উত্তর দিনাজপুর জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
উত্তর দিনাজপুর জেলা
উত্তর দিনাজপুর জেলা
পশ্চিমবঙ্গের জেলা
পশ্চিমবঙ্গে উত্তর দিনাজপুরের অবস্থান
পশ্চিমবঙ্গে উত্তর দিনাজপুরের অবস্থান
দেশভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
প্রশাসনিক বিভাগমালদা
সদরদপ্তররায়গঞ্জ
তহশিল
সরকার
 • লোকসভা কেন্দ্ররায়গঞ্জ
 • বিধানসভা আসনচোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার
আয়তন
 • মোট৩১৪০ কিমি (১২১০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট৩০,০৭,১৩৪
 • ঘনত্ব৯৬০/কিমি (২৫০০/বর্গমাইল)
জনতাত্ত্বিক
 • সাক্ষরতা৫৯.০৭
 • লিঙ্গানুপাত৯৩৯
প্রধান মহাসড়ক৩১ নং জাতীয় সড়ক, ৩৪ নং জাতীয় সড়ক
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট

উত্তর দিনাজপুর জেলা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা বিভাগের একটি জেলা। এই জেলার জন্ম হয় ১৮ই চৈত্র ১৩৯৮ বঙ্গাব্দে (১৯৯২ সালের ১লা এপ্রিল), পুর্ব্বতন দিনাজপুর জেলাকে দুটি ভাগে বিভক্ত করে। এটি রায়গঞ্জ মহকুমা এবং ইসলামপুর মহকুমা নিয়ে গঠিত, রায়গঞ্জ এই জেলার জেলাসদর৷

নামকরণ[সম্পাদনা]

জনশ্রুতি আছে জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার নামানুসারেই রাজবাড়ীতে অবস্থিত মৌজার নাম হয় দিনাজপুর, যা বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থিত৷ পরবর্তীতে ব্রিটিশরা রাজার সম্মানে জেলার নামকরণ করে দিনাজপুর। দেশভাগের পর দিনাজপুর জেলার পশ্চিমাংশ পশ্চিম দিনাজপুর নামে পশ্চিবঙ্গে যুক্ত হলে পরে তার উত্তরাংশ এবং বিহারের কিশানগঞ্জের ইসলামপুর অঞ্চলকে এক করে উত্তর দিনাজপুর জেলার আত্মপ্রকাশ ঘটে৷

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জেলার ইতিহাস প্রায় দু'হাজার বছর পুরানো৷ পৌরাণিক, ঐতিহাসিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃৃতিক, প্রাকৃৃৃতিক হম্পদে পরিপূর্ণ উত্তর দিনাজপুর জেলাটি সেন, পাল, মৌর্য ও ইসলামিক শাসনের ঐতিহ্য ও ব্রিটিল বিরোধী কার্যকলাপের স্মৃৃতি বহন করে চলেছে৷

প্রাক-ইসলামিক যুগ[সম্পাদনা]

প্রাচীনকালে অবিভক্ত দিনাজপুর জেলা পুণ্ড্র সাম্রাজ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলো৷ জনমতানুসারে, উচ্চবর্ণ পুণ্ড্ররা প্রাচীন ঐতরেয় ব্রাহ্মণদের উত্তরসূরী৷ পুণ্ড্রদের অস্তিত্ব হরিবংশমমহাভারতের প্রাথমিক পর্যায়গুলোতে পাওয়া যায়৷ ঐতিহাসিকদের মতে পুন্ড্রবর্দ্ধন সাম্রাজ্যের রাাজধানী মহাস্থানগড়ের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বগুড়া জেলার করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে পাওয়া যায়৷ সাম্রাজ্যের অন্য নগরগুলি হল পুন্ডনগর ও কোটিবর্ষ৷ হিন্দু শাস্ত্র মতে, শ্রীকৃৃষ্ণ দ্বারা বানরাজার হত্যার পর রাজা বিরাট কোটিবর্ষ অঞ্চলের শাসনভার গ্রহণ করেন যা বর্তমান উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ অঞ্চলের বিস্তৃত অংশ৷ বিরাট রাজ্যের রাজধানী পরে অাবার স্থানান্তরিত করা হয়, স্থানান্তরিত রাজধানীটি বর্তমানে দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের বাইরহট্ট অঞ্চলে বলে অনুমান করা হয়৷

