বাংলা উপভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

টেমপ্লেট:বাংলার সং স্কৃতি

বঙ্গের (এবং আসামঝাড়খণ্ডের কিছু জেলার) একটি মানচিত্র যাতে বাংলার উপভাষাগুলো দেখানো হয়েছে।[১] ( *মোটা অক্ষর চিহ্নিত উপভাষাগুলি শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ে উপভাষা হিসেবে স্বীকৃত। অনেকে সিলেটী ও চাঁটগাঁইয়া কে ভিন্ন ভাষা বলে মনে করেন।)

বাংলা ভাষার উপভাষাসমূহ ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের পূর্বাঞ্চলীয় ইন্দো-আর্য ভাষা দলের অংশ। রাঢ়ী (নদিয়া, হুগলি, বর্ধমান জেলা সহ দক্ষিণবঙ্গ), বরেন্দ্রী (মালদহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, রাজশাহী সহ উত্তর-পশ্চিম বাংলা), ঝাড়খণ্ডী (বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম সহ ঝাড়খন্ডের কিছু অংশ ), মেদিনীপুরী বাংলা ভাষা (পূর্ব মেদিনীপুরপশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ মহকুমা), বরিশালী (বরিশাল অঞ্চল), নোয়াখালীয়া (নোয়াখালী অঞ্চল), রংপুরী (রংপুর অঞ্চল), খুলনাইয়া (খুলনা অঞ্চল), ময়মনসিংহী (ময়মনসিংহ অঞ্চল), সিলেটি (সিলেট অঞ্চল) এবং চাঁটগাঁইয়া (চট্টগ্রাম অঞ্চল) পশ্চিমবঙ্গবাংলাদেশের প্রধান কথ্য উপভাষা। যদিও এই ভাষাসমূহ বাংলা প্রতিবেশী উপভাষার সঙ্গে পারস্পরিকভাবে বোধগম্য।

শ্রেণীবিভাগ[সম্পাদনা]

বাংলা ভাষায় অঞ্চলভেদে ভিন্ন উচ্চারণ হয়ে থাকে, যেমন: পূর্ববঙ্গের একটি উপভাষায় বলা হয়, 'আমি অহন ভাত খামু না' যা আদর্শ বাংলায় বলা হয়, 'আমি এখন ভাত খাব না।' ভাষাবিদ সুকুমার সেন বাংলা উপভাষার শ্রেণীবিন্যাস করেছেন।[১]পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাংলা ভাষা উচ্চারণ ভিত্তিতে আলাদা। তাই, বাংলা উপভাষা পাঁচ প্রকার:

এই পাঁচটি ছাড়াও কিছু কিছু ভাষাবিদগণ কয়েকটি স্বতন্ত্র উপভাষার নাম উল্লেখ করেন।

সুন্দরবনী উপভাষা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের যশোর, সাতক্ষীরা জেলা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণাদক্ষিণ ২৪ পরগণা (কাকদ্বীপ মহকুমা বাদে), নদীয়া জেলার দক্ষিণ অংশ এই অঞ্চলের ভাষার বাচনভঙ্গি ও টান কোনোভাবেই রাঢ়ী এবং বঙ্গালী উপভাষার সাথে সুরক্ষিত বৈশিষ্ট্য বহন করেনা। যার কারণে এটিকে আলাদা হিসেবে গণ্য করা হয়। এই উপভাষায় ক্ষেত্র বিশেষে ক্রিয়া পদের শেষে 'তি,কে,গে বা গি' বিভক্তি যোগ হয় । যেমন দৌড়ে দৌড়ে স্কুলে যাবো - দৈর্গে দৈর্গে ইসকুলি যাবান, নদীতে নৌকো ডুবে গেছে - নদীতি নৈকো ডুইবগে গিয়েচ্, তারাতারি খেয়ে নাও - জলদি করি খেইব্ গি ন্যাও ।

