নাসিরনগর উপজেলা
| নাসিরনগর | |
|---|---|
| উপজেলা | |
নাসিরনগরের নদীর পাড়ের দৃশ্য | |
মানচিত্রে নাসিরনগর উপজেলা | |
| স্থানাঙ্ক: ২৪°৬′৩৯″ উত্তর ৯১°১১′৩৭″ পূর্ব / ২৪.১১০৮৩° উত্তর ৯১.১৯৩৬১° পূর্ব | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| জেলা | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯১০ |
| সংসদীয় আসন | ২৪৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ |
| সরকার | |
| • সংসদ সদস্য | পদ শূন্য |
| আয়তন | |
| • মোট | ২৯৪.৩৬ বর্গকিমি (১১৩.৬৫ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ৩,০৯,০১১ |
| • জনঘনত্ব | ১,০০০/বর্গকিমি (২,৭০০/বর্গমাইল) |
| সাক্ষরতার হার | |
| • মোট | ৩৪.৯% |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| পোস্ট কোড | ৩৪৪০ |
| প্রশাসনিক বিভাগের কোড | ২০ ১২ ৯০ |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
নাসিরনগর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি উপজেলা।বাংলাদেশের হাওর বেষ্টিত উপজেলার একটি।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]নামকরণ
[সম্পাদনা]কথিত আছে, হযরত শাহ জালাল (রহ.) সিলেটের গৌড় গোবিন্দ রাজার রাজ্য আক্রমণ এবং ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য যাওয়ার পথে সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দীন এখানে অবস্থান করেছিলেন। তার নামানুসারে এই এলাকার নাম নাসিরনগর রাখা হয়। এ ইউনিয়নের নাম থেকেই প্রথমে থানা এবং পরবর্তীতে নাসিরনগর উপজেলার নামকরণ করা হয়। অন্য একটি জনশ্রুতি হল, মোগল সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে ঈশা খাঁ বংশের জনৈক মজলিশ গাজীকে সরাইল পরগণার দেওয়ান নিযুক্ত করা হয়। সেই বংশের জনৈক নাসির মাহমুদ দেওয়ানের নামানুসারে নাসিরনগরের নামকরণ করা হয়েছে।[১]
সাধারণ ইতিহাস
[সম্পাদনা]ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার হাওর বেস্টিত উপজেলা নাসিরনগর। ১৭৬৫ সালে দেওয়ানী লাভের সময় নাসিরনগর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হস্তগত হয়। ১৮৩০ সালে সরাইল, দাউদপুর, হরিপুর, বেজুরা ও সতরকণ্ডল পরগনা ময়মনসিংহ হতে ত্রিপুরা জেলার কাছে হস্তান্তরিত হয়। ১৮৬০ সালে তৎকালীন ত্রিপুরা জেলার (১৭৯০ সালে ত্রিপুরা জেলা গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লা নাম রাখা হয়) অধীনে নাসিরনগর মহকুমার সৃষ্টি হয়। ১৮৭৫ সালে নাসিরনগর মহকুমাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা নামকরণ করা হয়। ১৭৯২ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি জেলাকে থানায় বিভক্ত করার নির্দেশ দেন। সিদ্ধান্ত হয় যে প্রতি ৪০০ বর্গমাইল পরিমিত এলাকা নিয়ে থানা গঠন করা হবে। ১৮৮৫ সালে তৎকালীন ত্রিপুরা জেলাকে এগারটি থানায় ভাগ করা হয়। তখন এ জেলাতে ১৫টি পুলিশ ফাঁড়িও ছিল। পুলিশ ফাঁড়ির সংখ্যা কমিয়ে দুটি করা হয়। পুলিশ ফাঁড়ি দুটি হল- নাসিরনগর এবং মরিচাকান্দি। ফৌজদারি কার্যক্রমের সুবিধার জন্য ১৯১০ সালে নাসিরনগর পুলিশ ফাঁড়িকে থানা হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৩ সালে ১ আগস্ট নাসিরনগর থানাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করা হয়।[১]
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালের ১৫ নভেম্বর পাক হানাদার বাহিনী উপজেলার কুণ্ডা, ভলাকুট, গোকর্ণ, নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে হামলা করে এবং অগ্নিসংযোগ করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। এতে অনেক নিরীহ মানুষ নিহত হয়। উপজেলার তুল্লাপাড়া ও নাসিরনগর থানার কাছাকাছি পাক হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর মুখোমুখি যুদ্ধ হয়। পার্শ্ববর্তী উপজেলা কালাউকের (বর্তমান লাখাই) ফুলবাড়িয়া গ্রামে যুদ্ধ করতে গিয়ে এ উপজেলার চান্দেরপাড়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান নামে একজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৭ ডিসেম্বর নাসিরনগর হানাদার মুক্ত হয়।[১]
ঐতিহাসিক স্থাপনা
[সম্পাদনা]নাসিরনগর উপজেলার কৈলাসচন্দ্র সরকার ১৯১৭ সালে জগন্নাথ দেবের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া উপজেলার ফান্দাউক গ্রামে মোগল আমলে নির্মিত একটি হিন্দু মন্দির রয়েছে। মন্দিরটির নির্মাণ কৌশলে মোগল স্থাপত্যের ছাপ সুস্পষ্ট। এছাড়া রয়েছে হরিপুর জমিদার বাড়ি (বড় বাড়ি)। কথিত আছে, ১৭৫ বছর পূর্বে জমিদার গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরী এবং কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরী বাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রায় ৪৮০ শতাংশ জমির উপর নির্মিত বাড়িটিতে ৫০-৫৫টি কক্ষ রয়েছে।[১]