মুলতঃ মৌর্য শাসনকালে নির্দিষ্ট করে এই অঞ্চলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়৷ পুরানমতে, রাজা পুত্রাকের স্ত্রী পাটলি জাদুবলে এই অঞ্চল সুসজ্জিত করেন এবং নাম রাখেন পাটলিগ্রাম[১] পরবর্তীকালে সমগ্র অঞ্চল গৌড় সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় ও রাজা গণেশের সময় বিখ্যাত শিল্পস্থানে পরিণত হয়৷ তবে গুপ্ত, পাল, ও সেন যুগে প্রামাণ্য কোনো স্থাপত্য বা শিলালেখ আবিষ্কৃত না হলেও বিভিন্ন নথির মাধ্যমে বোঝা যায় যে অঞ্চলগুলি উক্ত শাসনকালেও খ্যাত ছিলো৷

ইসলামিক শাসনকাল[সম্পাদনা]

১২০৪ খ্রীষ্টাব্দে তুর্কী সেনানায়ক ইখ্তিয়ার উদ্দিন মহম্মদ বিন বখ্তিয়ার খিলজী নবদ্বীপ আক্রমণ করলে গৌড়রাজ লক্ষ্মণসেন মাত্র ১৮ জন সৈনিকের ভয়ে অাত্মসমর্পণ করেন৷ পরে খিলজী দেবকোটে রাজধানী স্থাপন করেন ও বরেন্দ্র ভূমি অঞ্চল প্রভুত্ব বিস্তার করেন৷ পরে ১২০৬ সনে সহস্র সৈন্য নিয়ে তিব্বতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন৷

এরপর আলি মর্দন খিলজীমহম্মদ সিরান খিলজী লক্ষণাবতীর সিংহাসনে বসেন৷ দিনাজপুরের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে আলি মর্দন দেওয়ান নিয়োগ হলে ১২১০ সনে হামিম উদ্দিন ইওয়াজ তাকে হত্যা করে পরবর্তী ১৪ বছরের শাসনভার গ্রহণ করেন৷ তার শাসনকালে রাজধানী আবার দেবকোট থেকে গৌড়-লক্ষ্মণাবতীতে স্থানান্তরিত করা হয়৷ ১২২৭ সনে দিল্লীর সুলতান ইলতুতমিসের জ্যেষ্ঠ পুত্র নসির উদ্দিন; হাসিম উদ্দিন ইওয়াজকে পরাজিত করেন ও ১২৮৭ অবধি পরবর্তী ৬০ বছর শাসন করেন৷ গিয়াস উদ্দিন বলবনের পুত্র বুগরা খানের নেতৃত্বে গৌড় অঞ্চল দিল্লীর শাসনবহির্ভূত একটি পৃৃথক রাজ্যে রূপান্তরিত হয়৷ ১৩২৮ সনে মহম্মদ বিন তুঘলক বাংলায় শাসন কায়েম করলে শাসনের সুবিধার্থে তিনটি খণ্ড তথা লক্ষ্মণাবতী, সাতগাঁও ও সোনারগাঁও অঞ্চলে বিভক্ত করেন৷ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর গাজী ইলিয়াস শাহ ১৪৮৭ সন অবধি শাসন করেন৷ এরপর ১৪৯৩ সনে আলাউদ্দিন হুসেইনকে বাংলার নবাব ঘোষনা করা হলে তিনিই এই অঞ্চলে প্রথম দক্ষ সরকার গঠন করেন৷ ১৫৮৫ সনে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা আক্রমণ করেন৷ মুঘল শাসন চালু হওয়ার পর দিনাজপুরে জমিদার প্রথা প্রচলন হলেও এই দুশত বছরে বিশেষ কোনো উন্নতি হয়নি এসময় পশ্চিম দিনাজপুর তাজপুরপানজারা সরকার ও ইসলামপুর অঞ্চল পূর্ণিয়াহ্ পরগণার অংশ ছিলো৷

ব্রিটিশ শাসনকাল ও স্বাধীনতা যুদ্ধ[সম্পাদনা]

১৭৬৫ খ্রীষ্টাব্দে যখন বাংলার দেওয়ানী ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয় তখন থেকে দিনাজপুর ব্রিটিশ শাসনের আওতাভুক্ত হয়৷ ব্রিটিশ শাসনের প্রথম দিকে মালদহের বামনগোলার মদনাবতীতে প্রথম নীল কারখানা স্থাপিত হয়৷ ১৭৯৮ খ্রীষ্টাব্দে উইলিয়াম কেরি কলকাতার পর প্রথম এই অঞ্চলে বাংলাতে বই ছাপানো শুরু করেন কিন্তু ১৭৯৯ তে নীল কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়৷

