ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ব্রাহ্মণপাড়া
উপজেলা
ব্রাহ্মণপাড়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ব্রাহ্মণপাড়া
ব্রাহ্মণপাড়া
বাংলাদেশে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৭′৭″ উত্তর ৯১°৬′৪১″ পূর্ব / ২৩.৬১৮৬১° উত্তর ৯১.১১১৩৯° পূর্ব / 23.61861; 91.11139স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৭′৭″ উত্তর ৯১°৬′৪১″ পূর্ব / ২৩.৬১৮৬১° উত্তর ৯১.১১১৩৯° পূর্ব / 23.61861; 91.11139 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা কুমিল্লা জেলা
আয়তন
 • মোট ১২৮.৯ কিমি (৪৯.৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,০২,৩১১
 • ঘনত্ব ১৬০০/কিমি (৪১০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪৭.৩৬%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ব্রাক্ষণপাড়া বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ২৩°৬১' এবং ৯১°১১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে। এ উপজেলার উত্তরে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবা উপজেলা, দক্ষিণাংশে বুড়িচং উপজেলা, পশ্চিমে দেবিদ্বার উপজেলা এবং মুরাদনগড় উপজেলা , পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা।ব্রাহ্মণপাড়ার সাথে ভারতের দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সীমান্ত[২]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

৮ টি ইউনিয়নে বিভক্তঃ মাধবপুর, সুলতান আহম্মেদ চেয়ারম্যান শিদলাই, মাসুম চেয়ারম্যান চান্দলা, খোকন চেয়ারম্যান শশীদল, নজরুল চেয়ারম্যান দুলালপুর ,রিপন চেয়ারম্যান ব্রাহ্মণপাড়া সদর, হাজী জসিম চেয়ারম্যান সাহেবাবাদ, জসিম উদ্দিন নান্নু চেয়ারম্যান মালাপাড়া,জাহাঈীর চেয়ারম্যান

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ সাহেবাবাদ লতিফা ইসমাইল উচ্চ বিদ্যালয়, মহালক্ষীপাড়া সিনিয়র ফাযিল মাদরাসা, মহালক্ষীপাড়া শরীফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাহেবাবাদ ডিগ্রী কলেজ, সাহেবাবাদ ডিগ্রী মাদ্রাসা, ব্রাহ্মণপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চান্দলা কেবি উচ্চ বিদ্যালয়,মালাপাড়া উচ্চবিদ্যালয়, টাকই উচ্চ বিদ্যালয়,বড়ভাঙাইন্না (টাকই) ফৌজিয়া দাথিল মাদ্রাসা, বড়ধুশিয়া আদর্শ কলেজ, মোশারফ হোসেন চৌধুরি কলেজ, শিদলাই নাজনীন হাইস্কুল, মাধবপুর হাইস্কুল।প্রফেসার সেকান্দর আলী বালিকা বিদ্যালয়। শিদলাই আশরাফ স্কুল, আমির হোসেন যোবেদা ডিগ্রি কলেজ, শিদলাই। গোপাল নগর আদর্শ কলেজ,, গোপাল নগর বি এ বি উচ্চ বিদ্যালয়

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণপাড়া একটি প্রাচীন জনপদ। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে বৃটিশ আমলে তা কসবা থানার অন্তভূক্ত ছিল। ১৯৫৪ সালে তা বুড়িচং থানার অন্তভূক্ত হয়। ১৯৬৮ সালে ব্রাহ্মণপাড়া ফাঁড়ি থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৬ সালে বুড়িচং হতে আলাদা হয়ে প্রশাসনিক থানায় রূপ লাভ করে। ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ফলশ্রুতিতে উন্নয়নের প্রয়োজনে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় উন্নীত হয়।

জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি হতে দড়িয়ার পাড় হয়ে ষাইটশালা পযর্ন্ত যে নীচু ভূমি বর্তমানে পরিলক্ষিতহয় তা জুড়ে মোঘল আমলে (সম্ভবত বাদশাহ শাহ আলমের শাসনামলে) কালিদাহ সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এর অববাহিকায় নিম্নাঞ্চলে ঘুংঘুর নদীর পূর্ব তীরে ইংরেজ কোম্পানীল বেনিয়ারা সতের শতকের গোড়ার দিকে বর্তমান উপজেলার এক কিলোমিটার দক্ষিণে বলদা (সাহেবাবাদ) মৌজার এক উচু স্থানে ব্যবসায়িক কুঠি স্থাপন করে। কোম্পানীর হিসাব রক্ষণের জন্য বারা নসী কাশি মুন্সি নামক একজন কান্যকুট ব্রাহ্মণ হিসাব রক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করে। ব্রাহ্মণ মহাশয়ের বসতি স্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই কোম্পানীর খাতায় এ স্থানের নাম ব্রাহ্মণপাড়া হিসেবে লিপিবদ্ধ নাম হয়। সেই থেকে এ উপজেলার নাম ব্রাহ্মণপাড়া হয়েছে।[৩]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