মেদিনীপুরী বাংলা উপভাষা[সম্পাদনা]

মেদিনীপুরী বাংলা উপভাষাই পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কাকদ্বীপ মহকুমা, ওড়িশার বালেশ্বর, ময়ূরভঞ্জ জেলা এবং ঝাড়খণ্ড এর সিংভূমের বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কথোপকথন হয়। ঝাড়খণ্ডি উপভাষার সাথে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য উভয়ই রয়েছে এই উপভাষার। বঙ্গ ও কলিঙ্গের মাঝে মেদিনীপুর কাজেই উক্ত উপভাষায় উৎকলীয় প্রভাব দেখা যায়, তবুও ভাষাটি বাংলার স্বতন্ত্র একটি উপভাষা হিসেবে বিবেচিত হয়[২]

বৈশিষ্ট্য সমূহ[সম্পাদনা]

১. রাঢ়ী উপভাষা[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক সীমা[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, বাঁকুড়া (পূর্ব), হুগলী, হাওড়া, কলকাতা, উত্তরদক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, নদীয়ামুর্শিদাবাদ জেলায় এই উপভাষার প্রচলন লক্ষ করা যায়। এই উপভাষাকে ভিত্তি করে প্রমিত বাংলা গঠন করা হয়েছে।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  1. শব্দের যে কোনো স্থলে ব্যবহৃত ‘অ’-এর ‘ও’-রূপে উচ্চারণ প্রবণতা।
    • যেমন—অতুল→ওতুল, মধু→মোধু, পাগল→পাগোল, মত→মতো।
  2. শব্দে ব্যবহৃত ‘ন’ ‘ল’ রূপে এবং ‘ল’ ‘ন’ রূপে উচ্চারণ লক্ষ করা যায়।
    • যেমন—নৌকা→লৌকা, নয়→লয়; লুচি→নুচি, লেবু→নেবু।
  3. কর্তৃকারকের বহুবচনে ‘গুলি’, ‘গুলো’ এবং অন্য কারকের বহুবচনে ‘দের’ বিভক্তির প্রয়োগ।
    • যেমন—মেয়েগুলো, পাখিগুলি, রামেদের।

২. বঙ্গালী উপভাষা[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক সীমা[সম্পাদনা]

এটি অধুনা বাংলাদেশের প্রধান উপভাষা।ঢাকা বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ, খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ, বৃহত্তর কুমিল্লা-নোয়াখালী এবং ত্রিপুরার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে আছে এই উপভাষা। ভাষাভাষী সংখ্যা বিবেচনায় এই উপভাষাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  1. এ >অ্যা (কেন > ক্যান ) , উ >ও (মুলা > মোলা), ও >উ (দোষ >দুষ), র >ড় (ঘর >ঘড়) ধ্বনিতে পরিবর্তন ঘটে।
  2. গুল, গুলাইন দিয়ে বহুবচন পদ গঠিত হয়।
    • যেমন- বাত গুলাইন খাও।
  3. গৌণকর্মে 'রে' বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
    • যেমন- আমারে মারে ক্যান।

৩. বরেন্দ্রী উপভাষা[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক সীমা[সম্পাদনা]

উত্তরবঙ্গের মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের লোকমুখের ভাষা হল এটি।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  1. অপ্রত্যাশিত স্থানে 'র' আগম বা লোপ।
    • যেমন- আম >রাম, রস >অস।
  2. গৌণকর্মে 'কে', 'ক' বিভক্তি দেখা যায়।
    • যেমন- হামাক দাও।