অষ্টাদশ শতকের মধ্যেই সন্নাসী ফকিরদের জমি জায়গা দিয়ে দিনাজপুরে বিভিন্ন স্থানে বসতি করে দেওয়া হয়৷ পরে তারাই আবার সাধারণ মানুষর ওপর লুঠতরাজ শুরু করলে ইষ্ট ইন্ডিয়া কম্পানির তত্তাবধানে তার অবসান ঘটে৷

১৮৫৭ সনের সিপাহী বিদ্রোহ বা নবজাগরণের সময় এই জেলা নিজ স্থান অক্ষুন্ন রাখে৷ ১৯০৫ খ্রীষ্টাব্দে প্রথমবার বঙ্গভঙ্গের সময় এই জেলার জনগণ প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেঅন্যান্য বাঙালী ভাই বোনেদের মতোই৷ লাল মোহন ঘোষের নেতৃৃত্বে বৎসরকালীন বয়কট তথা জেলা রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামীনস্তরের সরকারী নীতির বিরোধীতা চলতে থাকে৷ মহারাজা গিরিজানাথ রায় তাকে সম্পুর্ণ সমর্থন করেন৷ ইংরেজ সরকারের প্রতিপক্ষ তৈরীর জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে অনুশীলন সমিতি ও ব্রতী সমিতি গড়ে তোলা হয়৷

১৯১৯ সনে জাতীয় কংগ্রেসের সহযোগীতায় সমান্তরাল প্রশাসন তৈরী করা হয় ও ১৯২৪ সনে শ্রী পুর্ণচণ্দ্র দাস গ্রেপ্তার হন৷ স্বরাজ্য দল বালুরঘাট ও দিনাজপুরের আসন দখল করতে সক্ষম হয় ও ১৯২৮ এ সাইমনে কমিশনের বিরূদ্ধে সমগ্র জেলাজুড়ে বন্ধ ঘোষিত হয়৷ ১৯৪২ এ পুর্ণচন্দ্র দাসের গ্রেপ্তার সহ তেভাগা ও অসহযোগ আন্দোলনে রায়গঞ্জ, ইটাহার অগ্নিরূপ ধারণ করে৷ অতঃপর জেলাভাগ ও চরম বিশৃৃঙ্খলার সহিত ভারত স্বাধীন রাষ্ট্রের অংশ হিসাবে পশ্চিম দিনাজপুরের অাাত্মপ্রকাশ ঘটে৷

স্বাধীনতা ও তার পরবর্তী[সম্পাদনা]

দিনাজপুর জেলা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ হয় ১৯৪৭ সাালে বাংলা ভাগের সময়৷ বালুরঘাট, রায়গঞ্জগঙ্গারামপুর মহকুমা ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রে যুক্ত হলেও বাকী দিনাজপুর ও পূর্ববঙ্গে দ্বিখণ্ডিত থাকে দিনাজপুররাজশাহীর মধ্যে।

১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের সঙ্গে বিহারের বাঙালী-সুরজাপুরী অঞ্চল ইসলামপুর মহকুমা যুক্ত করা হয়৷ ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে জেলাটির উত্তর অংশ পৃৃথক করে ৩১৪০ বর্গকিলোমিটার আয়তনবিশিষ্ট উত্তর দিনাজপুর জেলার আত্মপ্রকাশ ঘটে৷

ঐতিহাসিক আন্দোলন[সম্পাদনা]

ভূপ্রকৃৃতি[সম্পাদনা]

উত্তর দিনাজপুর জেলার মাটিকে মুলতঃ তিন প্রকারে বিভক্ত করা যায় যথা; পুরানো পললমৃৃত্তিকা, মধ্যবর্তী পললমৃৃত্তিকা, নবীন পললমৃত্তিকা দিয়ে গঠিত ভূমি৷ পুরানো পললমৃৃত্তিকা অঞ্চলে এঁটেলদোঁয়াশ মাটির রূপভেদ স্পষ্ট৷ মাটির বর্ণ গাঢ় এবং প্রশম অথবা ঈষৎ আম্লিক প্রকৃতির৷ জেলাটি সাধারণভাবে সমতল হলেও উত্তর থেকে দক্ষিণে সামান্য ঢালু, এর ফলস্বরূপ মুল নদীগুলির অভিমুখও উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী৷

