টমেটো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

টমেটো
Solanum lycopersicum
Bright red tomato and cross section02.jpg
টমেটোর প্রস্থচ্ছেদ ও পাকা টমেটো
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
বর্গ: Solanales
পরিবার: Solanaceae
গণ: Solanum
প্রজাতি: S. lycopersicum
দ্বিপদী নাম
Solanum lycopersicum[১]
ক্যারোলাস লিনিয়াস লি
প্রতিশব্দ

Lycopersicon lycopersicum (L.) H. Karst.
Lycopersicon esculentum Mill.[২]

টমেটো সোলানেসি (solanaceae) পরিবারের লাইকোপার্সিকন (Lycopersicon) গণের অন্তর্ভুক্ত। টমেটোর কাণ্ড কোমল ও রসাল।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে টমেটো একটি ফল হলেও, সবজি হিসেবেই সারা বিশ্বে টমেটো পরিচিত। সবজি এবং সালাদ হিসেবে ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ টমেটোর বেশ চাহিদা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষীদের জন্য এটি একটি বিশেষ অর্থকরী সবজি। সবজি হিসাবে এর ব্যবহার ছাড়াও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পেও এর ব্যবহার সুবিদিত। দেশের বাজারের চাহিদা মিটিয়ে টমেটো রপ্তানিরও প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। রান্নার উপকরণ হিসেবে এবং খাবারের সাথে টমেটো সসও বেশ প্রচলিত।

আকর্ষণীয়তা, ভাল স্বাদ, উচ্চ পুষ্টিমান এবং বহুবিধ উপায়ে ব্যবহারযোগ্যতার কারণে সর্বত্রই এটি জনপ্রিয়। এ সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে। টমেটোতে লাইকোপেন নামে বিশেষ উপাদান রয়েছে, যা ফুসফুস, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, কোলন, স্তন, মূত্রাশয়, প্রোস্টেট ইত্যাদি অঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

টমেটো বাংলাদেশ বিলাতী বেগুন নামে পরিচিত। বাংলাদেশে টমেটো সবজি হিসাবে বহুল প্রচলিত। সবজি হলেও টমোটোর মধ্যে ফলের সমুদয় গুণ বিদ্যমান এবং ফলের ন্যায় এটি রান্না না করেও খাওয়া যায়।

টমেটো আমাদের দেশের একটি প্রধান শীতকালীন সবজি, তবে বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালেও টমেটো সাফল্যের সাথে চাষ করা যায়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সোলানাম লাইকোপারসিকাম ভ্যার. লাইকোপারসিকাম ইউরোপের প্রাচীনতম টমেটো সংগ্রহের শীট, (১৫৪২-১৫১৫)। ন্যাচারালিস লেডেন।

টমেটোর বুনো পূর্বপুরুষ পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয় ছিল। [৩] এই বন্য সংস্করণগুলি মটরশুঁটির আকারের ছিল। [৩] স্প্যানিশরা প্রথমে ইউরোপে টমেটো প্রবর্তন করে, যেখানে এগুলো স্প্যানিশ এবং ইতালিয়ান খাবারে ব্যবহৃত হয়। ফ্রান্স এবং উত্তর ইউরোপে টমেটো প্রথমে শোভাময় উদ্ভিদ (অর্নামেন্টাল প্ল্যান্ট) হিসাবে জন্মানো হয়েছিল। এটি খাদ্য হিসাবে সন্দেহের সাথে বিবেচিত হয়েছিল কারণ উদ্ভিদবিদরা এটিকে নাইটশেড হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন, এটি বিষাক্ত অ্যাট্রোপা বেলাডোনা (Atropa belladonna) এর আত্মীয়।[৪] এটি পিউটার প্লেটের সাথে টমেটোর অম্লীয় রসের মিথস্ক্রিয়ার কারণে এই ধারণাটি আরও তীব্রতর হয়।[৫] এর পাতা এবং অপরিপক্ক ফলের মধ্যে টমেটাইন থাকে, যা প্রচুর পরিমাণে বিষাক্ত হতে পারে। তবে পাকা ফলটিতে টমেটাইন নেই।[৬]

মেসোআমেরিকা[সম্পাদনা]

