বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদালয়ের লোগো | |
অন্যান্য নাম | বুয়েট |
|---|---|
প্রাক্তন নাম | ঢাকা সার্ভে স্কুল (১৮৭৬-১৯০৮) আহসানুল্লাহ স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (১৯০৮-১৯৪৭) আহসানুল্লাহ কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৪৭-১৯৬২) পূর্ব পাকিস্তান প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬২-১৯৭১) বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭১-২০০১) |
| ধরন | সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় |
| স্থাপিত | ১৮৭৬ (বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর: ১৯৬২) |
| অধিভুক্তি | বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন |
| ইআইআইএন | ১৩৬৬১৮ |
| আচার্য | রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন |
| উপাচার্য | আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান [১] |
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ | আনু. ৬০০ |
| শিক্ষার্থী | আনু. ১০,০০০ |
| স্নাতক | আনু. ৫০০০ |
| অবস্থান | , , |
| শিক্ষাঙ্গন | শহরের কেন্দ্রস্থলে, ৮৩.৯ একর (৩৩.৯৫ হেক্টর) |
| সংক্ষিপ্ত নাম | বুয়েট |
| ওয়েবসাইট | www |
![]() | |
| বিশ্ববিদ্যালয় ক্রম | |
|---|---|
| বৈশ্বিক – সামগ্রিকভাবে | |
| কিউএস বিশ্ব[২] | ৭৬১-৭৭০ (২০২৬) |
| টিএইচএ বিশ্ব[৩] | ১০০১-১২০০ (২০২৪) |
| আঞ্চলিক – সামগ্রিকভাবে | |
| কিউএস এশিয়া[৪] | ১৫৮ (২০২৬) |
| টিএইচএ এশিয়া[৩] | ৪০১-৫০০ (২০২৪) |
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে: বুয়েট) হচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল-সম্পর্কিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকা শহরের লালবাগ থানার পলাশী এলাকায় অবস্থিত।[৫] কারিগরি শিক্ষা প্রসারের জন্য ১৮৭৬ সালে ঢাকা সার্ভে স্কুল নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহসানউল্লাহ স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পরিণত করা হয়। ১৯৬২ সালে এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের চতুর্থ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার পরে এর নাম হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।[৬]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]প্রাথমিক পর্যায়
[সম্পাদনা]
বুয়েট উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে জরিপকারদের জন্য একটি জরিপ শিক্ষালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭৬ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ রাজ ঢাকা সার্ভে স্কুল নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে।[৭][৮] এর উদ্দেশ্য ছিল সেই সময়কার ব্রিটিশ ভারতের সরকারি কাজে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা। ঢাকার তৎকালীন নওয়াব খাজা আহসানউল্লাহ এ বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহী হন এবং মুসলমানদের শিক্ষাদীক্ষায় অগ্রগতির জন্য তিনি ঢাকার সার্ভে স্কুলটিকে ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে (বর্তমানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) উন্নীত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের স্বার্থে এক লক্ষ ১২ হাজার টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার জীবদ্দশায় তা সম্ভব হয়নি। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছিলেন। তার অনুদানে এটি পরবর্তীতে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষালয় হিসেবে প্রসার লাভ করে এবং তার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯০৮ সালে বিদ্যায়তনটির নামকরণ করা হয় আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল।[৯]আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স দিতে শুরু করে পুরকৌশল, তড়িৎকৌশল এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগে। শুরুতে একটি ভাড়া করা ভবনে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চলত। ১৯০৬ সালে সরকারি উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের কাছে এর নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়। এ স্থানের একটি উঁঁচু চিমনি কিছুদিন আগেও এই স্মৃতি বহন করত। ১৯১২ সালে এটি বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হয়।
শুরুতে বিদ্যালয়টি ঢাকা কলেজের সাথে সংযুক্ত ছিল। পরবর্তীতে এটি জনশিক্ষা পরিচালকের অধীনে পরিচালিত হতে থাকে। মি. এন্ডারসন এর প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এরপর ১৯৩২ সালে শ্রী বি. সি. গুপ্ত ও ১৯৩৮ সালে জনাব হাকিম আলী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।[১০][১১][১২]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর
[সম্পাদনা]দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাংলার শিল্পায়নের জন্য তৎকালীন সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তখন এতদঞ্চলে দক্ষ জনশক্তির অভাব দেখা দেয়। তৎকালীন সরকার নিযুক্ত একটি কমিটি যন্ত্র, তড়িৎ, কেমি ও কৃষি প্রকৌশলে ৪ বছর মেয়াদী ডিগ্রি কোর্সে ১২০ জন ছাত্রের জন্য ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপন এবং স্কুলটিকে তৎকালীন পলাশী ব্যারাকে স্থানান্তর করে পুর, যন্ত্র, ও তড়িৎ কৌশলে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সে ৪৮০ জন ছাত্র ভর্তির সুপারিশ করেন। ১৯৪৭ সালের মে মাসে সরকার ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন ও ছাত্র ভর্তির জন্য বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের শিবপুরস্থ বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ঢাকায় আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে পরীক্ষা নেয়া হয়।[১০]
দেশবিভাগের পর
[সম্পাদনা]১৯৪৭ এর দেশবিভাগের ফলে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের মুষ্টিমেয় কয়েকজন শিক্ষক ছাড়া বাকি শিক্ষকদের সবাই ভারতে চলে যান ও ভারত থেকে ৫ জন শিক্ষক এ স্কুলে যোগদান করেন। ১৯৪৭ এর আগস্ট মাসে এটিকে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রূপে উন্নীত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ হিসেবে।[৬] জনাব হাকিম আলী এর অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান সরকার এই কলেজটিকে অনুমোদন দেন এবং এটি তখন পুরকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল, যন্ত্র প্রকৌশল, কেমিকৌশল, কৃষি প্রকৌশল ও টেক্সটাইল প্রকৌশল বিভাগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং পুরকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল ও যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রদান করতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত কৃষি ও টেক্সটাইলের পরিবর্তে ধাতব প্রকৌশল অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৫৬ সালে কলেজে সেমিস্টার প্রথা চালু হয় ও নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদিত হয়। ১৯৫৭ সালে ডিগ্রি কোর্সে আসন সংখ্যা ১২০ থেকে বাড়িয়ে ২৪০ করা হয়। ১৯৫৮ সালে কলেজ থেকে ডিপ্লোমা কোর্স বন্ধ করে দেয়া হয়।
এর মধ্যে ১৯৫১ সালে টি. এইচ. ম্যাথুম্যান এবং ১৯৫৪ সালে ড. এম. এ. রশিদ কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন। এসময়ে এগ্রিকালচারাল এন্ড মেকানিক্যাল কলেজ অব টেক্সাস (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) ও আহসানউল্লাহ কলেজের সাথে যৌথ ব্যবস্থাপনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ফলে ওখান থেকে অধ্যাপকগণ এদেশে এসে শিক্ষকতার মান, ল্যাবরেটরি ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষকদের মানোন্নয়নের জন্য কিছু শিক্ষককে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য টেক্সাস এ. এন্ড এম. কলেজে পাঠানো হয়। এসময় এশিয়া ফাউন্ডেশন লাইব্রেরিকে কিছু প্রয়োজনীয় বইপত্র দান করে এবং রেন্টাল লাইব্রেরি প্রথা চালু করা হয়। কলেজ থাকা অবস্থায় ছাত্রদের জন্য কেবল দুটি ছাত্রাবাস ছিল: মেইন হোস্টেল (বর্তমান ড. এম. এ. রশীদ ভবন) ও সাউথ হোস্টেল (বর্তমান নজরুল ইসলাম হল)
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে
[সম্পাদনা]পাকিস্তান আমলে ১৯৬২ সালের ১ জুন তারিখে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করে নাম দেয়া হয় পূর্ব পাকিস্তান প্রকৌশল ও কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয় (East Pakistan University of Engineering and Technology, or EPUET)।[১৩][১৪] তৎকালীন কারিগরি শিক্ষা পরিচালক ড. এম. এ. রশিদ প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন। অধ্যাপক এ. এম. আহমেদ প্রকৌশল অনুষদের প্রথম ডীন নিযুক্ত হন। খ্যাতনামা গণিতজ্ঞ এম. এ. জব্বার প্রথম রেজিস্ট্রার ও মমতাজউদ্দিন আহমেদ প্রথম কম্পট্রোলার নিযুক্ত হন। ড. এম. এ. রশিদের যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়রূপে প্রতিষ্ঠিত হবার পরে ছাত্রদের জন্য তিনটি নতুন আবাসিক হল তৈরি করা হয়। অধ্যাপক কবিরউদ্দিন আহমেদ প্রথম ছাত্রকল্যাণ পরিচালক পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬২ সালেই প্রথম স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদে স্থাপত্য বিভাগ গঠন করা হয়, এই বিভাগের জন্য টেক্সাস এ. এন্ড এম. কলেজের কয়েকজন শিক্ষক যোগদান করেন। এভাবে প্রকৌশল ও স্থাপত্য এই দুটি অনুষদে পুর, যন্ত্র, তড়িৎ, কেমি ও ধাতব প্রকৌশল এবং স্থাপত্য বিভাগ নিয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য ১৯৬৪ সালে আসন সংখ্যা ২৪০ থেকে ৩৬০ জনে বৃদ্ধি করা হয়। একই বছরে বর্তমান ৭ তলা পুরকৌশল ভবন নির্মাণ শুরু হয়। ১৯৬৯-৭০ সালে আসন সংখ্যা ৪২০ জনে উন্নীত হয়। এসময় স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদে ফিজিক্যাল প্ল্যানিং নামে একটি নতুন বিভাগ চালু হয়। এটিই পরবর্তীকালে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে পরিণত হয়েছে।[১৫]
স্বাধীনতার পর
[সম্পাদনা]১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রাখা হয়।[৬] পরবর্তীতে ২০০৩ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
উপাচার্যদের তালিকা
[সম্পাদনা]| ক্র. নং | নাম | মেয়াদকাল |
|---|---|---|
| ১ | এম এ রশীদ | ১ জুন ১৯৬২ – ১৬ মার্চ ১৯৭০ |
| ২ | মোহাম্মদ আবু নাসের | ১৬ মার্চ ১৯৭০ – ২৫ এপ্রিল ১৯৭৫ |
| ৩ | ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ | ২৫ এপ্রিল ১৯৭৫ – ২৪ এপ্রিল ১৯৮৩ |
| ৪ | আব্দুল মতিন পাটোয়ারি | ২৪ এপ্রিল ১৯৮৩ – ২৫ এপ্রিল ১৯৮৭ |
| ৫ | মুশারফ হোসেন খান | ২৫ এপ্রিল ১৯৮৭ – ২৪ এপ্রিল ১৯৯১ |
| ৬ | মুহাম্মদ শাহজাহান | ২৪ এপ্রিল ১৯৯১ – ২৭ নভেম্বর ১৯৯৬ |
| ৭ | ইকবাল মাহমুদ | ২৭ নভেম্বর ১৯৯৬ – ১৪ অক্টোবর ১৯৯৮ |
| ৮ | নূরউদ্দিন আহমেদ | ১৪ অক্টোবর ১৯৯৮ – ৩০ আগস্ট ২০০২ |
| ৯ | মোহাম্মদ আলী মুর্তুজা | ৩০ আগস্ট ২০০২ – ২৯ আগস্ট ২০০৬ |
| ১০ | এ এম এম সফিউল্লাহ | ৩০ আগস্ট ২০০৬ – ২৯ আগস্ট ২০১০ |
| ১১ | এস এম নজরুল ইসলাম | ৩০ আগস্ট ২০১০ – ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ |
| ১২ | খালেদা একরাম | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ – ২৪ মে ২০১৬ |
| ১৩ | সাইফুল ইসলাম | ২২ জুন ২০১৬ – ২৩ জুন ২০২০ |
| ১৪ | সত্য প্রসাদ মজুমদার[১৬] | ২৫ জুন ২০২০ – ১৮ আগস্ট ২০২৪ |
| ১৫ | আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ – বর্তমান |
