বিরিয়ানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিরিয়ানি
Bangladeshi Biryani.jpg
বাংলাদেশি বিরিয়ানি
উৎপত্তি
উৎপত্তিস্থল দক্ষিণ এশিয়া
অঞ্চল আফগানিস্তান, বাহরাইন, বাংলাদেশ, ব্রুনেই, মায়ানমার, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, কুর্দিস্তান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুরশ্রীলংকা
খাবারের বিস্তারিত
প্রকার মূল খাবার
প্রধান উপকরণ চাল, মসলা, সবজি (মুলত আলু), মাংস অথবা ডিম), দই, সাথে আরও ঐচ্ছিক উপাদান (যেমনঃ শুকনো ফল)
ভিন্নতা অনেক
বার্মিজ বিরিয়ানি

বিরিয়ানি বা বিরানি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার প্রভৃতি দেশে প্রচলিত এক বিশেষ প্রকারের খাবার যা সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মশলা এবং মাংস মিশিয়ে রান্না করা হয়। এটি ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মাধ্যমে উৎপত্তি লাভ করে।[১] এটি সাধারনত বিশেষ অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নে পরিবেশিত হয়।

উৎপত্তি[সম্পাদনা]

উত্তর ভারতে, দিল্লির (মুঘলাই রন্ধনপ্রণালী) মুসলিম বসতিপূর্ণ স্থানগুলিতে বিরিয়ানি বিভিন্ন বৈচিত্র্যের উৎপত্তি লক্ষ করা যায়।

বিরিয়ানি ও পোলাও-এর মধ্যে পার্থক্য[সম্পাদনা]

তেহারী ও বিরিয়ানির মধ্যে পার্থক্য[সম্পাদনা]

তেহারীর সাথে এর মুল পার্থক্য হলো বিরিয়ানিতে মাংসের টুকরা বেশ বড় হয়।

প্রস্তুতপ্রণালী[সম্পাদনা]

বিরিয়ানির চাল কখনও কখনও সেদ্ধ করা হয় না। বিরিয়ানির চাল সবসময়েই লম্বা বা চিকন প্রকারের যেমনঃ বাসমতী বা কালিজিরা চাল ব্যবহার করা হয়। বিরিয়ানির চাল প্রথমে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া হয়। তারপর তা বেশ কয়েকঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা হয়। তারপর চালে গরমমশলা মেশানো হয়। ম্যারিনেট করা মাংসের বড় টুকরো তা সে মুরগি হোক বা খাসি বা গরু‌‌, চালে মেশানো হয়। হাঁড়িতে চাল ও মাংস স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখা হয়, দুটি স্তরের মধ্যে ঘি দেওয়া হয়। এছাড়াও নানারকম মশলা মেশানো হয়। শেষে হাঁড়ির মুখ আটা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিরিয়ানিতে আলু ও আলুবোখরা, দই ব্যবহার করা হয়।

বিভিন্নতা[সম্পাদনা]

অঞ্চল বা সংস্কৃতিভিত্তিক[সম্পাদনা]

  • পাঞ্জাবি মুর্গ বিরিয়ানি
  • ক্যালকাটা বিরিয়ানি
  • কাচ্চি বিরিয়ানি (ঢাকা)
  • মুরগ পুলাও (ঢাকা)

পরিবেশনা[সম্পাদনা]

পুষ্টিমাণ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Karan, Pratibha (২০১২-০৬-০১)। Biryani (ইংরেজি ভাষায়)। Random House India। আইএসবিএন 9788184002546