সাঁওতালি ভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
সাঁওতালি
ᱥᱟᱱᱛᱟᱲᱤ, ସାନ୍ତାଳୀ, সাঁওতালি
দেশোদ্ভব ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল
নৃতাত্ত্বিক সাঁওতাল
স্থানীয় ভাষাভাষী
৬৪ লক্ষ ৬৯ হাজার (ভারত)
২ লক্ষ ২৫ হাজার (বাংলাদেশ)
৫০ হাজার (নেপাল) (২০০১ - ২০১১ জণগননা)[১]
উপভাষাসমূহ
  • Mahali (Mahli)
অলচিকি (ᱚᱞ ᱪᱤᱠᱤ), লাতিন লিপি, বাংলা লিপি/পূর্ব নাগরী লিপি, দেবনাগরী লিপি, ওড়িয়া লিপি
প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা
সরকারি ভাষায়
 ভারত
ভাষা কোডসমূহ
আইএসও ৬৩৯-২ sat
আইএসও ৬৩৯-৩ দুইয়ের মধ্যে এক:
sat – Santali
mjx – Mahali
গ্লোটোলগ sant1410  (Santali)[২]
maha1291  (Mahali)[৩]

সাঁওতালি ভাষা (অলচিকি: ᱥᱟᱱᱛᱟᱲᱤ; বাংলা লিপি: সাঁওতালি) অস্ট্রো-এশীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত মুন্ডা উপপরিবারের একটি ভাষা, এবং হো এবং মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত। সাঁওতালিভাষী মানুষের সংখ্যা ভারতে প্রায় ৬৫ লক্ষ, বাংলাদেশে ২ লক্ষ ২৫ হাজার এবং নেপালে ৫০ হাজার।[৪] বেশির ভাগ সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষ ভারতের ঝাড়খণ্ড, আসাম, বিহার, ওড়িশা, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বাস করে।

সাঁওতালি ভাষার নিজস্ব লিপি আছে, যার নাম অলচিকি লিপি (ᱚᱞ ᱪᱤᱠᱤ)।[৫] তবে বাংলা লিপি, ওড়িয়া লিপি, রোমান লিপিদেবনাগরীতেও এই ভাষার লিখন বহুল প্রচলিত।

ভারতে সাঁওতালি ভাষাভাষীদের সাক্ষরতার হার সামগ্রিকভাবে ১০-৩০% এবং বাংলাদেশে প্রায় ৫০%।[৪]

ইতিহাস এবং ব্যবহার[সম্পাদনা]

ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত সাঁওতালি একটি মৌখিক ভাষা ছিল এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জ্ঞান সঞ্চারিত হত মুখে মুখে । ভারতীয় ভাষাগুলির অধ্যয়নে ইউরোপীয়দের আগ্রহের কারণে সাঁওতালি ভাষা লিপিবদ্ধ করার প্রথম প্রচেষ্টার সৃষ্টি হয়। ১৮৬০-এর দশকের আগে ক্যাম্পবেল, স্ক্রেফসরুড এবং বোডিঙের মত ইউরোপীয় নৃতত্ববিদ, লোককাহিনীকার এবং ধর্মপ্রচারকরা সাঁওতালি ভাষা লেখার জন্য বাংলা ‌এবং লাতিন লিপি ব্যবহার করতেন। তাদের প্রচেষ্টার ফল হল সাঁওতালি অভিধান এবং লোককাহিনীর বই এবং ভাষাটির রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, ‌ধ্বনিতাত্ত্বিক গঠন সম্পর্কে গবেষণা।

অলচিকি লিপিটি ময়ুরভঞ্জ জেলার কবি রঘুনাথ মুর্মূ ১৯২৫ সালে সৃষ্টি করেন এবং প্রথমবার ১৯৩৯ সালে প্রচারিত করেন।[৬][৭]

পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িষা এবং ঝাড়খন্ডের সাঁওতালি সম্প্রদায়ে অলচিকি লিপিটি সার্বজনীন ভাবে গৃহীত হয়েছে[৮], কিন্তু বাংলাদেশে সাঁওতালি এখনও বাংলা লিপিতে লেখা হয়।

