ।
৬৩.তরুণী তখন ঘরে একা [৫৬] রোদেলা প্রকাশনী ২০১৩ কয়েক ঘণ্টা পর রাহাত আর অপরাজিতার বিয়ে। হঠাৎ অপরিচিত একটা নাম্বার থেকে রাহাতের মোবাইলে ফোন আসে। নিজের পরিচয় গোপন রেখে ফোনদাতা বলে আপনার হবু স্ত্রী অপরাজিতা ম্যাডামের ডান উরুর উপরের দিকে বড়সড় একটা তিল আছে। কাগজের মতো সাদা উরুতে কুচকুচে কালো তিল। কী চমৎকার, তাই না? মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাহাত মুখোমুখি হয় অপরাজিতার। অপরাজিতা স্বীকার করে সত্যিই তার ডান উরুতে তিল আছে। রাহাতের মনে একটা প্রশ্ন তীরের মতো এসে বেঁধে তার হবু স্ত্রীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে তিল আছে, এটা কীভাবে অন্য পুরুষ জানল? শুরু হয় প্রশ্নের উত্তর খোঁজা।
৬৪.কুমারীর নিষিদ্ধ স্পর্শ [৫৭] রোদেলা প্রকাশনী, ২০১৪ কফিল ওরফে তুফাইন্যা। সর্বহারার আঞ্চলিক লিডার। প্রচন্ড নারীলোভী। অসংখ্য মেয়ের সর্বনাশকারী। বহুবছর পর নিজের স্ত্রী সালমার কাছে যায় তুফাইন্যা। এতদিন পর স্বামীকে একান্তে পেয়ে যেন গিলে খেতে চায় সালমা। কিন্তু তুফাইন্যা স্ত্রীর আহŸানে সাড়া দিতে অনিচ্ছুক। কারণ, কেউ একজন তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে। কে সে? কেনই বা কাটল? এদিকে সালমা বায়না ধরে, সে মা হবে। কিন্তু তুফাইন্যার পক্ষে স্ত্রীকে মা বানানো কীভাবে সম্ভব? তবু তুফাইন্যা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা সালমাকে সে মা বানাবেই। পূরণ করবে নিজের বাবা হওয়ার শখও। পুরুষাঙ্গহীন তুফাইন্যা এবার স্ত্রীকে মা বানানোর জন্য বেছে নেয় অবৈধ আর সর্বনাশা এক পথ। কী সেই পথ? কেমন সেই পথ?
৬৫.বীভৎস সেই মধ্যরাত [৫৮] রোদেলা প্রকাশনী, ২০১৫) দ্বিতীয়বারের মতো খুন হন অদিতির বাবা। খুনির সন্ধানে মাঠে নামে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে আসে অদিতির বন্ধু সাগরের নাম। কিন্তু আদৌ কি সাগর অদিতির বাবার খুনি? তাহলে কে প্রকৃত খুনি? খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার আভাস পেয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জালালকে। কে এই জালাল? কেন অদিতির বাসায় যাতায়াত করত সে? একদিন জালাল প্রকাশ করে প্রকৃত খুনির পরিচয়। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে অদিতির। তছনছ হয়ে যায় তার ভালোবাসার পৃথিবী। কোনো এক মধ্যরাত। ধর্ষণের শিকার হয় অদিতি। এরপর কেটে যায় বহুদিন। অদিতি ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু বিয়ের ঠিক আগ মুহূর্তে সে জানতে পারে... ।
