কসবা উপজেলা
| কসবা | |
|---|---|
| উপজেলা | |
মানচিত্রে কসবা উপজেলা | |
| স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৪′১৬″ উত্তর ৯১°৯′৪৮″ পূর্ব / ২৩.৭৩৭৭৮° উত্তর ৯১.১৬৩৩৩° পূর্ব | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| জেলা | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা |
| বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ | ২৪৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ |
| আয়তন | |
| • মোট | ২০৯.৭৮ বর্গকিমি (৮১.০০ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ৩,১৯,২২১ |
| • জনঘনত্ব | ১,৫০০/বর্গকিমি (৩,৯০০/বর্গমাইল) |
| সাক্ষরতার হার | |
| • মোট | ৫০.৭% |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| প্রশাসনিক বিভাগের কোড | ২০ ১২ ৬৩ |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
কসবা উপজেলা বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা এবং উপজেলা।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]বর্তমান কসবা পূর্বে কালিয়াগড় নামে পরিচিত ছিল, যা কিলাগড় শব্দের অপভ্রংশ বলে ধারণা করা হয়; এখানে কিলা দ্বারা সামরিক ছাউনি এবং গড় দ্বারা দুর্গকে বোঝানো হয়েছে। আলাউদ্দিন হুসেন শাহ-এর শাসনামলের পূর্বে কসবা ত্রিপুরার অংশ ছিল। ১৫১৩ সালে ত্রিপুরা আক্রমণের সময় হোসেন শাহ ত্রিপুরী অঞ্চলে কালিয়াগড় দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন,[২] এবং ত্রিপুরার পূর্বাঞ্চল অধিকার করতে সক্ষম হন। দুর্গটিকে কেন্দ্র করে একটি জনপদ গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীকালে কসবা নামে পরিচিত হয়; মুসলিম বিশ্বে এই শব্দটি সাধারণত একটি মহল্লা বা দুর্গনগর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
অবস্থান ও আয়তন
[সম্পাদনা]কসবা উপজেলার আয়তন ২০৯.৭৬ বর্গ কিলোমিটার (৫১, ৮৩২.৮ একর)।[৩] এই উপজেলার উত্তরে তিতাস নদী, আখাউড়া উপজেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা, দক্ষিণে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, পশ্চিমে নবীনগর উপজেলা ও কুমিল্লা জেলার নবগঠিত বাঙ্গরা উপজেলা।
ভৌগোলিক পরিবেশ
[সম্পাদনা]তিতাস নদী, সালদা নদী, বিজনী নদী, সিনাই, ঘুংঘুর নদী, বুড়ি নদী, রাজার খাল, অদের খাল, কালিয়ারা নদী কসবার মধ্যে অতিক্রম করেছে। এ উপজেলার পূর্বপ্রান্তে রয়েছে লাল মাটির পাহাড়ী টিলা ভূমি।
প্রশাসনিক এলাকা
[সম্পাদনা]
কসবা উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম কসবা থানার আওতাধীন।
কসবা উপজেলার আদর্শ গ্রাম:
- খাড়েরা
- মূলগ্রাম
- মেহারী
- গোপীনাথ পুর
- কুটি
- সৈয়দাবাদ
- বায়েক
- নেমতাবাদ
জাতীয় সংসদ
[সম্পাদনা]| সংসদীয় আসন | জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[৪] | সংসদ সদস্য[৫][৬][৭][৮][৯] | রাজনৈতিক দল |
|---|---|---|---|
| ২৪৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ | কসবা ও আখাউরা | পদ শূন্য |
জনউপাত্ত
[সম্পাদনা]২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে কসবা উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ছিলো ৩,১৯,২২১ জন ও পরিবার সংখ্যা ৬০,৯১৯টি। এই উপজেলার প্রতি প্রতি ১০০ জন মহিলার (৫২.৪%) বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ৯১ জন (৪৭.৬%)। মোট জনসংখ্যার ৪২.৪% শিশু (০-১৪ বছর)। জনসংখ্যার অধিকাংশই ইসলামের অনুসারী (৯৫.৭%)। বাকি ৪.৩% হিন্দু ধর্মের অনুসারী। কসবা উপজেলার গড় সাক্ষরতার হার ৫০.৭% (৭+)। প্রথম বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষদের গড় বয়স ২৪.৪ বছর এবং মহিলাদের গড় বয়স ১৯.৮ বছর।[১০]
জলবায়ু