৪. ঝাড়খণ্ডী উপভাষা[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক সীমা[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান জেলা ও ঝাড়খণ্ডের বোকারো, ধানবাদ, সড়াইকেলা, পূর্ব ও পশ্চিম সিংভূম জেলা এবং ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলায় এই উপভাষা প্রচলিত।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  1. প্রায় সর্বত্র 'ও'-কার লুপ্ত হয়ে 'অ'-কারে পরিণত হয়েছে।
    • যেমন- লোক >লক, মোটা >মটা, ভালো >ভাল, অঘোর >অঘর।
  2. ক্রিয়াপদে স্বার্থিক 'ক' প্রত্যয়ের প্রচুর প্রয়োগ।
    • যেমন- যাবেক, খাবেক, করবেক।
  3. নামধাতুর প্রচুর ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
    • যেমন- জাড়াচ্ছে, গঁধাচ্ছে।

৫. রাজবংশী ভাষা[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক সীমা[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরদক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার; আসামের বঙাইগাঁও, কোকড়াঝাড়, গোয়ালপাড়া, ধুবড়ী জেলা ও বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ এর সব জেলায় এটি প্রচলিত। বরেন্দ্রী ও বঙ্গালী উপভাষার মিশ্রণে এই ভাষা গড়ে উঠেছে। একে বর্তমানে পৃথক ভাষা হিসেবে গণ্য করা হয়।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  1. 'র' এবং 'ড়' ও 'ন' এবং 'ল'-এর বিপর্যয় লক্ষ করা যায়।
    • যেমন- বাড়ি >বারি, জননী >জলনী।
  2. শব্দের আদিতে শ্বাসাঘাতের জন্য 'অ', 'আ' রূপে উচ্চারিত হয়।
    • যেমন- অসুখ >আসুখ, কথা >কাথা।
  3. 'ও' ধ্বনি কখনো কখনো 'উ' হয়ে যায়।
    • যেমন- কোন >কুন, বোন >বুন।
  4. যৌগিক ক্রিয়াপদে 'খোয়া' ধাতুর ব্যবহার আছে।
    • যেমন- রাগ করা >আগ খোয়া।[৩]

Regional dialect differences[সম্পাদনা]

Dialectal differences in Bengali manifest themselves in three forms: standardised dialect vs. regional dialect, literary language vs. colloquial language and lexical (vocabulary) variations. The name of the dialects generally originates from the district where the language is spoken.

While the standard form of the language does not show much variation across the Bengali-speaking areas of South Asia, regional variation in spoken Bengali constitutes a dialect continuum. Mostly speech varies across distances of just a few miles and takes distinct forms among the religious communities. Bengali Hindus tend to speak in Sanskritised Bengali (a remnant of the Sadhu bhasha), Bengali Muslims use more Perso-Arabic vocabulary (a remnant of the Dobhashi dialect), and Bengali Christians converse in Christian Bengali when engaging in their own circles. Apart from the present dialects, there are a few more which have disappeared. For example, 'Bikramapuri', Sātagāiyã' (this is the name used in East Bengal for the dialect of South-western Rarh region). The present dialects of Bengali are listed below with an example sentence meaning:

English translation: "A man had two sons." (M=male indicated i.e. A man had two sons, P= person indicated, without gender, i.e. A person had two sons)

West Central dialects[সম্পাদনা]

These dialects are mostly spoken in and around the Bhagirathi River basin, in West Central Bengal. The standard form of the colloquial language (Choltibhasha) has developed out of the Nadia dialect.

নদীয়া/চলতি ভাষা পশ্চিমবঙ্গ মান: অ্যাক জন লোকের দুটি ছেলে ছিলো। (M)
কলকাতা: অ্যাক জন লোকের দুটো ছেলে ছিলো। (M)
কলকাতা (Women's dialect): æk joner dui chhele chhelo. (P)
হাওড়া: অ্যাক লোকের দুটি ছেলে ছিলো। (M)
হাওড়া (Women's dialect): æk loker duţi chhele chhilo. (M)
ঘাটাল: অ্যাক লোকের দুইটি পুত্র ছিলো। (M)
তমলুক: অ্যাক ব্যক্তির দুইটি পুত্ত্র ছিল। (P)
কাটোয়া: কোনো লোকের দুটি ছেলে ছিলো। (M)