ক্যাম্পাস
[সম্পাদনা]
বুয়েট ক্যাম্পাস ঢাকার পলাশী এলাকায় অবস্থিত। বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ একই নওয়াবের প্রদানকৃত জমির উপরে গড়ে উঠেছে বিধায় পাশাপাশি অবস্থিত। ক্যাম্পাসের পশ্চিম দিকে ইইই, সিএসই এবং বিএমই বিভাগের জন্য ১২ তলা ইসিই ভবন নির্মিত হয়েছে।[১৭] তবে ক্যাম্পাসের মূল অংশে যন্ত্রকৌশল, পুরাকৌশল, আর্কিটেকচার, ইউআরপি ভবনসহ ড. রশিদ একাডেমিক ভবন রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসের এই অংশে একটি ক্যাফেটেরিয়া, দ্বিতল অডিটরিয়াম, মেডিকেল সেন্টার, গ্রাজুয়েট ক্লাব, শিক্ষকদের আবাসিক ভবন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলো মূল একাডেমিক ক্যাম্পাস থেকে রাস্তার অপর পাশে অবস্থিত। বর্তমানে ক্যাম্পাসের আয়তন হল ৭৬.৮৫ একর (৩১১,০০০ ব.মি.)।
ভর্তি প্রক্রিয়া
[সম্পাদনা]স্নাতক
[সম্পাদনা]বুয়েটের স্নাতক ভর্তি প্রক্রিয়াটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করে। এই ভর্তি পরীক্ষাটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি ভর্তি পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বুয়েটে স্নাতক স্তরে ভর্তি গ্রেড এবং পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। ভর্তি প্রক্রিয়ায় সহশিক্ষা কার্যক্রম বা শিক্ষার্থীর আর্থিক দিক বিবেচনা করা হয় না।
স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা একটি বেশ প্রতিযোগিতামূলক লিখিত পরীক্ষা। উচ্চ মাধ্যমিক স্তর (এইচএসসি) শিক্ষা সম্পন্ন করার পর, একজন শিক্ষার্থী ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ করলে স্নাতক ভর্তির জন্য আবেদন জমা দিতে পারে।[১৮] পূর্বে কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও কোভিড পরবর্তী সময়ে দুইধাপে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হতো।[১৯] বর্তমানে পুর্বের ন্যায় ছয়শ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাছাই করা হয়। লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ প্রদান করা হয়।[২০] বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ, বিভাগ এবং বিভাগগুলোর অধীনে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যার তালিকাঃ
| অনুষদের নাম | বিভাগসমূহ | সংক্ষিপ্ত নাম | ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| কেমিক্যাল এন্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল অনুষদ | কেমিকৌশল বিভাগ | Ch.E | ১২০ |
| বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগ | MME | ৬০ | |
| ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এন্ড সিরামিক কৌশল বিভাগ | NCE | ৩০ | |
| পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ কৌশল বিভাগ | PMRE | - | |
| বিজ্ঞান অনুষদ | রসায়ন বিভাগ | Chem | - |
| গণিত বিভাগ | Math | - | |
| পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ | Phys | - | |
| পুরকৌশল অনুষদ | পুরকৌশল বিভাগ | CE | ১৯৫ |
| পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ | WRE | ৩০ | |
| যন্ত্রকৌশল অনুষদ | যন্ত্রকৌশল বিভাগ | ME | ১৮০ |
| নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ | NAME | ৫৫ | |
| ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন প্রকৌশল বিভাগ | IPE | ১২০ | |
| তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদ | তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ | EEE | ১৯৫ |
| কম্পিউটার সায়েন্স ও প্রকৌশল বিভাগ | CSE | ১৮০ | |
| বায়োমেডিকেল প্রকৌশল বিভাগ | BME | ৫০ | |
| স্থাপত্য এবং পরিকল্পনা অনুষদ | স্থাপত্য বিভাগ | Arch. | ৬০ |
| মানবিক বিভাগ | Hum | - | |
| নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ | URP | ৩০ | |
| মোট অনুষদ: ৬ টি | মোট বিভাগ: ১৮ টি | মোট ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীঃ ১৩০৫ | |
স্নাতকোত্তর
[সম্পাদনা]মাস্টার্স এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে প্রতি বছর প্রায় ১,০০০ স্নাতক শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এই প্রোগ্রামগুলোতে ভর্তির জন্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার এবং/অথবা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়।
বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটগুলো দ্বারা প্রদত্ত স্নাতকোত্তর ডিগ্রিগুলো হলো: এমএসসি (মাস্টার অব সায়েন্স), এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (মাস্টার অব সায়েন্স ইন ইঞ্জিনিয়ারিং), এম. ইঞ্জিনিয়ারিং (মাস্টার অব ইঞ্জিনিয়ারিং), এমইউআরপি (মাস্টার অব আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং), এমআর্ক (মাস্টার অব আর্কিটেকচার), এম.ফিল. (মাস্টার অব ফিলোসফি) এবং পিএইচডি (ডক্টর অব ফিলোসফি)। এছাড়াও, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) এবং পানি সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা (পিজি ডিপ.) প্রদান করা হয়।[২১]
অনুষদ এবং বিভাগ সমূহ
[সম্পাদনা]বুয়েটে বর্তমানে ৬টি অনুষদের অধীনে ১৮টি বিভাগ রয়েছে।
কেমিক্যাল এন্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল অনুষদ
[সম্পাদনা]কেমিকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিকৌশল বিভাগ দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে পুরোনো রসায়ন প্রকৌশল বিভাগগুলোর একটি। ১৯৫২ সালে এখান থেকে প্রথম পাঁচজন কেমিকৌশল ছাত্র স্নাতক হন। এই বিভাগ এখন কেমিকৌশলে বিএসসি, এমএসসি এবং পিএইচডি ডিগ্রি দিয়ে থাকে।[২২] স্নাতক প্রোগ্রামে প্রতি বছর ষাটজন এবং স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পনেরোজন ছাত্র ভর্তি হয়। এই বিভাগের কোর্সগুলো আধুনিক রসায়ন প্রকৌশল শিক্ষার ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, এবং দেশের শিল্প চাহিদার ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]বুয়েটের এই বিভাগটি বাংলাদেশে বস্তু ও ধাতব কৌশল ক্ষেত্রে শিক্ষার একমাত্র বিভাগ। এটি ১৯৫২ সালে ধাতব কৌশল বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিভাগটির লক্ষ্য ছিল ধাতব কৌশল ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা প্রদান এবং দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারের ওপর গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা।[২৩] পরবর্তীতে, অধাতব উপকরণ যেমন সিরামিক, পলিমার ও কম্পোজিটের উত্থানের সঙ্গে এই বিভাগ তার পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনে। ১৮ মার্চ ১৯৯৭ সালে বুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল এর নাম পরিবর্তন করে "বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগ" রাখে।[২৪] বর্তমানে এই বিভাগ চার বছরের স্নাতক প্রোগ্রামে প্রতি বছর ৪০ জন ছাত্র ভর্তি করে এবং স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স ও পিএইচডি) কোর্স পরিচালনা করে।
ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এন্ড সিরামিক কৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এই বিভাগটি ২০২২ সালে "গ্লাস এন্ড সিরামিক কৌশল" থেকে "ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এন্ড সিরামিক কৌশল বিভাগ" নামে নতুন নামকরণ করা হয়। এটি পরিবেশ, শক্তি, ইলেকট্রনিক্স এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের চাহিদা মেটাতে স্নাতকদের প্রস্তুত করার জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।[২৫]
পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ কৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ কৌশল বিভাগ বাংলাদেশে পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ খাতের চাহিদা মেটাতে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়-স্তরের প্রোগ্রাম। বর্তমানে এটি শুধুমাত্র স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করে। বিভাগটি বুয়েট এবং ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টার সহযোগিতায় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যার অর্থায়ন করে কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (সিআইডিএ)। বুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল ৫ নভেম্বর ১৯৯০ সালে এটি অনুমোদন করে এবং ১৯৯৫ সালে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।[২৬]
এটি বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। সহযোগীদের মধ্যে রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা, ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টন, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস, নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনটিএনইউ), ইউএসএআইডি, সিআইডিএ এবং টেক্সাসের সেন্টার ফর এনার্জি ইকোনমিক্স (সিইই)।[২৬]
যন্ত্রকৌশল অনুষদ
[সম্পাদনা]
যন্ত্রকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]যন্ত্রকৌশল বিভাগ এখানকার সবচেয়ে পুরোনো এবং বড় বিভাগগুলোর একটি। এটি ১৯৪৭ সালে তৎকালীন আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে চার বছরের স্নাতক প্রোগ্রাম হিসেবে শুরু হয়। এখন পর্যন্ত এই বিভাগ থেকে ৪১৬৬ জন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (যন্ত্র কৌশল), ২০১ জন এমএসসি/এম.ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ১৬ জন পিএইচডি ডিগ্রি পেয়েছেন।[২৭] স্নাতক প্রোগ্রামে তরল ও তাপশক্তির ব্যবস্থা, তাপশক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর, যন্ত্র ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং এগুলোর নকশা ও নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ১৯৮১ সালে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল (আইপিই) বিভাগ চালু করা । তখন কেবল স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হত। ১৯৯৭ সাল থেকে শিল্প খাতে ব্যবস্থাপনায় দক্ষ প্রকৌশলী গড়ে তুলতে এই বিভাগ স্নাতক পর্যায়ে ২০ জন ছাত্র ভর্তি শুরু করে। পরে, বিভিন্ন শিল্পে আইপিই স্নাতকদের চাহিদা বাড়তে থাকায় প্রতি ব্যাচে ছাত্র সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়—প্রথমে ৩০, তারপর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ৫০ এবং ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ১২০-তে পৌঁছায়।[২৮]
নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ ১৯৭১ সালে যাত্রা শুরু করে। এই বিভাগের পড়াশোনা নৌযান বা ভাসমান কাঠামোর গঠন থেকে শুরু করে সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সম্পদ আহরণের সম্ভাবনা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বিভাগের স্নাতক পর্যায়ে নৌযানের আকৃতি, শক্তি, স্থায়িত্ব, সমুদ্রে চলার ক্ষমতা, প্রতিরোধ ও চালনা, নকশা ও পরিচালনার ব্যয় এবং যন্ত্র কৌশল, তড়িৎ কৌশল, পুরকৌশল ও ধাতুবিদ্যার বিষয়গুলো পড়ানো হয়।[২৯]
পুরকৌশল অনুষদ
[সম্পাদনা]পুরকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পুরকৌশল অনুষদ ১৯৮০ সালে চালু হয়। এটি দেশে পুরকৌশল শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র। এখানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। প্রতি বছর এই বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে ১৯৫ জন নতুন ছাত্র এবং স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে ২০০ জন ছাত্র ভর্তি হয়।[৩০] এখানে কাঠামো বিশ্লেষণ, ভূমিকম্প প্রকৌশল এবং পরিবেশ প্রকৌশলের গবেষণা হয়। ১৯৬৮ সালে পুরকৌশল ভবন নির্মিত হয়, ১৯৯২ সালে এটি সম্প্রসারিত হয় এবং ১৯৯৬ সালে ভবনের সপ্তম তলা সম্পন্ন হয়।[৩১] ২০২১ সালের এপ্রিলে বুয়েট কর্তৃপক্ষ পুরকৌশল ভবনের নাম প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীর নামে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।[৩২]
