আল মাহমুদ
আল মাহমুদ | |
|---|---|
২০০৯ সালে কবি আল মাহমুদ | |
| জন্ম | মীর আব্দুস শুকুর আল মাহমুদ[১] ১১ জুলাই ১৯৩৬ মোড়াইল গ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ |
| মৃত্যু | ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯ (বয়স ৮২) ঢাকা, বাংলাদেশ |
| পেশা | কবি, সম্পাদক, সাংবাদিক |
| জাতীয়তা | ব্রিটিশ ভারতীয় (১৯৩৬-১৯৪৭) পাকিস্তানি (১৯৪৭-১৯৭১) বাংলাদেশী (১৯৭১-২০১৯) |
| নাগরিকত্ব | ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে) বাংলাদেশ |
| সময়কাল | বিংশ শতাব্দী |
| ধরন | কবিতা, গল্প, উপন্যাস |
| বিষয় | গ্রামীণ জীবন, নারী |
| উল্লেখযোগ্য রচনা | লোক লোকান্তর কালের কলস |
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার | একুশে পদক (১৯৮৬) বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮) স্বাধীনতা পুরস্কার (২০২৫) |
| দাম্পত্যসঙ্গী | সৈয়দা নাদিরা বেগম |
আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি।[২] তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।[৩] বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন।[৪] ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে।[৫][৬] তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
১৯৫০-এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ একজন।[৭] লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।[৮] কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যও খ্যতি অর্জন করেছিলেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।[৯] তার পিতৃপ্রদত্ত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।[১০] তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর।[১১] তার দাদার নাম আব্দুল ওহাব মোল্লা; যিনি হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাই স্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড হাই স্কুলে পড়ালেখা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। আল মাহমুদ বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিনি মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যান, বৈষ্ণব পদাবলি, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল প্রমুখের সাহিত্য পাঠ করে ঢাকায় আসার পর কাব্য সাধনা শুরু করেন এবং ষাটের দশকেই স্বীকৃতি ও পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]সংবাদপত্রে লেখালেখির সূত্র ধরে ১৯৫৪ সালে মাহমুদ ঢাকা আগমন করেন। সমকালীন বাংলা সাপ্তাহিক পত্র/পত্রিকার মধ্যে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলা পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সাল কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলা পত্রিকার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সেখানে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।
১৯৭১ সালে তিনি ভারত গমন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। যুদ্ধের পরে দৈনিক গণকণ্ঠ নামক পত্রিকায় প্রতিষ্ঠা-সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সম্পাদক থাকাকালীন সরকারের বিরুদ্ধে লেখার কারণে এক বছরের জন্য কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়।
১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোটগল্প গ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পরিচালক হন। পরিচালক পদ থেকে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন।[৫]
সাহিত্যজীবন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]তার সাহিত্য চর্চার প্রথম দিকের সময় তিনি সমাজতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন।[১২] ১৯৫৪ সাল অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স থেকে তার কবিতা প্রকাশ পেতে থাকে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকা এবং কলকাতার নতুন সাহিত্য, চতুষ্কোণ, ময়ূখ ও কৃত্তিবাস ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে ঢাকা-কলকাতার পাঠকদের কাছে তার নাম পরিচিত হয়ে ওঠে এবং তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩) সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। এরপর কালের কলস (১৯৬৬), সোনালি কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে উঠো (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে প্রথম সারির কবি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল।
তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার নগরকেন্দ্রিক প্রেক্ষাপটে ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহকে তার কবিতায় অবলম্বন করেন। নারী ও প্রেমের বিষয়টি তার কবিতায় ব্যাপকভাবে এসেছে। উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হিসেবে নারীর যৌনতা, আকাঙ্ক্ষা ও ভোগের লালসাকে তিনি শিল্পের অংশ হিসেবেই দেখিয়েছেন।[১৩] আধুনিক বাংলা ভাষার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততায় আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ তার অনন্য কীর্তি।