Eastern Dialects[সম্পাদনা]

মানিকগঞ্জ: য়্যাক জনের দুইডী ছাওয়াল আছিলো। (P)
ময়মনসিংহ: এক জনের দুই পুৎ আছিল। (P)
মুন্সিগঞ্জ: অ্যাক জনের দুইডা পোলা আসিলো। (P)
Comilla: অ্যাক ব্যাডার দুই ফুৎ আসিল্। (M)
নোয়াখালী: (সন্দ্বীপ): এক shôkser দুই বেটা আসিলো। (P)
নোয়াখালী (ফেনী) (ছাগলনাইয়া): অ্যাক জনের দুই হোলা আসিল্। (P)
নোয়াখালী (ফেনী): এগ্গা মাইনষের দুগা হুত/হোলা আসিলো। (P)
নোয়াখালী (হাতিয়া): অ্যাকজন মাইনষের দুগা হোলা আসিল্। (P)
নোয়াখালী (লক্ষ্মীপুর) (রামগঞ্জ): একজনের দুই হুৎ আসিল্। (P)
চট্টগ্রাম: অ্যাগুয়া মাইনষের দুয়া ফুয়া আসিল্। (P)
সিলেট (পশ্চিম): কোনো মানুষর দুই ফুয়া আসিল্। (P)
চাচার) অ্যাকজন মানুষর দুগুয়া ফুয়া আসিল্। (M)

South Bengal dialects[সম্পাদনা]

চুয়াডাঙ্গা: অ্যাক জন লোকির দুইটো সেইলে সিলো। (M)
খুলনা: অ্যাক জন মান্‌ষির দুই সোয়াল সিলো। (P)
বাগেরহাট: অ্যাক জন মান্‌ষির দুই সাওয়াল সিলো। (P)
যশোর: অ্যাক জোনের দুটো সোল সিলো। (P)
বরিশাল (বাকেরগঞ্জ): অ্যাক জোন মান্‌ষের দুগ্গা পোলা আসিলো। (P)
ফরিদপুর: কেরো মান্‌ষের দুগ্গা পোলা সিলো। (P)
সাতক্ষীরা: অ্যাক লোকের দুডি সাবাল সেলো।
কুষ্টিয়া: অ্যাক মান্‌ষের দুডি সেইলে সিলো।

North Bengal dialects[সম্পাদনা]

This dialect is mainly spoken in the districts of North Bengal. These are the only dialects in Bangladesh that pronounce the letters চ, ছ, জ, and ঝ as affricates [tʃ], [tʃʰ], [dʒ], and [dʒʱ], respectively, and preserve the breathy-voiced stops in all parts of the word, much like Western dialects (including Standard Bengali). The dialects of Rangpur and Pabna do not have contrastive nasalised vowels.

দিনাজপুর: অ্যাক জন মানুষের দুই ছাওয়া ছিল। (P)
পাবনা (Women's dialect): কোনো মান্‌ষের দুই ছাওয়াল ছিল। (P)
বগুড়া: অ্যাক ঝনের দুই ব্যাটা ছৈল্ ছিল। (P)
মালদা: অ্যাক ঝন মানুসের দুটা ব্যাটা আছ্ল। (P)
মালদা (কোচ Mixed): অ্যাক ঝোনা মান্‌সের দুটা ব্যাটা আছ্ল। (P)
রংপুর: অ্যাক জন মান্‌ষের দুইক্‌না bêţa আসিল্। (P)
রাজশাহী: অ্যাক লোকের দুইদা ছিলো। (P)
জয়পুরহাট: অ্যাটা মান্‌ষের দুটা ব্যাটা আছল।
পূর্ব পূর্ণিয়া (Siripuria): অ্যাক ঝনার দুই ছুয়া ছিল্। (P)

Rajbanshi dialects[সম্পাদনা]