বাংলাদেশে পুরকৌশলীরা জাতীয় অবকাঠামো প্রকল্পে, যেমন সেতু ও জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এই বিভাগের লক্ষ্য মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবন ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।[৩৩]
পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩৪] ১৯৮০ সালে পুরকৌশল অনুষদ গঠনের সময় এটি তার দুটি প্রধান বিভাগের একটি হয়ে ওঠে। এই বিভাগ পুরকৌশল ভবনের ষষ্ঠ তলায় অবস্থিত।
বিভাগটি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করে। বর্তমানে এখানে প্রায় ১৫০ জন স্নাতক ও ৭০ জন স্নাতকোত্তর ছাত্র রয়েছে। এর লক্ষ্য হলো দেশ ও অঞ্চলের পানি ও সম্পর্কিত সম্পদের টেকসই উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সক্ষম প্রকৌশলী তৈরি করা, যেখানে পেশাগত অনুশীলন, সমাজ-অর্থনৈতিক বিষয় এবং পরিবেশগত দিকগুলো বিবেচনা করা হয়।[৩৪]
তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদ
[সম্পাদনা]
তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিভাগটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো তড়িৎ কৌশল শিক্ষার বিভাগ ।[৩৫] সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি আজও দেশের প্রকৌশল শিক্ষার শীর্ষে রয়েছে। এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক্স, ফোটোনিক্স, যোগাযোগ ব্যবস্থা, সংকেত প্রক্রিয়াকরণ এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মূল বিষয়গুলোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়গুলো পড়ানো হয়ে থাকে । এখানে ৪৩ জন পিএইচডি-ধারী শিক্ষক আছেন, যাঁরা বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন ।[৩৫] চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সহায়ক প্রযুক্তি (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ডীপ লার্নিং, ৫জি, ইন্টারনেট অফ থিংস, এম্বেডেড সিস্টেমস) এর উদ্ভাবন ও গবেষণাতে বিভাগের শিক্ষকগণ অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]এ বিভাগটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বুয়েটের এই বিভাগ বাংলাদেশে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষার পথিকৃৎ। এখানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়। পাঠ্যসূচি আন্তর্জাতিক মানে রাখতে নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। এছাড়া এ বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও যন্ত্র শিক্ষণ, তথ্য বিজ্ঞান, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার প্রকৌশল এবং কম্পিউটিং-এ বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম চালু হয়েছে, যা বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় সম্প্রসারিত হচ্ছে।
বর্তমানে এখানে প্রায় ৭০০ স্নাতক ও ৪০০ স্নাতকোত্তর ছাত্র পড়াশোনা করছেন। এ বিভাগের অনেক প্রাক্তন ছাত্র মিশিগান (অ্যান আর্বর), কলাম্বিয়া, টরন্টো, মোনাশের মতো নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন এবং গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যাপল, এনভিডিয়ার মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। অনেকে দেশ-বিদেশে উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। বিভাগে আইওটি গবেষণাগার, বেতার নেটওয়ার্ক গবেষণাগার, কৃত্রিম বুদ্ধি ও রোবটিক্স গবেষণাগার, এবং স্যামসাং যন্ত্র শিক্ষণ গবেষণাগারের[৩৬] মতো আধুনিক সুবিধা রয়েছে।[৩৭]
বায়োমেডিকেল প্রকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বায়োমেডিকেল প্রকৌশল বিভাগ ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ৩০ জন স্নাতক ছাত্র নিয়ে শুরু হয়।[৩৮] এখন প্রতিবছর ৫০ জন স্নাতক ও ৪০ জন স্নাতকোত্তর ছাত্র ভর্তি করা হচ্ছে।[৩৮] এই বিভাগের উদ্দেশ্য নকশা, উন্নয়ন ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করা এবং শিক্ষার্থীদের এই নতুন ক্ষেত্রে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা।
স্থাপত্য এবং পরিকল্পনা অনুষদ
[সম্পাদনা]
স্থাপত্য বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় স্থাপত্য শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৬২ সালে পথচলা শুরু করে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইপিইউইটি) স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অংশ হিসেবে এটি গড়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় এবং ইউএস-এইডের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় পাঁচ বছর মেয়াদি স্নাতক স্থাপত্য কার্যক্রম চালু হয়। শুরুটা হয়েছিল মাত্র একজন বিদেশি শিক্ষক ও পাঁচজন ছাত্র নিয়ে। পরে আরও বিদেশি শিক্ষক যোগ দেন, এবং স্থানীয় স্নাতকরা উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন।[৩৯]

বছর বছর ছাত্র ভর্তির সংখ্যা ৫ থেকে বেড়ে ৫৫-এ পৌঁছেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতার মেলবন্ধনে এখান থেকে এমন স্থপতিরা তৈরি হচ্ছেন, যাঁরা দেশে, অঞ্চলে এবং বিশ্বে নাম কামিয়েছেন। রিচার্ড ই. ভ্রুম্যান, ড্যানিয়েল সি. ডানহাম, লুইস আই. কান, পল রুডলফ, স্ট্যানলি টাইগারম্যান, মজহারুল ইসলাম এবং ফজলুর রহমান খানের মতো প্রখ্যাত শিক্ষকদের শুরুর দিনের নির্দেশনা এই সফলতার ভিত রচনা করেছে।[৩৯] শিক্ষক ও প্রাক্তন ছাত্ররা আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার, দক্ষিণ এশীয় বর্ষসেরা স্থপতি পুরস্কার এবং বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট ডিজাইন পুরস্কারের মতো জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জন করেছেন।[৪০][৪১][৪২][৪৩]
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ
[সম্পাদনা]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এই বিভাগটি ১৯৬২ সালে স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম পরিকল্পনা বিষয়ক ডিগ্রী।প্রাথমিকভাবে, স্থাপত্য বিভাগকে এই বিভাগের কোর্স পড়ানো হত। পরবর্তীতে, ১৯৬৮ সালে দুজন স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করে দুই বছর মেয়াদি মাস্টার অব ফিজিক্যাল প্ল্যানিং (এমপিপি) প্রোগ্রাম চালু হয়। তবে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কারণে ১৯৭২ সালে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।[৪৪]
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বিভিন্নভাবে বিভাগটিকে সহায়তা করে, যার মধ্যে বিদেশ থেকে সফরকারী শিক্ষকদের ব্যবস্থাপনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৭৫ সালে এমপিপি প্রোগ্রামের নাম পরিবর্তন করে মাস্টার অব আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (এমইউআরপি) করা হয়। এরপর, ১৯৭৮ এবং ১৯৭৯ সালের এমইউআরপি ভর্তি ব্যাচগুলো বুয়েট-শেফিল্ড সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ হওয়াতে বুয়েট এবং যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ ডিগ্রি লাভ।[৪৫] পরে ১৯৯৫ সালে ব্যাচেলর ইন আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (বিইউআরপি) এবং পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করা হয়।[৪৪]
গবেষণা
[সম্পাদনা]গবেষণা কেন্দ্র ও ল্যাবরেটরি
[সম্পাদনা]পরীক্ষামূলক ও ফলিত গবেষণার পাশাপাশি গাণিতিক বিশ্লেষণের জন্য বুয়েটে ১০০টিরও বেশি উন্নত গবেষণা কেন্দ্র ও বিভাগীয় ল্যাবরেটরি রয়েছে। এসবের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’[৪৬], যা মূলত অভ্যন্তরীণ গবেষণা অনুদান, উদ্ভাবনী কর্মসূচি, শিল্প-সংশ্লিষ্ট অংশীদারিত্ব এবং প্রকাশনা প্রণোদনার মতো বিষয়গুলো সমন্বয় করে। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে সেন্টার ফর এনার্জি স্টাডিজ, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, এবং অত্যাধুনিক ‘জাইস’ ল্যাব সমৃদ্ধ বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টার।[৪৭] এছাড়া কারিগরি সেবা ও পরামর্শের জন্য রয়েছে ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশন। এর পাশাপাশি ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট, ইনস্টিটিউট অব রোবটিক্স অ্যান্ড অটোমেশন এবং ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের মতো বিশেষায়িত ল্যাব রয়েছে।[৪৮] এই কেন্দ্র ও ল্যাবগুলো মূলত চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি (যেমন: এআই, রোবটিক্স, আইওটি), টেকসই জ্বালানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং বায়োমেডিক্যাল খাতের গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছে।[৪৯]
কনফারেন্স বা সম্মেলনসমূহ
[সম্পাদনা]বুয়েট নিয়মিতভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উচ্চ-প্রোফাইল কনফারেন্সের আয়োজন করে। উল্লেখযোগ্য কিছু সম্মেলন হলোঃ
- ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: এটি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একটি ফ্ল্যাগশিপ আয়োজন, যার ১৫তম আসর ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং: ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত একটি দ্বিবার্ষিক ফ্ল্যাগশিপ কনফারেন্স।[৫০]
- ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান সম্মেলন।
- আইইইই (IEEE) ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন টেলিকমিউনিকেশনস অ্যান্ড ফটোনিক্স: ২০২৫ সালে এই সম্মেলনের ষষ্ঠ আসর সফলভাবে আয়োজিত হয়েছে।[৫১]
- ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ওয়াটার অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট: পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট কর্তৃক আয়োজিত একটি দ্বিবার্ষিক অনুষ্ঠান।
- ইন্টারন্যাশনাল সিম্পোজিয়াম অন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং: বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত টেকসই ও নিরাপদ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত কনফারেন্স।[৫২]
এছাড়াও GCSTMR কনফারেন্স, অ্যালগরিদম বিষয়ক WALCOM এবং নেটওয়ার্কিং ও সিকিউরিটি বিষয়ক NSysS-এর মতো বৈশ্বিক অনুষ্ঠানগুলো বুয়েট নিয়মিত আয়োজন করে থাকে।
জার্নালসমূহ
[সম্পাদনা]গবেষণালব্ধ ফলাফল সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বুয়েট বেশ কিছু পিয়ার-রিভিউড (Peer-reviewed) জার্নাল প্রকাশ করে থাকে:
- জার্নাল অব আর্কিটেকচার: জার্নালটির পূর্ব নাম হলো প্রতিবেশ। এটি স্থাপত্য বিভাগের গবেষণা জার্নাল, যা মূলত স্থাপত্যকলা, পরিবেশ এবং টেকসই নকশা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে।[৫৩][৫৪]
- জার্নাল অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টস: এটি যন্ত্রকৌশল বা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের আধুনিক অগ্রগতি ও গবেষণার ওপর আলোকপাত করে।[৫৫][৫৬][৫৭]
- কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ বুলেটিন: কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল খাতের গবেষণার জন্য নিবেদিত এই জার্নালটি 'বাংলাজল'-এর সহযোগিতায় প্রকাশিত হয়।[৫৮]
সেরা উদ্ভাবনসমূহ