সাঁওতালি ভাষা ভারতের ২২টি তফসিলভুক্ত ভাষার মধ্যে একটি।[৯]

সাঁওতালির উপভাষাগুলি হল কামারি, কারমালি (খোলে), লোহারি, মাহালি, মাঞ্ঝি, পাহাড়িয়া।[১০][১১]

ধ্বনিতত্ত্ব[সম্পাদনা]

স্বরধ্বনি[সম্পাদনা]

সাঁওতালি ভাষায় ৮টি স্বরধ্বনি এবং ৬টি অনুনাসিক স্বরধ্বনি আছে।

  সম্মুখ কেন্দ্রিক পশ্চাৎ
সংবৃত i  ĩ   u  ũ
সংবৃত-মধ্য e ə  ə̃ o
বিবৃত-মধ্য ɛ  ɛ̃   ɔ  ɔ̃
বিবৃত   a  ã  

এছাড়াও সাঁওতালি ভাষায় বেশ কিছু দ্বিস্বরধ্বনি আছে।

ব্যঞ্জনধ্বনি[সম্পাদনা]

সাঁওতালিতে নিজস্ব শব্দে ব্যবহৃত ২১টি ব্যঞ্জনধ্বনি ছাড়াও ইন্দো আর্য শব্দঋণে ব্যবহৃত ১০টি মহাপ্রাণ স্পৃষ্টধ্বনি আছে।

  ওষ্ঠ্য দন্তমূলীয় মূর্ধন্য তালব্য পশ্চাত্তালব্য কণ্ঠনালীয়
নাসিক্য m n   ɲ ŋ  
স্পর্শ অঘোষ p  (pʰ) t  (tʰ) ʈ  (ʈʰ) c  (cʰ) k  
ঘোষ b  (bʱ) d  (dʱ) ɖ  (ɖʱ) ɟ  (ɟʱ)
⟨j  jh⟩
ɡ  (ɡʱ)  
উষ্ম   s       h
কম্পনজাত   r        
তাড়নজাত     ɽ      
পার্শ্বিক   l        
অর্ধস্বরধ্বনি w     j  ⟨y⟩    

দেশীয় শব্দে শব্দান্তে ঘোষ এবং অঘোষ স্পর্শধ্বনিগুলি অন্যান্য মুন্ডা ভাষাগুলির মত প্রশমিত হয়ে গিয়ে কণ্ঠনালীয় ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

ব্যাকরণ[সম্পাদনা]

বিশেষ্য[সম্পাদনা]

বচন[সম্পাদনা]

সাঁওতালিতে তিনটি বচন আছে: একবচন, দ্বিবচন এবং বহুবচন।

একবচন সেতা 'কুকুর'
দ্বিবচন সেতা-কিন্ 'দুটি কুকুর'
বহুবচন সেতা-কো '(অনেক) কুকুর'

কারক[সম্পাদনা]

কারকের বিভক্তি বচনের পরসর্গের পরে বসে।

কারক বিভক্তি-চিহ্ন ভূমিকা
আধ্বব বাংলা লিপি
কর্তৃকারক (শূন্য বিভক্তি) কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং কর্মপদ
সম্বন্ধপদ -rɛn
-ak', -rɛak'
-রেন্ (প্রাণীবাচক)
-আক্, -রেয়াক্ (অপ্রাণীবাচক)
অধিকারি (-এর)
করণবাচক -são -সাঁও সংযুক্ততা (সঙ্গে, সহ)
অপাদানবাচক -khɔn / -khɔc' -খন্ / -খচ্ উৎস (থেকে)
-ʈhɛn / -ʈhɛc' -ঠেন্/ -ঠেচ্ লক্ষ্য (কাছে, দিকে), অবস্থান (থেকে)
অধিকরণবাচক -tɛ -তে যন্ত্র (দ্বারা), কারণ (জন্যে), গতিশীলতা (দিকে)
-rɛ -রে স্থানিক-কালবাচক অবস্থান (মধ্যে)
-sɛn / -sɛc' -সেন্ / -সেচ্ অভিমুখ (দিকে)

সম্বন্ধবাচক পরসর্গ[সম্পাদনা]

