হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ
Hajigonj big mosque.jpg
হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ
ধর্ম
জেলাচাঁদপুর জেলা
অঞ্চলচট্টগ্রাম
প্রভুত্বআহম্মদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেট
নেতৃত্বআহম্মদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেট
পৃষ্ঠপোষকআহম্মদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেট
পবিত্রীকৃত বছর১৯৩১ খ্রিঃ
অবস্থাসংরক্ষিত
অবস্থান
অবস্থানবাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা, বাংলাদেশ
পৌরসভাহাজীগঞ্জ পৌরসভা
দেশবাংলাদেশ
এলাকাহাজীগঞ্জ
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ
সৃষ্টিকারীআহম্মদ আলী পাটওয়ারী (রঃ)
সম্পূর্ণ হয়১৯৩৭ খ্রিঃ
নির্দিষ্টকরণ
ধারণ ক্ষমতা১০,০০০
গম্বুজসমূহ২টি
মিনারসমূহ১টি
মিনারের উচ্চতা১৮৮ ফুট
স্থানের এলাকা২৮,৪০৫ বর্গফুট
উপাদানসমূহইট, টেরাকোটা ও টাইল

হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ বা বড় মসজিদ চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার হাজীগঞ্জ বাজারের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক মসজিদটি।[১]

অবস্থান[সম্পাদনা]

হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ এর অবস্থান চাঁদপুর জেলার উপজেলার হাজীগঞ্জ বাজারের মধ্যবর্তী স্থানে। এটি হাজীগঞ্জ মৌজায় পড়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে আলীয়া মাদ্রাসা, হাফেজীয়া মাদ্রাসা, ফোরকানীয়া মাদ্রাসাইসলামীয়া পাঠাগার[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রায় ১৯৩১ খ্রিঃ নির্মিত হয়েছে এই হাজীগঞ্জ বড় মসজিদটি। এই মসজিদটিকেই চাঁদপুর জেলার সবচেয়ে পুরোনো মসজিদ হিসেবে ধরা হয়। এই মসজিদটির প্রথম উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা হাজী আহম্মদ আলী পাটওয়ারী (রঃ)। মসজিদটি তৈরি করার সময় হাজীগঞ্জ বা এর আশাপাশের কোনো এলাকাতে কোনো ইট ভাটা ছিলোনা। তখন মসজিদটির উদ্যোক্তা সেখানে একটি ইট ভাটা তৈরি করেন। তারপর সেখানে ইট তৈরি করে সেই ইট দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেন। এছাড়াও তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য জাহাজ ভাড়া করে ভারতের কলকাতায় গিয়ে লোহার বীম ও মর্মর পাথর কিনে আনেন। পরবর্তীতে মসজিদটির কাজ ১৯৩৭ খ্রিঃ দিকে শেষ হয় এবং শুক্রবার দিন মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে মসজিদটির উদ্বোধন করা হয়। [৩]

মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসা[সম্পাদনা]

মসজিদটির পাশাপাশি রযেছে আলীয়া মাদ্রাসা, হাফেজীয়া মাদ্রাসা, ফোরকানীয়া মাদ্রাসাইসলামীয়া পাঠাগার। আলীয়া মাদ্রাসা ছাড়া বাকী মাদ্রাসাগুলো মসজিদ কমিটির তত্ত্বাবধায়নে চলে।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

মসজিদটি দুই তলা বিশিষ্ট, ১টি ১৮৮ ফুট লম্বা মিনার ও ২টি গুম্বজ রয়েছে।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

আলমগীরী মসজিদ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]