ঈদগাঁও উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঈদগাঁও
উপজেলা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সীল.svg ঈদগাঁও উপজেলা
দেশবাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ
জেলাকক্সবাজার জেলা
প্রতিষ্ঠাকাল২৬ জুলাই ২০২১
আয়তন
 • মোট১১৯.৬৬ বর্গকিমি (৪৬.২০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা
 • মোট১,২৪,৭৯৪
 • জনঘনত্ব১,০০০/বর্গকিমি (২,৭০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৩৪.২৬%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)

ঈদগাঁও বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা[১]

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

ঈদগাঁও উপজেলা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। এটির আয়তন ১১৯.৬৬ বর্গকিলোমিটার বা ৪৬.২০ বর্গমাইল।

নামকরণ ও ইতিহাস[সম্পাদনা]

২২ জুলাই ২০১৯ ঈদগাঁওকে উপজেলা ঘোষণার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে, ২৬ জুলাই ২০২১ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় ঈদগাঁওকে স্বতন্ত্র উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।[১][২] পূর্বে এটি কক্সবাজার সদর উপজেলার আওতাধীন ছিলো। ঈদগাঁও থানা ও ইউনিয়নের সাথে মিল রেখে উপজেলার নামকরণ করা হয়। ঈদগাঁও বা ঈদগাহ মানে হলো ঈদের জামায়াত আদায় করার স্থান বা মাঠ।ঈদগাঁও গৌড়যুগে "নয়াবাদ" নামে পরিচিত ছিল। জানা যায়, উত্তরাধিকারের ভ্রাত্বঘাতীযুদ্ধে পরাজিত হয়ে মোগল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহসুজা সৈন্য নিয়ে ভারতবর্ষ থেকে আরাকান পালিয়ে যাওয়ার সময় তৎকালীন নয়াবাদ এলাকায় পৌঁছালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময় নিকটে হওয়ায় এখানে সৈন্যবাহিনী, আমিরসহ ঈদের নামাজ আদায় করেন। তখন থেকে ঈদগাঁও নামে পরিচিতি লাভ করে এবং পরবতীতে ব্রিটিশ আমলে বিভিন্ন সরকারি নথিপত্রে ঈদগাঁও নামে লিপিবদ্ধ ও পরিচিত হয়।[৩]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

কক্সবাজার জেলার ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলাটি গঠিত হয়।[২] অত্র উপজেলা ঈদগাঁও থানার আওতাধীন।

ইউনিয়নসমূহ:

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ঈদগাঁও উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,২৪,৭৯৪ জন।

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ঈদগাঁও উপজেলার সাক্ষরতার হার ৩৪.২৬%। এ ইউনিয়নে ১টি ডিগ্রি কলেজ, ১টি ফাজিল মাদ্রাসা, ১২টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১০টি দাখিল মাদ্রাসা ও ২৬টি সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

কলেজ
  • ঈদগাহ ফরিদ আহমেদ ডিগ্রী কলেজ

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

এই উপজেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। এখানে বাস, সিএনজিচালিত গাড়ী, অটোরিকশাসহ প্রায় সব ধরনের যানবাহনে যাতায়াত করা যায়।

ধর্মীয় উপাসনালয়[সম্পাদনা]

নদ-নদী ও খাল[সম্পাদনা]

  1. ঈদগাঁও নদী[৪]
  2. নাপিতখালী খাল

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • খান বীচ
  • মেহেরঘোনা বনাঞ্চল [৫]
  • ভোমরিয়া ঘোনা ফরেষ্ট অফিস।
  • রাবার ড্যাম[৬]

পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "দেশে আরও তিনটি উপজেলা"। bdnews24। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০২১ 
  2. "আজ ঈদগাঁওকে উপজেলা ঘোষণা করা হচ্ছে"। coxbazarnews। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০২১ 
  3. "ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের ইতিহাস"eidgaonup.coxsbazar.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২১ 
  4. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ২৮২। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 
  5. "দর্শনীয় স্থান - ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়ন"eidgaonup.coxsbazar.gov.bd 
  6. "দর্শনীয় স্থান - ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন"jalalabadup.coxsbazar.gov.bd