দার্জিলিং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দার্জিলিং
दार्जीलिंग
পাহাড়ের রাণী
নগর / পর্যটনস্থল
A panoramic view of a hill range. The upper portions of the nearer hillsides have tiled houses, while the farther hillsides and the lower portions of the nearer ones are covered with green bushes. A few coniferous trees are scattered throughout.
হ্যাপি ভ্যালি চা বাগান থেকে দার্জিলিংয়ের দৃশ্য
দার্জিলিং West Bengal-এ অবস্থিত
দার্জিলিং
দার্জিলিং
স্থানাঙ্ক: ২৭°৩′ উত্তর ৮৮°১৬′ পূর্ব / ২৭.০৫০° উত্তর ৮৮.২৬৭° পূর্ব / 27.050; 88.267স্থানাঙ্ক: ২৭°৩′ উত্তর ৮৮°১৬′ পূর্ব / ২৭.০৫০° উত্তর ৮৮.২৬৭° পূর্ব / 27.050; 88.267
দেশ ভারত
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
জেলা দার্জিলিং
সরকার
 • দল দার্জিলিং পুরসভা
 • চেয়ারম্যান অমর সিং রাই
 • ভাইস চেয়ারম্যান সুখ বাহাদুর বিশ্বকর্মা
আয়তন
 • মোট ১০.৫৭
উচ্চতা[১] ২,১৬৫
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ১,৩২,০১৬
ভাষা
 • স্থানীয় নেপালী
 • প্রাতিষ্ঠানিক নেপালী
সময় অঞ্চল ভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন ৭৩৪১০১
টেলিফোন কোড ০৩৫৪
যানবাহন নিবন্ধন ডব্লিউবি-৭৬, ডব্লিউবি-৭৬
লোকসভা কেন্দ্র দার্জিলিং
বিধানসভা কেন্দ্র দার্জিলিং
ওয়েবসাইট http://www.darjeelingmunicipality.org

দার্জিলিং (নেপালী:दार्जीलिंग) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা। এই শহর নিম্ন হিমালয়ের মহাভারত শৈলশ্রেণীতে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭,১০০ ফু (২,১৬৪.১ মি) উচ্চতায় অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থাধীনে থাকলেও দার্জিলিং জেলার প্রধান শহর দার্জিলিংয়ের স্থানীয় প্রশাসনে আংশিক স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা রয়েছে।কাঞ্চনজঙ্ঘার অনুপম সৌন্দর্য এবং টাইগার হিলের চিত্তাকর্ষক সূর্যোদয় দেখার জন্য প্রতিবছর হাজার পর্যটক এখানে ভিড় করেন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দার্জিলিংয়ের ইতিহাস সিক্কিম, নেপাল, ভূটানব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীন ভাবে জড়িত। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্য্যন্ত সিক্কিম রাজ্য দ্বারা দার্জিলিং সংলগ্ন পাহাড়ী অঞ্চল এবং নেপাল রাজ্য দ্বারা শিলিগুড়ি সংলগ্ন তরাই সমতল অঞ্চল শাসিত হত।[২] ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দ থেকে নেপালের গুর্খারা সমগ্র পাহাড়ী অঞ্চল অধিকারের চেষ্টা শুরু করলে সিক্কিম রাজ্যের ছোস-র্গ্যাল তাঁদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িত হয়ে পড়েন। উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে নেপালীরা তিস্তা নদীর তীর পর্য্যন্ত সিক্কিম সেনাবাহিনীকে হঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়। এই সময় সমগ্র উত্তর সীমান্তে নেপালীদের বিজয়যাত্রা রুখতে ব্রিটিশরা তাঁদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। ১৮১৪ খ্রিস্টাব্দে সংগঠিত ইঙ্গ-গুর্খা যুদ্ধের ফলে গুর্খারা পরাজিত হয়ে পরের বছর সগৌলি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির ফলে সিক্কিম রাজ্য থেকে অধিকৃত মেচী নদী থেকে তিস্তা নদী পর্যন্ত সমস্ত অঞ্চল নেপালীরা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে সমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে তিতালিয়া চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই অঞ্চল ছোস-র্গ্যালকে ফিরিয়ে দিয়ে সিক্কিম রাজ্যের সার্বভৌমত্ব সুনিশ্চিত করে।[৩]

১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে লেপচা ও হিন্দুস্থানী ভাষায় রচিত এই চুক্তির ফলে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দার্জিলিং অঞ্চলের লীজ প্রদান করা হয়।