সাঁওতালি ভাষায় তিনটি সম্বন্ধবাচক পরসর্গ আছে যেগুলি আত্মীয়তাবোধক শব্দের সাথে ব্যবহার হয়: উত্তম পুরুষ (-), মধ্যম পুরুষ -m (-), প্রথম পুরুষ -t (-)।

সর্বনাম[সম্পাদনা]

সাঁওতালি ব্যক্তিবাচক সর্বনামে উত্তম পুরুষে অন্তর্ভুক্তিবাচকতা এবং বহির্ভুক্তিবাচকতার পার্থক্য করা হয়, এবং প্রথম পুরুষে পূর্বনির্দেশকতা এবং সাধারণ নির্দেশকতার পার্থক্য করা হয়।

একবচন দ্বিবচন বহুবচন
আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি
উত্তম পুরুষ বহির্ভুক্তিবাচক ইঞ্ ɘliɲ আলিঞ alɛ আলে
অন্তর্ভুক্তিবাচক alaṅ আলাঙ abo(n) আবো(ন)
মধ্যম পুরুষ am আম aben আবেন apɛ আপে
প্রথম পুরুষ পূর্বনির্দেশকতা ac' আচ্ ɘkin আকিন ako আকো
নির্দেশকতার uni উনি unkin উনকিন oṅko ওনকো

প্রশ্নবোধক সর্বনামে প্রাণীবাচকতা (কে?)/ অপ্রাণীবাচকতা (কী?), এবং উল্লিখিতবাচকতা (কোন?)/ অনুল্লিখিতবাচকতার পার্থক্য করা হয়:

  প্রাণীবাচক অপ্রাণীবাচকতা
আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি
উল্লিখিতবাচক ɔkɔe অকয় oka অকা
অনুল্লিখিতবাচক cele চেলে cet' চেৎ

অনির্দেশক সর্বনামগুলি হল:

  প্রাণীবাচক অপ্রাণীবাচকতা
বাংলা আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি
'যেকোন' dʒãhãj জাঁহাঁয় dʒãhã জাঁহাঁ
'কিছু' adɔm আদম adɔmak আদমাক
'কোন একটা' ɛʈak'ic' এটাক্ইচ্ ɛʈak'ak' এটাক‌্আক‌্

নির্দেশক পদের স্থান-কাল-পাত্র ভেদে তিনটি ভাগ আছে: নিকট, অদূর এবং দূর। এছাড়াও গঠনের ভিত্তিতে দুটি ভাগ আছে: সাধারণ (এটা, ওটা, সেটা) এবং নির্দিষ্ট (এইটা, ওইটা, সেইটা)।

  সাধারণ নির্দিষ্ট
প্রাণীবাচক অপ্রাণীবাচক প্রাণীবাচক অপ্রাণীবাচক
আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি
নিকট nui নুই noa নোয়া niː নিই niə নিঅ
অদূর uni উনি ona ওনা ini ইনি inə ইন
দূর həni হনি hana হানা enko এনকো inəko ইনকো

ক্রিয়া[সম্পাদনা]

সাঁওতালি ভাষার ক্রিয়াগুলি কাল, প্রকার, ভাব এবং বাচ্য এবং কর্তার পুরুষ এবং বচনভেদে পরিবর্তিত হয়।

কর্তৃবাচক চিহ্ন[সম্পাদনা]

একবচন দ্বিবচন বহুবচন
আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি
উত্তম পুরুষ বহির্ভুক্তিবাচক -ɲ(iɲ) -ঞ্(ইঞ্) -liɲ -লিঞ -lɛ -লে
অন্তর্ভুক্তিবাচক -laŋ -লাঙ -bon -বোন
মধ্যম পুরুষ -m -ম -ben -বেন -pɛ -পে
প্রথম পুরুষ -e -এ -kin -কিন -ko -কো

কর্মবাচক চিহ্ন[সম্পাদনা]

সর্বনামীয় কর্মপদ বিশিষ্ট সকর্মক ক্রিয়াপদে কর্মবাচক চিহ্নকে অন্তঃপ্রত্যয় হিসাবে লেখা হয়।