৬৬.ছুঁয়ে দাও বালিকা [৫৯] দেশ পাবলিকেশন্স, ২০১৬ মুনিয়াকে বিয়ে করতে চায় মিল্টন। কিন্তু মিল্টনের নাম শুনলেই বিরক্তিতে গা জ¦লে যায় মুনিয়ার। বিশেষ একটি ঘটনার পর মিল্টনের প্রতি দুর্বল হতে থাকে সে। কী সেই ঘটনা? বিয়ের দিন-তারিখ পাকা হয় মিল্টন আর মুনিয়ার। নির্দিষ্ট দিনে নববধূর সাজে সেজে মিল্টনের জন্য অপেক্ষা করে মুনিয়া। কিন্তু গভীররাত পর্যন্ত অপেক্ষার পরও যখন মিল্টন আসে না, তখন অস্থির হয়ে ওঠে সে। প্রায় মধ্যরাতে একটি চিঠি আসে মুনিয়ার কাছে। মুহূর্তেই উলটপালট হয়ে যায় মুনিয়ার স্বপ্নের পৃথিবী। কার চিঠি এটা? কী লেখা ছিল এই চিঠিতে? পরদিন একটি দুঃসংবাদ আসে হাসপাতাল থেকে। মুনিয়া ছুটে যায় হাসপাতালে। তারপর... ।
৬৭.তুমি ছাড়া একলা আমি [৬০] বর্ষাদুপুর, ২০১৬ ধনীর দুলালী হৃদি অপহৃত হয় দিনেদুপুরে। তাকে উদ্ধারের জন্য মাঠে নামে পুলিশ। কল লিস্টের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় নোমানকে। কে এই নোমান? অপহরণকারীরা পঞ্চাশ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে হৃদির বাবার কাছে। বাবা যখন মুক্তিপণ দেওয়ার প্রস্তুতি নেন, তখনই অবিশ্বাস্য এক সত্য আবিষ্কার করে পুলিশ। কী সেই সত্য? ভয়াবহ একটি দুঃসংবাদ আসে গ্রাম থেকে। তৎক্ষণাৎ গ্রামে ছুটে যায় নোমান। ছুটে যায় হৃদিও। কিন্তু হৃদি কেন যাবে? কিসের টানে? কিসের মায়ায়? আর কেনই বা রক্তাক্ত হবে নোমান?
৬৮.ভালোবাসি হয়নি বলা [৬১] দেশ পাবলিকেশন্স, ২০১৭ লাশবাহী একটি গাড়ি ঢোকে গ্রামে। শুরু হয় কানাঘুষা এটি কি আত্মহত্যা? নাকি খুন? এই আত্মহত্যা কিংবা খুনের সুবাদে মাহিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় শোয়েবের। রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে সে। তারপর হঠাৎ করেই একদিন বিদেশে চলে যায় মাহিয়া। বন্ধ করে দেয় যোগাযোগের সব মাধ্যম। কিন্তু কেন? বিদেশে গিয়ে সে এমন কী করে যার কথা কাউকে বলা যাবে না? এরপর একদিন কাউকে না জানিয়েই দেশে ফেরে মাহিয়া। আদালত চত্বরে পরম আবেগে সে জড়িয়ে ধরে শোয়েবকে। এ সময় মাহিয়ার বুকের স্পর্শে চমকে ওঠে শোয়েব। কারণ, এক ব্রেস্টের স্পর্শ স্বাভাবিক হলেও অন্যটির স্পর্শ অস্বাভাবিক। কিন্তু কেন?
৬৯.বিদায় মা [৬২] বর্ষাদুপুর, ২০১৭ মাকে বাড়িতে রাখা যাবে না। তার অপরাধ তিনি কৃপণ। অথচ প্রথমজীবনে কৃপণ ছিলেন না মানুষটা। মর্মান্তিক একটি ঘটনার পর কৃপণ হতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। কী সেই ঘটনা? ইকরাম এবং তার স্ত্রী মিলে পরিকল্পনা করে মাকে রেখে আসবে বৃদ্ধাশ্রমে। কিন্তু বৃদ্ধাশ্রমের কথা শুনলে মা তো যেতে চাইবেন না! তাহলে কী করা যায়? ইকরামরা সিদ্ধান্ত নেয় মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে হাসপাতালে ভর্তির নাম করে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করে তারা। অথচ মা তখনও জানেন তিনি হাসপাতালেই আছেন। এরপর দিন যায়, সপ্তাহ যায়। মা অপেক্ষা করেন কখন সন্তান আসবে আর কখন বাড়ি নিয়ে যাবে তাকে। কিন্তু সন্তান আসে না। তারপর একদিন হঠাৎ... ।