১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক প্রতিনিধিদল নেপাল-সিক্কিম অঞ্চলের সীমান্তে তাদের যাত্রাকালে দার্জিলিং অঞ্চলে অবস্থান করার সময় এই স্থানে ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনীর স্বাস্থ্য উদ্ধারকেন্দ্র নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন।[৪][৫] ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানি ছোস-র্গ্যালের নিকট হতে মহানন্দা নদীর পশ্চিমাঞ্চল লীজ নেন।[৬] ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে সিক্কিম রাজ্য আর্থার ক্যাম্পবেল নামক কোম্পানির একজন আধিকারিক এবং জোসেফ ডাল্টন হুকার নামক একজন উদ্ভিদবিদ ও অভিযাত্রীকে গ্রেপ্তার করলে কোম্পানি তাঁদের মুক্ত করার জন্য সেনাবাহিনী পাঠায়, যার ফলে ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কোম্পানি ৬৪০ বর্গমাইল (১,৭০০ কিমি) এলাকা অধিকার করে নেয়। ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ভূ্টান ও ব্রিটিশরা সিঞ্চুলা চুক্তি স্বাক্ষর করলে কালিম্পং ও পাহাড়ের গিরিপথগুলির ওপর ব্রিটিশ রাজের অধিকার হয়।[৩] ব্রিটিশ ও সিক্কিমের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিবাদের ফলে ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে তিস্তা নদীর পূর্ব তীরের অঞ্চলগুলি ব্রিটিশদের হস্তগত হয়। ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ১,২৩৪ বর্গমাইল (৩,২০০ কিমি) ক্ষেত্রফল এলাকা নিয়ে দার্জিলিং জেলা গঠিত হয়, যা বর্তমানে একই আকারের রয়ে গেছে। [৩]

দার্জিলিং চা চাষ, ১৮৯০

গ্রীষ্মকালে সমতলভূমির প্রচণ্ড দাবদাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ আধিকারিকেরা দার্জিলিংয়ের মনোরম আবহাওয়ায় বসবাস শুরু করলে দার্জিলিং একটি শৈলশহর ও স্বাস্থ্য উদ্ধারকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।[৭] আর্থার ক্যাম্পবেল ও রবার্ট নেপিয়ার এই শৈলশহর গঠনে অগ্রণী ভূমিকা নেন। তাঁদের এই প্রচেষ্টার ফলে ১৮৩৫ থেকে ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পাহাড়ের ঢালে চাষাবাদ ও ব্যবসা বাণিজ্য শুরু হলে দার্জিলিংয়ের জনসংখ্যা শতগুণ বৃদ্ধি পায়।[৩][৮] ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সমতলের সঙ্গে সংযোগকারী প্রথম সড়কপথ নির্মিত হয়।[৭][৮] ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সৈন্যদের জন্য অস্ত্রাগার নির্মিত হয় এবং ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে এই শহরকে পুরসভায় পরিণত করা হয়।[৮] ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাণিজ্যিক ভাবে চা চাষ শুরু হলে বেশ কিছু ব্রিটিশ চা প্রস্তুতকারক এই স্থানে বসবাস শুরু করেন।[৪] ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে দার্জিলিং শহরকে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী রূপে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষনা করা হয়।[৯] স্কটিশ ধর্মপ্রচারকরা ব্রিটিশ আধিবাসীদের জন্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা শুরু করেন। ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে দার্জিলিং হিমালয়ান রেল চালু হলে শহরের উন্নয়ন আরো দ্রুত হারে বৃদ্ধি পায়।[১০]

ব্রিটিশ শাসনকালের শুরুতে দার্জিলিংকে অর্থনৈতিক ভাবে অনুন্নত জেলা হিসেবে গণ্য করা হত, যার ফলে ব্রিটিশ ভারতের অন্যান্য জেলাতে প্রযোজ্য আইন এই অঞ্চলে বলবত হত না। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে এই অঞ্চলকে একটি পিছিয়ে পড়া অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[১১] ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় দার্জিলিং অঞ্চলের চা বাগানগুলিতে অসহযোগ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।[১২] ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে সশস্ত্র বিপ্লবীরা বাংলার গভর্নর স্যার জন অ্যান্ডারসনকে হত্যার চেষ্টাও করেন।[১৩] ১৯৪০-এর দশকে এই জেলার চা শ্রমিকদেরকে সংগঠিত করে কমিউনিস্টরা ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু করেন।[১৪]