বনভূমি[সম্পাদনা]

উত্তর দিনাজপুর জেলার মাত্র ১০ বর্গকিলোমিটার ক্ষেত্রফল বনভূমি আচ্ছাদিত৷ বনভুমিগুলি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করলেও কুলিক নদীর তীর বরাবর ও জেলাটির দক্ষিণপ্রান্তে উপস্থিতি অধিক৷ কুলিক পাখিরালয় একটি অন্যতম আকর্ষণ৷

কৃৃষিভূমি[সম্পাদনা]

ধান এই জেলার মূল উৎপাদন৷ বিস্তৃৃত ২৭০০ বর্গকালোমিটার অঞ্চলে চাষ হয় যার অধিকাংশ দূই-ফসলি জমি৷ এছাড়া গবাদিপশুর চারণক্ষেত্র রয়েছে৷

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

উত্তর দিনাজপুর একটি কৃষাপ্রধান, এবং খনিজ অপ্রতুল জেলা৷ ধানচাষের জন্য জেলাটি স্বনানধন্য; কিছু বিখ্যাত চালের প্রকারগুলি হলো তুলাইপঞ্জি, ঝিঙাশাল, পারিজাত ইত্যাদি৷ বাগত কিছু বছর ধরে সরকারী উদ্যোগে করণদিঘি, রায়গঞ্জ, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জে ভুট্টাচাষে উন্নতিসাধন সম্ভব হয়েছে৷ ভুট্টাকে কেন্দ্র করে জেলাটিতে ছোটো ছোটো কিছু খাদ্য প্রক্রিয়াকরণকেন্দ্র গড়ে উঠেছে৷ প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার ক্ষেত্রবিশিষ্ট পাটচাষের জমি রয়েছে যা কৃৃষিজ সর্বাধিক আয় বহন করে৷ প্রতিটি ব্লকেই উন্নতমানের পাটচাষ হয়৷ পাটকে কেন্দ্র করে কিছু কুটিরশিল্পকেন্দ্র গড়ে উঠেছে৷ জেলাটির উত্তরভাগে আনারসের চাষ উৎকৃৃষ্ট, তা থেকে জেলি,আচার ইত্যাদি প্রক্রিয়া হয়৷ এছাড়াও প্লাস্টিক শিল্প, গুঁড়ো মশলা প্রস্তুতি এবং ইসলামপুর ও চোপড়াতে চা-এর বাজার উল্লেখযোগ্য৷

কৃৃষি ছাড়াও পর্যটন, ধর্মীয়ক্ষেত্র ও প্রাকৃৃতিক সৌন্দর্য জেলাটির অর্থনীতির অন্যতম উৎস৷

অবস্থান ও জনসংখ্যা[২][সম্পাদনা]

  • জেলাটির উত্তরে : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলাবাংলাদেশ রাষ্ট্র
  • জেলাটির উত্তর পূর্বে(ঈশান) : বাংলাদেশ রাষ্ট্র
  • জেলাটির পূর্বে : বাংলাদেশ রাষ্ট্র
  • জেলাটির দক্ষিণ পূর্বে(অগ্নি) : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা
  • জেলাটির দক্ষিণে : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলা
  • জেলাটির দক্ষিণ পশ্চিমে(নৈঋত) : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলাবিহার রাজ্য
  • জেলাটির পশ্চিমে : বিহার রাজ্য
  • জেলাটির উত্তর পশ্চিমে(বায়ু) : বিহার রাজ্য
  • অক্ষাংশ: ২৫ ডিগ্রী ১৫' ৩৫" উঃ থেকে ২৬ ডিগ্রী ৩৫' ১৫" উঃ
  • দ্রাঘিমাংশ: ৮৭ ডিগ্রী ৪৮' ৩৭" পূঃ থেকে ৮৮ ডিগ্রী ৩৩' ১৯" পূঃ
  • জেলার আয়তন: ৩১৪০ বর্গ কিমি
  • রাজ্যের জেলায়তনভিত্তিক ক্রমাঙ্ক : ২৩ টি জেলার মধ্যে ১৫তম
  • জেলার আয়তনের অনুপাত : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ৩.৫৪% অায়তন
  • মোট জনসংখ্যা (২০০১ জনগণনা): ২৪৪১৭৯৪ (২০১১ জনগণনা): ৩০০৭১৩৪
  • রাজ্যে জনসংখ্যাভিত্তিক ক্রমাঙ্ক : ২৩ টি জেলার মধ্যে ১৪তম
  • জেলার জনসংখ্যার অনুপাত : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ৩.২৯% লোক উত্তর দিনাজপুর জেলাতে বাস করেন ৷
  • জেলার জনঘনত্ব : ২০০১ সালে ৭৭৮ এবং ২০১১ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৯৫৮ হয়েছে
  • জেলার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ২০০১-২০১১ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বৃৃদ্ধির হার ২৩.১৫% , যা ১৯৯১-২০১১ সালের ২৮.৭২% বৃদ্ধির হারের থেকে কম ৷
  • লিঙ্গানুপাত : ২০১১
    • সমগ্র : ৯৩৯
    • শিশু(০-৬ বৎ) : ৯৫৩
  • স্বাক্ষরতা : ৪৭.৮৯%(২০০১) ৫৯.০৭%(২০১১)
    • পুরুষ : ৫৮.৪৮%(২০০১) ৬৫.৫২%(২০১১)
    • নারী : ৩৬.৫১%(২০০১) ৫২.১৭% (২০১১)
  • শিশুর অনুপাত : সমগ্র জনসংখ্যার ১৬.১৩%