একবচন দ্বিবচন বহুবচন
আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি আধ্বব বাংলা লিপি
উত্তম পুরুষ বহির্ভুক্তিবাচক -ɲ(iɲ)- -ঞ্(ইঞ্)- -liɲ- -লিঞ- -lɛ- -লে-
অন্তর্ভুক্তিবাচক -laŋ- -লাঙ- -bon- -বোন-
মধ্যম পুরুষ -me- -মে- -ben- -বেন- -pɛ- -পে-
প্রথম পুরুষ -e- -এ- -kin- -কিন- -ko- -কো-

সাঁওতালি ভাষার প্রভাব এবং প্রসার[সম্পাদনা]

অস্ট্রো-এশীয় ভাষাপরিবারের অন্তর্গত এবং প্রাক-আর্য যুগের ঐতিহ্যবাহি সাঁওতালি ভাষা আজও বাংলা, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড এবং অন্যান্য রাজ্যের ইন্দো-আর্য ভাষাগুলির মধ্যে তার স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রেখেছে এবং তাদের সাথে একইসঙ্গে বিদ্যমান। এই অন্তর্ভুক্তিটি সাধারণভাবে গৃহীত হলেও এর মধ্যে অনেক সমস্যা আছে।

সাঁওতালী এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষার মধ্যে শব্দঋণ সম্বন্ধে এখনো সম্পূর্ণরূপে গবেষণা করা হয়নি। ১৯৬০-এর দশকে ভাষাবিদ ব্যোমকেশ চক্রবর্তী এই ক্ষেত্রের একটি উল্লেখযোগ্য কাজ শুরু করেন। তিনি বাংলা ভাষায় অনার্য ভাষাগুলির, বিশেষত সাঁওতালি ভাষার, উপাদানগুলির অভিযোজনের জটিল প্রক্রিয়াটি নিয়ে অন্বেষণ করেন। তিনি বাংলা ভাষায় সাঁওতালি ভাষার প্রবল প্রভাবটি তুলে ধরেন। তিনি উভয় ভাষার একে অপরের উপর যে প্রভাব ফেলেছে তা নিয়ে বিস্তারিত অধ্যয়নের উপর ভিত্তি করে তিনি এই সিদ্ধান্তে আসেন। এছাড়াও প্রসিদ্ধ ভাষাবিদ ক্ষুদিরাম দাস তাঁর সাঁওতালি বাংলা সমশব্দ অভিধান এবং বাংলা সাঁওতালী ভাষা-সম্পর্ক বইগুলিতে বাংলা ভাষার উপর সাঁওতালি ভাষার প্রবাভের বিষয় লিখেছেন।

২০১৩ সালে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় ব্যবহারের জন্য জাতীয় যোগ্যতা পরিক্ষায় সাঁওতালি ভাষাকে চালু করেন।[১২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "এথ্‌নোলগে" Santali (১৮তম সংস্করণ, ২০১৫)
    "এথ্‌নোলগে" Mahali (১৮তম সংস্করণ, ২০১৫)
  2. নোরধোফ, সেবাস্টিয়ান; হামারস্ট্রাম, হারাল্ড; ফোস্কেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যার্থ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৩)। "Santali"গ্লোটোলগ। লিপজিগ: বিবর্তনীয় নৃতত্ত্বে ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট। 
  3. নোরধোফ, সেবাস্টিয়ান; হামারস্ট্রাম, হারাল্ড; ফোস্কেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যার্থ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৩)। "Mahali"গ্লোটোলগ। লিপজিগ: বিবর্তনীয় নৃতত্ত্বে ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট। 
  4. "Santhali". Ethnologue: Languages of the world.
  5. http://wesanthals.tripod.com/id45.html
  6. Hembram, Phatik Chandra (২০০২)। Santhali, a Natural Language (ইংরেজি ভাষায়)। U. Hembram। পৃষ্ঠা 165। 
  7. Kundu, Manmatha (১৯৯৪)। Tribal Education, New Perspectives (ইংরেজি ভাষায়)। Gyan Publishing House। পৃষ্ঠা 37। আইএসবিএন 9788121204477 
  8. "Ol Chiki (Ol Cemet', Ol, Santali)"Scriptsource.org। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৮ 
  9. "Distribution of the 22 Scheduled Languages"censusindia.gov.in। Census of India। ২০ মে ২০১৩। 
  10. "Glottolog 3.2 - Santali"glottolog.org (ইংরেজি ভাষায়)। 
  11. "Santali: Paharia language"Global recordings network (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  12. Syllabus for UGC NET Santali, Dec 2013

