অড়হর
অবয়ব
| Pigeon pea অড়হর | |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Plantae |
| শ্রেণীবিহীন: | সপুষ্পক উদ্ভিদ |
| শ্রেণীবিহীন: | Eudicots |
| শ্রেণীবিহীন: | Rosids |
| বর্গ: | Fabales |
| পরিবার: | Fabaceae |
| গণ: | Cajanus |
| প্রজাতি: | C. cajan |
| দ্বিপদী নাম | |
| Cajanus cajan (L.) Millsp. | |
অড়হর এক প্রকার ডাল বীজ। কথ্য ভাষায় এ উদ্ভিদটি অরল নামে পরিচিত। এর ইংরেজি নাম pigeon pea।[১] বৈজ্ঞানিক নাম Cajanus cajan। পরিবার leguminosae।
পরিচিতি
[সম্পাদনা]অড়হর হার্ব জাতীয় বর্ষজীবি গাছ। পাতা কিছুটা লম্বা ও মাথা চোখা আকারের হয়। ফুল হলদে, এর বীজ ছোটো গোলাকার। ফল আকারে ছোটো কড়াইন শুটির মতো, কিন্তু একটু চ্যাপ্টা হয়। এটি যেকোন জমিতে জন্মায়।
চাষাবাদ
[সম্পাদনা]
সারা বিশ্বে আনুমানিক ৪৪.৯ লক্ষ টন অড়হর ডাল উৎপাদন হয়।[২] এই উৎপাদনের প্রায় ৬৩% ভারতে উৎপন্ন হয়।[৩] বাংলাদেশে বেশির ভাগ অড়হরের চাষ করা হয় কুষ্টিয়া, রংপুর, দিনাজপুর ও যশোর জেলায়। এর বীজ ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে পাকে। বীজ লাগাতে হয় এপ্রিল-মে মাসে অর্থাৎ বর্ষার আগে।
বিস্তার
[সম্পাদনা]অড়হর ডালের আদি নিবাস বোম্বাই, মাদ্রাজ, যুক্তপ্রদেশ, মায়ানমার, মধ্যভারত, বাংলায় ও আসামে চাষ হয়। বাংলাদেশে উত্তরবঙ্গে চাষ হয়।
গুণাগুণ
[সম্পাদনা]Seeds of the pigeon pea | |
| প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স)-এ পুষ্টিমান | |
|---|---|
| শক্তি | ১,৪৩৫ কিজু (৩৪৩ kcal) |
৬২.৭৮ g | |
| চিনি | n/a |
| খাদ্য আঁশ | ১৫ g |
১.৪৯ g | |
২১.৭ g | |
| ট্রিপ্টোফ্যান | ২১২ mg |
| থ্রিয়েনিন | ৭৬৭ mg |
| আইসুলেসিন | ৭৮৫ mg |
| লুসিন | ১৫৪৯ mg |
| লাইসিন | ১৫২১ mg |
| মেথাইনিন | ২৪৩ mg |
| সিস্টাই | ২৫০ mg |
| ফিনাইনলালনিন | ১৮৫৮ mg |
| টাইরোসিন | ৫৩৮ mg |
| ভ্যালিন | ৯৩৭ mg |
| আরজানাইন | ১২৯৯ mg |
| হিস্টিডিন | ৭৭৪ mg |
| অ্যালানিন | ৯৭২ mg |
| অ্যাস্পার্টিক অ্যাসিড | ২১৪৬ mg |
| গ্লুটামিক অ্যাসিড | ৫০৩১ mg |
| গ্লাইসিন | ৮০২ mg |
| প্রোলিন | ৯৫৫ mg |
| সেরিন | ১০২৮ mg |
| হাইড্রক্সিফোলাইন | ০ mg |
| ভিটামিন | পরিমাণ দৈপ%† |
| থায়ামিন (বি১) | ৫৬% ০.৬৪৩ মিগ্রা |
| রিবোফ্লাভিন (বি২) | ১৬% ০.১৮৭ মিগ্রা |
| নায়াসিন (বি৩) | ২০% ২.৯৬৫ মিগ্রা |
| প্যানটোথেনিক অ্যাসিড (বি৫) | ২৫% ১.২৬৬ মিগ্রা |
| ভিটামিন বি৬ | ২২% ০.২৮৩ মিগ্রা |
| ফোলেট (বি৯) | ১১৪% ৪৫৬ μg |
| কোলিন | ০% ০.০০০০০০ মিগ্রা |
| ভিটামিন সি | ০% ০ মিগ্রা |
| ভিটামিন ই | ০% ০.০০০০০০ মিগ্রা |
| ভিটামিন কে | ০% ০.০০০০০০ μg |
| খনিজ | পরিমাণ দৈপ%† |
| ক্যালসিয়াম | ১৩% ১৩০ মিগ্রা |
| লৌহ | ৪০% ৫.২৩ মিগ্রা |
| ম্যাগনেসিয়াম | ৫২% ১৮৩ মিগ্রা |
| ম্যাঙ্গানিজ | ৮৫% ১.৭৯১ মিগ্রা |
| ফসফরাস | ৫২% ৩৬৭ মিগ্রা |
| পটাশিয়াম | ৩০% ১৩৯২ মিগ্রা |
| সোডিয়াম | ১% ১৭ মিগ্রা |
| জিংক | ২৯% ২.৭৬ মিগ্রা |
Link to USDA Database entry Values for Choline, Vit. E/K unavailable | |
| |
| †প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মার্কিন সুপারিশ ব্যবহার করে শতাংশ অনুমান করা হয়েছে। উৎস: ইউএসডিএ ফুডডাটা সেন্ট্রাল | |
Pigeon peas in Trinidad and Tobago | |
| প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স)-এ পুষ্টিমান | |