[সম্পাদনা]ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর অন্তর্গত। এ উপজেলায় গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত এই তিনটি ঋতুর প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মে মাসে ৩০ ডিঃসেঃ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ডিঃসেঃ পরিলক্ষিত হয়। জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ ও স্বাস্থ্যকর। বার্ষিক সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ১১৪.৬৫ ইঞ্চি এবং সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত ৫৬.৪৩ ইঞ্চি এবং গড় বৃষ্টিপাত ৭৮.০৬ ইঞ্চি।
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা]- কোল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ।
- লক্ষীপুর (গোপীনাথপুর) শহীদ মুক্তি যোদ্ধা সমাধিস্থল।
- কোরআন ভাস্কর্য।
- পুড়া রাজার জাঙ্গাল - তিলক পীর থেকে বল্লভপুর পর্যন্ত।
- শ্রী শ্রী আনন্দময়ী আশ্রম ও জন্ম ভিটা - খেওড়া।
- ধর্মসাগর।
- গুনসাগর - জাজিয়ারা।
- রামসাগর - মাইজখার।
- ব্লু স্কাই পার্ক - বল্লভপুর-শিমরাইল কেন্দ্রবিন্দু।
- বর্ডার হাট।
- বড় মসজিদ - জাজিসার।
- রাজ বাড়ি - জাজিয়ারা।
- কল্যাণ সাগর।
- ব্রাহ্মণগ্রাম রেল ব্রিজ।
- মজলিশপুর স্টিল ব্রিজ।
- কসবা মডেল মসজিদ।
- মাদলা পদুয়ার পাহাড়
- বায়েক একীন আলীর মাজার
- মাদলা ফজলুর রহমান মুন্সীর মাজার
- কাজল চৌমুহনী, মাদলা
শিক্ষা ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী কসবা উপজেলার সাক্ষরতার হার ৫০.৭%।[৩] এখানে রয়েছে:[১১]
- সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা: ১৬০টি
- কিন্ডার গার্টেন: ৫৪টি
- উচ্চ বিদ্যালয়: ৩৯টি
- সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়: ২টি
- নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২টি
- মাদ্রাসা: ২৩টি
- দাখিল মাদ্রাসা: ১৬টি, সিনিয়র মাদ্রাসা: ৭টি, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা: ২টি
- কলেজের সংখ্যা: ৮টি
- মহিলা কলেজের সংখ্যা: ৩টি
- গণশিক্ষা পাঠাগার: ১১টি
- টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট: ০১টি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- নেমাতাবাদ আয়েশা হাবিব উচ্চ বিদ্যালয়
- নেমতাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯০৩)
- নেমতাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা (১৯৯০)
- গোপীনাথপুর শহীদ বাবুল উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫৩)
- গোপীনাথপুর আলহাজ্ব শাহ আলম ডিগ্রী কলেজ(১৯৯৭)
- কোনাঘাটা চান্দঁ মিয়া ভুঁইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ( ১৯৮৯ )
- বুগীর বামুটিয়া ডাঃ হাবিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় (২০০০)
- চারগাছ এন আই ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৪)
- পুরকুইল গাউছিয়া হাবিবিয়া ফাযিল মাদরাসা
- শিক্ষা সদন বায়েক উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৫)
- জাজিসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৪১)
- সিরাজুল হক উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৭)
- কসবা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৯৯)
- লিয়াকত আলী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৮৫)
- রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- শিমরাইল উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২১)
- কুটি অটল বিহারী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৮)
- জমশেরপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২৩)
- খেওড়া আনন্দময়ী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৭৫)
- কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- মইনপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬৩)
- মজলিশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- চন্ডিদ্বার উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৮)
- খাড়েরা মোহাম্মাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, খাড়েরা
- আড়াইবাড়ী ইসলামীয়া সাঈদীয়া কামিল মাদ্রাসা
স্বাস্থ্য
[সম্পাদনা]স্বাস্থ্য সেবাদানের জন্য রয়েছে:
- কোনাঘাটা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
- উপজেলা স্থাস্থ্য কেন্দ্র - ১টি
কৃষি
[সম্পাদনা]এখানকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কৃষক। প্রধান ফসলঃ ধান, গম, বিভিন্ন ধরনের সব্জী। লুপ্ত বা লুপ্ত প্রায় শষ্যাদিঃ কাউন, আউস ও আমন ধান, পাট ও অড়হর ডাল।
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]- কুটির শিল্প - মৃৎ শিল্প, সূচী-শিল্প।
- রপ্তানী পণ্য - শাক-সবজি
- মাছ চাষ
- বৈদেশিক মুদ্রা অর্থাৎ রেমিটেন্স
যোগাযোগ ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]রেলপথে আগে কোনো ট্রেন যাত্রাবিরতি দিতো না। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, উপকূল এক্সপ্রেস ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস যাত্রাবিরতি দেয়। রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে রয়েছে কসবা, ইমামবাড়ী, কসবা উপজেলার সড়কপথ ভালো নয়। শহরে কোনো বাস টার্মিনাল নেই। তাদেরকে কুটি/ব্রাহ্মণবাড়িয়া/কুমিল্লা বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকা বা চট্টগ্রাম/সিলেট যেতে হয়।
কসবা রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচি:
| ট্রেন নং | নাম | ছুটির দিন | হতে | প্রস্থান | গন্তব্য | পৌঁছাবে |
| ৭১১ | উপকুল এক্সপ্রেস | বুধবার | কসবা | ০৮:২৪ | ঢাকা | ১১:২০ |
| ৭১২ | উপকুল এক্সপ্রেস | মঙ্গলবার | কসবা | ১৮:০৬ | নোয়াখালী | ২০:৪০ |
| ৭১৯ | পাহাড়িকা এক্সপ্রেস | সোমবার | কসবা | ১০:৫৮ | সিলেট | ১৬:৩০ |
| ৭২০ | পাহাড়িকা এক্সপ্রেস | বুধবার | কসবা | ১৫:৪১ | চট্টগ্রাম | ১৮:৫৫ |
| ৭২১ | মহানগর এক্সপ্রেস | রবিবার | কসবা | ১৫:৩৭ | ঢাকা | ১৮:৪০ |
| ৭২২ | মহানগর এক্সপ্রেস | রবিবার | কসবা | ০০:১৪ | চট্টগ্রাম | ০৩:৩০ |
| ৮০১ | চট্টলা এক্সপ্রেস | শুক্রবার | কসবা | ৯:৩৬ | ঢাকা | ১২:৪০ |
| ৮০২ | চট্টলা এক্সপ্রেস | শুক্রবার | কসবা | ১৭:০১ | চট্টগ্রাম | ২০:৩০ |
কসবা রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রস্তাবিত নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচি:
| ট্রেন নং | নাম | ছুটির দিন | হতে | প্রস্থান | গন্তব্য | পৌঁছাবে |
| ৮১৭ | সুবর্ণচর এক্সপ্রেস | শুক্রবার | কসবা | ১৭:০০ | ঢাকা | ২০:১০ |
| ৮১৮ | সুবর্ণচর এক্সপ্রেস | শুক্রবার | কসবা | ১০:৫৬ | নোয়াখালী | ১৩:৩০ |
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
[সম্পাদনা]- আনন্দময়ী মা (১৮৯৬-১৯৮২) — হিন্দু আধ্যাত্মিক সাধিকা
- আনিসুল হক — রাজনীতিবিদ এবং আইন মন্ত্রী
- আনোয়ার হোসেন — বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
- আব্দুর রহিম (জেনারেল)
- আবু সালেক — বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত কিশোর বীর মুক্তিযোদ্ধা
- আবদুর রহিম — বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা
- মনির আহমেদ খান — বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
- মোহাম্মদ হোসেন খসরু — উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী
- সামসুল হক — বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
- সিরাজুল হক — আইনবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং রাজনীতিবিদ[১২]
- সৈয়দ আব্দুল হাদী — জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী
- মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ওসমান — সাবেক সংসদ সদস্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন
- লিয়াকত আলী — সাবেক সংসদ সদস্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন
- শাহ আলম — সাবেক সংসদ সদস্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন
- হাসনাত আব্দুল হাই — লেখক ঔপন্যাসিক
- তফাজ্জল আলী – আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ
- মো. আমিনুল ইসলাম- এনটিআরসি-এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে অতিরিক্ত সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়।
নদ-নদী
[সম্পাদনা]- সালদা নদী - ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তারপর এটি কিছুদুর প্রবাহিত হয়ে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বুড়ি নদীতে পতিত হয়েছে। (সংক্ষিপ্ত)
- বিজনী নদী - সালদা নদীর কৈখলা অংশ হতে শুরু করে বালিয়াহুরা, কায়েমপুর,, জাজিসার, কসবা হয়ে বহমান। (সংক্ষিপ্ত)
হাট-বাজার ও মেলা
[সম্পাদনা]কুটি বাজার, কসবা বাজার, নয়নপুর বাজার, ব্রাহ্মনগ্রাম মজলিশপুর বাজার, সালদানদী বাজার, মন্দবাগ বাজার, নেমাতাবাদ বাজার, গোপীনাথপুর বাজার, চন্ডীদ্বার বাজার, চারগাছ বাজার‚চারগাছ মেলা‚মেহারী বাজার‚মেহারী বৈশাখী মেলা‚বাদৈর বাজার ও বল্লভপুর কডুর মেলা, বালিয়াহুড়া বাজার, অষ্টজঙ্গল বাজার, কোল্লাপাথর-সাগরতলা বাজার, অনন্তপুর বাজার, মাদলা বাজার, বায়েক চৌমুহনী বাজার, কায়েমপুর বাজার, মঈনপুর বাজার, কালতা বাজার, শাহপুর বাজার, জয়নগর বাজার, রাজনগর বাজার, ধজনাগর বাজার, বড়ঠোটা বাজার, রামপুর বাজার, বড়মুড়া পাখি মার্কেট বাজার, গোসাইস্হল মেলা, রামপুরের মেলা, বাড়াই বাজার, মধুপুর বাজার, পানিয়ারুপ বাজার, নয়নপুর গরুর বাজার, অষ্টজঙ্গল বাজার, মাদলা বাজার, খাদলা বাজার, গফুর মার্কেট , ইত্যাদি আরো আছে
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]এক নজরে কসবা উপজেলা :(২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০২২ তারিখে
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "3739 - কসবা উপজেলা-NULL"। kasba.brahmanbaria.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ Webster, J. E. (১৯১০)। Eastern Bengal District Gazetteers: Tippera। The Bengal Secretariat Book Depot। পৃ. ১৩, ২১।
- 1 2 "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (পিডিএফ)। web.archive.org। Wayback Machine। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "Election Commission Bangladesh - Home page"। www.ecs.org.bd।
- ↑ "বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জানুয়ারি ১, ২০১৯" (পিডিএফ)। ecs.gov.bd। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ২০১৯। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "সংসদ নির্বাচন ২০১৮ ফলাফল"। বিবিসি বাংলা। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল"। প্রথম আলো। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "জয় পেলেন যারা"। দৈনিক আমাদের সময়। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "আওয়ামী লীগের হ্যাটট্রিক জয়"। সমকাল। ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Population and Housing Census 2011: Zila Report: Brahmanbaria" (পিডিএফ)। Bangladesh Bureau of Statistics। অক্টোবর ২০১৫। ১২ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৮।
- ↑ এক নজরে কসবা উপজেলা :(২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)
- ↑ "প্রখ্যাত আইনজ্ঞ সিরাজুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - শেষ পাতা"।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- বাংলাপিডিয়ায় কসবা উপজেলা
- কসবা উপজেলার মানচিত্র ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জুন ২০২০ তারিখে