[সম্পাদনা]বুয়েট বেশ কিছু ব্যবহারিক এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত কার্যকর উদ্ভাবন তৈরি করেছে। এর মধ্যে অনেকগুলো পেটেন্ট, সরকারি অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে:
- অক্সিজেট সিপ্যাপ ভেন্টিলেটর (২০২১): কোভিড-১৯ সংকটের সময় বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ সাশ্রয়ী ও বিদ্যুৎবিহীন এই নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেটরটি উদ্ভাবন করে।[৫৯] এটি সফল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত প্রথম বাংলাদেশি চিকিৎসা সরঞ্জাম।[৬০][৬১][৬২] এটি আইসিইউতে রোগী ভর্তির চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রশংসিত হয়েছে।[৬৩] এছাড়া এটি আন্তর্জাতিক ‘ইমাজিন ইফ!’ হেলথকেয়ার স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায় গ্লোবাল উইনার হওয়ার গৌরব অর্জন করে।[৬৪]
- ডেঙ্গুড্রপস এবং র্যাডঅ্যাসিস্ট : ডেঙ্গু রোগী ব্যবস্থাপনা এবং মেডিকেল ইমেজিংয়ের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত মোবাইল অ্যাপ এবং টেলিরেডিওলজি প্ল্যাটফর্ম।[৬৫][৬৬]
- এনবি-কেয়ার (NB-Care) প্ল্যাটফর্ম: এটি একটি স্মার্ট ভার্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম, যা মালয়েশিয়া ইনভেনশন অ্যান্ড ডিজাইন এক্সিবিশনে ‘ITEX গোল্ড মেডেল’ জিতেছে।[৬৭]
- টেকসই প্রযুক্তি: এর মধ্যে রয়েছে পুরস্কার বিজয়ী উদ্ভাবনী কংক্রিট মিক্স (ACI ডিজাইন), বায়োমাস থেকে বায়োক্রুড রূপান্তর প্রক্রিয়া এবং এমআইটির (MIT) সাথে যৌথভাবে তৈরি আর্সেনিক দূষণ মডেলিং টুল।
অন্যান্য অসামান্য অর্জনসমূহ
[সম্পাদনা]গবেষণা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বুয়েটের উল্লেখযোগ্য কিছু অর্জন হলোঃ
- গবেষণা অনুদান: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বুয়েট বড় অংকের গবেষণা তহবিল সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ICSETEP উদ্যোগের আওতায় সিএসই বিভাগের পাঁচটি প্রজেক্টের জন্য ৯.২৪ কোটি টাকা এবং অন্যান্য বৈশ্বিক উৎস থেকে ২ কোটি টাকারও বেশি অনুদান।
- আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য: বুয়েটের শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক মঞ্চে অসংখ্য পুরস্কার জয় করেছেন। উল্লেখযোগ্য হলো—IEEE SPS VIP Cup, AIChE-এর ‘কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফর গুড’ চ্যালেঞ্জ, এসিআই (ACI) কনক্রিট সলিউশন (উদ্ভাবনী ডিজাইনে বিশ্বে ৩য়), নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ এবং ইউরোপীয় রোভার চ্যালেঞ্জ।[৬৮][৬৯][৭০][৭১][৭২]
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মাননা: একাডেমিক এবং সেবামূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বুয়েটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা IEEE R10 আউটস্ট্যান্ডিং ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স ফেলোশিপ, স্থাপত্যে ARCASIA গোল্ড প্রাইজ এবং ইউএনসি (UNC) ওয়াটার অ্যান্ড হেলথ কনফারেন্স রিকগনিশন লাভ করেছেন।[৭৩][৭৪]
- বৈশ্বিক র্যাঙ্কিং: গবেষণার মানে বুয়েট ক্রমাগত উন্নতি করছে। এটি নেচার ইনডেক্সে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থান পেয়েছে।[৭৫][৭৬][৭৭]
ইনস্টিটিউটসমূহ
[সম্পাদনা]
জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্প্রসারণ এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বুয়েটে ৮ টি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলঃ
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (আইআইসিটি)
- পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (আইডব্লিউএফএম)
- এপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি ইনস্টিটিউট (আইএটি)
- দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট (এআরআই)
- বুয়েট-জাপান ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার প্রিভেনশন অ্যান্ড আরবান সেফটি (বুয়েট-জিডিপিইউএস)
- পারমাণবিক শক্তি প্রকৌশল ইনস্টিটিউট (আইএনপিই)
- এনার্জি অ্যান্ড সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (আইইএসডি)
- রোবটিক্স অ্যান্ড অটোমেশন ইনস্টিটিউট (আইআরএবি)[৭৮]
অধিদপ্তর, কেন্দ্র এবং অন্যান্য
[সম্পাদনা]- উপদেষ্টা, সম্প্রসারণ ও গবেষণা সেবা অধিদপ্তর
- ছাত্র কল্যাণ অধিদপ্তর
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিদপ্তর
- অব্যাহত শিক্ষা অধিদপ্তর
- শক্তি অধ্যয়ন কেন্দ্র
- পরিবেশ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
- বায়োমেডিকেল প্রকৌশল কেন্দ্র
- গবেষণা, পরীক্ষা ও পরামর্শ ব্যুরো
- আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ নেটওয়ার্ক কেন্দ্র
- শহুরে নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অফিস
সংগঠনসমূহ
[সম্পাদনা]ছাত্র সংগঠন
[সম্পাদনা]অধ্যাদেশ ১৯৬২ অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।[৭৯] আবরার ফাহাদ নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে বুয়েট ছাত্রলীগ কর্তৃক পিটিয়ে হত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সাইফুল ইসলাম ক্যাম্পাসে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি এবং রাজনৈতিক সংগঠন ও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে শিক্ষক রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।[৮০]
বিজ্ঞান সংগঠন
[সম্পাদনা]- সত্যেন বোস বিজ্ঞান ক্লাবঃ ১৯৯৪ সালে প্রতিথযশা পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর একশতম জন্মদিন কে সামনে রেখে ও তাঁর প্রতি সম্মান দেখিয়ে সত্যেন বোস বিজ্ঞান ক্লাব যাত্রা শুরু করে।[৮১] এই ক্লাব তৈরির পেছনে উদ্দেশ্য ছিল বুয়েটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা এবং তাদেরকে গবেষণা ও উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করা। ক্লাবটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার, ওয়েবিনার এবং লেকচারের আয়োজন করে, যেখানে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, গবেষক এবং অধ্যাপকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।[৮২][৮৩]
- বুয়েট অটোমোবাইল ক্লাবঃ ৪ এপ্রিল ২০১৭ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাগলুব আল নূর-এর উদ্যোগ এই ক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে[৮৪][৮৫] । ক্লাবটির মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক প্রকৌশল জ্ঞানের সাথে বাস্তব অটোমোবাইল শিল্পের সেতুবন্ধন তৈরি করা[৮৬]। এই ক্লাবের অধীনে 'টিম অটোমায়েস্ট্রো' নামে একটি বিশেষায়িত দল রয়েছে। দলটি ২০২০ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত 'আন্তর্জাতিক গো-কার্ট চ্যাম্পিয়নশিপ' এ অংশগ্রহণ করে ৩৫টি দলের মধ্যে ৯ম স্থান অধিকার করে এবং তাদের ডিজাইনের জন্য 'সেরা উদ্ভাবন' পুরস্কার অর্জন করে[৮৭]।
- বুয়েট রোবোটিক্স সোসাইটিঃ বুয়েট রোবোটিক্স সোসাইটি বুয়েটের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত রোবোটিক্স ক্লাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের মাঝে রোবোটিক্স, অটোমেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চর্চায় কাজ করে। সংগঠনটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, কারিগরি সেমিনার এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। [৮৮][৮৯] [৯০][৯১]
- টিম ইন্টারপ্ল্যানেটারঃ টিম ইন্টারপ্ল্যানেটার বুয়েটের একদল উদ্যমী আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি রোবটিক্স দল। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই টিমটি ২০১৩ থেকে আন্তর্জাতিক মঙ্গল রোভার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আসছে।[৯২] তারা ইউরোপীয় রোভার চ্যালেঞ্জে (ERC) বারবার অংশগ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে; যেমন ২০২২ সালে রিমোট ফরম্যাটে ৪র্থ এবং অনসাইটে ৮ম স্থান অর্জন। [৯৩] এছাড়া ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ, ইন্ডিয়ান রোভার ডিজাইন চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ভালো করেছে। সম্প্রতি IPAS চ্যালেঞ্জে তাদের 'নির্ভীক' ড্রোন প্রকল্প মঙ্গল গ্রহের জন্য উদ্ভাবনী গ্যাস কম্প্রেশন সিস্টেমের জন্য সেরা খেতাব পেয়েছে।[৯৪]
- বুয়েট সাইবার সিকিউরিটি ক্লাবঃ এই ক্লাব শিক্ষার্থীদের সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।[৯৫][৯৬] বুয়েট সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব মূলত সিটিএফ প্রতিযোগিতা, টেকনিক্যাল ওয়ার্কশপ এবং সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক সেমিনার আয়োজন করে।[৯৭] এর পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে হ্যাকিং জাতীয় সমস্যার সমাধান এবং পেশাদার দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- বুয়েট এনার্জি ক্লাবঃ এই ক্লাবটি মূলত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্বালানি বা এনার্জি খাতের নতুন প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে। ক্লাবটি নিয়মিত বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপ, এবং প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকে।[৯৮][৯৯]
এছাড়াও অন্যান্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংঠনের মধ্যে রয়েছে বুয়েট নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব এবং বুয়েট ইনোভেশন এন্ড ডিজাইনিং ক্লাব[১০০]
শিল্প ও সাংস্কৃতিক সংগঠন
[সম্পাদনা]- আলোকবর্তিকাঃ আলোকবর্তিকা ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের '১৪ ব্যাচের কতিপয় শিক্ষার্থী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি উন্মুক্ত গ্রন্থাগার। কোনো নিবন্ধন ছাড়াই যে কেউ এখান থেকে যেকোন বই নিতে পারবেন। তবে একটি বই নিলে তাকে গ্রন্থাগারে একটি বই দিতে হবে।[১০১] ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে মূল ক্যাম্পাসে আলোকবর্তিকার অপর একটি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়।[১০২]
- বুয়েট ড্রামা সোসাইটিঃ বুয়েট ড্রামা সোসাইটি হলো বুয়েটের অন্যতম একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধিত।[১০০] ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা বিকাশ এবং নাট্যচর্চার মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সংগঠনটি কাজ করে থাকে। বুয়েট ড্রামা সোসাইটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অসংখ্য মঞ্চ নাটক এবং পথনাটক মঞ্চস্থ করেছে। সংগঠনটি সাধারণত বুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম, ক্যাফে অডিটোরিয়াম এবং বুয়েট শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তাদের নাটকগুলো প্রদর্শন করে। তাদের উল্লেখযোগ্য কিছু প্রযোজনার মধ্যে রয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের জবানবন্দি', 'পুষ্প আসছে', 'অনস্তিত্বের উপকথা', 'দ্রৌপদী পরম্পরা' এবং অগাথা ক্রিস্টির কাহিনি অবলম্বনে 'দ্য মাউস ট্র্যাপ'।[১০৩][১০৪][১০৫][১০৬] ২০২২ সাল নাগাদ সংগঠনটি তাদের ১৫তম প্রযোজনা মঞ্চে আনে।[১০৫]
- বুয়েট ফিল্ম সোসাইটিঃ বুয়েট ফিল্ম সোসাইটি বুয়েটের চলচ্চিত্র প্রেমী শিক্ষার্থীদের একটি সৃজনশীল সংগঠন। প্রকৌশল শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র সচেতনতা তৈরি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের কারিগরি ও নান্দনিক দিকগুলো পরিচিত করার লক্ষ্যে এটি কাজ করে। বুয়েট ফিল্ম সোসাইটি নিয়মিতভাবে দেশি-বিদেশি ধ্রুপদী ও সমসাময়িক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। তাদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো 'বুয়েট চলচ্চিত্র উৎসব', যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বাইরের নির্মাতাদের চলচ্চিত্রও প্রদর্শিত হয়।[১০৭]