ভাষা[সম্পাদনা]

উত্তর দিনাজপুর জেলার ভাষাসমূহ ২০১১ [৩].[৪]

  বাংলা (৬৮.০৬%)
  সুরজাপুরী (১৩.২২%)
  উর্দু (৯.৪৮%)
  সাঁওতালি (৩.৭৭%)
  হিন্দী (৩.৭৬%)
  সাদরি (০.৪১%)
  অন্যান্য (১.৩০%)

সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক অনুযায়ী ভাষাভিত্তিক তালিকাবদ্ধ জনসংখ্যা নিম্নরূপ :

ইসলামপুর মহকুমা[সম্পাদনা]

ইসলামপুর মহকুমাটিতে সর্বাধিক প্রচলিত ভাষাটি হলো বাংলা যা সমগ্র মহকুমার ১৬৬৯৮৯৫ জনের মধ্যে ৮২২০৩৪(৪৯.২৩%) জনের মাতৃভাষা৷ এছাড়া মহকুমাটিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রচলিত ভাষাটি হলো সুরজাপুরী যা সমগ্র মহকুমার ৩৯৫১৩৮(২৩.৬৬%) জনের মাতৃৃভাষা এবং তৃতীয় বৃহত্তম প্রচলিত ভাষাটি হলো উর্দু যা সমগ্র মহকুমার ২৮৩৯৬৬(১৭.০১%) জনের মাতৃভাষা।

ক্রম সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের নাম সর্বমোট জনসংখ্যা - ২০১১ সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা তৃৃতীয় সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা চতুর্থ সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা অন্যান্য ভাষাসমূহের জনসংখ্যা পাই চিত্র
ইসলামপুর ৩০৮৫১৮ সুরজাপুরী - ১৭৬৮৩৭ (৫৭.৩২%) বাংলা - ৯১৮৮৪ (২৯.৭৮%) উর্দু - ২৬০২৬ (৮.৪৪%) সাঁওতালি - ৭৬১০ (২.৪৭%) হিন্দী - ৪৭১৯ (১.৫৩%), অন্যান্য - ১৪৬১

ইসলামপুর এ ভাষার পাই চিত্র

  সুরজাপুরী (৫৭.৩২%)
  বাংলা (২৯.৭৮%)
  উর্দু (৮.৪৪%)
  সাঁওতালি (২.৪৭%)
  হিন্দী (১.৫৩%)
  অন্যান্য (০.৪৬%)
করণদিঘি ৩৬৮৩৩২ বাংলা - ২৮৯১৯৫ (৭৮.৫১%) সাঁওতালি - ২৩৩৯০ (৬.৩৫%) সুরজাপুরী - ২৩১৭১ (৬.২৯%) হিন্দী - ১৬০১০ (৪.৩৫%) উর্দু - ৫০৯৬ (১.৩৮%), সাভারা - ৩৪৩৮ (০.৯৩%), পাঞ্জাবি - ২৭১৯ (০.৭৪%), অন্যান্য - ৫৩১৩