|---|---|
| শক্তি | ৫৬৯ কিজু (১৩৬ kcal) |
২৩.৮৮ g | |
| চিনি | ৩ g |
| খাদ্য আঁশ | ৫.১ g |
১.৬৪ g | |
৭.২ g | |
| ভিটামিন | পরিমাণ দৈপ%† |
| থায়ামিন (বি১) | ৩৫% ০.৪ মিগ্রা |
| রিবোফ্লাভিন (বি২) | ১৪% ০.১৭ মিগ্রা |
| নায়াসিন (বি৩) | ১৫% ২.২ মিগ্রা |
| প্যানটোথেনিক অ্যাসিড (বি৫) | ১৪% ০.৬৮ মিগ্রা |
| ভিটামিন বি৬ | ৫% ০.০৬৮ মিগ্রা |
| ফোলেট (বি৯) | ৪৩% ১৭৩ μg |
| কোলিন | ৯% ৪৫.৮ মিগ্রা |
| ভিটামিন সি | ৪৭% ৩৯ মিগ্রা |
| ভিটামিন ই | ৩% ০.৩৯ মিগ্রা |
| ভিটামিন কে | ২৩% ২৪ μg |
| খনিজ | পরিমাণ দৈপ%† |
| ক্যালসিয়াম | ৪% ৪২ মিগ্রা |
| লৌহ | ১২% ১.৬ মিগ্রা |
| ম্যাগনেসিয়াম | ১৯% ৬৮ মিগ্রা |
| ম্যাঙ্গানিজ | ২৭% ০.৫৭৪ মিগ্রা |
| ফসফরাস | ১৮% ১২৭ মিগ্রা |
| পটাশিয়াম | ১২% ৫৫২ মিগ্রা |
| সোডিয়াম | ০% ৫ মিগ্রা |
| জিংক | ১১% ১.০৪ মিগ্রা |
Link to USDA Database entry Values for Choline, Vit. E/K available | |
| |
| †প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মার্কিন সুপারিশ ব্যবহার করে শতাংশ অনুমান করা হয়েছে। উৎস: ইউএসডিএ ফুডডাটা সেন্ট্রাল | |
- জন্ডিস রোগের ঔষধ হিসাবে এর পাতার রস ২/৩ চামচ একটু লবণ দিয়ে হালকা গরম করে খেতে হবে।
- এর পাতা খেলে অরুচি দূর হয়।
- জিহ্বার ক্ষত দূর করার জন্য এর পাতা বেশ উপকারী।
- এর বীজ বেশ উপাদেয় খাবার।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Cajanus cajan"। জার্মপ্লাজম রিসোর্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক। এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সার্ভিস, ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৯।
- ↑ "FAOSTAT"। www.fao.org। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- ↑ S R, Devegowda; OP, Singh; Kumari, Kalpana (২০১৮)। "Growth performance of pulses in India" (পিডিএফ)। The Pharma Innovation Journal। ৭ (11): ৩৯৪–৩৯৯।
- ↑ এ বি এম জাওয়ায়ের হোসেন লেখক; গ্রন্থনা প্রকাশনী; ঔষুধি গাছগাছাড়া; পৃষ্ঠা- ২১, আইএসবিএন ৯৮৪-৮৬০৫-০০২
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিমিডিয়া কমন্সে অড়হর সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।
- Singh, Nagendra K.; এবং অন্যান্য (২০১১)। "The first draft of the pigeonpea genome sequence"। Journal of Plant Biochemistry and Biotechnology। ২১: ৯৮–১১২। ডিওআই:10.1007/s13562-011-0088-8। পিএমসি 3886394। পিএমআইডি 24431589।
- Decoding of the Pigeonpea (Arhar) Genome by Indian Scientists, Indian Council of Agricultural Research
- Varshney, Rajeev K; এবং অন্যান্য (২০১১)। "Draft genome sequence of pigeonpea (Cajanus cajan), an orphan legume crop of resource-poor farmers" (পিডিএফ)। Nature Biotechnology। ৩০ (1): ৮৩–৯। ডিওআই:10.1038/nbt.2022। পিএমআইডি 22057054। এস২সিআইডি 95294।
- ICRISAT-led global team cracks pigeonpea genome ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৭ এপ্রিল ২০২০ তারিখে, Indian Council of Agricultural Research
- Pigeonpea a wonder crop for women farmers in Rajasthan, India ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ জুন ২০২১ তারিখে, Indian Council of Agricultural Research