- মূর্ছনাঃ মূর্ছনা মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগীত চর্চা, যন্ত্রসংগীতের বিকাশ এবং সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের একটি অনন্য ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে।[১০৮] মূর্ছনা নিয়মিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম এবং ক্যাফে অডিটোরিয়ামে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে যেমনঃ বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব, অন্তঃহল ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা, বিশেষ দিবস উদ্যাপন ও কর্মশালা।
- বুয়েট সাহিত্য সংসদঃ বুয়েট সাহিত্য সংসদ হলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সংগঠন। এটি মূলত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং সৃজনশীল লেখালেখির পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে। এর প্রধান কার্যক্রমগুলো: বইমেলা আয়োজন, প্রকাশনা, সাহিত্য প্রতিযোগিতা ও আড্ডা, পাঠাগার পরিচালনা ইত্যাদি।[১০৯]
- চারকোল - বুয়েট আর্টিস্ট্রি সোসাইটিঃ চারকোল - বুয়েট আর্টিস্ট্রি সোসাইটি (সংক্ষেপে চারকোল) বুয়েটের একটি সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারুকলা, স্কেচিং, ক্যালিগ্রাফি এবং কারুশিল্পের চর্চাকে উৎসাহিত করে। মূলত শিক্ষার্থীদের শিল্পীমন ও সৃজনশীলতাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে এই সোসাইটি কাজ করে।
- কণ্ঠ্যঃ বুয়েট কণ্ঠ্য হলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি অন্যতম সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, যা মূলত শুদ্ধ উচ্চারণ, আবৃত্তি এবং উপস্থাপনা চর্চার জন্য নিবেদিত। প্রকৌশল বিদ্যার তাত্ত্বিক চাপের মাঝেও শিক্ষার্থীদের মাঝে বাংলা সাহিত্যের প্রসার ও প্রমিত বাচনভঙ্গি বিকাশে এই সংগঠনটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- ওরেগ্যামি ক্লাবঃ বুয়েট ওরেগ্যামি ক্লাব ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধিত একটি সৃজনশীল সংগঠন। এটি মূলত শিক্ষার্থীদের মাঝে ওরেগ্যামির মাধ্যমে কাগজ ভাঁজ করার শিল্পের প্রসার এবং এর মাধ্যমে জ্যামিতিক ও গাণিতিক সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করে।
- বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটিঃ[১০০] বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি (সংক্ষেপে বিপিএস) বুয়েটের আলোকচিত্র প্রেমী শিক্ষার্থীদের একটি প্ল্যাটফর্ম। প্রকৌশল শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল দৃষ্টিশোভনতা এবং আলোকচিত্রের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সংগঠনটি কাজ করে। এ সংগঠনের প্রধান কার্যক্রমগুলো বুয়েট জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব, আলোকচিত্র কর্মশালা, ফটোওয়াক, বার্ষিক প্রদর্শনী ও ম্যাগাজিন ইত্যাদি।[১১০][১১১][১১২]
পরিবেশ সংঠন
[সম্পাদনা]- ইনভাইরনমেন্ট ওয়াচ[১০০]
খেলাধুলা বিষয়ক সংঠন
[সম্পাদনা]- বুয়েট চেস ক্লাব[১০০]
মানবহিতৈষী সংগঠন
[সম্পাদনা]ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সংগঠন
[সম্পাদনা]- বুয়েট ক্যারিয়ার ক্লাব
- বুয়েট ডিবেটিং ক্লাব
- বুয়েট এন্টারপ্রিনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব[১০০]
অন্যান্য সংগঠন
[সম্পাদনা]- বুয়েট মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন ক্লাবঃ এই ক্লাবের পূর্ব নাম ছিল বুয়েট সাংবাদিক সমিতি যা নানা বিতর্কের মুখে ২০২৪ সালে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। [১১৩][১১৪][১১৫] বুয়েট মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাব শিক্ষার্থীদের মিডিয়া, সাংবাদিকতা এবং যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। এর কার্যক্রমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীল চিন্তা, সংবাদ লেখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং এবং পাবলিক স্পিকিংয়ের মতো মিডিয়া-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা তৈরি করা। তাছাড়া এইক্লাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংবাদ ও ইভেন্ট কভার করে এবং ক্যাম্পাসের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে।
- বুয়েট ব্রেনিয়াক্সঃ বুয়েট ব্রেনিয়াক্স বুয়েটের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত একটি জনপ্রিয় কুইজিং এবং জ্ঞানচর্চা ভিত্তিক ক্লাব।[১১৬] এই ক্লাবটি মূলত কুইজ প্রতিযোগিতা, মাইন্ড গেমস, এবং বিভিন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক ইভেন্ট আয়োজন করে থাকে।
- বুয়েট সেলফ ডিফেন্স ক্লাবঃ বুয়েট সেলফ ডিফেন্স ক্লাব বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষার কৌশল শেখায়। এই ক্লাব বুয়েট জিমন্যাসিয়ামে কারাতে ও জুডোর মতো মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ প্রদান করে এবং বেল্ট প্রমোশন টেস্ট আয়োজন করে।
- হাউজ অব ভলান্টিয়ারস- বুয়েটঃ[১০০]ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে একদল বাংলাদেশি গ্র্যাজুয়েটদের মাধ্যমে এই ২০০৭ সালে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এর প্রথম শাখা হিসেবে হাউজ অব ভলান্টিয়ারস- বুয়েট যাত্রা শুরু করে।[১১৭]
ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ
[সম্পাদনা]আবরার ফাহাদ হত্যা ও রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ
[সম্পাদনা]২০১৯ সালে, আবরার ফাহাদ নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে বুয়েট ছাত্রলীগ কর্তৃক পিটিয়ে হত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সাইফুল ইসলাম ক্যাম্পাসে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি এবং রাজনৈতিক সংগঠন ও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে শিক্ষক রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।[৮০]
২০২৪ বুয়েট রাজনীতিবিরোধী আন্দোলন
[সম্পাদনা]
২০২৪ সালের মার্চের দিকে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের এর অংগসংঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি পুনর্বহালের তৎপরতা চালায়। ফলে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন শুরু করে।[১১৮][১১৯][১২০]
২৮শে মার্চ
[সম্পাদনা]২৮ তারিখ রাত ৩টার দিকে ছাত্রলীগের এর শখানেক কর্মী বুয়েটে প্রবেশ করে স্লোগান দিতে থাকে ও শোডাউন করে। তৎকালীন সময় গার্ডরা শিক্ষার্থীদের জানায় ছাত্র কল্যাণ অধিদপ্তরের প্রধানের অনুমতি নিয়েই তারা এসেছে। [১২১] ২৮শে মার্চ রাতের দিকে ২০-ব্যাচ পরবর্তী দিনের পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়।[১২২] এর কিছুক্ষণ পরে ১৮-ব্যাচ ও অন্যান্য ব্যাচও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়।[১২৩]
২৯শে মার্চ
[সম্পাদনা]শুক্রবারে জুমার নামাজের পর আন্দোলন ডাকা হয়। আন্দোলন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত চলে। আন্দোলন শুরুতে শহিদ মিনারের সামনে পরবর্তীতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে যায়। এসময় ছাত্ররাজনীতি বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় ও প্রশাসনের নীরব ভূমিকার বিপক্ষে স্লোগান দিতে থাকে শিক্ষার্থীরা।[১২৪]
সন্ধ্যার দিকে ডিএসডাব্লিউ আসলেও শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দেখে ইফতারের পরে কথা বলার আশ্বাস দিয়ে চলে যায়। রাত ৮টার দিকে ভাইস-চ্যান্সেলর সত্য প্রসাদ মজুমদার, ছাত্র কল্যাণ অধিদপ্তরের(ডিএসডাব্লিউ) প্রধান মিজানুর রহমান ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যক্তিরা আসে। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রাপ্ত আবেদনপত্রে কারোর স্বাক্ষর নেই বলে অভিযোগ করে এবং রাজনীতি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী বহিষ্কারের জন্য সময় চায়, শিক্ষার্থীরা এতে নাখোস হলে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বে থাকা ডিএসডাব্লিউকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তিনি সামনে ডাকেন। ভাইস-চ্যান্সেলর এর বক্তব্যের পরে যখন ছাত্র কল্যাণ অধিদপ্তরের প্রধান মিজানুর রহমান বক্তব্য দিতে দিতে বলে, "ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার না", তখন শিক্ষার্থীরা ফুঁসে উঠে।[১২৫] এতে তিনি ভঁড়কে যান ও বক্তব্য দ্রুত শেষ করে প্রশাসনিক ব্যক্তিদের নিয়ে চলে যান। পরবর্তী দিনের প্রতিবাদ সমাবেশ নিয়ে আলোচনা করে শিক্ষার্থীরা উক্ত দিনের আন্দোলন শেষ করে।[১২৬]
৩০শে মার্চ
[সম্পাদনা]
আগের দিনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এইদিন ২২-ব্যাচের পরীক্ষা সম্পূর্ণ বর্জন করা হয়। সকাল ৭টা থেকে বুয়েট শহিদ মিনারের সামনে অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা।[১২৭] এতে বুয়েট বাস ঢুকতে অপারগ হয়। শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে বুয়েটের প্রধান ফটকের কাছে জমা হতে থাকে ও আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। এদিকে ১০টার দিকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেউ পরীক্ষা দিতে অংশগ্রহণ করে না। পরে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন।[১২৮]
৩১শে মার্চ
[সম্পাদনা]আগের রাতে ছাত্রলীগের হুমকির মুখে সংঘর্ষের আশঙ্কায় আন্দোলন সাময়িক স্থগিত করা হয়।[১২৯][১৩০] আগেরদিনের ঘোষণা অনুযায়ী ছাত্রলীগ শহিদ মিনার এলাকায় সমাবেশ করে। সভাপতি, সদ্য হল থেকে বহিষ্কৃত ইমতিয়াজ রাব্বিকে নিয়ে বুয়েট ক্যাম্পাসে জোড়পূর্বক ছাত্ররাজনীতি ফিরিয়ে আনার ঘোষণা ও হুমকি দেয়।[১৩১][১৩২][১৩৩] এইদিন ২০ ব্যাচের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও ১৪০০+ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুইজন(নিয়মিত শিক্ষার্থী একজন) শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে এসেছিল, যার মধ্যে একজন আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল।[১৩৪]
১টার দিকে বুয়েটে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট শতাধিক মানুষ ক্যাম্পাসের বাইরে থেকে এসে প্রধান ফটকের সামনের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়, অতঃপর উক্ত এলাকা ত্যাগ করে।[১৩৫][১৩৬]
বিকাল ৫:১৫ এর দিকে পরিস্থিতি শান্ত হলে বুয়েট শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি প্রেস কনফারেন্স করা হয়। শিক্ষার্থীরা আবারো ক্যাম্পাসে সকল প্রকার রাজনৈতিক কার্যক্রমের বিরোধিতা নিয়ে বক্তব্য দেয়। অজানা নম্বর থেকে কল দিয়ে হুমকি, সামাজিক মাধ্যমে ক্যাম্পাসে এসে আক্রমণের হুমকির কথা তারা উল্লেখ করে।[১৩৭]
পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ
[সম্পাদনা]বুয়েটে বুয়েটের ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইমতিয়াজ হোসেন রাহিম রাব্বীকে (পরবর্তীতে বহিষ্কৃত) ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত অভিযোগে হল থেকে বহিষ্কার করা হলে সে হাই কোর্টে এ রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের হাই কোর্ট বেঞ্চ ২০১৯ সালে জারি করা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত করে দেয়।[১৩৮][১৩৯]
