মেঘনা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মেঘনা
উপজেলা
মেঘনা উপজেলা
কিছুটা 'ব' আকৃতি
নাম: মেঘনা
মেঘনা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মেঘনা
মেঘনা
বাংলাদেশে মেঘনা উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৭′৩৭.২″ উত্তর ৯০°৪২′১৩.৩″ পূর্ব / ২৩.৬২৭০০০° উত্তর ৯০.৭০৩৬৯৪° পূর্ব / 23.627000; 90.703694স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৭′৩৭.২″ উত্তর ৯০°৪২′১৩.৩″ পূর্ব / ২৩.৬২৭০০০° উত্তর ৯০.৭০৩৬৯৪° পূর্ব / 23.627000; 90.703694 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
জেলাকুমিল্লা জেলা
আয়তন
 • মোট৯৮.৪৭ কিমি (৩৮.০২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৪৭,৭১৬
 • জনঘনত্ব৪৮০/কিমি (১৩০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট২৫.৫৯%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৩৫১৬ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

মেঘনা উপজেলা বাংলাদেশের একটি উপজেলা। এটি কুমিল্লা জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি এলাকা ও সরকারের প্রশাসনিক অঞ্চল। সাধারণত পাকিস্তান আমলের থানা কে উপজেলায় উন্নীত করা হয়েছে। মেঘনার একজন বীর উত্তম শহীদ শামসুজ্জামান (সাজু) (সোনার চর)। মেঘনা উপজেলা একটি নবগঠিত প্রশাসনিক অঞ্চল। অর্থাৎ পার্শ্ববর্তী উপজেলাসমূহের অংশ নিয়ে এই উপজেলা গঠন করা হয় ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই উপজেলার প্রধান সরকারি কর্মকর্তা। ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ২৩মে জুন প্রথম মেঘনা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার গঠিত হয়। [২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

মেঘনা উপজেলা মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত। এর উত্তরে কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলামেঘনা নদী; দক্ষিণে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলামুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলা; পূর্বে কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলা; এবং পশ্চিমে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলামেঘনা নদী অবস্থিত।

প্রশাসনিক কাঠামো[সম্পাদনা]

মেঘনা উপজেলায় সবকয়টি এলাকা গ্রাম এবং এটি সম্পূর্ণ চরাঞ্চল। এখানে কোন পৌরসভা নেই কিন্তু এখানে ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। সেগুলো হলঃ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৯৮ সালের জুলাই মাসের ১৬ তারিখ মেঘনার বাস্তবায় হয়েছিলো। হোমনার ৪ টি ইউনিয়ন এবং দাউদকান্দির ৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিতো হয়েছিলো মেঘনা। এখন মোট ৮ টি ইউনিয়ন সহ ৮৭ হাজারেরও বেশি ভোটার।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৩৩.৩৪%; পুরুষ ৩৮.০৪%, মহিলা ২৯.৯২%। কলেজ ২, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭, প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫১, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১, মাদ্রাসা ২। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: লুটেরচর মফিজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৮৯) মানিকের চর কলেজ (১৯৭০), দৌলত হোসেন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৮), মানিকের চর এল এল উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৬), সোনার চর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬৯), মুজাফফর আলী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬৭), চন্দনপুর এম এ হাইস্কুল (১৯৭১)।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এটি একটি কৃষিপ্রধান এলাকা। মানুষের প্রধান জীবিকার সূত্র কৃষি এবং মৎস। প্রবাসী বাংলাদেশী হিসাবে কাজ করছে অনেকেই।

বিবিধ[সম্পাদনা]

এলাকা: ৯৮.৪৭ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা: ১ লক্ষ (আনুমানিক)
জনঘনত্ব: ৯৮৫ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার
ইউনিয়ন সংখ্যা: ৮টি
মৌজা: ৪১টি
সরকারী হাসপাতাল: ১টি, চিকিৎসা ক্লিনিক: ৪টি।
হাটবাজার; ১৭টি।
ডাকঘর: ৫টি।
পোস্টকৌড:৩৫১৫। [৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মেঘনা উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. [১]
  3. মেঘনা উপজেলা

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]