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতের স্বাধীনতার পর দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং ও তরাই অঞ্চলের কিয়দংশ নিয়ে নির্মিত দার্জিলিং জেলাকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পাহাড়ে নেপালীরা প্রধান জনগোষ্ঠী হিসেবে বসবাস করলেও তরাই সমতলে ভারত ভাগের ফলে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত বিশাল সংখ্যক বাঙালি উদ্বাস্তুরা বসবাস শুরু করতে শুরু করে। নেপালীদের দাবীগুলির প্রত্যুত্তরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিস্পৃহ মনোভাবে বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে দার্জিলিংয়ের স্বায়ত্তশাসন ও নেপালী ভাষার স্বীকৃতির দাবী ওঠে।[১৫]

১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে সিক্কিম নামক একটি নতুন রাজ্যের উদ্ভব হলে এবং ভারত সরকার দ্বারা নেপালী ভাষাকে ভারতীয় সংবিধান অনুসারে প্রাতিষ্ঠানিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের নিস্পৃহতা লক্ষ্য করে এই অঞ্চলে গোর্খাল্যান্ড নামক একটি নতুন রাজ্য তৈরীর জন্য বিংশ শতাব্দীর আশির দশক জুড়ে ব্যাপক ও হিংসাত্মক আন্দোলন শুরু হয়।[১৬] ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট ও সরকারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পরিষদ নামক একটি নির্বাচিত প্রতিনিধিদলের সৃষ্টি করা হয়, যাদের ওপর এই জেলার প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেওয়া হয়। ২০০৮-০৯ সাল নাগাদ ভারত সরকারপশ্চিমবঙ্গ সরকার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পৃথক রাজ্যের দাবী মেনে নিতে অস্বীকৃত হলে পুনরায় ধর্মঘট আন্দোলন শুরু হয়।[১৭] ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে ভারত সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার মধ্যে একটি চুক্তির ফলে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নামক একটি নতুন স্বায়ত্তশাসিত পার্বত্য পরিষদ গঠন করে এই জেলার প্রশাসনিক দায়িত্ব প্রদান করা হয়।[১৮]

জলবায়ু[সম্পাদনা]

দার্জিলিং (১৯০১–২০০০)-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) গড় ৯٫৪
(৪৯)
১০٫৪
(৫১)
১৪٫৪
(৫৮)
১৭٫৪
(৬৩)
১৮٫৫
(৬৫)
১৯٫৩
(৬৭)
১৯٫৪
(৬৭)
১৯٫৬
(৬৭)
১৯٫২
(৬৭)
১৮٫০
(৬৪)
১৪٫৭
(৫৮)
১১٫৫
(৫৩)
১৬٫০
(৬১)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) গড় ১٫৮
(৩৫)
২٫৯
(৩৭)
৬٫৩
(৪৩)
৯٫৪
(৪৯)
১১٫৫
(৫৩)
১৩٫৬
(৫৬)
১৪٫৩
(৫৮)
১৪٫২
(৫৮)
১৩٫৩
(৫৬)
১০٫৩
(৫১)
৬٫৩
(৪৩)
৩٫৩
(৩৮)
৮٫৯
(৪৮)
গড় অধঃক্ষেপণ মিমি (ইঞ্চি) ১৯٫৭
(০٫৭৮)
২৪٫১
(০٫৯৫)
৪৭٫৭
(১٫৮৮)
১১৫٫৮
(৪٫৫৬)
১৯৭٫২
(৭٫৭৬)
৫৭০٫০
(২২٫৪৪)
৭৮১٫৭
(৩০٫৭৮)
৬৩৫٫৩
(২৫٫০১)
৪৩৭٫৩
(১৭٫২২)
১২২٫৫
(৪٫৮২)
২৩٫৫
(০٫৯৩)
৭٫০
(০٫২৮)
২,৯৮১٫৮
(১১৭٫৪১)
উৎস: Indian Meteorological Department.[১৯]
মেঘাচ্ছন্ন দার্জিলিং

দার্জিলিং শহরে হিমালয়ের পাহাড়ী অঞ্চলের নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে।[২০] বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ১৫.৯৮ °সে (৬০.৭৬ °ফা) ও গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৯ °সে (৪৮.০ °ফা),[১] থাকে। শহরের গড় তাপমাত্রা ৫ থেকে ১৭ °সে (৪১ থেকে ৬৩ °ফা) এর মধ্যে ঘোরাফেরা করে।[২১] ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১১ই ফেব্রুয়ারি দার্জিলিং শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা −২৪ °সে (−১১ °ফা) রেকর্ড করা হয়।[১] এই শহরে প্রতি বছর গড়ে ১২৬ দিন বৃষ্টিপাত হয় ও বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩০৯.২ সেমি (১২১.৭ ইঞ্চি)[১] জুলাই মাসে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকে।[২১] এই ভারী বৃষ্টিপাত এবং ক্রমবর্ধমান বৃক্ষচ্ছেদ ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ ব্যাপক ধস সৃষ্টি করে জীবন ও ধন সম্পদের ক্ষতিসাধন করে থাকে।[২২][২৩]

