লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি
লক্ষ্মণ সাহা জমিদার বাড়ি.jpg
লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি
লুয়া ত্রুটি মডিউল:মানচিত্রের_কাঠা এর 318 নং লাইনে: attempt to perform arithmetic on local 'lat_d' (a nil value)।
বিকল্প নামউকিল বাড়ি
ডাংগা জমিদার বাড়ি
সাধারণ তথ্য
অবস্থাabandoned
ধরনবাসস্থান
স্থাপত্য রীতিBlend of Colonial and Mughal style
অবস্থানপলাশ উপজেলা
ঠিকানাডাংগা
শহরপলাশ উপজেলা, নরসিংদী জেলা
দেশবাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক23°53'56.82"N 90°35'41.48"E
খোলা হয়েছেঅজানা, 19th century
স্বত্বাধিকারীলক্ষণ সাহা, Lawyer Ahmed Ali
উচ্চতা
ছাদflat roof
কারিগরী বিবরণ
কাঠামোগত পদ্ধতিsheer wall and column structure
পদার্থইট, সুরকি ও রড, lime mortar, red mosaic
তলার সংখ্যাদ্বিতল
লিফট/এলিভেটরnone
অন্যান্য তথ্য
কক্ষ সংখ্যা11

লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ডাংগা নামক এলাকায় অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। যা স্থানীয়দের কাছে উকিল বাড়ি নামে বেশ পরিচিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জমিদার লক্ষণ সাহা এই জমিদার বংশের মূল গোড়াপত্তনকারী। তবে কবে নাগাদ এই জমিদার বংশ এবং জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। এই জমিদার বংশধররা অন্য জমিদারের আওতাভুক্ত ছোট জমিদার ছিলেন। তবে তাদের কখনো তারা যে জমিদারের আওতাভুক্ত ছিলেন তাদেরকে বা ব্রিটিশ সরকারকে খাজনা দিতে হয়নি। কারণ এই জমিদারী এলাকাটি ভারত উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র এলাকা ওয়াকফ হিসেবে ছিল। লক্ষণ সাহার তিন পুত্র সন্তান ছিল। এদের মধ্যে ছোট ছেলে ভারত ভাগের সময় ভারতে চলে যান। এরপর পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অল্প কিছুদিন আগে বড় ছেলেও ভারতে চলে যান। থেকে যান মেঝো ছেলে। তার ছিল এক পুত্র সন্তান। যার নাম ছিল বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা। এই বৌদ্ধ নারায়ণ সাহাই পরবর্তীতে আহম্মদ আলী উকিলের কাছে উক্ত বাড়িটি বিক্রি করে দেন। তাই আহম্মদ আলী সাহেব পেশায় একজন উকিল হওয়াতে বর্তমানে অনেকে এই বাড়িটিকে উকিল বাড়ি নামেও চিনে।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়িটি দ্বিতল বিশিষ্ট্য একটি ভবন। ভবনের মেছেতে কষ্টি পাথর দিয়ে ঢালাই করা। ছোট্ট একটি কারুকার্য খচিত দালান, বাগানবাড়ি, সাঁন বাঁধানো পুকুর ঘাট, পূজো করার জন্য পুকুরের চারপাশে তিনটি মঠ বা মন্দির ছিল।

Plan lokkhon shaha-Recoveredরর.jpg

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

জমিদার বাড়ির সবগুলো স্থাপনা মোটামুটি বেশ ভালো অবস্থাই আছে। শুধু পুকুরের চারপাশের মঠ বা মন্দিরগুলোর ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে একটি এখনো পুকুর ঘাটের কাছে মোটামুটিভাবে টিকে আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]