প্রাকৃতিক দুর্যোগ
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে চাপৈরতলা ও চিতনা গ্রাম দুটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয় এবং ১৯৭৪ ও ১৯৮৮ সালের বন্যায় এ অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।[২]
অবস্থান ও আয়তন
[সম্পাদনা]নাসিরনগর উপজেলার আয়তন ২৯৪.৩৬ বর্গ কিলোমিটার (৭২,৭৩৮ একর)।[৩] ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে প্রায় ২৯ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এ উপজেলাটি চট্টগ্রাম বিভাগের সর্ব উত্তরের উপজেলা। এ উপজেলার উত্তরে বলভদ্রা নদী ও হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা ও কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলা, দক্ষিণে সরাইল উপজেলা ও বিজয়নগর উপজেলা, পূর্বে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা, পশ্চিমে মেঘনা নদী, কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলা ও বাজিতপুর উপজেলা।
প্রশাসনিক এলাকা
[সম্পাদনা]নাসিরনগর উপজেলায় বর্তমানে ১৩টি ইউনিয়ন রয়েছে। মোট মৌজা ৯৬টি এবং মোট গ্রাম ১২৮টি। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম নাসিরনগর থানার আওতাধীন।[৪]
জনসংখ্যার উপাত্ত
[সম্পাদনা]২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী নাসিরনগর উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৩,০৯,০১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৫০,৫৭৭ জন এবং মহিলা ১,৫৮,৪৩৪ জন। মোট পরিবার ৫৯,০২৪টি।[৩] জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ১,০৫০ জন।[৫]
- ইসলাম ধর্ম (৮৩.৬৮৪১%)
- হিন্দু ধর্ম (১৬.২৯৪২%)
- খ্রিস্ট ধর্ম (০.০০৭৮%)
- বৌদ্ধ ধর্ম (০.০০১৬%)
- অন্যান্য (০.০১২৩%)
ধর্মবিশ্বাস অনুসারে এ উপজেলার ২,৫৮,৫৯৩ জন ইসলাম, ৫০,৩৫১ জন হিন্দু, ২৪ জন খ্রিস্টান, ৫ জন বৌদ্ধ এবং ৩৮ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।
শিক্ষা ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী নাসিরনগর উপজেলার সাক্ষরতার হার ৩৪.৯%।[৩] এ উপজেলায় ২টি ডিগ্রী কলেজ (১টি সরকারি), ২টি স্কুল এন্ড কলেজ, ১টি আলিম মাদ্রাসা, ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১টি সরকারি), ৫টি দাখিল মাদ্রাসা, ৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৫টি রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা এবং ৯টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।[১]
- উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- ভলাকুট কে, বি, উচ্চ বিদ্যালয়
- ফান্দাউক পন্ডিতরাম উচ্চ বিদ্যালয়
- হরিণবেড় শাহজাহান উচ্চ বিদ্যালয়
- চাতলপাড় ডিগ্রী কলেজ[৬]
- নাসিরনগর সরকারি মহাবিদ্যালয়[৭][৮]
- গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ[৯]
- বিজয়লক্ষ্মী স্কুল এন্ড কলেজ[৯]
- দাঁতমণ্ডল এরফানিয়া আলিম মাদ্রাসা[২]
- নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়[৯]
- কুণ্ডা উচ্চ বিদ্যালয়
- নাসিরনগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়[৯]
- জেঠাগ্রাম নূরানী হাফিজি মাদ্রাসা
- জেঠাগ্রাম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
- ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
- টেকানগর নূরে হেরা নূরানীয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা
যোগাযোগ ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল থেকে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই-হবিগঞ্জ সড়ক হয়ে নাসিরনগর উপজেলায় যাতায়াত করা যায়। তবে উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যম হল সড়কপথ ও নৌপথ। এ উপজেলার অনেক জায়গায় এখনো পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়।
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]নাসিরনগর উপজেলার প্রায় ৭১% লোক কৃষিজীবী। উপজেলার প্রধান প্রধান ফসলের মধ্যে ধান, গম, পাট, সরিষা, আলু ও ডাল। এ উপজেলার লোকজন নদী, পুকুর ও নলকূপ এর পানি গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করেন। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক ছেলেমেয়ে শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত। হাওড় বেষ্টিত উপজেলা হওয়ায় সারা বছর কাজ করার সুযোগ থাকে না। কেবল রবি/ইরি মৌসুমে কাজের সুযোগ থাকে। তাছাড়া এ উপজেলার বেশীর ভাগ জমি এক ফসলী। এ উপজেলার বেশীর ভাগ মানুষের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা ভাল নয়। এ উপজেলার অনেক লোক দারিদ্রসীমার নিচে বাস করেন। তবে এ উপজেলার মানুষ খুবই পরিশ্রমী ও কর্মঠ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে।[১০]