করণদিঘি এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৭৮.৫১%)
  সাঁওতালি (৬.৩৫%)
  সুরজাপুরী (৬.২৯%)
  হিন্দী (৪.৩৫%)
  উর্দু (১.৩৮%)
  সাভারা (০.৯৩%)
  পাঞ্জাবি (০.৭৪%)
  অন্যান্য (১.৪৫%)
গোয়ালপোখর-১ ৩২৬১২০ উর্দু - ১৫৪৯৭৫ (৪৭.৫২%) বাংলা - ১০১৫২৭ (৩১.১৩%) সুরজাপুরী - ৪৯৩৫৫ (১৫.১৩%) সাঁওতালি - ৯৭৩৮ (২.৯৯%) হিন্দী - ৮৩০২ (২.৫৫%), অন্যান্য - ২২২৩

গোয়ালপোখর-১ এ ভাষার পাই চিত্র

  উর্দু (৪৭.৫২%)
  বাংলা (৩১.১৩%)
  সুরজাপুরী (১৫.১৩%)
  সাঁওতালি (২.৯৯%)
  হিন্দী (২.৫৫%)
  অন্যান্য (০.৬৮%)
গোয়ালপোখর-২ ২৯১২৫২ বাংলা - ১২৪৩৩২ (৪২.৬৯%) উর্দু - ৮৭৪৯৬ (৩০.০৪%) সুরজাপুরী - ৪৬৫৩৪ (১৫.৯৮%) সাঁওতালি - ১৫১০২ (৫.১৯%) হিন্দী - ১৪০৭১ (৪.৮৩%), অন্যান্য - ৩৭১৭

গোয়ালপোখর-২ এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৪২.৬৯%)
  উর্দু (৩০.০৪%)
  সুরজাপুরী (১৫.৯৮%)
  সাঁওতালি (৫.১৯%)
  হিন্দী (৪.৮৩%)
  অন্যান্য (১.২৭%)
চোপড়া ২৮৪৪০৩ বাংলা - ১৬০৫৫০ (৫৬.৪৫%) সুরজাপুরী - ৯৪৯৮৭ (৩৩.৪০%) হিন্দী - ৭৬৯০(২.৭০%) সাঁওতালি - ৭৬৩৯ (২.৬৯%) সাদরি - ৬৬৮৪ (২.৩৬%), ওরাওঁ - ২০২২ (০.৭১%), অন্যান্য - ৪৮৩১

চোপড়া এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৫৬.৪৫%)
  সুরজাপুরী (৩৩.৪০%)
  হিন্দী (২.৭০%)
  সাঁওতালি (২.৬৯%)
  সাদরি (২.৩৬%)
  ওরাওঁ (০.৭১%)
  অন্যান্য (১.৬৯%)
ইসলামপুর পৌরসভা ৫৪৩৪০ বাংলা - ২৭২৩৬ (৫০.১২%) হিন্দী - ১৪৫১২ (২৬.৭১%) উর্দু - ৮৭৫৮ (১৬.১২%) সুরজাপুরী - ৩১৩০ (৫.৭৬%) অন্যান্য - ৭০৪

ইসলামপুর পৌরসভা এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৫০.১২%)
  হিন্দী (২৬.৭১%)
  উর্দু (১৬.১২%)
  সুরজাপুরী (৫.৭৬%)
  অন্যান্য (১.২৯%)
ডালখোলা পৌরসভা ৩৬৯৩০ বাংলা - ২৭৩১০ (৭৩.৯৫%) হিন্দী - ৬৩২৪ (১৭.১২%) সুরজাপুরী - ১১২৪ (৩.০৪%) উর্দু - ৯১৬ (২.৪৮%) সাঁওতালি - ৯০১ (২.৪৪%), অন্যান্য - ৩৫৫

ডালখোলা পৌরসভা এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৭৩.৯৫%)
  হিন্দী (১৭.১২%)
  সুরজাপুরী (৩.০৪%)
  উর্দু (২.৪৮%)
  সাঁওতালি (২.৪৪%)
  অন্যান্য (০.৯৭%)

রায়গঞ্জ মহকুমা[সম্পাদনা]

রায়গঞ্জ মহকুমাটিতে সর্বাধিক প্রচলিত ভাষাটি হলো বাংলা যা সমগ্র মহকুমার ১৩৩৭২৩৯ জনের মধ্যে ১২২৪৬৩২(৯১.৫৮%) জনের মাতৃভাষা৷