লাল টমেটো

মেসোআমেরিকাতে অ্যাজটেক এবং অন্যান্য লোকেরা এই ফলটি প্রথম চাষযোগ্য করেছিল, এবং তাদের রান্নায় ব্যবহার করেছিল। চাষযোগ্যকরণের সঠিক তারিখ অজানা; ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে, এটি দক্ষিণ মেক্সিকো এবং সম্ভবত অন্যান্য অঞ্চলে ইতিমধ্যে চাষ করা হচ্ছিল। [৭] :১৩ ধারণা করা হয় পুয়েব্লো জনগোষ্ঠী বিশ্বাস করত যে, যারা টমেটোর বীজ খেতো তারা ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা লাভ করত।[৮] বড়, পিণ্ডময় জাতের টমেটো এর মিউটেশন হয় একটি তুলনামূলকভাবে মসৃণ, ক্ষুদ্রতর ফল থেকে যা মেসোআমেরিয়াকায় উদ্ভূত হয়েছিল, এবং এটি আধুনিক চাষকৃত টমেটোর প্রত্যক্ষ পূর্বপুরুষ হয়ে থাকতে পারে।[৭] :১৫

স্পেনীয় বিস্তার[সম্পাদনা]

স্পেনীয় কনকুয়েস্তেদর হার্নান কর্টেজ সম্ভবত ১৫২১ সালে অ্যাজটেক নগর তোনোচতিৎলান (বর্তমান মেক্সিকো সিটি) দখল করার পর প্রথম ছোট হলুদ টমেটো ইউরোপে পাঠান, যদিও ক্রিস্টোফার কলম্বাস সম্ভবত ১৪৯৩ এর প্রথম দিকেই টমেটোকে ইউরোপে নিয়ে গিয়েছিলেন। ইউরোপীয় সাহিত্যে টমেটোর সর্বপ্রথম আলোচনা দেখা যায় ১৫৪৪ সালে ইতালীয় চিকিত্সক এবং উদ্ভিদবিদ পিয়েত্রো আন্দ্রেয়া মাত্তিওলি এর লেখায়, যিনি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, পরিপক্ক অবস্থায় রক্ত-লাল বা সোনালি বর্ণের একটি নতুন ধরণের বেগুন ইতালিতে আনা হয়েছে, এগুলোকে বেগুনের মত অংশে অংশে বিভক্ত করে খাওয়া যেতে পারে, অর্থাৎ নূন, কালো লঙ্কা (ব্ল্যাক পিপার) ও তেল দিয়ে রান্না করা যেতে পারে। দশ বছর পরে মাত্তিওলি ছাপা অক্ষরে টমেটোর নামকরণ করলেন পমি ডি'ওরো (pomi d'oro) বা "সোনালী আপেল"।[৯] :১৩

পরে আমেরিকায় স্পেনীয় উপনিবেশ স্থাপনের পর, স্পেনীয়রা ক্যারিবীয় অঞ্চলে তাদের উপনিবেশগুলোতে টমেটো বিতরণ করে। তারা এটিকে ফিলিপাইনে নিয়ে যায়, সেখান থেকে এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং তারপরে পুরো এশীয় মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। স্পেনীয়রা ইউরোপেও টমেটো নিয়ে এসেছিল। এটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে সহজেই জন্মাতো এবং ১৫৪০ এর দশক থেকে এর চাষ শুরু হয়েছিল। উৎপাদিত হবার কিছু সময়ের মধ্যেই এটি খাওয়া শুরু হয়, এওং ১৭শ শতকের প্রথম দিক থেকে স্পেনে নিশ্চিতভাবেই এটি খাওয়া শুরু হয়ে যায়।  

চীন[সম্পাদনা]

১৫০০ এর দশকে টম্যাটো সম্ভবত ফিলিপাইন বা ম্যাকাও হয়ে চীনে প্রবর্তিত হয়েছিল। চীনারা এর নাম দেয় ফানকিয়ে (fānqié) (বর্বর বেগুণ)।[১০]

ইতালি[সম্পাদনা]

বৃটেন[সম্পাদনা]