স্বাস্থ্য
[সম্পাদনা]নাসিরনগর উপজেলায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ৩টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ১০ শয্যাবিশিষ্ট ১টি পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে।[১]
ভাষা ও সংস্কৃতি
[সম্পাদনা]নাসিরনগর উপজেলাকে ঘিরে রয়েছে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম এবং সিলেটের লাখাই উপজেলা। তাই এই উপজেলার আঞ্চলিক ভাষা বিশ্লেষণে দেখা যায় এতে সন্নিহিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা এবং সিলেটের ভাষার মিশ্রিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মেঘনা, লংগন, তিতাস, খাস্তি ইত্যাদি নদীর গতিপ্রকৃতি বিরাট হাওড় মানুষের আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা ও সংস্কৃতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এ উপজেলার প্রচলিত সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি যেসব মেলার আয়োজন হয় তার মধ্যে কুলিকুণ্ডা শুটকি মেলা, ভলাকুট কার্তিক মেলা এবং গোকর্ণ সিদ্ধেশ্বরী মেলা,জেঠাগ্রাম কালিচুরা বান্নি( মেলা)।উল্লেখযোগ্য।[১১]
নদ-নদী
[সম্পাদনা]
নাসিরনগর উপজেলায় প্রবাহিত নদ-নদীগুলো হল মেঘনা, তিতাস, লংগন, বলভদ্রা, কাস্তি এবং বেমালিয়া নদী।[১২]
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা]- নাসিরনগর ডাকবাংলো
- গোকর্ন বেড়িবাধ
- চৈয়ারকুরি বেরিবাধ
- নুরপুর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদ
- নুরপুর সাহেব বাড়ি মাজার শরিফ
- কামাড়িয়া পার্ক
- শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালী মন্দির, ফান্দাউক
- কচুয়া দরবার শরীফ[২]
- কাহেতুরা মসজিদ[২]
- গুনিয়াউক বাগান বাড়ী[১৩]
- গোকর্ণ নবাব বাড়ি[১৪]
- জয়কুমার জমিদার বাড়ি
- দাঁতমণ্ডল আজিজিয়া দরবার শরীফ[২]
- নাসিরনগর জগন্নাথ মন্দির[২]
- ফান্দাউক ইসকন মন্দির[২]
- বড়ধলিয়া আবদুল্লাহ শাহ মাজার[১৫]
- মেদির হাওড় মিনি কক্সবাজার[১৬]
- সৈয়দ নাছিরুল হক মাসুম -এর মাজার[১৭]
- সৈয়দ ‘ম’ আলী -এর মাজার[১৮]
- হরিপুর বড়বাড়ি
- আব্দুল্লাহ হুজুরের মাজার- ভুবন
- জেঠাগ্রাম বণিক বাড়ি-- আর্দশ পাড়া--জেঠাগ্রাম
- জেঠাগ্রাম জামে মসজিদ
- নাসিরনগর মেদির হাওর
- মন্দিরের উপর ঐতিহাসিক বটগাছ
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- আবদুর রসুল – ব্রিটিশ ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী।
- এস এম সাফি মাহমুদ – রাজনীতিবিদ এবং ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ সদস্য।
- নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা – ব্রিটিশ ভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক নেতা।
- বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন – রাজনীতিবিদ এবং একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য।
- মোজাম্মেল হক – বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ জাতীয় সংসদ সদস্য।
- মোহাম্মদ ছায়েদুল হক – রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম জাতীয় সংসদ সদস্য এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী।
- ব্রজেন্দ্র চন্দ্র দেব –– বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, সমাজ সংস্কারক।
- সৈয়দ মুর্শেদ কামাল – রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং পঞ্চম জাতীয় সংসদ সদস্য।
জনপ্রতিনিধি
[সম্পাদনা]- সংসদীয় আসন
| সংসদীয় আসন | জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[১৯] | সংসদ সদস্য[২০][২১][২২][২৩] | রাজনৈতিক দল |
|---|---|---|---|
| ২৪৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ | নাসিরনগর উপজেলা | সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ[২৪] |
- উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন
| ক্রম নং | পদবী | নাম |
|---|---|---|
| ০১ | উপজেলা চেয়ারম্যান[২৫] | পদ শূন্য |
| ০২ | উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান[২৬] | শূন্য |
| ০৩ | উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান[২৭] | শূন্য |