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে অলোচনার পরে ১১ই মে থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।[১৪০] অতঃপর ২০২৪ সালের ০৯ অক্টোবর তারিখে অনুষ্ঠিত ৫৪৮ তম সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত পুনরায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এই সিদ্ধান্ত অনুসারে কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী যেকোন ধরনের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে বা কোন প্রকারেই সহায়তা করতে পারবেন না এবং যেকোন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির লেজুর বৃত্তায়ন হতে নিবৃত্ত থাকবেন[১৪১]
২০২৫ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, রাজনীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ইমতিয়াজ হোসেন রাহিম রাব্বী সহ আরো সাতজনকে আজীবন বহিষ্কার ও ৫২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার ও শোকজ করা হয়েছে ।[১৪২][১৪৩][১৪৪]
স্থাপত্যসমূহ
[সম্পাদনা]- বুয়েট শহীদ মিনার
- নিহত সাবেকুন্নাহার সনি স্মরণে ভাস্কর্য
- নিহত আরিফ রায়হান দীপ স্মরণে স্মৃতিফলক
উল্লেখযোগ্য ছাত্র-ছাত্রী
[সম্পাদনা]বুয়েট বহু খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের শিক্ষা জীবনের সূতিকাগার। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রকৌশল, বিজ্ঞান, রাজনীতি, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমসহ নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ফজলুর রহমান খান, জাতীয় অধ্যাপক ও প্রখ্যাত প্রকৌশলী জামিলুর রেজা চৌধুরী, জলবায়ু ও পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হক এবং রাজনীতিবিদ হাসানুল হক ইনু। এছাড়া সংস্কৃতি ও বিনোদন জগতেও বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে, যেমন অভিনেত্রী অপি করিম ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ। বাকিদের আরও উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আবরার ফাহাদ, অভিনেতা আবুল হায়াত, আরশাদ এম চৌধুরী, কবি-প্রাবন্ধিক ও যন্ত্র প্রকৌশলী আলম খোরশেদ, একরাম হোসেন, এম তাহের এ সাইফ, সঙ্গীতশিল্পী জিয়াউর রহমান জিয়া (ব্যান্ড শিরোনামহীন), গবেষক তারিক দুররানি, সঙ্গীতশিল্পী তানজির তুহিন (ব্যান্ড আভাস), মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, সৈয়দ আবু নসর, প্রকৌশলী সাইফুর রহমান, সায়ীফ সালাহউদ্দিন, সাহিত্যিক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, লেখক ও বিজ্ঞান যোগাযোগক চমক হাসান , উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা মাহমুদুল হাসান সোহাগ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন এবং সাবেক সহকারী নৌবাহিনী প্রধান এম শফিউল আজম। বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রকৌশল, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
- জামিলুর রেজা চৌধুরী, পুরকৌশলী, শিক্ষাবিদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং উপাচার্য
- এ কে এম ফজলুল হোসেন, যন্ত্রপ্রকৌশলী ও প্রবাহী গতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘকালীন অধ্যাপক; টারবুলেন্স ও ভর্টেক্স ডায়নামিক্সে অবদানের জন্য স্বীকৃত
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন, কাঠামোগত প্রকৌশলী ও স্থপতি, বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়নকারী হিসেবে পরিচিত
- মেরিনা তাবাসসুম, স্থপতি, বাংলাদেশে সমসাময়িক স্থাপত্যশৈলীর জন্য পরিচিত
- হাসানুল হক ইনু, রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের সাবেক তথ্যমন্ত্রী
- জি এম কাদের, রাজনীতিবিদ ও জনসেবক, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির নেতা
উল্লেখযোগ্য শিক্ষক
[সম্পাদনা]সুযোগ-সুবিধাসমূহ
[সম্পাদনা]মিলনায়তন
[সম্পাদনা]বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১০৩৬ আসনের একটি কেন্দ্রীয় মিলনায়তন কমপ্লেক্স রয়েছে। এতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রকসহ আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। এ কমপ্লেক্সে মিলনায়তন ছাড়াও ১৮৬ আসনের সেমিনার কক্ষ ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। এছাড়া পুরকৌশল ভবনের দোতলায় ২০০ আসনবিশিষ্ট আরেকটি সেমিনার কক্ষ আছে। শিক্ষা ও বিনোদনের জন্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য এতে ৩৫ ও ১৬ মি. মি. ফিল্ম প্রোজেক্টর রয়েছে।
লাইব্রেরি
[সম্পাদনা]
প্রায় ২০,০০০ বর্গফুট জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির চারতলা ভবনটি ক্যাম্পাসের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। লাইব্রেরিতে আধুনিক সকল সুবিধা রয়েছে। এখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে একসাথে প্রায় ২০০ জন ছাত্রের একসাথে পড়ার ব্যবস্থা আছে।[১৪৫] বুয়েট লাইব্রেরিতে রেফারেন্স ও জার্নালের একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। রিপোগ্রাফিক বিভাগ নামে একটি বিভাগ রয়েছে যাতে রেফারেন্স বই ফটোকপি করার ব্যবস্থা রয়েছে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্র
[সম্পাদনা]বুয়েটে স্বাস্থ্য রক্ষার মৌলিক সুবিধাদি সংবলিত একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ( বুয়েট হেলথ কমপ্লেক্স) রয়েছে। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সাধারণ ইউনিট, কার্ডিয়াক ইউনিট, চোখের চিকিৎসা ইউনিট, ডেন্টাল ইউনিট, ফিজিওথেরাপি ইউনিট, সংলগ্ন রোগী ইউনিট, মনোবিদ্যা ইউনিট, ক্লিনিক্যাল ইনভেস্টিগেশন ইউনিট এবং অবজারভেশন ইউনিট সহ বিভিন্ন ধরনের ইউনিট রয়েছে।[১৪৬] এছাড়াও রোগ নির্ণয়ে সহায়ক অত্যাধুনিক এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাম, ই.সি.জি. মেশিন এবং আধুনিক স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব আছে।
বুয়েট হেলথ কমপ্লেক্স সপ্তাহে সাত দিন এবং চব্বিশ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে। তবে এখন ডায়াগনস্টিক টেস্টগুলো শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করা যায়। বিশেষজ্ঞ পরামর্শ সেবা, যেমন কার্ডিওলজি, অফথালমোলজি, মনোবিদ্যা আর ডেন্টাল সেবা, শুধু নির্দিষ্ট দিন আর সময়ে পাওয়া যায়, তাও সীমিত পরিসরে। এই মেডিকেল সেন্টারে ছাত্রদের জন্য প্যাথলজিক্যাল টেস্ট, এক্স-রে, ইসিজি, ফিজিওথেরাপি আর ওষুধ সব বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষক, কর্মকর্তা আর অন্যান্য কর্মচারীদের জন্য পরামর্শ বিনামূল্যে হলেও ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল টেস্ট এসবের জন্য চার্জ লাগে, যা তাদের মাসিক বেতন থেকে কেটে রাখা হয়। এছাড়া, সেন্টারে সব সময় অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যায়। ভবনের মধ্যে ছাত্রদের জন্য সংক্রামক রোগ, যেমন চিকেনপক্স, মাম্পস, মীজেলসে আক্রান্তদের জন্য আলাদা শয্যা আর অসুস্থদের পরীক্ষার জন্যও শয্যার ব্যবস্থা আছে।[১৪৭]
ব্যায়ামাগার
[সম্পাদনা]বুয়েটের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শরীরচর্চা এবং ইনডোর গেম্স খেলার সুবিধার্থে বাস্কেটবল কোর্ট সংবলিত একটি সমৃদ্ধ ব্যায়ামাগার রয়েছে। এটি শেরে বাংলা হলের দক্ষিণে পাশে বিশাল জায়গা জুড়ে অবস্থিত।
ভার্চুয়াল ক্লাসরুম
[সম্পাদনা]ই.সি.ই (ECE) ভবন এ ৭০৫ নম্বর রুমটি ভার্চুয়াল ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আই.আই.সি.টি এর তত্ত্বাবধানে এই ভার্চুয়াল ক্লাসরুমটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র এবং শিক্ষকগণ বিভিন্ন দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগনের সাথে ক্লাস শেয়ার এবং মেধার আদান প্রদান করতে পারেন। ভার্চুয়াল ক্লাসরুমটিতে আধুনিক সকল সুবিধা রয়েছে। এখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে একসাথে প্রায় ১০০ জন যে কোন ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবেন।
আবাসিক হল সমূহ
[সম্পাদনা]বুয়েটে নয়টি ছাত্রাবাস রয়েছে। এর মধ্য থেকে আহসান উল্লাহ হল (উত্তর) শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মালম্বীদের জন্য বরাদ্দ। শহীদ স্মৃতি হল তরুণ শিক্ষক এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রদের জন্য বরাদ্দকৃত যাদের কোন প্রাতিষ্ঠানিক আবাসস্থল নেই। এছাড়াও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন ১২ তলা ছাত্রী হল নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে।
হলগুলো বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা হয়েছে। একারণে বিভিন্ন হল বিভিন্ন স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন বহন করে। প্রতিটি হলের তত্ত্বাবধানে থাকেন প্রভোস্ট। সাধারণত সিনিয়র শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রভোস্ট নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি হলে তিনজন সহকারী প্রভোস্ট নিযুক্ত আছেন।
হলগুলোর বেশিরভাগই জাতীয় বীর ও নেতাদের স্মরণে নামকরণ করা হয়েছে। হলগুলো হল:[১৪৮]
| হলের নাম | বর্তমান প্রভোস্ট | আসনসংখ্যা |
| আহসান উল্লাহ হল | অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মন্ডল | ৩৬৪ (পশ্চিম) ২৩৭ (উত্তর) |
| তিতুমীর হল | অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হোসেন | ৪৩৯ |
| কাজী নজরুল ইসলাম হল | অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম | ৩২১ |
| সাবেকুন নাহার সনি হল | অধ্যাপক ড. উম্মে কুলসুম নাভেরা | ৪৭৮ |
| শের-এ-বাংলা হল | অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মঞ্জুর মোর্শেদ | ৪২০ |
| সোহরাওয়ার্দী হল | অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ | ৪৩৬ |
| ড. এম. এ. রশীদ হল | অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ | ৪৬৮ |
| শহীদ স্মৃতি হল | অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম | ২০৬ |
| স্বাধীনতা হল[১৪৯] | - | - |
তিতুমীর হল
[সম্পাদনা]এই হলটি ১৯৬৪ সালে এটি কার্যক্রম শুরু করে এবং ১৯৭২ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এটির নামকরণ করা হয় তিতুমীর হল। ব্রিটিশ বিরোধী বাঙালি বিপ্লবী সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীর এর নামানুসারে এই হলের নাম করণ করা হয় ।[১৫০] তিতুমীর হল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হলের দক্ষিণ ব্লকের ৩০৮ নম্বর কক্ষ (বর্তমানে ৩০০৮) মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। হলের কেন্দ্রীয় উঠানে অবস্থিত সাদা স্মৃতিস্তম্ভটি বুয়েটের তিতুমীর হলের শহীদ শিক্ষার্থীদের স্মরণে নির্মিত।[১৫০]
তিতুমীর হলের অবকাঠামোতে রয়েছে একটি সুসজ্জিত ডাইনিং হল, ক্যান্টিন, কমন রুম, বহুমুখী হল, খেলার মাঠ, লন্ড্রি, সেলুন, মসজিদ, পড়ার কক্ষ, লাইব্রেরি, নামাজের কক্ষ এবং একটি সুন্দর বাগান। হলের সকল শিক্ষার্থীর জন্য নির্ভরযোগ্য ব্রডব্যান্ড সংযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি হলটিতে নিবেদিত নিরাপত্তা কর্মী ও সিসিটিভি নজরদারি রয়েছে।
সাবেকুন নাহার সনি হল
[সম্পাদনা]সাবেকুন নাহার সনি হল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর ছাত্রীদের একটি আবাসিক হল। এই হল বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনির স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে[১৫১]। ২০০২ সালের ৮ জুন বুয়েটের রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনি দুই ছাত্র সংগঠনের বন্দুকযুদ্ধের মাঝে পড়ে নিহত হন[১৫২]। এরপর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রী হলের নাম সনির নামে করার দাবি জানিয়ে আসছিল। দীর্ঘ ১৯ বছর পর, ২০২১ সালের নভেম্বরে বুয়েট প্রশাসনের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৎকালীন 'ছাত্রী হল (এক্সটেনশন)' ভবনটির নাম পরিবর্তন করে 'সাবেকুন নাহার সনি হল' রাখা হয়[১৫৩][১৫৪]।