১৫৯০ এর দশক পর্যন্ত টমেটো ইংল্যান্ডে জন্মেনি। [১১] :১৭ ইংল্যান্ডে টমেটো চাষের সর্বপ্রথম কৃষকদের একজন ছিলেন নাপিত শল্যচিকিৎসক জন জেরার্ড[১১] :১৭ জেরার্ডের হারবাল নামক গ্রন্থটি ১৫৯৭ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে ইউরোপের মহাদেশীয় অঞ্চলের উৎস্যগুলো থেকে ব্যাপকভাবে তথ্য চুরি করা হয়েছিল।[১১] :১৭ বইটি ছিল ইংল্যান্ডে টমেটোর আলোচনা হওয়া প্রথম গ্রন্থগুলোর একটি। জেরার্ড জানতেন টমেটো স্পেন ও ইতালিতে খাওয়া হত। [১১] :১৭ তবুও, তিনি মনে করতেন এটি বিষাক্ত [১১] :১৭ (আসলে এই উদ্ভিদ এবং এর কাঁচা ফলে কম মাত্রায় টমেটাইন থাকে, কিন্তু তা বিপজ্জনক নয়; নীচে দেখুন )। ব্রিটেনে জেরার্ডের দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাবশালী ছিল এবং ব্রিটেন ও এর উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোতে অনেক বছর ধরে একে খাবারের অযোগ্য মনে করা হত (যদিও এটি আবশ্যিকভাবে বিষাক্ত নয়)।[১১] :১৭

যুক্তরাজ্যের সুপার মার্কেটে বিক্রয়ের জন্য টমেটো   

যাইহোক, ১৮শ শতকের মধ্যভাগে ব্রিটেনে টমেটোকে সর্বতোভাবে খাওয়া হত, সেই শতক শেষের আগেই এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকাতে বিবৃত হয় যে, টমেটো স্যুপ, ব্রোথগারনিশ হিসেবে দৈনন্দিন ব্যবহার্য খাদ্য। এগুলি গড়পড়তা ব্যক্তির খাদ্যাভাসের অংশ ছিল না এবং ১৮২০ সালের মধ্যে তাদেরকে "আমাদের সমস্ত উদ্ভিজ্জ বাজারে প্রচুর পরিমাণে থাকা" এবং "আমাদের সেরা রন্ধক দ্বারা ব্যবহৃত" হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল। রান্নায় টমেটোর ব্যাবহার সেসময় বহিরাগত ইতালীয় বা ইহুদি রন্ধনপ্রণালী হিসেবে পরিচিত ছিল।[১২]

ভারত[সম্পাদনা]

১৬শ শতকে পর্তুগীজ আবিষ্কারকগণ ভারতে টমেটো নিয়ে আসে। ১৮শ শতকে ইংরেজদের জন্য এটির চাষ হয়। আজও বাংলায় এটি "বিলাইতি বেগুণ" নামে পরিচিত। এরপর ভারতবর্ষে বিস্তৃতভাবে এটি খাদ্য হিসেবে গৃহীত হয়, কারণ এটি ভারতবর্ষের জলবায়ুর সাথে সাথে খুব মানিয়ে নিয়েছিল, উত্তরাখণ্ড ছিল এর প্রধান উৎপাদন অঞ্চলের মধ্যে একটি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]   

উত্তর আমেরিকা[সম্পাদনা]

পুষ্টি মূল্য[সম্পাদনা]

লাল টমেটো, কাচা অবস্থায়
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স) পুষ্টিগত মান
শক্তি৭৪ কিজু (১৮ kcal)
3.9 g
চিনি2.6 g
খাদ্যে ফাইবার1.2 g
0.2 g
0.9 g
ভিটামিনসমূহ
ভিটামিন এ সমতুল্য
(5%)
42 μg
(4%)
449 μg
123 μg
থায়ামিন (বি)
(3%)
0.037 mg
ন্যায়েসেন (বি)
(4%)
0.594 mg
ভিটামিন বি
(6%)
0.08 mg
ভিটামিন সি
(17%)
14 mg
ভিটামিন ই
(4%)
0.54 mg
ভিটামিন কে
(8%)
7.9 μg
চিহ্ন ধাতুসমুহ
ম্যাগনেসিয়াম
(3%)
11 mg
ম্যাঙ্গানিজ
(5%)
0.114 mg
ফসফরাস
(3%)
24 mg
পটাশিয়াম
(5%)
237 mg
অন্যান্য উপাদানসমূহ
পানি94.5 g
Lycopene2573 µg

Percentages are roughly approximated using US recommendations for adults.
Source: USDA Nutrient Database
ফ্রাইড রাইস এর সাথে টমেটো এর সালাদ