৭০.ভালো থেকো মা [৬৩] বর্ষাদুপুর, ২০১৮ হাসপাতালে ভর্তির কথা বলে ইকরাম তার অসহায় মাকে রেখে আসে বৃদ্ধাশ্রমে। এরপর একদিন নিজের ভুল বুঝতে পারে সে। ফিরিয়ে আনতে যায় মাকে। কিন্তু পায় না। কেউ একজন নিয়ে গেছে তাকে। কে সে? একদিন ইকরামের নামে একটি চিঠি আসে। সে জানতে পারে সোহেল নামের একজন ভালোবাসে তার স্ত্রীকে। সন্দেহ আর অবিশ্বাসের আগুন জ্বলে ওঠে ইকরামের মনে। বিপর্যস্ত ইকরাম তবু মাকে খুঁজতে ভোলে না। কিন্তু মা কি স্মরণ করেন তাকে? কেন তিনি গভীররাতে ছুটে যান গেটের কাছে? হঠাৎ একদিন ইকরামের সামনে এসে দাঁড়ায় অপরিচিত একজন। ভয়ঙ্কর একটি খবর দেয় মার সম্পর্কে। কী সেই খবর? কেন এই খবর শুনে ঝড়ের গতিতে ছুটে যায় ইকরাম? উল্লেখ্য, ‘ভালো থেকো মা’ উপন্যাসটি ‘বিদায় মা’ উপন্যাসের ২য় খন্ড।
৭১.তোমার জন্য প্রার্থনা[৬৪] তাম্রলিপি, ২০১৯ বাদলের ছুড়ে মারা বলের আঘাতে মারাত্মক আহত হয় রিতা। পরীক্ষার হলের পরিবর্তে হাসপাতালে যেতে হয় তাকে। শালিসে সিদ্ধান্ত হয় এক লাখ টাকা জরিমানা দেবে বাদল। বাদলকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তার বাবা। তাকে বের করে দেওয়া হয় কলেজ থেকেও। কিন্তু সে পিছু ছাড়ে না রিতার। এদিকে বাদলকে মারতে চায় জুয়েল। কিন্তু জুয়েলের সঙ্গে কিসের দ্বন্ধ বাদলের? দ্বন্ধটা কি বাদলের বোন নাদিয়া-সংক্রান্ত? কেন বিয়ে ভেঙে যায় নাদিয়ার? একরাতে রিতার ঘরে ঢোকে কেউ। সন্দেহের তীর ছোটে বাদলের দিকে। কারণ, তার স্যান্ডেল পাওয়া যায় ঘটনাস্থলে। রিতার স্বজনরা তাকে খোঁজে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। ছুরি মারা হয় বাদলকে। কে মারে? রিতার স্বজনরা? নাকি অন্য কেউ? আর কেন বিষ খায় নাদিয়া? অবশেষে রিতা যখন ছুটে আসে বাদলের কাছে, বাদল তখন অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী। অতঃপর শুধুই প্রার্থনা। কেন এই প্রার্থনা? বাদলের সুস্থতার জন্য? নাকি... ।
৭২.তালাকপ্রাপ্তা [৬৫] বর্ষাদুপুর, ২০১৯ নাজমাকে তালাক দেয় মাসুদ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সে প্রাক্তন প্রেমিক রাকিবের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছে। অভিযোগ অস্বীকারের উপায় থাকে না নাজমার। তাই ‘দুশ্চরিত্রা’ খেতাব নিয়ে তাকে বেরিয়ে যেতে হয় স্বামীর ঘর থেকে। রাকিব বাড়িয়ে দিতে চায় সাহায্যের হাত। কিন্তু পারে না। আক্রমণ হয় তার উপর। কে করে আক্রমণ? অবৈধ সন্তান পেটে আসে নাজমার। তবু অনুশোচনা নেই তার। বরং সে মানসিক প্রশান্তি পায় এই ভেবেÑ ওয়াদাটা তো অন্তত রক্ষা করতে পেরেছে! কিন্তু কিসের ওয়াদা? সন্তান প্রসবের সময় হয় নাজমার। এবার এক ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা হাতে নেয় আয়েশা। কে এই আয়েশা? কী সেই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা? অবশেষে কী হয় নাজমার? কিংবা তার অবৈধ সন্তানের?

মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস[সম্পাদনা]

নাম প্রকাশক প্রকাশকাল কাহিনী সংক্ষেপ
৭৩.একাত্তরের বদ্ধঘর [৬৬] দেশ পাবলিকেশন্স, ২০১৮ ১৯৭১ সাল। একটি বদ্ধঘরে ফজলুর রহমানের পরিবারের দুর্বিষহ বসবাস। বাইরে ওত পেতে আছে হিংশ বিহারির দল আর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। একদিন দল বেঁধে ছুটে আসে সশস্ত্র ঘাতকেরা। একের পর এক আঘাত করতে থাকে বদ্ধঘরের দরজায়। ভীত-সন্ত্রস্ত ফজলুর রহমানের পরিবার আশ্রয় নেয় খাটের তলায়। আর ফজলুর রহমান দাঁড়িয়ে থাকেন দরজা ধরে। ঘাতকেরা শাবলের আঘাতে ভেঙে ফেলে দরজা। দৌড়ে পালাতে চান ফজলুর রহমান।

সমগ্র[সম্পাদনা]

প্রথম ৫ উপন্যাস (প্রকাশক : মেধা পাবলিকেশন্স, প্রকাশকাল : ২০১৭) বইটি সম্পর্কে : ‘প্রথম ৫ উপন্যাস’ বইটিতে রয়েছে ইকবাল খন্দকারের লেখকজীবনের প্রথমদিকে প্রকাশিত (বড়দের উপযোগী) পাঁচটি উপন্যাস। উপন্যাসগুলো হলো ভুলে যেও আমায়, এ হৃদয় চায় তোমাকে, নিঃশব্দ নির্বাসন, তরুণী তখন ঘরে একা এবং কুমারীর নিষিদ্ধ স্পর্শ।

উপস্থাপনা[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকার টেলিভিশনে উপস্থাপনা শুরু করেন ২০১২ সালে। তার উপস্থাপনায় সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত উল্লেখযোগ্য কিছু অনুষ্ঠান হলো