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • Byomkes Chakrabarti (1992). A comparative study of Santali and Bengali. Calcutta: K.P. Bagchi & Co. আইএসবিএন ৮১-৭০৭৪-১২৮-৯
  • Ghosh, A. (2008). Santali. In: Anderson, G. The Munda Languages. London: Routledge.
  • Hembram, P. C. (2002). Santali, a natural language. New Delhi: U. Hembram.
  • Newberry, J. (2000). North Munda dialects: Mundari, Santali, Bhumia. Victoria, B.C.: J. Newberry. আইএসবিএন ০-৯২১৫৯৯-৬৮-৪
  • Mitra, P. C. (1988). Santali, the base of world languages. Calcutta: Firma KLM.
  • Зограф Г. А. (1960/1990). Языки Южной Азии. М.: Наука (1-е изд., 1960).
  • Лекомцев, Ю. K. (1968). Некоторые характерные черты сантальского предложения // Языки Индии, Пакистана, Непала и Цейлона: материалы научной конференции. М: Наука, 311—321.
  • Grierson, George A. (১৯০৬)। Mundā and Dravidian languages। Linguistic Survey of India। Vol IV। Kolkata: Office of the Superintendent of Government Printing, India। 
  • Maspero, Henri. (1952). Les langues mounda. Meillet A., Cohen M. (dir.), Les langues du monde, P.: CNRS.
  • Neukom, Lukas. (2001). Santali. München: LINCOM Europa.
  • Pinnow, Heinz-Jürgen. (1966). A comparative study of the verb in the Munda languages. Zide, Norman H. (ed.) Studies in comparative Austroasiatic linguistics. London—The Hague—Paris: Mouton, 96–193.
  • Sakuntala De. (২০১১)। Santali : a linguistic study। Memoir (Anthropological Survey of India)। Kolkata: Anthropological Survey of India, Govt. of India,। 
  • Vermeer, Hans J. (1969). Untersuchungen zum Bau zentral-süd-asiatischer Sprachen (ein Beitrag zur Sprachbundfrage). Heidelberg: J. Groos.

অভিধান[সম্পাদনা]

ব্যাকরণ[সম্পাদনা]

  • Bodding, Paul O. 1929/1952. A Santal Grammar for the Beginners, Benagaria: Santal Mission of the Northern Churches (1st edition, 1929).
  • Cole, F. T. (১৮৯৬)। Santạli primer। Manbhum: Santal Mission Press। 
  • Macphail, R. M. (1953) An Introduction to Santali. Firma KLM Private Ltd.
  • Muscat, George. (1989) Santali: A New Approach. Sahibganj, Bihar : Santali Book Depot.
  • Skrefsrud, Lars Olsen (১৮৭৩)। A Grammar of the Santhal Language। Benares: Medical Hall Press। 
  • Saren, Jagneswar "Ranakap Santali Ronor" (Progressive Santali Grammar), 1st edition, 2012.

সাহিত্য[সম্পাদনা]

  • Pandit Raghunath Murmu (1925) ronor : Mayurbhanj, Odisha Publisher ASECA, Mayurbhanj
  • Bodding, Paul O., (ed.) (1923—1929) Santali Folk Tales. Oslo: Institutet for sammenlingenden kulturforskning, Publikationen. Vol. I—III.
  • Campbell, A. (১৮৯১)। Santal folk tales। Pokhuria, India: Santal Mission Press। 
  • Murmu, G., & Das, A. K. (1998). Bibliography, Santali literature. Calcutta: Biswajnan. আইএসবিএন ৮১-৭৫২৫-০৮০-১
  • Santali Genesis Translation 
  • The Dishom Beura, India's First Santali Daily News Paper. Publisher, Managobinda Beshra, National Correspondent: Mr. Somenath Patnaik

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]