বিষয়বস্তুতে চলুন

জাতীয় পার্টি (এরশাদ)

পরীক্ষিত
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জাতীয় পার্টি
সংক্ষেপেজাপা
চেয়ারম্যান
মহাসচিব
প্রতিষ্ঠাতাহুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
প্রতিষ্ঠা জানুয়ারি ১৯৮৬; ৩৯ বছর আগে (1986-01-01)
সদর দপ্তর২৪/৮এ, তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০[]
ছাত্র শাখাজাতীয় ছাত্র সমাজ
যুব শাখাজাতীয় যুব সংহতি
কৃষক শাখাজাতীয় কৃষক পার্টি
শ্রমিক শাখাজাতীয় শ্রমিক পার্টি
স্বেচ্ছাসেবক শাখাজাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি
ভাবাদর্শরক্ষণশীলতা (বাংলাদেশী)
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ[]
ঐতিহাসিক মতাদর্শ:
একনায়কতন্ত্র
রাজনৈতিক অবস্থানকেন্দ্র-ডানপন্থী
ঐতিহাসিক অবস্থান:
দূর-ডানপন্থী
জাতীয় সংসদে আসন
০০ / ১০০
সিটি কর্পোরেশন
০০ / ১০০
নির্বাচনী প্রতীক
দলীয় পতাকা
ওয়েবসাইট
জাতীয় পার্টির ওয়েবসাইট
বাংলাদেশের রাজনীতি
রাজনৈতিক দল
নির্বাচন

জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল, যা ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ তার সামরিক শাসনকে বেসামরিক রূপ দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রতিষ্ঠার দুই বছরের মধ্যে দলটি দুটি সংসদীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে, যদিও উভয় নির্বাচন ব্যাপকভাবে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।[] ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর, দলটি নির্বাচনী আধিপত্য ফিরে পেতে ব্যর্থ হয় কিন্তু আওয়ামী লীগের সাথে বেশ কয়েকবার জোট সরকারে যোগ দেয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর, এটি সংসদীয় বিরোধী দল এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জোট মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণ করে দ্বৈত ভূমিকা পালন করে, যার ফলে এটি গৃহপালিত বিরোধী দল হিসেবে চিহ্নিত হয়।[][][] অন্যান্য প্রধান বিরোধী দলগুলো বর্জন করা সত্ত্বেও এটি শেখ হাসিনার অধীনে পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছে। শেখ হাসিনার পতনের পর, কিছু গোষ্ঠী হাসিনা সরকারের সাথে অতীতের সহযোগিতার কারণে দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি উত্থাপন করেছে।[] প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি বারবার ভাঙনের সম্মুখীন হয়েছে এবং বর্তমানে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) নামে নিবন্ধিত দলটি দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী উপদলে বিভক্ত: একটির নেতৃত্বে আছেন জি এম কাদের এবং শামীম হায়দার পাটোয়ারী, এবং অন্যটির নেতৃত্বে আছেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এবং এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার[][]

ইতিহাস

রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, দলটির প্রতিষ্ঠাতা

দলটি সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ কর্তৃক ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি ২৪ মার্চ ১৯৮২-র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। তিনি দেশ শাসন করেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে। এরশাদ কর্তৃক জারি করা জরুরি অবস্থার সময় রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল, যখন বিচারপতি আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করা হয়। আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে এরশাদের ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে ১৯৮৩ সালের ১৭ মার্চ জনদল গঠিত হয়।[১০]

চৌধুরী ১৯৮৩ সালের ২৭ নভেম্বর জনদল গঠনের ঘোষণা দেন। আহসানউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন আহ্বায়ক এবং এম এ মতিন সাধারণ সম্পাদক। যখন এরশাদ রাষ্ট্রপতি হন, আওয়ামী লীগ (মিজান)-এর নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরীকে চেয়ারম্যান এবং রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (যিনি তার এলাকায় ভোলা মিয়া নামে পরিচিত) সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। এরশাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (আজিজুর)-এর রাজনীতিবিদ শাহ আজিজুর রহমান-এর নেতৃত্বে জনদল ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণতন্ত্রী দল, ইউনাইটেড পিপলস পার্টির সদস্যদের নিয়ে দ্বিতীয় রাজনৈতিক দল জাতীয় ফ্রন্ট গঠন করেন। মওদুদ আহমেদ এবং আনোয়ার হোসেন মঞ্জু জাতীয় ফ্রন্টে যোগ দেন। ছয় মাসের মধ্যে ফ্রন্ট ভেঙে দেওয়া হয় এবং ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি এরশাদকে চেয়ারম্যান করে জাতীয় পার্টি নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।[১০]