Goalpara: অ্যাক জনকার দুই ব্যাটা আসিল্। (P)
Rangpur: অ্যাকজন মান্‌ষের দুইক্‌না ব্যাটা আসিন্। (P)
Jalpaiguri: অ্যাক ঝনকার দুই ঝন ব্যাটা আছিল্। (P)
Cooch Behar: অ্যাক জনা মান্‌সির দুই কোনা ব্যাটা আছিল্। (P)
Darjeeling (Terai): অ্যাক ঝনকার দুইটা ব্যাটা ছিলো। (P)

Western Border dialects[সম্পাদনা]

This dialect is spoken in the area which is known as Manbhum.

Manbhumi: অ্যাক লোকের দুটা বেটা ছিলো। (M)
East Medinipur: গোতে লোকের দুইটা তোকা থিলো। (M)
Dhalbhum/East Singhbhum: অ্যাক লোকের দুটা ছা ছিলো। (M)
Pashchim Bardhaman district: কোনো লোকের দুইটি ছেলে ছিলো। (M)
Ranchi: অ্যাক লোকের দু বেটা রহে। (M)
Midnapore: অ্যাক লোক্কার দুট্টা পো থাইল। (M)

The latter two, along with Kharia Thar and Mal Paharia, are closely related to Western Bengali dialects, but are typically classified as separate languages. Similarly, Rajbangsi and Hajong are considered separate languages, although they are very similar to North Bengali dialects. There are many more minor dialects as well, including those spoken in the bordering districts of Purnea and Singhbhum and among the tribals of eastern Bangladesh like the Hajong and the Chakma.

Other dialects and closely related languages[সম্পাদনা]

This category is for dialects, mostly restricted to certain communities instead of a region, as well as closely related languages. Dobhashi was a highly Persianised dialect originating during the Bengal Sultanate period. The sadhu bhasha was a historical Sanskritised register of Bengali and Christian Bengali was a Europeanised dialect; both of which originated during the colonial period.

দোভাষী: এক আদমের দুই আওলাদ ছিল। (M)
Christian Bengali: এক ব্যক্তির দুই পুত্র ছিল। (P)
সাধু ভাষা: কোন এক ব্যক্তির দু’টি পুত্র ছিল। (P)
অসমীয়া: এজন মানুহৰ দুজন পুতেক আছিল। (P)
হাজং: একজন মানলগ দুইদা পলা থাকিবার। (P)
চাকমা: এক জনতুন দিবা পোয়া এল।
Kharia Thar: অ্যাহক নকের দুইটা ছাওগা রহিনা। (M)
Mal Paharia language: অ্যাক ঝঁণঁর দুইট বেটা আছ্ল্যাক। (M)

Phonological variations[সম্পাদনা]

There are marked dialectal differences between the speech of Bengalis living on the পশ্চিম Poshchim (western) side and পূর্ব Purbo (eastern) side of the Padma River.

Bengali dialects include Eastern and Southeastern Bengali dialects: The Eastern dialects serve as the primary colloquial language of the Dhaka district. In contrast to Western dialects where ট /ʈ/ and ড /ɖ/ are unvoiced and voiced retroflex stops respectively, most Eastern and Southeastern dialects pronounce them as apical alveolar /t̠/ and /d̠/, especially in less formal speech. These dialects also lack contrastive nasalised vowels or a distinction in র /r~ɾ/, ড়/ঢ় /ɽ/, pronouncing them mostly as /ɹ/, although some speakers may realise র /r~ɾ/ when occurring before a consonant or prosodic break. This is also true of the Sylheti dialect, which has a lot in common with the Kamrupi dialect of Assam in particular, and is sometimes considered a separate language. The Eastern dialects extend into Southeastern dialects, which include parts of Chittagong. The Chittagonian dialect has Tibeto-Burman influences.

Fricatives[সম্পাদনা]

In the dialects prevalent in much of eastern Bangladesh (Barisal, Chittagong, and Dhaka), many of the stops and affricates heard in Kolkata Bengali are pronounced as fricatives.