১৯৬৮ সালে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ নামে দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।[১৪] তার সবচেয়ে সাড়া জাগানো সাহিত্যকর্ম সোনালি কাবিন। ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ তার কবিতায় বিশ্বস্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস উৎকীর্ণ হতে থাকে; এর জন্য তিনি প্রগতিশীলদের সমালোচনার মুখোমুখি হন। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস “কবি ও কোলাহল”। কোনো কোনো তাত্ত্বিকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিশ্বাসগ্রস্ততার কারণে তার বেশকিছু কবিতা লোকায়তিক সাহিত্যদর্শন দৃষ্টান্তবাদ দ্বারা অগ্রহণযোগ্য। তবে একথাও সত্য, কবিতায় দর্শন থাকে, কিন্তু দর্শন দ্বারা কবিতা নিয়ন্ত্রিত নয়, কবিতা আবেগের কারবার। [১৫]
উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]উল্লেখযোগ্য উপন্যাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- কাবিলের বোন
- উপমহাদেশ
- পোড়ামাটির জোরা হাঁস
- পুরুষ সুন্দর
- আলোকপূলক শিহরণ
- ত্রিশিরা
- মোহিনীর জীবনাঝঙ্কার
- ডাহুকী
- দিনযাপন
- যমুনাবতী
- সহি জঙ্গনামা
- পুত্র
উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- পানকৌড়ির রক্ত
- জলবৈশ্যা ও তাহারা
- নদীর সতীন
- সপ্তর্ষী
- কলংকিনী জ্যোতির্বলয়
- প্রিয় পঞ্চমী
- শ্রেষ্ঠ গল্প (আদর্শ প্রকাশনী)
- বাছাইকৃত সেরা গল্প (তৃণলতা প্রকাশন)
- নির্বাচিত ছোটগল্প (রুপসী)
- শ্রেষ্ঠ গল্প (প্রতিভাস, ভারত)
উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- লোক লোকান্তর (১৯৬৩)
- কালের কলস (১৯৬৬)
- সোনালী কাবিন (১৯৭৩)
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬)
- অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না (১৯৮০)
- বখতিয়ারের ঘোড়া (১৯৮৫)
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস (১৯৮৭)
- কি অশ্রু এ কি রক্ত
- এ গল্পের শেষ নেই শুরুও ছিল না (মহাকাব্য)
- শ্রেষ্ঠ কবিতা (আদর্শ প্রকাশনী)
আত্মজীবনী
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- যেভাবে বেড়ে উঠি
- বিচুর্ণ আয়নায় কবির মুখ
- কবির মুখ (আদর্শ প্রকাশন)
- যে পারো ভুলিয়ে দাও
- কবির সৃজন বেদনা
- আল মাহমুদের আত্মজৈবনিক রচনাসমগ্র (সৃজনি)
শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- পাখির কাছে ফুলের কাছে
- মরু মুষিকের উপত্যকা
- ময়নামতির নেকলেস
- ফড়িং ধরার গল্প
- মিলের খেলা
- বাতাসের নূপুর
- মোল্লাবাগির ছড়া
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)
- একটি পাখি লেজ ঝোলা
- কিশোর সমগ্র (সময় প্রকাশন)
- ছড়াসমগ্র (অক্ষর প্রকাশনী)
- তোমাদের জন্যে বই
উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- কবির আত্মবিশ্বাস
- সাহসের সমাচার
- ছায়ার সঙ্গে মায়ার লড়াই
- বাঙালি মুসলমানের শত্রুমিত্র
- দশ দিগন্তে উড়াল
- শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ (আদর্শ প্রকাশনী)
নানাদেশ ও ভ্রমণ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- কবিশিল্পীদের মাতৃভূমি প্যারিস
- তিন শহর তিন আকাশ
সাক্ষাৎকার
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- কথোপকথন
- শামসুর রাহমান আল মাহমুদ - তফাৎ ও সাক্ষাৎ (নাসির আলি মামুন)
- আল মাহমুদ ৬০ সাক্ষাৎকার
- অর্ধশত সাক্ষাৎকারে আল মাহমুদ (সরদার আবদুর রহমান)
- সাক্ষাৎকার- আল মাহমুদ (সাজ্জাদ বিপ্লব)
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]আল মাহমুদ ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দা নাদিরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[১১] এই দম্পতির পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।[১১]
২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ৮২ বছর বয়সে ঢাকায় ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।[১৬][১৭][১৮]
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)
- জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২)
- হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
- জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
- কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)
- কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার
- ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬)
- একুশে পদক (১৯৮৬)
- নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০)
- ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯৫)
- ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪)
- লালন পুরস্কার (২০১১)
- বাসাসপ কাব্যরত্ন (২০১৭)
- স্বাধীনতা পুরস্কার (২০২৫)[১৯][২০]
সমালোচনা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]অনেকেই সমালোচনা করেন যে, আল মাহমুদ ১৯৯০’র দশকে ইসলামী ধর্মীয় বোধের দিকে ঝুঁকে পড়েন। তার কবিতায় ইসলামী চেতনার প্রতিফলন ঘটতে থাকে।[২১] যদিও তিনি বিভিন্ন সময় তা অস্বীকার করেছেন।[২২]