ক্রম সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের নাম সর্বমোট জনসংখ্যা - ২০১১ সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা তৃৃতীয় সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা চতুর্থ সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা অন্যান্য ভাষাসমূহের জনসংখ্যা পাই চিত্র
রায়গঞ্জ ৪৩০২২১ বাংলা - ৩৮৯৭৯২ (৯০.৬০%) সাঁওতালি - ১৬৫৮৫ (৩.৮৫%) হিন্দী - ১১০৫৯ (২.৫৭%) সাভারা - ৩৫২১ (০.৮২%) অন্যান্য - ৯২৬৪

রায়গঞ্জ এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৯০.৬০%)
  সাঁওতালি (৩.৮৫%)
  হিন্দী (২.৫৭%)
  সাভারা (০.৮২%)
  অন্যান্য (২.১৬%)
হেমতাবাদ ১৪২০৫৬ বাংলা - ১৩৫৮৩৬ (৯৫.৬২%) সাঁওতালি - ৪১৭৮ (২.৯৪%) হিন্দী - ১৫১২ (১.০৬%) অন্যান্য -৫৩০

হেমতাবাদ এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৯৫.৬২%)
  সাঁওতালি (২.৯৪%)
  হিন্দী (১.০৬%)
  অন্যান্য (০.৩৮%)
কালিয়াগঞ্জ ২২৪১৪২ বাংলা - ২১১৭৫৯ (৯৪.৪৮%) সাঁওতালি - ৭০৯২ (৩.১৬%) সাদরি - ২০৮০ (০.৯৩%) হিন্দী - ১৯৩৪ (০.৮৬%) অন্যান্য - ১২৭৭

কালিয়াগঞ্জ এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৯৪.৪৮%)
  সাঁওতালি (৩.১৬%)
  সাদরি (০.৯৩%)
  হিন্দী (০.৮৬%)
  অন্যান্য (০.৫৭%)
ইটাহার ৩০৩৬৭৮ বাংলা - ২৭৯১৮৭ (৯১.৯৪%) সাঁওতালি - ১৯২৭১ (৬.৩৫%) হিন্দী - ৩০৫১ (১.০১%) অন্যান্য - ২১৬৯

ইটাহার এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৯১.৯৪%)
  সাঁওতালি (৬.৩৫%)
  হিন্দী (১.০১%)
  অন্যান্য (০.৭০%)
রায়গঞ্জ পৌরসভা ১৮৩৬১২ বাংলা - ১৫৬৫৫১ (৮৫.২৬%) হিন্দী - ২৩১০৩ (১২.৫৮%) অন্যান্য - ৩৯৫৮

রায়গঞ্জ পৌরসভা এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৮৫.২৬%)
  হিন্দী (১২.৫৮%)
  অন্যান্য (২.১৬%)
কালিয়াগঞ্জ পৌরসভা ৫৩৫৩০ বাংলা - ৫১৫০৭ (৯৬.২২%) সাঁওতালি - ৯৯৬ (১.৮৬%) হিন্দী - ৭৬৬ (১.৪৩%) অন্যান্য - ২৬১

কালিয়াগঞ্জ পৌরসভা এ ভাষার পাই চিত্র

  বাংলা (৯৬.২২%)
  সাঁওতালি (১.৮৬%)
  হিন্দী (১.৪৩%)
  অন্যান্য (০.৪৯%)

ধর্ম[সম্পাদনা]

উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ২০১১ [৫]

  হিন্দুধর্ম (৪৯.৩১%)
  ইসলাম (৪৯.৯২%)
  অন্যান্য (০.২১%)

সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা নিম্নরূপ[৬] -

ইসলামপুর মহকুমা[সম্পাদনা]