অনুষ্ঠানের নাম চ্যানেল প্রচার সাল অতিথি
বেআক্কেলের আড্ডা একুশে টিভি ২০১২ মীরাক্কেলখ্যাত জামিল হোসেন, ফারজানা সাগীর শশী, চিকন আলী ও শান্তনু।
সফদার ডাক্তার [৬৭] চ্যানেল নাইন ২০১২ হা-শো চ্যাম্পিয়ন সাইফুল, লিটন খন্দকার, শাকিলা ও শান্তনু।
ক্যারিকেচার একুশে টিভি ২০১৩ মীরাক্কেলখ্যাত জামিল হোসেন, আনোয়ারুল আলম সজল ও ইশতিয়াক নাসের।
খবরের খবর আছে [৬৮] চ্যানেল নাইন ২০১৩ থেকে ২০১৪) ড. ইনামুল হক, আল মনসুর, মুন্নী সাহা, তাজিন আহমেদ, বন্যা মির্জা, মাজনুন মিজান, শানারেই দেবী শানু, স্বাধীন খসরু, সুমন পাটোয়ারী, সাজু খাদেম, আরফান আহমেদ, আহসান কবির, আবু হেনা রনি, জামিল হোসেন, আলিশা প্রধান, ফারজানা সাগীর শশী, আনোয়ারুল আলম সজল, ইশতিয়াক নাসের, বৃন্দাবন দাস, শাহনাজ খুশি, অনিক খান, স্বাগতা, হাসান জাহাঙ্গীর, রুমি, আনোয়ার শাহী, মাসুদ রানা মিঠু, আবদুল আজিজ, লারা লোটাস, আরিফ মাহবুব তমাল, আশরাফ কবির, জিল্লুর রহমান, জয়রাজ প্রমুখ। উল্লেখ্য, এটি ছিল সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান।
হাসতে নেই মানা [৬৯] বিটিভি ২০১৪ আল মনসুর, তুষার খান, কচি খন্দকার ও শিরিন বকুল।
প্রকৃতি ও পরিবেশ [৭০] বিটিভি ২০১৪ ড. মোহিত কামাল ও ড. ফরিদ উদ্দিন মিল্কি।
খবরওয়ালাদের খবর [৭১] বিটিভি ২০১৫ মনজুরুল আহসান বুলবুল, জ ই মামুন, সামিয়া রহমান ও ফারজানা রুপা। সংগীত পরিবেশনা রমা ও লোপা হোসেইন।
অমর একুশে বইমেলা [৭২] মাই টিভি ২০১৫ লেখক, প্রকাশক ও পাঠকগণ।
শিল্প প্রাঙ্গণ [৭৩] বিটিভি ২০১৫ থেকে ২০১৮ ঐতিহ্যবাহী শিল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মীগণ। উল্লেখ্য, এটি ছিল পাক্ষিক অনুষ্ঠান।
বড় মিয়া ছোট মিয়া [৭৪] বৈশাখী টিভি ২০১৫ আবদুল কাদের ও আফজাল শরীফ। কৌতুক পরিবেশনায় শশী ও সাইফুল।
শিক্ষার আলো বিটিভি ২০১৭ ড. মো: আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
বইমেলা প্রতিদিন গাজী টিভি ২০১৭ লেখক, প্রকাশক ও পাঠকগণ। উল্লেখ্য, এটি ছিল ‘লাইভ’ অনুষ্ঠান। মাসব্যাপী।
সেদিনের তারকা [৭৫] বিটিভি ২০১৭ ‘ছুটির ঘণ্টা’ ছবির সেই খোকন তথা মাস্টার সুমন, বাংলাদেশে প্রথম নির্মিত ‘দেবদাস’ সিনেমায় শিশু দেবদাস আর পার্বতীর চরিত্রে অভিনয় করা মাস্টার শাকিল ও আইরিন পারভীন লোপা এবং দিঘি
গল্পে শুনি যাদের নাম [৭৬] বিটিভি ২০১৭ ড. ইনামুল হক, হাসান জাহাঙ্গীর, শবনম পারভীন ও শাওন মজুমদার।
পন্ডিতের পাঠশালা এশিয়ান টিভি ২০১৭ ড. ইনামুল হক, ফারুক আহমেদ, কচি খন্দকার, তুষার খান, শবনম পারভীন, আনোয়ারুল আলম সজল প্রমুখ। উল্লেখ্য, এটি ছিল সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান।
তারকাদের ঈদ [৭৭] বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র, ২০১৮ আইয়ুব বাচ্চু, রবি চৌধুরী, সাব্বির, মিনার ও ইরফান সাজ্জাদ
বই নবান্ন [৭৮] এসএ টিভি ২০১৮ লেখক, প্রকাশক ও পাঠকগণ। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানটি ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী প্রচারিত।
চিরসবুজ জাফর ইকবাল [৭৯] বিটিভি ২০১৮ চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল এর জীবনী
বই নবান্ন এসএ টিভি ২০১৯ লেখক, প্রকাশক ও পাঠকগণ। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানটি ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী প্রচারিত।
বৈশাখের রঙ্গরস [৮০] এশিয়ান টিভি ২০১৯ ফারুক আহমেদতারিক স্বপন
গানালাপ ডটকম [৮১] বিটিভি ২০১৯ বেলাল খানসাবরিনা পড়শী
ঈদ রঙ্গরস [৮২] এশিয়ান টিভি ২০১৯ আবু হেনা রনি, ইশতিয়াক নাসের, শাওন মজুমদার ও মো. সোলায়মান।
আশ্রয়ণে ঈদ [৮৩] বিটিভি ২০১৯ চাঁদপুরের আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী মানুষজন।
গান আলাপন[৮৪] বিটিভি ২০১৯ পারভেজ সাজ্জাদ ও বাঁধন সরকার পূজা
সেলিব্রিটি আড্ডা [৮৫] এশিয়ান টিভি ২০১৯ সোহেল রানাইলিয়াস কাঞ্চন
ঈদ গান আলাপন [৮৬] বিটিভি ২০১৯ বালাম, সাবরিনা পড়শী, জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়াঐশী

