কুতুবদিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
কুতুবদিয়া
উপজেলা
কুতুবদিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
কুতুবদিয়া
কুতুবদিয়া
বাংলাদেশে কুতুবদিয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২১°৪৯′০.১২″ উত্তর ৯১°৫১′২৯.৮৮″ পূর্ব / ২১.৮১৬৭০০০° উত্তর ৯১.৮৫৮৩০০০° পূর্ব / 21.8167000; 91.8583000স্থানাঙ্ক: ২১°৪৯′০.১২″ উত্তর ৯১°৫১′২৯.৮৮″ পূর্ব / ২১.৮১৬৭০০০° উত্তর ৯১.৮৫৮৩০০০° পূর্ব / 21.8167000; 91.8583000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জেলা কক্সবাজার জেলা
আয়তন
 • মোট ২১৫.৮ কিমি (৮৩.৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,৩৩,৮৮৮
 • ঘনত্ব ৬২০/কিমি (১৬০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৭৭%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

কুতুবদিয়া উপজেলা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি একটি দ্বীপ, যা কুতুবদিয়া চ্যানেল দ্বারা মূল ভুখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। আয়তন ২১৫.৮ বর্গ কিলোমিটার।[২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

এর পূর্বে কুতুবদিয়া চ্যানেলবাঁশখালী, পেকুয়া এবং মহেশখালী উপজেলা এবং অপর তিন দিকে বঙ্গোপসাগর দ্বারা বেষ্টিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

কুতুবদিয়া সদর উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়ন আছে; এগুলো হলঃ * আলি আকবর ডেইল, *দক্ষিণ ধূরুং, *কৈয়ারবিল, *লেমশীখালী, *উত্তর ধূরুং এবং *বড়ঘোপ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দীর্ঘদিন ধরে কুতুবদিয়া দ্বীপের গঠন প্রক্রিয়া শুরু হলেও এ দ্বীপ সমুদ্র বক্ষ থেকে জেগে উঠে চতুর্দশ শতাব্দীর শেষের দিকে। ধারণা করা হয়, পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষের দিকে এ দ্বীপে মানুষের পদচারণা। “হযরত কুতুবুদ্দীন” নামে এক কামেল ব্যক্তিআলী আকবর, আলী ফকির, এক হাতিয়া সহ কিছু সঙ্গী নিয়ে মগ পর্তুগীজ বিতাড়িত করে এ দ্বীপে আস্তানা স্থাপন করেন। অন্যদিকে আরাকান থেকে পলায়নরত মুসলমানেরা চট্টগ্রামের আশেপাশের অঞ্চল থেকে ভাগ্যাণ্বেষণে উক্ত দ্বীপে আসতে থাকে। জরিপ করে দেখা যায়,আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, পটিয়া, চকরিয়া অঞ্চল থেকে অধিকাংশ আদিপুরুষের আগমন। নির্যাতিত মুসলমানেরা কুতুবুদ্দীনেরপ্রতি শ্রদ্ধান্তরে কুতুবুদ্দীনের নামানুসারে এ দ্বীপের নামকরণ করেন“কুতুবুদ্দীনের দিয়া”, পরবর্তীতে ইহা‘কুতুবদিয়া’ নামে স্বীকৃতি লাভ করে। দ্বীপকে স্থানীয়ভাবে ‘দিয়া’ বা ‘ডিয়া’বলা হয়। পরবর্তিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে এই দ্বীপে বসবাস শুরু করে। বর্তমানে (২০১৭) এই দ্বীপের বয়স ৬০০ বছর পেরিয়ে গেছে। এই দ্বীপের আয়তন প্রায় ৩ ভাগের ২ ভাগ কমে গেছে এবং এখনও সাগরের ঢেউ এর প্রভাবে ভেঙ্গে সমুদ্রে পরিনত হচ্ছে সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর-কন্যা কুতুবদিয়া দ্বীপটি।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

১। বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প (বায়ুকল)

২। অাবদুল মালেক শাহ্ অাল কুতুবী'র দরবার শরীফ

৩।সমুদ্র সৈকত

৪।প্রাকৃতিক উপায়ে লবন তৈরি

৫।কুতুবদিয়া বাতিঘর ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে সাগরকন্যা কুতুবদিয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৫ 
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "ভৌগলিক পরিচিতি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]