ক্রম সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের নাম সর্বমোট জনসংখ্যা ২০১১ - ১৬৬৯৮৯৫ হিন্দু ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ৫৮১৬৭২ (৩৪.৮৩%) ইসলাম ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ১০৭২৮২২ (৬৪.২৫%) খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ১২০৭৩ (০.৭২%) শিখ ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ২১১ (০০.০১%) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ২২৫ (০০.০১%) জৈন ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ৯৬৩ (০০.০৬%) অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ১৯২৯ (০০.১২%) সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্ম ২০১১ - ইসলাম
চোপড়া ২৮৪৪০৩ ৯৬৪৬৯ (৩৩.৯২%) ১৮২০৫০ (৬৪.০১%) ৫২৩৫ (১.৮৪%) ৫৭ (০.০২%) ১০৮ (০.০৪%) ২৯ (০.০১%) ৪৫৫ (০.১৬%) ইসলাম
ইসলামপুর ৩০৮৫১৮ ৮৫০৩৯ (২৭.৫৬%) ২২২৫৪৮ (৭২.১৪%) ৭৮১ (০.২৫%) ১৬ ৩১ (০.০১%) ৯৮ (০.০৩%) ইসলাম
গোয়ালপোখর-১ ৩২৬১২০ ৭২৪৯২ (২২.২৩%) ২৫১৯৬৫ (৭৭.২৬%) ৬৭৬ (০.২১%) ৬৮ (০.০২%) ৩৭ (০.০১%) ৪১ (০.০১%) ৮৪১ (০.২৬%) ইসলাম
গোয়ালপোখর-২ ২৯১২৫২ ১০০৫৪৬ (৩৪.৫২%) ১৮৬৮১৮ (৬৪.১৪%) ৩৩৪৮ (১.১৫%) ২৩ (০.০১%) ১০ ২৩৯ (০.০৮%) ২৬৮ (০.০৯%) ইসলাম
করণদিঘি ৩৬৮৩৩২ ১৬৮৪৬২ (৪৫.৭৪%) ১৯৭৮৩২ (৫৩.৭১%) ১৪৬০ (০.৪০%) ৩১ (০.০১%) ২২ ৫১৬ (০.১৪%) ইসলাম
ইসলামপুর পৌরসভা ৫৪৩৪০ ৩৬৭৪৯ (৬৭.৬৩%) ১৭০০৮ (৩১.৩০%) ২১৯ (০.৪০%) ১১ (০.০২%) ২৮ (০.০৫%) ২৩৮ (০.৪৪%) ৮৭ (০.১৬%) হিন্দু
ডালখোলা পৌরসভা ৩৬৯৩০ ২১৫১৫ (৫৮.২৬%) ১৪৬০১ (৩৯.৫৪%) ৩৫৪ (০.৯৬%) ৫ (০.০১%) ১৫ (০.০৪%) ৩৭৬ (১.০২%) ৬৪ (০.১৭%) হিন্দু

রায়গঞ্জ মহকুমা[সম্পাদনা]

ক্রম সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের নাম সর্বমোট জনসংখ্যা ২০১১ - ১৩৩৭২৩৯ হিন্দু ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ৯০১২৭১ (৬৭.৪০%) ইসলাম ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ৪২৮৩৪৮ (৩২.০৩%) খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ৪৬২৯ (০.৩৫%) শিখ ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ২৬৬ (০০.০২%) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ২০৭ (০০.০১%) জৈন ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ৩৬১ (০০.০৩%) অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনসংখ্যা ২০১১ - ২১৫৭ (০০.১৬%) সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্ম ২০১১ - হিন্দু

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

নদনদী[সম্পাদনা]

  • কুলিক নদী (কুলিক নদীর তীরে রায়গঞ্জ পৌরসভা অবস্থিত)
  • নাগর নদী
  • মহানন্দা নদী (মহানন্দা-তিস্তা নদী পুষ্ট তিস্তা খালের তীর ইসলামপুর পৌরসভা অবস্থিত)
  • সুধনি নদী
  • টাঙ্গন নদী
  • করতোয়া নদী
  • গামারি নদী
  • শ্রীমতি নদী (শ্রীমতি নদীর তীরে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভা অবস্থিত)
  • গোবরা নদী
  • ডাহুক নদী
  • ফুলহার নদ (ফুলহার নদের তীরে ডালখোলা পৌরসভা অবস্থিত)
  • সুই নদী
  • নোনা নদী

পরিবহন ও যোগাযোগ[সম্পাদনা]

পর্যটন ও দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

ঐতিহ্য ও সংস্কৃৃতি[সম্পাদনা]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক বিভাগ[সম্পাদনা]

উত্তর দিনাজপুর জেলার দুটি উপবিভাগ রয়েছে:

  1. রায়গঞ্জ উপ-বিভাগ
  2. ইসলামপুর উপ-বিভাগ

সীমান্ত[সম্পাদনা]

এটি একটি সীমান্তবর্তী জেলা। জেলার পূর্ব প্রান্তে টাঙান নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত রাধিকাপুর হতে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলা পর্যন্ত রেলপথ বিস্তৃত।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]