সোনাইমুড়ি উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
সোনাইমুড়ি উপজেলা
উপজেলা
সোনাইমুড়ি উপজেলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সোনাইমুড়ি উপজেলা
সোনাইমুড়ি উপজেলা
বাংলাদেশে সোনাইমুড়ি উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩০′উত্তর ৯১°০৬′পূর্ব / ২৩.৫° উত্তর ৯১.১০° পূর্ব / 23.5; 91.10স্থানাঙ্ক: ২৩°৩০′উত্তর ৯১°০৬′পূর্ব / ২৩.৫° উত্তর ৯১.১০° পূর্ব / 23.5; 91.10
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা নোয়াখালী জেলা
আয়তন
 • মোট ১৭০.৪২ কিমি (৬৫.৮০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৯০,৮৪৬
 • ঘনত্ব ১৭০০/কিমি (৪৪০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৫.৭৭%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

সোনাইমুড়ি উপজেলা বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা, এটি ২০০৫ সালে গঠিত হয়েছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা ভেঙ্গে সোনাইমুড়ি উপজেলা গঠিত হয়েছে।

অবস্থান[সম্পাদনা]

আয়তন: ১৭০.৪২ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৩°০২´ থেকে ২৩°০৬´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°০০´ থেকে ৯১°১৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।[২] উত্তরে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে বেগমগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে সেনবাগ উপজেলা এবং পশ্চিমে চাটখিল উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

১০ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই উপজেলা। ইউনিয়নগুলো হল আম্বরনগর, আমিশাপাড়া, চাষীরহাট, জয়াগ, দেউটি, নাটেশ্বর, নদনা, বজরা, , সোনাপুর। একমাত্র পৌরসভা টি হল সোনাইমুড়ি পৌরসভা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ[সম্পাদনা]

বজরা শাহী জামে মসজিদ (১১৫৩ হিজরী),

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে এ উপজেলা ২ নং সেক্টরের অধীন ছিল। ২১ এপ্রিল সোনাইমুড়ি রেলস্টেশনের আউটার সিগনালের কাছে এবং ১১ মে সোনাইমুড়ির বগাদিয়া নামক স্থানে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ লড়াইয়ে প্রায় ২০ জন পাকসেনা নিহত হয়। এছাড়াও এ লড়াইয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৭ ডিসেম্বর এ উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

মসজিদ ১৬৫, উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: বজরা শাহী জামে মসজিদ, সোনাইমুড়ি জামে মসজিদ, নদনা জামে মসজিদ, উত্তর শাক্তলা জামে মসজিদ

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ২৯০৮৪৬; পুরুষ ১৪১০২৯, মহিলা ১৪৯৮১৭। মুসলিম ২৮১৩৬৫, হিন্দু ৯৩০৯, বৌদ্ধ ১৩, খ্রিস্টান ১১৪ এবং অন্যান্য ৪৫।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৫৫.৭৭%; পুরুষ ৫৬.২৪% ও মহিলা ৫৫.৩২%। কলেজ ৪, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৩, প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১৪, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬, মাদ্রাসা ১৯। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: সোনাইমুড়ি ডিগ্রী কলেজ (১৯৭০), সোনাইমুড়ি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৭), বজরা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৯), সোনাইমুড়ি হামিদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা (১৯২৬)। বড় গাও ইসলামিয়া মাদ্রাসা ১৯৭৩ ।মারকাজ আমির হামজা রাঃ ২০০৫ ।লাইফ শাইন স্কুল ২০০৮।[৩]

ব্যাক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ২৭.৩২%, অকৃষি শ্রমিক ২.০৬%, শিল্প ০.৬৩%, ব্যবসা ১৬.৪৬%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৩.৬০%, চাকরি ১৮.১৫%, নির্মাণ ১.২৯%, ধর্মীয় সেবা ০.৩৮%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ১৪.৩৮% এবং অন্যান্য ১৫.৭৩%। হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার ৩০, মেলা ২। সোনাইমুড়ি হাট, থানার হাট, কামারের হাট, নদনা হাট, কাশিপুর হাট, শান্তির হাট, লালমিয়ার হাট, জয়াগ বাজার, বজরা স্টেশন বাজার, মুসলিমগঞ্জ বাজার, সোনাপুর বাজার, বাংলা বাজার ও আমিশাপাড়া বাজার উল্লেখযোগ্য।

শিল্প ও কলকারখানা চালকল, বরফকল, করাতকল, বিস্কুট কারখানা, ওয়েল্ডিং কারখানা।

কুটিরশিল্প স্বর্ণশিল্প, লৌহশিল্প, মৃৎশিল্প, সুচিশিল্প, দারুশিল্প, বাঁশের কাজ, বেতের কাজ।

কৃষি[সম্পাদনা]

কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৬০.৩৮%, ভূমিহীন ৩৯.৬৯%। প্রধান কৃষি ফসল ধান, সুপারি, সরিষা, ডাল, শাকসবজি। বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি তিল, তিসি, অড়হর, চীনা। প্রধান ফল-ফলাদিব আম, কাঁঠাল, নারিকেল, কলা, জাম, পেয়ারা, পেঁপে, সুপারি।

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

যোগাযোগ বিশেষত্ব পাকারাস্তা ৯৬.৫৪ কিমি, কাঁচারাস্তা ৭৩২.৩৯ কিমি। বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন পাল্কি, ঘোড়ার গাড়ি, মহিষের গাড়ি।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে সোনাইমুড়ী উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ৫ জুলাই, ২০১৫ 
  2. বাংলাপিডিয়া
  3. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=সোনাইমুড়ি_উপজেলা

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]