| ০৪ | উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা[২৮] | শূন্য |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 "এক নজরে নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৬ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯।
- 1 2 3 4 5 6 7 "নাসিরনগর উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"। bn.banglapedia.org। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯।
- 1 2 3 "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (পিডিএফ)। web.archive.org। Wayback Machine। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "ইউনিয়নসমূহ - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৬ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তথ্য উপাত্ত" (পিডিএফ)। web.archive.org। Wayback Machine। ১৩ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "একাডেমিক ওয়েবসাইট - চাতলপাড় ডিগ্রী কলেজ"। chatc.comillaboard.gov.bd। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "নাসিরনগর ডিগ্রী কলেজ সরকারিকরণ :: প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন, আনন্দ মিছিল"। brahmanbaria24.com। ব্রাহ্মণবাড়িয়া২৪.কম। ২০ জুলাই ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ নাসিরনগর ডিগ্রী কলেজ Nasirnagar, Bangladesh +880 1983-090585 https://g.co/kgs/gMEYyg
- 1 2 3 4 "এসএসসি ফলাফল - নাসিরনগর উপজেলা"। facebook.com। ফেসবুক পোস্ট। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "ব্যবসা-বাণিজ্য - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৬ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "ভাষা ও সংস্কৃতি - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "নদ-নদী - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "দর্শনীয় স্থান - গুনিয়াউক ইউনিয়ন"। goniaukup.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১০ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "গোকর্ণ ইউনিয়নের ইতিহাস"। gokarnaup.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১২ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "দর্শনীয় স্থান - পূর্বভাগ ইউনিয়ন"। purbabhagup.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "মেদির হাওড় মিনি কক্সবাজার - গোয়ালনগর ইউনিয়ন"। goalnagarup.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "দর্শনীয় স্থান - ফান্দাউক ইউনিয়ন"। fandaukup.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "হযরত সৈয়দ 'ম' আলী মাজার শরীফ - নাসিরনগর ইউনিয়ন"। nasirnagarup.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ - প্রধান পাতা"। www.ecs.org.bd।
- ↑ "নৌকাকে হারিয়ে জিতলেন বিএনপির বহিষ্কৃত একরামুজ্জামান"। banglanews24.com। ৭ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২৪।
- ↑ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জেলা প্রতিনিধি (১ জানুয়ারি ১৯৭০)। "ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪টিতে নৌকা, ২টিতে নতুন মুখ"। dhakapost.com। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২৪।
- ↑ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। "ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জিতলেন একরামুজ্জামান-মঈন, জামাই-শ্বশুরের হার"। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জিতলেন একরামুজ্জামান-মঈন, জামাই-শ্বশুরের হার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২৪।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (৭ জানুয়ারি ২০২৪)। "নৌকাকে হারিয়ে জয়ী বিএনপির বহিষ্কৃত একরামুজ্জামান"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২৪।
- ↑ https://www.risingbd.com। "এমপি একরামুজ্জামানের আওয়ামী লীগে যোগদান | সারা বাংলা"। Risingbd Online Bangla News Portal (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:-এ বহিঃসংযোগ (সাহায্য)|শেষাংশ= - ↑ "উপজেলা চেয়ারম্যান - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "ভাইস চেয়ারম্যান - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "উপজেলা নির্বাহী অফিসার - নাসিরনগর উপজেলা"। nasirnagar.brahmanbaria.gov.bd। জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৭ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২০।