গান[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকারের লেখা প্রকাশিত গানের সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু গান হলো।

নাম কন্ঠশিল্পী
ভালোবাসি হয়নি বলা তবু ভালোবাসি [৮৭] বেলাল খানসাবরিনা পড়শী
সব তারা নিভে যাক [৮৮] আসিফ আকবর
মেঘলা দুপুরে কার নূপুরে [৮৯] বেলাল খান
কত ভালোবাসি যে তোরে শিল্পী বিশ্বাস
প্রিয় বাংলাদেশ [৯০] সাবরিনা সাবা
তোমায় ভালোবাসি আরফিন রুমি ও লুইপা
পাপী [৯১] সাবরিনা সাবা
আকাশ সমান সম্ভাবনার মুক্তো ওদের মাঝে [৯২] (অটিস্টিকদের নিয়ে লেখা গান)

উল্লেখ্য, পপ সম্রাট আজম খান এর মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে মিডিয়ায় সর্বপ্রথম যে গানটি প্রচার হয়, সেটি ইকবাল খন্দকারের লেখা। শিল্পী ছিলেন সুজন আরিফ ও তানজিনা রুমা। আর প্রচার হয়েছিল এটিএন বাংলা ‘স্মাইল শো’ অনুষ্ঠানে।

নাটক[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকারের লেখা দর্শকনন্দিত কিছু একক ও ধারাবাহিক নাটক হলো

  • কদম চোরা
  • বিয়ে করবো স্পন্সর চাই
  • রোজাদার

ইত্যাদি। [৯৩]

টিভি অনুষ্ঠানের স্ক্রিপ্ট[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকারের লেখা স্ক্রিপ্টে প্রচারিত হয়েছে বেশ কিছু টিভি-অনুষ্ঠান। যেমন

নাম টিভি
কে হতে চায় কোটিপতি [৯৪] দেশ টিভি
বিভ্রাট এনটিভি
জোর করে হাসি নয় বৈশাখী টিভি
জমবে এবার গানে গানে এটিএন বাংলা
ছন্দে আনন্দে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র

ইত্যাদি।

মডেল[সম্পাদনা]

