কৃষ্ণনগর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
কৃষ্ণনগর
শহর
রাজপ্রাসাদের বহির্ভাগ
রাজপ্রাসাদের বহির্ভাগ
কৃষ্ণনগর পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
কৃষ্ণনগর
কৃষ্ণনগর
পশ্চিমবঙ্গ, ভারতে অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°২৪′উত্তর ৮৮°৩০′পূর্ব / ২৩.৪° উত্তর ৮৮.৫° পূর্ব / 23.4; 88.5স্থানাঙ্ক: ২৩°২৪′উত্তর ৮৮°৩০′পূর্ব / ২৩.৪° উত্তর ৮৮.৫° পূর্ব / 23.4; 88.5
দেশ  ভারত
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
জেলা নদিয়া
সরকার
 • সংসদ সদস্য তাপস পাল
উচ্চতা ১৪ মিটার (৪৬ ফুট)
জনসংখ্যা (2001)
 • মোট ১,৩৯,০৭০
ভাষা
 • অফিসিয়াল বাংলা, ইংরেজি
সময় অঞ্চল আইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)

কৃষ্ণনগর (ইংরেজি:Krishnanagar), ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদিয়া জেলার সদর শহর ও পৌরসভা এলাকা। কৃষ্ণনগরের কুমোরটুলির মাটির পুতুল ও মূর্তি পশ্চিমবঙ্গের শ্রেষ্ঠ কুটির শিল্পগুলির অন্যতম। এটি বর্তমানে নদিয়া জেলার প্রধান বানিজ্যকেন্দ্র ও প্রাচীন বাংলার অন্যতম শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর বলে পরিচিত। কৃষ্ণনগরের বারদোলের মেলা বাংলার অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মেলা। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র এই মেলার প্রবর্তক হিসাবে জানা যায়।

ইতিহাস ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি ও বিদ্যোৎসাহী রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নামানুসারে এই স্থান কৃষ্ণনগর নামে খ্যাত। অতীতে এই জায়গার নাম ছিল রেউই। নদিয়া রাজপরিবারের শ্রেষ্ঠ পুরুষ রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজধানী ছিল কৃষ্ণনগর। তিনি বিদ্বানসংস্কৃত ও ফার্সিভাষায় শিক্ষিত, সংগীতরসিক ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ছিলেন শাক্তপদাবলিকার রামপ্রসাদ সেনঅন্নদামঙ্গল কাব্য প্রণেতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, হাস্যরসিক গোপাল ভাঁড় প্রমুখ বাংলার প্রবাদপ্রতিম গুণী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষক। তার চেষ্টায় এই স্থানে গুনী ব্যক্তিদের সমাবেশ হয় এবং কৃষ্ণনগর বাংলার সংস্কৃতিচর্চার পীঠস্থান হয়ে ওঠে। কৃষ্ণনগরের জগদ্বিখ্যাত মৃৎশিল্পের সূত্রপাত ও জগদ্ধাত্রী পূজার প্রচলন তার সময়ে তারই উদ্যোগে ঘটেছিল। কৃষ্ণনগর পৌরসভা ১৮৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ২৩°২৪′উত্তর ৮৮°৩০′পূর্ব / ২৩.৪° উত্তর ৮৮.৫° পূর্ব / 23.4; 88.5[১] সমূদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ১৪ মিটার (৪৫ ফুট)।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে কৃষ্ণনগর শহরের জনসংখ্যা হল ১৩৯,০৭০ জন।[২] এর মধ্যে পুরুষ ৫১%, এবং নারী ৪৯%।

এখানে সাক্ষরতার হার ৭৯%, । পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৩%, এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭৫%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে কৃষ্ণনগর এর সাক্ষরতার হার বেশি।

এই শহরের জনসংখ্যার ৯% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

ধর্মবিশ্বাস[সম্পাদনা]


Circle frame.svg

কৃষ্ণনগরের ধর্মবিশ্বাস (২০১১)[৩]

  হিন্দুধর্ম (৯০.৮২%)
  ইসলাম (৫.৯৮%)
  শিখধর্ম (০.০৪%)
  জৈন ধর্ম (০.০১%)
  অন্যান্য (০.০৬%)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Krishnanagar"Falling Rain Genomics, Inc। সংগৃহীত অক্টোবর ৭, ২০০৬ 
  2. "ভারতের ২০০১ সালের আদম শুমারি"। সংগৃহীত অক্টোবর ৭, ২০০৬ 
  3. "Krishnanagar Religion 2011"। সংগৃহীত ২৩ মার্চ ২০১৭