সমালোচনা
[সম্পাদনা]কলুষিত ছাত্ররাজনীতি ও নিরাপত্তা সংকট
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক সহিংস ঘটনার সাক্ষী হয়েছে। ২০০২ সালে আহসানউল্লাহ হলের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেসিডি) দুটি পক্ষের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ চলাকালীন গোলাগুলিতে কেমিকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনি নিহত হন।[১৫৫][১৫৬] ২০১৩ সালে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরিফ রায়হান দ্বীপকে হেফাজতে ইসলাম সংশ্লিষ্ট বুয়েটেরই এক ছাত্র কুপিয়ে হত্যা করে।[১৫৭][১৫৮][১৫৯][১৬০] ২০১৯ সালের ৬-৭ অক্টোবর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট কেন্দ্রিক বিরোধের জেরে শেরে বাংলা হলে একদল ছাত্রলীগ কর্মী নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করে।[১৬১][১৬২]
এসব নৃশংস ঘটনা এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিয়মিত মারামারি, র্যাগিং ও আবাসিক হলগুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখানোর প্রেক্ষাপটে, ২০১৯ সালের অক্টোবরে বুয়েট কর্তৃপক্ষ সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি ও রাজনৈতিক সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।[১২৩][১৪১] এই নিষেধাজ্ঞা এখনো কঠোরভাবে বহাল রাখা হয়েছে।
মেধা পাচার ও অর্থনৈতিক প্রভাব
বুয়েট গ্র্যাজুয়েটদের একটি বড় অংশ (অনেক ব্যাচ বা বিভাগে যা ৫০-৬০ শতাংশ বা তারও বেশি) উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য বিদেশে (প্রধানত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে) চলে যান।[১৬৩] [১৬৪]তাদের অনেকেই আর দেশে ফিরে আসেন না, যা দেশের সরকারি অর্থায়নে গড়ে ওঠা মেধার একটি বিশাল অপচয়।[১৬৫]
নিয়োগ ও প্রশাসনে অনিয়ম
সাধারণত বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন না উঠলেও, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের স্ত্রী বা সন্তানদের বিশেষ সুবিধায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে।[১৬৬][১৬৭] যদিও মূলধারার মিডিয়ায় এমন সংবাদের উপস্থিতি সীমিত, তথাপি রাজনৈতিক প্রভাবে যোগ্যতার অবমূল্যায়নের বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।[১৬৮][১৬৯]
গবেষণা ও র্যাঙ্কিংয়ে স্থবিরতা
বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা মানদণ্ডে বুয়েটের অবস্থান আঞ্চলিক অন্যান্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এখনো অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।[১৭০] এই পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ হিসেবে গবেষণায় পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের অভাব এবং অনুন্নত ল্যাবরেটরি সুবিধাকে দায়ী করা হয়।[১৭১] স্নাতক পর্যায়ে বুয়েট অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক হলেও, দেশে উচ্চতর পিএইচডি গবেষণার অনুকূল পরিবেশ ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়।শিল্পকারখানার সাথে গবেষণার সরাসরি সংযোগের অভাব এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গবেষণাপত্রের সাইটেশন সংখ্যা কম হওয়াও র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ। [১৭২][১৭১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "বুয়েটের নতুন উপাচার্য"। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Bangladesh University of Engineering and Technology"। www.topuniversities.com। ৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২৫।
- 1 2 "Bangladesh University of Engineering and Technology - World University Rankings - THE"। www.timeshighereducation.com। ২৫ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "QS World University Rankings by Region 2026: Asia"। www.topuniversities.com। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "বুয়েটের ইতিহাস"। ২ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০০৭।
- 1 2 3 "বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)"। কালের কণ্ঠ। ১০ আগস্ট ২০১২। ২৫ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ Chowdhury, Harun; Alam, Firoz (১ মে ২০১২)। "Engineering education in Bangladesh – an indicator of economic development"। European Journal of Engineering Education। ৩৭ (2): ২১৭–২২৮। ডিওআই:10.1080/03043797.2012.666515। আইএসএসএন 0304-3797।
- ↑ Hafiz, Roxana; Hoque, Md. Mazharul, সম্পাদকগণ (৩১ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Celebrating 60 years of engineering education in Bangladesh (1947-2007)"। বুয়েট প্রকাশনা। ২৭ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২১।
- ↑ Farzana, Mir; Fahmida, Nusrat (মে ২০১৯)। "HISTORICAL EDIFICES OF RAMNA: A PROSPECTIVE HERITAGE ROUTE IN URBAN DHAKA"। Proceedings of the International Conference on Urban Form and Social Context: from Traditions to Newest Demands (ইংরেজি ভাষায়)। Siberian Federal University। আইএসবিএন ৯৭৮-৫-৭৬৩৮-৪১২৭-৫। ২২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২১।
- 1 2 মামুন, মুনতাসীর (ডিসেম্বর ১৯৯৬)। ঢাকা সমগ্র ২। সাহিত্যলোক, ৩২/৭ বিডন স্ট্রীট, কলিকাতা, ৭০০০০৬: নেপালচন্দ্র ঘোষ। পৃ. সার্ভে স্কুল থেকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, পৃষ্ঠা- ২১৮ থেকে ২১৪।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থান (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বছর (লিঙ্ক) - ↑ Government of India, Dacca Survey School, Proceedings, Home Ed. - 144-146A, May-1904.
- ↑ "ঢাকা সমগ্র ২ - মুনতাসীর মামুন"। Scribd (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ পাবলো, ফুয়াদ (২০২১), পুয়েট, হতাশার মোড়, বিচ্ছেদ পয়েন্ট এবং অন্যান্য..., প্রথম আলো, ২ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ↑ Self-Portrayal, অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ↑ আজম, আলী (২০১৯), ইপুয়েট থেকে আজকের বুয়েট, সময়ের আলো, সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ↑ "বুয়েটের নতুন ভিসি সত্য প্রসাদ মজুমদার"। বাংলানিউজ২৪। ২৫ জুন ২০২০। ২৬ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০২০।
- ↑ শিকদার শুভ, সৌমেন (১০ মে ২০২০)। "স্মৃতিতে বুয়েটের দিনগুলো"। Risingbd Online Bangla News Portal। ২৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২৭ জানুয়ারি ২০২৪)। "বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার আবেদন যেভাবে করবেন"। দৈনিক প্রথম আলো। ২ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১ ডিসেম্বর ২০২৪)। "বুয়েটে ভর্তিতে আবেদন শুরু, পরীক্ষার নম্বর–আসন কত, দেখুন গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়"। দৈনিক প্রথম আলো। ২ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ নিউজ, সময়। "এক ধাপেই মেধা যাচাই, বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা ১০ জানুয়ারি | শিক্ষা"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১১ জুলাই ২০২৪)। "বুয়েটে মাস্টার্স, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি, আবেদন ফি ৫০৫ টাকা"। দৈনিক প্রথম আলো। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Our History: Department of Chemical Engineering"।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "History"। Department of Materials and Metallurgical Engineering।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "About us: MME BUET"। ৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "About the Department"। Department of Nanomaterials and Ceramic Engineering। Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET)।
- 1 2 "About Us"। Department of Petroleum and Mineral Resources Engineering। Bangladesh University of Engineering & Technology। ১ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "History | Department of Mechanical Engineering, BUET"। me.buet.ac.bd। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "About"। Industrial and Production Engineering.। Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "About NAME - Department of Naval Architecture and Marine Engineering, BUET"। name.buet.ac.bd। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "HOME"। Department of Civil Engineering, BUET (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৩ মার্চ ২০২৪। ২৩ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "History"। Department of Civil Engineering, BUET (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২০ এপ্রিল ২০২১)। "ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীর নামে বুয়েটের পুরকৌশল ভবনের নামকরণ"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Mission & Vision"। Department of Civil Engineering, BUET (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "WRE | About Us"। wre.buet.ac.bd। ২ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "About EEE | Department of EEE, BUET"। eee.buet.ac.bd। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Samsung R&D funded CSE BUET"। cse.buet.ac.bd। ১২ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Department of CSE, BUET"। cse.buet.ac.bd। ১২ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "Head's Message"। Biomedical Engineering | BUET (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "Department of Architecture"। arch.buet.ac.bd। ১৮ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "যে কারণে টাইমের প্রভাবশালীর তালিকায় মেরিনা তাবাশু্যম"। সকাল সন্ধ্যা। ১৮ এপ্রিল ২০২৪। ৩ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ লেখা (৪ ডিসেম্বর ২০২২)। "ভবিষ্যতের স্থপতির পুরস্কার বুয়েট, চুয়েট, ইউএপির শিক্ষার্থীর"। দৈনিক প্রথম আলো। ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ বিজ্ঞপ্তি (৩ মার্চ ২০২৪)। "বুয়েটের তরুণ স্থপতিদের পুরস্কৃত করল বার্জার"। দৈনিক প্রথম আলো। ৩ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- ↑ SAMAKAL। "তালিকায় বাংলাদেশের দুই স্থাপত্য"। তালিকায় বাংলাদেশের দুই স্থাপত্য (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "BUET:URP Website"। urp.buet.ac.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "Research on "Activities of Urban Development Directorate (UDD) since 1965"" (পিডিএফ)। Urban Development Directorate (UDD)। ২০১৭। ৪ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
BUET-Sheffield Joint Master's Degree Program-An Approach to Physical Upgrading of a Low Income Community, Dhaka, Bangladesh,1979.