১৯৮৬ সালের ৭ মে নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জাতীয় নির্বাচনে ১৫৩টি আসন জয়লাভ করে। নির্বাচনটি নিরপেক্ষ বা সুষ্ঠু বলে বিবেচিত হয়নি। ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর এরশাদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালে গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভ জোরদার হয়। ফলস্বরূপ, এরশাদ ১৯৮৭ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন। ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত চতুর্থ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ২৫১টি আসন পায়, অন্যদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচন বর্জন করে। ক্রমবর্ধমান আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এরশাদ ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন।[১০]

এরশাদ ১৯৯১ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা হস্তান্তর করেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের কাছে। এরশাদ গ্রেপ্তার হন এবং তার সহকারী মিজানুর রহমান চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টি তৃতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক ৩৫টি আসন পায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩২টি আসন জয়লাভ করে। জাতীয় পার্টি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় যোগ দেয়। জাতীয় পার্টির মহাসচিব আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০০ সালের মধ্যে জাতীয় পার্টি তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়, এর একটি অংশ নেতৃত্ব দেন জেনারেল এরশাদ, অন্যটি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং নাজিউর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি২০০১ সালের সংসদীয় নির্বাচনে এরশাদের নেতৃত্বাধীন অংশ ১৪টি আসন পায়, অন্যদিকে আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বাধীন অংশ একটি আসন পায়।[১০] ২০১৪ সালের নির্বাচন জাতীয় পার্টির জন্য একটি বিতর্কিত নির্বাচন ছিল, যেখানে এরশাদের তৎকালীন মুখপাত্র ববি হাজ্জাজ প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন যে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নেবে না। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর এরশাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-নেতৃত্বাধীন সরকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত হন। জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে পরিণত হয় এবং এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদ বিরোধীদলীয় নেতা হন।[১১] বিরোধী দল হওয়া সত্ত্বেও, জাতীয় পার্টির কিছু নেতা সরকারি মন্ত্রিসভায়ও ছিলেন।[১২] ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে এরশাদের ভাই জিএম কাদের দলটির সহ-সভাপতি করা হয়।[১৩] ২০১৬ সালের এপ্রিলে এরশাদ রওশনকে দলটির সহ-সভাপতি নিযুক্ত করেন।[১৪] ২০১৭ সালের মার্চে এরশাদ ইঙ্গিত দেন যে তিনি অন্যান্য ১৪টি দলের সাথে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠন করতে পারেন।[১৫][১৬] তবে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের জন্য এইচএম এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি নিজস্ব ৫৮ দলীয় মহাজোট গঠন করে। ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫৮টি দলের মধ্যে শুধুমাত্র জাতীয় পার্টি এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন ছিল।[১৭]

২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর, "ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র, শ্রমিক ও জনতা’র" ব্যানারে বিক্ষোভকারীদের একটি দল ঢাকার বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।[১৮][১৯]