Poshchim Bengali (Western Bengali) Palato-alveolar or alveolo-palatal affricates চ [tɕɔ~tʃɔ], ছ [tɕʰɔ~tʃʰɔ], জ [dʑɔ~dʒɔ], and ঝ [dʑɔʱ~dʒɔʱ] correspond to Purbo Bengali (Eastern Bengali) চʻ [ts]~[tɕ], ছ় [s]~[tsʰ], জʻ [dz]~[z], and ঝ় [z]. A similar pronunciation is also found in Assamese, a related language across the border in India.

The aspirated velar stop [kʰ], the unvoiced aspirated labial stop [pʰ] and the voiced aspirated labial stop [bʰ] of Poshcim Bengali correspond to খ় [x~ʜ], ফ় [f~ɸ] and [β~v] in many dialects of Purbo Bengali.

Many Purbo Bengali dialects share phonological features with Assamese, including the debuccalisation of শ [ʃ] to হ [h] or খ় [x].

Tibeto-Burman influence[সম্পাদনা]

The influence of Tibeto-Burman languages on the phonology of Purbo Bengali (Bangladesh) is seen through the lack of nasalised vowels, an alveolar articulation for the Retroflex stops[ʈ], ঠ [ʈʰ], ড [ɖ], and ঢ [ɖʱ], resembling the equivalent phonemes in languages such as Thai and Lao and the lack of distinction between র [ɹ] and ড়/ঢ় [ɽ]. Unlike most languages of the region, some Purbo Bengali dialects do not include the breathy voiced stops ঘ [ɡʱ], ঝ [dʑʱ], ঢ [ɖʱ], ধ [d̪ʱ], and ভ [bʱ]. Some variants of Bengali, particularly Chittagonian and Chakma Bengali, have contrastive tone; differences in the pitch of the speaker's voice can distinguish words. In dialects such as Hajong of northern Bangladesh, there is a distinction between and , the first corresponding exactly to its standard counterpart but the latter corresponding to the Japanese [ü͍] sound এই শব্দ সম্পর্কেlisten . There is also a distinction between and in many northern Bangladeshi dialects. representing the [ɪ] sound whereas represents a [i].

Comparison Table[সম্পাদনা]

English Standard Bengali Khulnaiya Barishali Old Dhakaiya Faridpuri Varendri Mymensinghiya Rarhi Chittagonian Sylheti Rangpuri
will eat (first person) খাবো খাবানি খামুওনি খামু খাউম খ্যাহিবো খাইমু খাইবো haiyyum খ়াইমু খাম্
Taka টাকা ţa(h)a টাহা ট্যাকা টাহা ট্যাকা ট্যায়া টাকা টিঁয়া টেখ়া টেকা
Dhaka ঢাকা ডাহা ডাহা ঢাকা ঢাহা ঢাকা ঢাকা ঢাকা ঢাহা ঢাখ়া ঢাকা

Other Eastern Indo-Aryan languages[সম্পাদনা]

English Assamese Odia Sambalpuri Rohingya
will eat (first person) kham khaibi Khayeman khai-yum
Taka tôka tônka tanka tia
Dhaka dhaka dhaka Dhaka Daha

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Praci Bhasavijnan: Indian Journal of Linguistics (ইংরেজি ভাষায়)। Bhasa Vidya Parishad.। ২০০১। 
  2. "Legacy of Midnapore"www.midnapore.in। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩১ 
  3. বাংলা ভাষা ও উপভাষা, সুকুমার সেন, আনন্দ পাবলিশার্স
  • আহসান, সৈয়দ আলী (২০০০), বাংলা একাডেমী বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, Bangla Academy, Dhaka, আইএসবিএন 984-07-4038-5 .
  • Haldar, Gopal (২০০০), Languages of India, National Book Trust, India, আইএসবিএন 81-237-2936-7 .