পরশুরাম উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
পরশুরাম
উপজেলা
পরশুরাম বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
পরশুরাম
পরশুরাম
বাংলাদেশে পরশুরাম উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১৩′ উত্তর ৯১°২৬′ পূর্ব / ২৩.২১৭° উত্তর ৯১.৪৩৩° পূর্ব / 23.217; 91.433স্থানাঙ্ক: ২৩°১৩′ উত্তর ৯১°২৬′ পূর্ব / ২৩.২১৭° উত্তর ৯১.৪৩৩° পূর্ব / 23.217; 91.433 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা ফেনী জেলা
আয়তন
 • মোট ৯৫.৭৫ কিমি (৩৬.৯৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,০১,০৬২
 • ঘনত্ব ১১০০/কিমি (২৭০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৭.৩০%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ৩৯৪০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

পরশুরাম উপজেলা বাংলাদেশের ফেনী জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

পরশুরাম উপজেলা ২৩৹ ১৩’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১৹ ২৬’ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখায় অবস্থিত। এর উত্তর, পুর্ব ও পশ্চিমে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং দক্ষিনে ফুলগাজী উপজেলা। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া - এখানকার নদ-নদী।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

উপজেলা সৃষ্টির সাথে সাথে এ পরশুরাম উপজেলা গঠিত হয়। তৎসময়ে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে যাত্রা শুরু করে। গত ২০০২ সালের ২৭ শে মার্চ পরশুরাম উপজেলা ভেঙ্গে ফুলগাজী উপজেলা গঠিত হওয়ায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়ন নিয়ে পরশুরাম উপজেলা। বিগত ১৯৮৩ সাল থেকে এ উপজেলার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কথিত আছে , অত্র এলাকায় জনৈক পরশুরাম চৌধুরী নামীয় একজন জমিদারের নামে পরশুরাম উপজেলার নামকরণ করা হয়। [২]

ভাষা ও সংষ্কৃতি[সম্পাদনা]

পরশুরাম উপজেলার ভূ-প্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান এই উপজেলার মানুষের ভাষা ও সংস্কৃতি গঠনে ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত এই উপজেলা্র তিন দিকে ঘিরে রয়েছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। এখানে ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলার মতই, তবুও কিছুটা বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন কথ্য ভাষায় মহাপ্রাণধ্বনি অনেকাংশে অনুপস্থিত, অর্থাৎ ভাষা সহজীকরণের প্রবণতা রয়েছে। পরশুরাম উপজেলার আঞ্চলিক ভাষার সাথে সন্নিহিত নোয়াখালীর ভাষার অনেকটা সাযুজ্য রয়েছে।

এই এলাকার ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় যে পরশুরামের সভ্যতা বহুপ্রাচীন। সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে পরশুরামের অবদানও অনস্বীকার্য।

প্রসাশনিক এলাকা[সম্পাদনা]

  • নির্বাচনী এলাকা ২৬৫; ফেনী-১।
  • ইউনিয়ন - ৩টি ইউনিয়ন (* চিথলিয়া ইউনিয়ন; * বক্স মাহমুদ ইউনিয়ন; * মির্জানগর ইউনিয়ন);
  • পৌরসভা - ১টি (পরশুরাম)
  • মৌজা - ৭৭টি।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

  • সরকারী হাসপাতালঃ ০১ টি।
  • স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিকঃ ১৪টি ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-২টি, পল্লী চিকিৎসা কেন্দ্র-২টি।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বিদ্যালয় সমূহ[সম্পাদনা]

♦ পরশুরাম মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ♦ পরশুরাম মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ♦পরশুরাম মডেল গার্লস উচ্চ বিদ্যালয়,সলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,সলিয়া।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

  • হাট বাজারঃ ১১ টি।
  • ব্যাংকঃ ০৪টি (সোনালী, কৃষি, অগ্রণী, জনতা ব্যাংক )

[২]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • শামছুন নাহার মাহমুদ - কবি ও সাহিত্যিক।
  • হাবিবুল্ল্যাহ বাহার চৌধুরী - যুক্তফ্রন্ট সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রী।
  • শমসের গাজী - বঙ্গবীর, খন্ডল পরগনার জমিদার এবং স্বাধীন রাজা।
  • সেনাপতি নাথ - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা।
  • নায়েব নাজিম উদ্দিন মজুমদার -সালিয়া নায়েব বাড়ী।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • শমসের গাজীর দিঘী - সাতকুচিয়া, বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন;
  • জংলী শাহ-এর মাজার - উত্তর গুথুমা, পরশুরাম পৌরসভা;
  • আবদুল্লাহ শাহ-এর মাজার - উত্তর গুথুমা, পরশুরাম পৌরসভা;
  • বিলোনিয়া স্থল বন্দর - বাউরখুমা, পরশুরাম পৌরসভা;
  • মালিপাথর বধ্য ভূমি, পরশুরাম, ফেনী।
  • বিলোনিয়া রেলওয়ে জংসন-বিলোনিয়া,পরশুরাম, ফেনী।

বিবিধ[সম্পাদনা]

  • পোষ্ট অফিসঃ ০২টি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে পরশুরাম"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৫ 
  2. http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?opxion=com_content&view=article&id=167&option=com_content&Itemid=143

বিখ্যাত খাবার:খন্ডল এর মিষ্টি।[সম্পাদনা]