== অর্থনীতি ==কৃষি নির্বর

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • মেজর (অব:) আবদুল গনি - ইস্ট বেঈল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা;
  • ডক্টর,আলী নেওয়াজ প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান,বাংলা বিভাগ,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  • অধ্যাপক শব্দর আলী, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান,ইংরেজি বিভাগ,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  • আজিজুল হক সরকার (রাজনীতিবিদ) সাবেক কৃষি মন্ত্রী;
  • ব্যারিস্টার সফিক আহমেদ - আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী;
  • এ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু - সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী;আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য
  • ডঃ সিরাজুল ইসলাম, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
  • ইউসুফ ভুইয়া, প্রাক্তন মুখ্য সচিব।
  • এ্যাডভোকেট আমির হোসেন - সাবেক এমপি;
  • বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম মহাপরিচালক আইজিপি আবদুল খালেক
  • আবদুর রউফ, প্রাক্তন আইজিপি বাংলাদেশ পুলিশ।
  • আঃ আজিজ, বীর প্রতীক,প্রাক্তন মহাসচিব কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল
  • শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান,
  • আশরাফ হোসেন,জাতীয় সংসদের হুইফ
  • মজিবুর রহমান মজু,সাবেক এমপি।
  • ব্যারিস্টার আব্দুল আল মামুন।সুপ্রিম কোর্ট।
  • মোঃআবু তাহের, অধ্যক্ষ ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
  • জনাব, জমির হোসেন, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যাক্তি।

ভাষা ও সংষ্কৃতি:[সম্পাদনা]

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ভূ-প্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান এই উপজেলার মানুষের ভাষা ওসংস্কৃতি গঠনে ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত এই উপজেলাকে ঘিরে রয়েছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য উপজেলাসমূহ। এখানে ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলার মতই, তবুও কিছুটা বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন কথ্য ভাষায় মহাপ্রাণধ্বনি অনেকাংশে অনুপস্থিত, অর্থাৎ ভাষা সহজীকরণের প্রবণতা রয়েছে। ব্রাহ্মণপাড়া বুড়িচং, দেবিদ্বার, মুরাদনগর ও ব্রাহ্মণাবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আঞ্চলিক ভাষার সাথে সন্নিহিত ঢাকা অঞ্চলের ভাষার, চৌদ্দগ্রাম ও লাকসাম উাজেলার আঞ্চলিক ভাষায় নোয়াখালি এলাকার ভাষার অনেকটাই সামজ্ঞ্জস্য রয়েছে। মেঘনা-গোমতী নদীর গতি প্রকৃতি এবং লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, সংস্কৃতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এই এলাকার ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় যে ব্রাহ্মণপাড়ার সভ্যতা বহুপ্রাচীন। এই এলাকায় প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও বৌদ্ধ বিহারেরধ্বংসাবশেষ প্রাচীন সভ্যতার বাহক হিসেবে দীপ্যমান।সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে ব্রাহ্মণপাড়ার অবদানও অনস্বীকার্য। যেসব সরকারি সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ব্রাহ্মণপাড়ায় কাজ করছে সেগুলো হলোঃ

  • উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী, ব্রাহ্মণপাড়া
  • সরকারী গণ গ্রন্থাগার, ব্রাহ্মণপাড়া
  • প্রভৃতি।

খেলাধুলা ও বিনোদন[সম্পাদনা]

উপজেলা পর্যায়ে ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, সাহেবাবাদ ডিগ্রী কলেজ খেলার মাঠ । মাঠটি উপজেলা পরিষদের সন্নিকটে বাসষ্ট্যান্ড-এর পাশে অবস্থিত। প্রাতি বছর এ মাঠে নিম্নলিখিত ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

১. বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রা: বিদ্যা: ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২. আন্ত: ক্রীড়া প্রা: বিদ্যা: ফুটবল প্রতিযোগিতা ৩. শীতকালীন জাতীয় স্কুল ও মাদরাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ৪. গ্রীস্মকালীন জাতীয় স্কুল ও মাদরাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইপিআর ক্যাম্পেই ৪ জন পাকিস্তানি ইপিআরকে সাধারণ জনতা পিটিয়ে হত্যা করে। জুনের শেষদিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছকারমার পুলের নিকট পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের এক সম্মুখ লড়াইয়ে ১৮ জন পাকসেনা নিহত হয়। কসবা-ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তের ঘুংঘুর নদীর তীরে হোলাইমুড়ী নামক স্থানে পাকবাহিনীর সঙ্গে ৪র্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের অনারারী ক্যাপ্টেন ওহাবের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে ১ জন ক্যাপ্টেনসহ ১৫ জন পাকসেনা নিহত হয়। পরবর্তীতে পাকবাহিনী পার্শ্ববর্তী চান্দলা ও ষাইটশালা গ্রামে তাদের ক্যাম্প স্থাপন করে এবং প্রায় শতাধিক গ্রামবাসিকে হত্যা করে গণকবর দেয়। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে আছে অনেক ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন যা আজো অনেকের কাছে অপরিচিত। বড়ধুশিয়া গ্রামে বিখ্যাত কামেল পীর বাঘাই শাহ ও করিম শাহের মাজার। জনশ্রুতি আছে, বাঘের পিঠে চেপে এ কামেল পীর আসেন এ স্থানে। আস্তানা গাড়েন গভীর জঙ্গলে। নদীর অপর পাড়ের গরিব এক পরিবারের শক্তিশালী নৌজোয়ান ডানপিটে ভাইকে শায়েস্তা করার উদ্দেশ্যে কাঠ কাটার উছিলায় নদীর পূর্ব পাড়ে ঘন জঙ্গলে নিয়ে আসে স্বার্থপর ভাইয়েরা। সন্ধ্যার অন্ধকারে তাকে ফেলে পালিয়ে যায় তার চার ভাই। নাম ছিল তার হাতিয়ার চাঁদশাহ। হযরত বাঘাইশাহ গভীর জঙ্গলে কুড়িয়ে পাওয়া হাতিয়ার চাঁদশাহকে নিয়ে আসেন নিজ আস্তানায়। চাঁদশাহের সঙ্গে বিয়ে দেন তার কন্যাকে। তার পুত্র করিম শাহ ও কণ্যার জামাতার বংশধর বর্তমানে বড়ধুশিয়া ও তার আশে পাশের দুটি মৌজায়।

শশীদল রেল স্টেশনের পশ্চিমে আছে বিখ্যাত পাঁচ পীরের মাজার। কথিত আছে হযরত শাহ জালাল (রা) কুমিল্লা (কুহ+মিলা=ইস্পিত স্থানের সন্ধান লাভ) হয়ে সিলেট যাবার পথে সংগীকে ইসলামের প্রচারের জন্য এখানে রেখে যান। শশীদল ইউনিয়নের হরিমঙ্গলে আছে বিখ্যাত মঠ ও হিন্দুদের তীর্থস্থান। জনশ্রুতিতে হরিমঙ্গলের পূণ্যস্থানে বন্ধ্যা রমণীরাও রম্যকানি- পুত্র-সন্তান লাভ করেন। প্রতি বৎসর চৈত্র মাসে ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অসংখ্য পূর্ণার্থীর আগমন ঘটে এ তীর্থ স্থানে।

চান্দলার শিব মন্দির সম্পর্কে জানা যায় হযরত শাহজালাল (রা) সিলেট যাবার পথে হযরত চাঁন্দ আলী শাহ নামক এক বিখ্যাত আওলীয়াকে ইসলাম প্রচারের জন্য রেখে যান। তিনি এক বিরাট পাথরে বসে ধ্যানমগ্ন থাকতেন। এ পাথর থেকে অলৌকিকভাবে আলোর রশ্মি আকাশমুখি হতো। পরবর্তী সমযে হিন্দুরা এটাকে শিবমু্‌র্িত জ্ঞানে পুজা করতো। এ অলৌকিক পাথরকে কেন্দ্র করেই বর্তমান চান্দলার শিব মন্দির গড়ে উঠেছে। আর হযরত চাঁদ শাহের নাম অনুসারে এ মৌজার নামকরণ করা হয়েছে চান্দলা। ষাইটশালা আছে কুমার পাড়া এখানে হাড়ি পাতিল মাঠি দিয়ে তৈরী করে কি ভাবে তৈরি করে তা দেখা যায়। আরও আছে উওর চান্দলায় দেশিয় পান গাছ।পান বাগান ঘুরে ঘুরে দেখতে পাবেন।খুব সুন্দর বাগান ৯ুলি [৪]

আরও দেখুন।[সম্পাদনা]

তথ্য সুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ব্রাহ্মণপাড়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৫ 
  2. http://bdaffairs.com/tag/comilla-brahmanpara-upazila/
  3. http://newcomilla.blogspot.com/2017/04/b-para_11.html
  4. http://chittagong.com/brahmanpara-upazila/

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]