নির্বাচনী ইতিহাস

সংসদ নির্বাচন

নির্বাচন দলনেতা ভোট % আসন +/– অবস্থান সরকার
১৯৮৬ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১,২০,৭৯,২৫৯ ৪২.৩%
১৫৩ / ৩০০
বৃদ্ধি ১৫৩ বৃদ্ধি ১ম সরকার
১৯৮৮ ১,৭৬,৮০,১৩৩ ৬৮.৪%
২৫১ / ৩০০
বৃদ্ধি ৯৮ অপরিবর্তিত ১ম সরকার
১৯৯১ ৪০,৬৩,৫৩৭ ১১.৯%
৩৫ / ৩০০
হ্রাস ২১৬ হ্রাস ৩য় বিরোধী
১৯৯৬ (ফেব্রু) বয়কট
০ / ৩০০
হ্রাস ৩৫ অতিরিক্ত সংসদীয়
১৯৯৬ ৬৯,৫৪,৯৮১ ১৬.৪%
৩২ / ৩০০
বৃদ্ধি ৩২ বৃদ্ধি ৩য় জোট সরকার
২০০১ ৪০,২৩,৯৬২ ৭.২২%
১৪ / ৩০০
হ্রাস ১৮ অপরিবর্তিত ৪র্থ বিরোধী
২০০৮ ৪৮,৬৭,৩৭৭ ৭.০%
২৭ / ৩০০
বৃদ্ধি ১৩ অপরিবর্তিত ৩য় জোট সরকার
২০১৪ রওশন এরশাদ ৫১,৬৭,৬৯৮ ১১.৩১%
৩৪ / ৩০০
বৃদ্ধি বৃদ্ধি ২য় বিরোধী
২০১৮ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
রওশন এরশাদ
৩৪,৭২,৫৩০ ৫.০৭%
২২ / ৩০০
হ্রাস ১২ অপরিবর্তিত ২য় বিরোধী
২০২৪ জি এম কাদের
১১ / ৩০০
হ্রাস ১০ বিরোধী

চেয়ারম্যান

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হলেন জাতীয় পার্টির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, তিনি জাতীয় পার্টিকে পরিচলনা করেন। ২০১৯ সালের ৫ মে দলের চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ জিএম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।[২০] হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন।[২১][২২][২৩]

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. "জাতীয় পার্টি"। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৩
  2. Civics and Citizenship (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড Class Nine-Ten। National Curriculum and Textbook Board। পৃ. ৭৬। "five party ideologies ware adopted [by the party]. They are: 1) Independence and sovereignty, 2) Islamic Ideals and freedom of all religions, 3) Bangladeshi Nationalism, 4) Democracy and 5) Social progress, that is, economic emancipation."
  3. "জাতীয় পার্টি - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  4. "বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি ছিল 'অকার্যকর' – DW – 20.11.2018"Deutsche Welle। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  5. কল্লোল, কাদির (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "আবার 'গৃহপালিত' বিরোধী দল"Prothom Alo। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  6. "এবারও কী 'গৃহপালিত' বিরোধী দল হবে?"Ekattor TV। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  7. "জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি ও নির্বাচনের রাজনীতি – DW – 04.09.2025"dw.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  8. "Jatiya Party Chairman Anisul Islam, Secretary General Ruhul Amin"দৈনিক প্রথম আলো। ৯ আগস্ট ২০২৫।
  9. প্রতিবেদক, জ্যেষ্ঠ (৭ জুলাই ২০২৫)। "জাতীয় পার্টির মহাসচিব হলেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী"Dhaka Post। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  10. 1 2 3 4 ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  11. "New High Court bench assigned to hear Ershad's appeal in 1991 graft case"bdnews24.com। ২৭ মার্চ ২০১৭।
  12. "Dangers of inter and intra party violence"Prothom Alo। ১৩ মার্চ ২০১৭। ১৭ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৭
  13. "Ershad makes brother GM Quader Jatiya Party co-chairman"bdnews24.com। ১৭ জানুয়ারি ২০১৬।
  14. "Ershad makes Raushon senior co-chairman of Jatiya Party"bdnews24.com। ২৮ এপ্রিল ২০১৬।
  15. "Jatiya Party to float new alliance soon"The Daily Star (Bangladesh)। ৮ মার্চ ২০১৭।
  16. "Will form another grand alliance: Ershad"Prothom Alo। ৩০ মার্চ ২০১৭। ১৭ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৭
  17. Rahman, Mizan (৭ মে ২০১৭)। "Ershad announces 58-party alliance"Gulf Times
  18. "Jatiyo Party HQ set on fire by 'Anti-Fascist Student-Workers'"The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪
  19. জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, আগুনProthom Alo। ৩১ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪
  20. "জি এম কাদের জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান"প্রথম আলো। ৫ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯
  21. "জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান জিএম কাদের"আমাদের সময়। ১৮ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯
  22. "'জিএম কাদের এখন থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান'"কালের কণ্ঠ। ১৮ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯
  23. "জি এম কাদের জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান"প্রথম আলো। ১৮ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