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

  • পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্কঃ এই চিড়িয়াখানায় রেড পান্ডা, স্নো লেপার্ড, তিব্বতীয় নেকড়ে সহ পূর্ব হিমালয়ের প্রচুর বিপদগ্রস্ত ও বিলুপ্ত পক্ষী ও প্রাণীদের দেখতে পাওয়া যায়।
  • ধীরধাম মন্দিরঃ এটি কাঠমান্ডুর বিখ্যাত পশুপতিনাথ মন্দিরের অনুরূপ।
  • বেঙ্গল ন্যাচারাল হিস্টোরি মিউজিয়ামঃ এই যাদুঘর গাছপালা ও পশুপাখিদের প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্দরে প্রবেশ করায়।
  • লাওডস্ বোটানিকাল গার্ডেনঃ এই উদ্যানে অর্কিড, রডোডেনড্রন, ম্যাগনোলিয়া, প্রিমুলা, ফার্ন সহ নানা জাতের হিমালয়ান উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
  • লেবং রেস কোর্সঃ এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট এবং সর্বোচ্চ রেস কোর্স।
  • ঘুম বৌদ্ধ মনেস্ট্রিঃ এটি এই অঞ্চলের সর্ববৃহৎ মনেস্ট্রি।
  • অবজারবেটরি হিলঃ ধীরধাম মন্দির এবং বৌদ্ধ সংরক্ষণালয় এই পর্যবক্ষেণ পাহাড়ের উপর অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

আকাশপথে এখানকার কাছের এয়ারপোর্ট বাগডোগরাশিলিগুড়ি থেকে নিয়মিত বাস সংযোগ ব্যবস্থা বর্তমান। নিউ জলপাইগুড়ি এবং শিলিগুড়ি এখানকার নিকটস্থ রেল-স্টেশন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ "District Profile"Official webpageDarjeeling district। সংগৃহীত ২০১১-০৬-১৫ 
  2. Dasgupta 1999, পৃ. 47–48.
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ ৩.৩ "History of Darjeeling"Official webpageDarjeeling district। সংগৃহীত ২০১১-০৬-১৫ 
  4. ৪.০ ৪.১ Dasgupta 1999, পৃ. 50.
  5. Lamb 1986, পৃ. 69.
  6. Dasgupta 1999, পৃ. 47.
  7. ৭.০ ৭.১ Dasgupta 1999, পৃ. 51.
  8. ৮.০ ৮.১ ৮.২ Lamb 1986, পৃ. 71.
  9. Kenny 1995, পৃ. 700.
  10. "Mountain Railways of India"UNESCO World Heritage CentreUNESCO। সংগৃহীত ২০১১-০৬-১৫ 
  11. Borbara, Sanjoy (২০০৩)। "Autonomy for Darjeeling: History and Practice"Experiences on Autonomy in East and North East: A Report on the Third Civil Society Dialogue on Human Rights and Peace। Mahanirban Calcutta Research Group। সংগৃহীত ২০১১-০৬-১৫ 
  12. Dasgupta 1999, পৃ. 60.
  13. "Darjeeling Hills plunges into the Independence Movement"Official webpageDarjeeling district। সংগৃহীত ২০১১-০৬-১৫ 
  14. Dasgupta 1999, পৃ. 61.
  15. Dasgupta 1999, পৃ. 61–62.
  16. Dasgupta 1999, পৃ. 62.
  17. Sujoy Dhar (২০০৯-০৭-১৪)। "Darjeeling protests hit tea and tourism"Livemint। সংগৃহীত ২০০৯-১১-২৫ 
  18. "Darjeeling tripartite pact signed for Gorkhaland Territorial Administration"Times of India। ১৮ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ২৯ জুলাই ২০১১ 
  19. "Darjeeling Climatological Table 1901–2000"। Indian Meteorological Department। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  20. Malley, L.S.S. O (১৯৯৯) [১৯০৭]। Bengal District Gazetteer : Darjeeling। Concept Publishing Company। পৃ: 15–16। আইএসবিএন 978-81-7268-018-3 
  21. ২১.০ ২১.১ "Weatherbase entry for Darjeeling"। Canty and Associates LLC। সংগৃহীত ২০০৬-০৪-৩০ 
  22. Sarkar 1999, পৃ. 299.
  23. Malabi Gupta (২০০৯-১১-২৬)। "Brewtal climate: Droughts, storms cracking Darjeeling's teacup"Hindustan Times। সংগৃহীত ২০০৯-১২-০৩ 

উৎস[সম্পাদনা]

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]