ইকবাল খন্দকার সম্প্রতি মডেলিং শুরু করেছেন। ২০১৯ সালের শুরুর দিকে তিনি মডেল ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হন ‘মার্ভেলাস’ নামক একটি পোশাক-প্রতিষ্ঠানের।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "শৈশব পড়ালেখা" 
  2. "দোয়েল ও জোনাকি" 
  3. "অহংকারী অজগড়" 
  4. "কাকের গান শেখা" 
  5. "শালিক ও কাঠঠোকরা" 
  6. "মহাবিপদে ছোটমামা" 
  7. "ভুতড়ে বটগাছ" 
  8. "টিফিনবক্মে দৈত্য" 
  9. "দাত ভাঙ্গা হাসি" 
  10. "বস্তা ভরা হাসি" 
  11. "জবরদস্থি হাসি" 
  12. "গড়াগড়ি হাসি" 
  13. "দাত খোলা হাসি" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  14. "একচোখা গোয়েন্দা" 
  15. "গলাকাটা ভুত" 
  16. "তিনচোখা ভুত" 
  17. "রক্তচোষা ভুত" 
  18. "ভুতরে লাশঘর" 
  19. "লাশখেকো পিশাচ" 
  20. "অভিশপ্ত ষ্টেশন" 
  21. "মরাবাড়ির আত্মা" 
  22. "রক্তখেকো পাহাড়" 
  23. "অভিসপ্ত সিন্দুক" 
  24. "ভুতরে ডাকঘর" 
  25. "ছমছমে ভূতঘর" 
  26. "রাক্ষসী দোলনা" 
  27. "মধ্যরাতের প্রেতাত্মা" 
  28. "রোল নং এক" 
  29. "স্কুলজুড়ে আতঙ্ক" 
  30. "অপারেশন দস্যুবাড়ি" 
  31. "লম্বু জনি" 
  32. "রহস্যময় ক্লাশরুম" 
  33. "ক্লাশ লিডার" 
  34. "ভয়ঙ্কর ডাকুবাড়ী" 
  35. "ক্লাশ লিডার" 
  36. "রহস্যময় গোয়েন্দা" 
  37. "কালাদিঘির রহস্য" 
  38. "দুঃসাহসী বিচ্ছুদল" 
  39. "অন্ধ গোয়েন্দা" 
  40. "গলাকাট গোয়ন্দা" 
  41. "রহস্যময় গুহা" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  42. "লাশবাড়ি অ্যাটাক" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  43. "ছদ্মবেশী ঘাতক" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  44. "একচোখা গোয়েন্দা" 
  45. "কফিন রহস্য" 
  46. "কঙ্কাল বাড়ি" 
  47. "বুলেট আতঙ্ক" 
  48. "নাইট গ্যাং" 
  49. "মেয়েটিকে খুন না করলেও হত" 
  50. "মেয়েটিকে খুন না করলেও হত" 
  51. "একটি চাঞ্চল্যকর খুন" 
  52. "সুইসাইড রুম" 
  53. "ভুলে যেও আমায়" 
  54. "এ হৃদয় চায় তোমাকে" 
  55. "নিঃশব্দ নির্বাসন" 
  56. "তরুণী তখন ঘরে একা" 
  57. "কুমারীর নিষিদ্ধ স্পর্শ" 
  58. "বীভৎস সেই মধ্যরাত" 
  59. "ছুঁয়ে দাও বালিকা" 
  60. https://m.ntvbd.com/arts-and-literature/39902/এক-বইমেলায়-ইকবাল-খন্দকারের-১০-বই/amp |ইউআরএল= এ শিরোনাম অনুপস্থিত (সাহায্য) 
  61. "ভালোবাসি হয়নি বলা" 
  62. "বিদায় মা" 
  63. "ভালো থেকো মা" 
  64. "তোমার জন্য প্রার্থনা" 
  65. "তালাকপ্রাপ্তা" 
  66. "একাত্তরের বদ্ধঘর" 
  67. "সফদার ডাক্তার" 
  68. "খবরের খবর আছে" 
  69. "হাসতে নেই মানা" 
  70. "প্রকৃতি ও পরিবেশ" 
  71. "খবরওয়ালাদের খবর" 
  72. "অমর একুশে বইমেলা" 
  73. "শিল্প প্রাঙ্গণ" 
  74. "বড় মিয়া ছোট মিয়া" 
  75. "সেদিনের তারকা" 
  76. "গল্পে শুনি যাদের নাম" 
  77. "তারকাদের ঈদ" 
  78. "বই নবান্ন" 
  79. "চিরসবুজ জাফর ইকবাল" 
  80. "বৈশাখের রঙ্গরস" 
  81. "গানালাপ ডটকম" 
  82. "ঈদ রঙ্গরস" 
  83. "আশ্রয়ণে ঈদ" 
  84. "গান আলাপন" 
  85. "সেলিব্রিটি আড্ডা" 
  86. "ঈদ গান আলাপন" 
  87. "ভালোবাসি হয়নি বলা তবু ভালোবাসি" 
  88. "সব তারা নিভে যাক" 
  89. "মেঘলা দুপুরে কার নূপুরে" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  90. "প্রিয় বাংলাদেশ" 
  91. "পাপী" 
  92. "আকাশ সমান সম্ভাবনার মুক্তো ওদের মাঝে" 
  93. "নাটকসূমুহ" 
  94. "কে হতে চায় কোটিপতি"