উপকারিতা[সম্পাদনা]

হার্টের জন্যও ভালো টমেটো। কোলেস্টেরলের মাত্রা ও রক্তচাপ কমাতে সহায়ক এটি। তাই নিয়মিত টমেটো খেলে, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে আসবে।

  • ডায়াবেটিসের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। এ সবজি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ যা দৃষ্টিশক্তিকে আরও উন্নত করে।
  • অর্জুন গাছের রসের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে জেলি করে প্রতিদিন খেলে হার্ট ও বুকের ব্যথা কমে যায়।
  • টমেটোতে বিদ্যমান ভিটামিন-কে মজবুত হাড় গঠনে সহায়তা করে।
  • ধূমপান ছাড়তে সহায়ক ভূমিকা পালনের সঙ্গে সঙ্গে ধূমপানের কারণে শরীরে সৃষ্ট ক্ষতি পুষিয়ে নিতেও কার্যকরী এ সবজি।
  • টমেটো শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে যা শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে করে।
  • চুল ও দাঁতের জন্য উপকারী এ সবজি।
  • কিডনিকে সুস্থ-সবল রাখতে ভূমিকা পালন করে টমেটো।
  • ত্বকের জন্য বিশেষভাবে উপকারী টমেটো। সৌন্দর্য সচেতন নারীরা অনেক সময় টমেটোকে ব্যবহার করেন দামী প্রসাধনীর বিকল্প হিসেবে।
  • মাথার খুশকি দূর করতে টমেটোর রসের সঙ্গে ১.৪ ভাগ পানি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
  • বিশেষ কয়েক ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে পাকস্থলী, কোলোরেক্টাল ও প্রোস্টেট ক্যান্সার অন্যতম।
  • শারীরিক পরিশ্রমের পর টমেটোর রস যেকোনো কোমল পানীয়ের চেয়ে বেশি উপকারী। গবেষকরা বলেন, ব্যায়াম বা অন্য যেকোনো শারীরিক পরিশ্রমের পর টমেটোর রস পেশি পুনরুদ্ধারে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
  • টমেটো ন্যাচারাল এ্যান্টিসেপ্টিক। তাই ইনফেকশন রোধ করে।

খাদ্য উপাদান[সম্পাদনা]

টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-কে, ফলিক এসিড লাইকোপিন, ক্রোমিয়াম ও আরও গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনসমূহ।

চিত্র[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Solanum lycopersicum- Tomato"। Encyclopedia of Life। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৪ 
  2. "Phylogeny"Molecular phylogenetic analyses have established that the formerly segregate genera Lycopersicon, Cyphomandra, Normania, and Triguera are nested within Solanum, and all species of these four genera have been transferred to Solanum 
  3. Estabrook, Barry (২২ জুলাই ২০১৫)। https://www.smithsonianmag.com/travel/why-wild-tiny-pimp-tomato-so-important-180955911। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২০  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  4. "Tomato"। Encyclopaedia Britannica। ৪ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০১৮ 
  5. Why the Tomato Was Feared in Europe for More Than 200 Years — Smithsonian
  6. Mcgee, H. (২৯ জুলাই ২০০৯)। "Accused, Yes, but Probably Not a Killer"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১০ 
  7. Smith, A. F. (১৯৯৪)। The Tomato in America: Early History, Culture, and Cookery। University of South Carolina Press। আইএসবিএন 978-1-57003-000-0 
  8. Donnelly, L. (২৬ অক্টোবর ২০০৮)। "Killer Tomatoes"The East Hampton Star। ২৯ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  9. Smith, A. F. (১৯৯৪)। The Tomato in America: Early History, Culture, and Cookery। University of South Carolina Press। আইএসবিএন 978-1-57003-000-0 
  10. The Cambridge World History of Food, Volume 1, (Cambridge University Press, 2000) edited by Kenneth F. Kiple, Kriemhild Coneè Ornelas, page 357
  11. Smith, A. F. (১৯৯৪)। The Tomato in America: Early History, Culture, and Cookery। University of South Carolina Press। আইএসবিএন 978-1-57003-000-0 
  12. 'LOVE-APPLE, or TOMATO BERRY.-Love apples are now to be seen in great abundance at all our vegetable markets.' The Times (London, England), 22 September 1820, p.3

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]