স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সাধারণভাবে, প্রার্থী যখন কোন রাজনৈতিক দলের সামর্থন না পেয়ে নিজেই নিজের মত করে কোন নির্বাচনে অংশ নেয় তখন তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বলে।[১]

উদাহরণ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ[সম্পাদনা]

জাতীয় সংসদ নির্বাচন[সম্পাদনা]

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সমর্থনের প্রমাণ হিসেবে নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হয় মনোনয়নপত্রের সঙ্গে।[২] তবে অতীতে সংসদ সদস্য ছিলেন এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।[৩] এবং ২০,০০০ টাকা জামানত হিসাবে জমা দিতে হয়। এ ছাড়া আরপিওর ২০(এ) ধারায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ইভিএম ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

স্থানীয় নির্বাচন[সম্পাদনা]

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে সমর্থনের কোনো প্রমাণ দেখাতে হয় না। তবে পৌরসভায় ১০০ ভোটার, উপজেলায় ২৫০ ভোটার, সিটি করপোরেশনে ৩০০ ভোটারের সমর্থন তালিকা দিতে হয়।[৪]

ভারত[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Al-Zumai, Fahad (জুন ২০১৩)। "Kuwait's political impasse and rent-seeking behaviour: A call for institutional reform" (PDF)Kuwait Programme on Development, Governance and Globalisation in the Gulf StatesLondon School of Economics29: 1–33। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৫ 
  2. সংসদ নির্বাচন: নির্বাচনী আইন কি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে? বিবিসি বাংলা, ঢাকা
  3. প্রার্থীদের যা জানা জরুরি দৈনিক প্রথম আলো
  4. সহজ হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পথ বাংলাদেশ প্রতিদিন

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]