- ↑ "RISE-HOME"। rise.buet.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Buet opens biomedical research lab | The Daily Star"। www.thedailystar.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "BUET's ICS testing lab gets IDCOL support"। New Age।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "Education ministry to pursue Buet's mega plan to boost research"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ এপ্রিল ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "ICECE - 2024"। icece.buet.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "The 6th IEEE International Conference on Telecommunications and Photonics 2025 (ICTP 2025) Held at BUET"। IICT, BUET। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "ISCEB 2026"। conf.ce.buet.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Journal of Architecture, BUET"। ja.buet.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Journal of Architecture"। web251.secure-secure.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Journal of Mechanical Engineering Research and Developments"। www.scimagojr.com। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Journal of Mechanical Engineering Research and Developments"। www.jmerd.org। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Journal of Mechanical Engineering Research and Developments"। Journal of Mechanical Engineering Research and Developments।
- ↑ "Chemical Engineering Research Bulletin"। www.banglajol.info। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "দেশীয় ভেন্টিলেটর ডিভাইস অক্সিজেট সিপ্যাপ"। The Daily Ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Channel24। "ঢাকা মেডিকেলে 'অক্সিজেট সিপ্যাপ ভেন্টিলেটরের' ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু"। Channel 24 (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ At-tahreek, Monthly। "বিদ্যুৎ ছাড়াই ৬০ লিটার অক্সিজেন দিবে অক্সিজেট -"। মাসিক আত-তাহরীক । ধর্ম, সমাজ ও সাহিত্য বিষয়ক গবেষণা পত্রিকা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "সীমিত ব্যবহারে অনুমোদন পেল বুয়েটের 'অক্সিজেট'"।
- ↑ লেখা (৭ নভেম্বর ২০২১)। "বুয়েটের অক্সিজেট যেভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Hasan, Taufiq (৩০ ডিসেম্বর ২০২১)। "OxyJet wins two int'l competitions"। Biomedical Engineering | BUET (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "DengueDrops"। mhealth.buet.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "RadAssist Revolutionizing Radiology through AI"। radassist.net। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "32nd International Invention, Innovation & Technology Exhibition (ITEX 2021)" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "IEEE SPS Signal Processing Cup at ICASSP 2025"। Department of CSE, BUET। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "VIP Cup 2023 at ICIP 2023 | IEEE Signal Processing Society"। signalprocessingsociety.org। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "CHAMPION IEEE SPS VIP CUP 2025"। Department of CSE, BUET। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "2025 Johns Hopkins Healthcare Design Competition"। Department of CSE, BUET। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Chowdhury, Ridoy Hasan। "বিশ্বের ২শ' বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪শ' ৪০টি গ্রুপের মধ্যে বুয়েট প্রথম" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "R10 STUDENT BRANCH OF THE MONTH – BANGLADESH UNIVERSITY OF ENGINEERING & TECHNOLOGY – Newsletter" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Result Announcement for 2025 IEEE Region 10 Award Recipients"। IEEE (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৬ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ লেখা (২২ এপ্রিল ২০২২)। "বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে যেভাবে এগিয়েছে বুয়েট"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET)"। Nature Index (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেশের সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বেরোবি"। The Daily Campus।
- ↑ Institutes of BUET, বুয়েটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৮ অক্টোবর ২০১৯)। "বিদ্যমান আইনেই ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ"। দৈনিক প্রথম আলো। ৩ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৭ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "তিন দশকে বুয়েটের সত্যেন বোস বিজ্ঞান ক্লাব"। www.bonikbarta.com। ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "লাভেলো জাতীয় মহাকাশ উৎসব"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "জাতীয় পরিবেশ উৎসবের ঢাকা আঞ্চলিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত"। জাগো নিউজ (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Buet launches automobile club"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ এপ্রিল ২০১৭। ১৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Rahman, Saurin (৩ এপ্রিল ২০১৭)। "BUET Automobile club inauguration | Auto Rebellion"। www.autorebellion.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Hossain, Asif (১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "BUET Automobile Club Conducts Their First Workshop | Auto Rebellion"। www.autorebellion.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ আলিমুজ্জামান (২৯ নভেম্বর ২০২০)। "উদ্ভাবনে সেরা বুয়েটের অটো মায়েস্ত্রো"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Robo Carnival held at BUET"। New Age।
- ↑ "BUET Robotics Society hosts Robo Carnival 2024"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Robot carnival kicks off at Buet"। Dhaka Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Express, The Financial। "Adviser focuses on supportive policy environment for education, research"। The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Team Interplanetar - BUET Mars Rover Team (2025)"। European Rover Challenge (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Team from BUET reaches finals of European Rover Challenge 2022 | The Daily Star"। www.thedailystar.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ আলিমুজ্জামান (৩০ মে ২০২১)। "মঙ্গলের জন্য ড্রোন উদ্ভাবনে সেরা বুয়েট"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Social Outreach"। Department of CSE, BUET। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "BUET Cyber Security Club"। GitHub (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Intra-BUET "Capture The Flag" Cyber Security Competition 2023 Award Giving Ceremony"। Department of CSE, BUET। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "BUET এর সেমিনারটি নিয়ে কিছু কথা"। জার্মান প্রবাসে (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুলাই ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "উইকিপিডিয়া:উইকি শিক্ষা কার্যক্রম, বুয়েট"। উইকিপিডিয়া। ২৯ আগস্ট ২০২১।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 ক্লাবস, বুয়েটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ↑ "আলোকবর্তিকা: বুয়েটের একটি মুক্ত গ্রন্থাগার"। ফিনটেক। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "আলোকবর্তিকার আলোকযাত্রা"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "::: Star Campus :::"। archive.thedailystar.net। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "::: Star Campus :::"। archive.thedailystar.net। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- 1 2 bdnews24.com। "বুয়েট ড্রামা সোসাইটি মঞ্চে আনছে 'দ্য মাউস ট্র্যাপ'"। বুয়েট ড্রামা সোসাইটি মঞ্চে আনছে ‘দ্য মাউস ট্র্যাপ’ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "গ্রামীণফোন-বুয়েট ড্রামা সোসাইটি নাট্যোৎসব"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ bdnews24.com। "বুয়েটে চলচ্চিত্র উৎসবে 'আদিম'"। বুয়েটে চলচ্চিত্র উৎসবে ‘আদিম’ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৬ অক্টোবর ২০১৯)। "বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শাশ্বত সৌম্যর মূর্ছনা"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (৭ জানুয়ারি ২০২৬)। "শিক্ষার্থীদের প্রাণোচ্ছল পদচারণে মুখর বুয়েট বইমেলা"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "'Remembrance: 25 Years of BUET Photographic Society - The Exhibition' Showcases extraordinary international photography and engaging artist talks"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ আগস্ট ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Buet Photographic Society"। Flickr (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ পাবলো, ফুয়াদ (১২ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বুয়েটপিএস"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ bdnews24.com। "বুয়েটের 'বিতর্কিত' সাংবাদিক সমিতির কমিটি বিলুপ্ত"। বুয়েটের ‘বিতর্কিত’ সাংবাদিক সমিতির কমিটি বিলুপ্ত (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "বুয়েট সাংবাদিক সমিতির কমিটি বিলুপ্ত"। Bhorer Kagoj। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ প্রতিনিধি, ঢাবি। "বুয়েট সাংবাদিক সমিতির কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা | কালবেলা"। কালবেলা | বাংলা নিউজ পেপার। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ নিউজ, সময়। "দেশসেরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বুয়েট ব্রেইনিয়াক্সের 'ন্যাশনাল কুইজ কম্পিটিশন' | শিক্ষা"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Our Journey – House of Volunteers" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২০ মার্চ ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Report, Star Digital (৩০ মার্চ ২০২৪)। "Buet protest: What are the six demands of protesters?"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "Buet protest: Ultimatum issued for expulsion of BCL leader, 5 others"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ মার্চ ২০২৪। ৩০ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "BUET students continue to protest for the second day"। The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "বুয়েটের মধ্যরাতে ছাত্রলীগের উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ছয় দফা দাবি"। BBC News বাংলা। ৩০ মার্চ ২০২৪। ১৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "ক্ষমতা দেখিয়ে বুয়েটে ছাত্রলীগ"। মানবজমিন। ৩ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি করার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে রিট"। The Daily Ittefaq। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "বুয়েটে মধ্যরাতে ছাত্রলীগের কর্মসূচি ঘিরে উত্তাল ক্যাম্পাস, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন"। দেশ রূপান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললেন DSW, অখুশি সাধারণ শিক্ষার্থীরা"। buetjs.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ তিথি, সুচিস্মিতা (৩০ মার্চ ২০২৪)। "বুয়েট প্রশাসন দায়িত্ব পালনে 'ব্যর্থ', আন্দোলন চলবে"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "BUET situation heating up"। New Age | The Most Popular Outspoken English Daily in Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "বিক্ষোভে উত্তাল বুয়েট, শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম | BUET"। প্রথম আলো। প্রথম আলো। ৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২৪।
- ↑ "Buet students continue protest for day 2 against BCL activities on campus"। The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ Report, Star Digital (৩০ মার্চ ২০২৪)। "Buet protest: BCL announces counter-rally"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২৪।
- ↑ "BUET students 'temporarily suspend' protest over Chhatra League gathering"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের 'প্রবেশ' নিয়ে উত্তপ্ত বুয়েট – DW – 31.03.2024"। dw.com। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে থমথমে বুয়েট"। বিবিসি বাংলা। ৩১ মার্চ ২০২৪। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "BUET students have not started demonstration, but boycotting exam today"। দৈনিক প্রথম আলো (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "বুয়েটে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রবেশ | Buet Latest Update | Buet | Bangladesh Chatroleague"। ইউটিউব। প্রথম আলো। ১৬ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২৪।
- ↑ "BCL stage another showdown on BUET campus amid student movement"। New Age | The Most Popular Outspoken English Daily in Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "We're against Hizbut Tahrir, expel anyone with Shibir connection, say demonstrating BUET students"। দৈনিক প্রথম আলো (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মার্চ ২০২৪। ৩১ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "বুয়েট শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ রাব্বিকে হলে সিট ফেরত দেয়ার নির্দেশ"। দৈনিক অগ্রসর। ২০২৪। ২৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ মাসুম বিল্লাহ, কাজী মোবারক, হোসেন রাসেল সরকার (২০২৪)। "ছাত্র রাজনীতির পথ খুলল বুয়েটে, শিক্ষার্থীদের শঙ্কা কাটবে কীভাবে"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৪ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ প্রতিনিধি, ঢাবি (২০২৪)। "বুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত স্থগিত"। নিউজ বাংলা ২৪ ডট কম। ৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- 1 2 "বিজ্ঞপ্তি: রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ সংক্রান্ত"। বুয়েটের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট। ২০২৪। ২ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, বিশ্ববিদ্যালয় (২০২৫)। "বুয়েটে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত আট শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার"। সমকাল। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (২০২৫)। "বুয়েটে রাজনীতি 'ফেরানোর চেষ্টা', ৮ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "BUET expels several students for violating on-campus rules"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। ২৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "BUET"। lib.buet.ac.bd। ১৪ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "BUET Medical Center"। medical.buet.ac.bd। ১৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "BUET Medical Center"। medical.buet.ac.bd। ১৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "ছাত্রপরিচালক দপ্তর"। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০০৭।
- ↑ "Buet renames Fazilatunnesa Mujib hall This decision was made in the 549th syndicate meeting"। ঢাকা ট্রিবিউন। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৫।
- 1 2 "Titumir Hall Alumni Association of BUET"। titumirhall.buet.ac.bd। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২৫।
- ↑ SAMAKAL। "প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নাম রাখা হয়েছে নিহত সনির নামে"। SAMAKAL | সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ ইসলাম, নজরুল (৮ জুন ২০২৪)। "কেটেছে ২২ বছর, বুয়েট ছাত্রী সনি হত্যার প্রধান দুই আসামি এখনো পলাতক"। Prothomalo। ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ SAMAKAL। "প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নাম রাখা হয়েছে নিহত সনির নামে"। SAMAKAL | সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ছাত্রদলের সংঘর্ষে নিহত সেই সনির নামে বুয়েটে হল"। Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Buet student Sony murder case convict Tagor arrested | The Daily Star"। www.thedailystar.net (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Islam, Nazrul (৮ জুন ২০২৪)। "BUET student Sony murder: Two main accused still at large after 22 years"। Prothomalo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Radicals campaign from Buet cocoon | The Daily Star"। www.thedailystar.net (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Buet student hacked by fellow dies | The Daily Star"। www.thedailystar.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Dwip murder: Impunity of masterminds hurt ex-Buet students"। Dhaka Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Ifti, Hasib Ur Rashid। "Why Buet students are resisting student politics" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Bangladesh Ruling Party Activists Kill Student after Facebook Post | Human Rights Watch" (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Ifti, Hasib Ur Rashid। "Why Buet students are resisting student politics" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Bangladesh losing top Buet engineers to employment abroad"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মে ২০২৪। ১৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Why are Bangladesh's brightest engineering minds leaving? | The Daily Star"। www.thedailystar.net (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Brain Drain in BUET's Biomedical Engineering: Losing Talent and National Investment"। www.linkedin.com। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Teacher recruitment scams in BUET!"। Views Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ প্রতিবেদক, দৈনিক শিক্ষাডটকম। "শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ অস্বীকার বুয়েট উপাচার্যের | বিশ্ববিদ্যালয় নিউজ"। Dainik Shiksha | দৈনিক শিক্ষা | দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা ও চাকরি সম্পর্কিত সকল সংবাদ। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Uddin, Johir (১ ডিসেম্বর ২০২৫)। "বুয়েটে শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অ্যালামনাইদের ক্ষোভ"। একটি বাংলাদেশ (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "Perpetrators in the rot of higher education"। www.bonikbarta.com। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ Ashraf, Galib (২৯ এপ্রিল ২০২২)। "'BUET will be among top 50 global universities if research allocation increased'"। Prothomalo (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- 1 2 "Why do Bangladeshi universities fare so poorly in global rankings?"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ২ অক্টোবর ২০২৩। ১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "BUET Research Excellence 2024: Leading Innovation Across Disciplines. – Scientific Bangladesh" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- বুয়েটের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
উইকিমিডিয়া কমন্সে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
উইকিউক্তিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত উক্তি পড়ুন।