আল মাহমুদকে নিয়ে গবেষণা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- কবি খোরশেদ মুকুল আল মাহমুদকে নিয়ে লিখেছেন গবেষণামূলক গ্রন্থ 'দ্রোহের কবি আল মাহমুদ'।[২৩]
- কমরুদ্দিন আহমেদ প্রকাশ করেছেন গবেষণামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ ‘আল মাহমুদ : কবি ও কথাশিল্পী’[২৪]
- ড. ফজলুল হক তুহিন; আল মাহমুদের কবিতা : বিষয় ও শিল্পরূপ, মাওলা বাদ্রার্স , ঢাকা।[২৫]
- হৃদয়ে আল মাহমুদ - মুকুল মজুমদার
- আমাদের কবি আল মাহমুদ - নাসির হেলাল
- আল মাহমুদ : কবিতা ও কবিশক্তি - বকুল আশরাফ
- আল মাহমুদ : যেমন দেখেছি তাঁকে - জাকির আবু জাফর
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- ↑ "কবি আল মাহমুদ আইসিইউতে"। দ্য ডেইলি স্টার। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "কবি আল মাহমুদ আইসিইউতে"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ পয়েমহান্টার.কম। "আল মাহমুদ (১১ জুলাই, ১৯৩৬ - ব্রাহ্মণবাড়ীয়া/বাংলাদেশ)"। পয়েমহান্টার.কম। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Al Mahmud turns 75"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২১।
- 1 2 "কবি আল মাহমুদ"। দৈনিক নয়া দিগন্ত। ৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Poet Al Mahmud turns 73"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "কাব্য"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "সোনালি কাবিন"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ Muhammad Musa (1998). Brahmanbariar Itibrittyo. Shetu Prokashoni, Brahmanbaria.
- ↑ "সোনালী কাবিনের কবি আল মাহমুদ"। দৈনিক সংগ্রাম। ১৭ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৮।
- 1 2 3 "হাসপাতালে কবি আল মাহমুদ"। এনটিভি। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "মাহমুদ, আল - বাংলাপিডিয়া"। bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২৫।
- ↑ দীপংকর দীপক (২৭ নভেম্বর ২০১৭)। "আল মাহমুদের কবিতায় নারী ও প্রেম"। একুশে টিভি। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৮।
- ↑ "কবি আল মাহমুদ আইসিইউতে"। ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "১৮ বছরেই প্রকাশিত হয় কবি আল মাহমুদের কবিতা"। দৈনিক যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "কবি আল মাহমুদ আর নেই"। সময় টিভি। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব; ডটকম, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর। "কবি আল মাহমুদের বিদায়"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "কবি আল মাহমুদ আর নেই"। যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "এবার যে ৭ জন পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার"। দৈনিক ইনকিলাব। ১১ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার বহাল, এবার পাচ্ছেন ৭ জন"। প্রথম আলো। ১১ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ "আল মাহমুদের দেখা মিললো তবে..."। মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২১।
- ↑ "দাড়ি রেখেছি বলে মৌলবাদী হয়ে গেছি"। ২১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ খোরশেদ মুকুল। "দ্রোহের কবি আল মাহমুদ"। rokomari.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২১।
- ↑ Das, Prianka (৩১ জানুয়ারি ২০২০)। "আল মাহমুদ : কবি ও কথাশিল্পী মুহাম্মদ তাফহীমুল ইসলাম"। দৈনিক পূর্বদেশ (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২১।
- ↑ "আল মাহমুদের কবিতা বিষয় ও শিল্পরূপ"। Mowla Brothers (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০২৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- রাজু আলাউদ্দিন গৃহীত সাক্ষাৎকার ১৪ জানুযারী ১৯৯১ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে
- ব্রাত্য রাইসু গৃহীত সাক্ষাৎকার ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে
- ১৯৩৬-এ জন্ম
- ২০১৯-এ মৃত্যু
- বাংলা ভাষার কবি
- বাংলাদেশী কবি
- বাঙালি কথাসাহিত্যিক
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কবি
- ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক বিজয়ী
- কবিতায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী
- বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা
- ২০শ শতাব্দীর বাংলাদেশী কবি
- ২০শ শতাব্দীর বাঙালি কবি
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঔপন্যাসিক
- বাংলাদেশী পুরুষ ঔপন্যাসিক
- বাংলাদেশে নিউমোনিয়ায় মৃত্যু
- ২০শ শতাব্দীর পুরুষ লেখক
- বাঙালি লেখক
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি
- বাংলাদেশী পুরুষ কবি
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী
- সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ী