যাত্রা মুনির মঠ
| যাত্রা মুনির মঠ | |
|---|---|
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | হিন্দুধর্ম |
| জেলা | চাঁদপুর জেলা |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | তুলাতুলি, কড়ইয়া ইউনিয়ন, কচুয়া উপজেলা |
| রাজ্য | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| স্থানাঙ্ক | ২৩°১১′৩৪″ উত্তর ৯০°৩২′৩৫″ পূর্ব / ২৩.১৯২৮৪° উত্তর ৯০.৫৪৩০০° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| সৃষ্টিকারী | যাত্রা মুনি মজুমদার |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ১৭৭০ |
যাত্রা মুনির মঠ (স্থানীয়ভাবে তুলাতুলি মঠ নামে পরিচিত) বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে অবস্থিত একটি প্রাচীন হিন্দু মঠ। আনুমানিক ১৭৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মঠটি বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থান।
মঠটি প্রতিষ্ঠা করেন স্থানীয় জমিদার যাত্রা মুনি মজুমদার, যার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। তুলাতুলি গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় স্থানীয়ভাবে মঠটিকে তুলাতুলি মঠ নামে বেশি বলা হয়। মঠটি প্রায় দশ শতকের এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং এর স্থাপত্যশৈলী অষ্টকোণা আকৃতির, যা ধাপে ধাপে সরু হয়ে উপরের দিকে উঠে গেছে। মঠের দেয়ালে লতাপাতা ও জ্যামিতিক নকশার সুন্দর অলংকরণ লক্ষ্য করা যায়, যা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মিলনস্থল।
১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জাদুঘরের অধীনে মঠটির সংস্কার করা হয় এবং সেখান থেকে এটি যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়েছে।
বর্তমানে যাত্রা মুনির মঠ স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পর্যটক ও ইতিহাসপ্রেমীরা এই মঠ পরিদর্শন করেন।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]আনুমানিক ১৭৭০ সালে এই মঠটি প্রতিষ্ঠা হয় বলে জানা যায়।[১] এই মঠটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তুলাতুলীর জমিদার যাত্রা মনি মজুমদার। তার নামানুসারে এর নাম হয় যাত্রা মুনির মঠ তবে স্থানীয়ভাবে এটি তুলাতুলি মঠ নামে পরিচিত। মূলত তুলাতুলী গ্রামে অবস্থান হওয়ায় এটির এ নামকরণ হয়েছে। মঠটি প্রায় দশ শতক জায়গার উপর তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের তত্ত্বাবধায়নে কুমিল্লা জাদুঘরের আওতায় এটি পুনরায় সংস্কার করা হয়।[২]
বিবরণ
[সম্পাদনা]অষ্টকোনাকৃতির মঠটি একটি নির্দিষ্ট উচ্চতার পর থেকে ক্রমশ সরু হয়ে ধাপে ধাপে উর্ধ্বে উঠে গিয়েছে। মঠের দেয়ালগুলো বিভিন্ন জ্যামিতিক প্যানেল নকশা ও লতাপাতার অলংকরণে সুসজ্জিত।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "প্রত্নস্হলের তালিকা" (পিডিএফ)। archaeology.gov.bd। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। পৃ. ১৩। ১৯ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ "তুলাতলী মঠ - কচুয়া উপজেলা তথ্য বাতায়ন"। ১৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৮।