রসগোল্লা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রসগোল্লা
Rasagolla.JPG
ভুবনেশ্বরের রসগোল্লা
উৎপত্তি
অন্যান্য নাম ক্ষীরমোহন,
উৎপত্তিস্থল ভারত
অঞ্চল ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ
খাবারের বিস্তারিত
প্রধান উপকরণ ছানা, সুজি, চিনি
ভিন্নতা কলকাতা সাদা রসগোল্লা
রসগোল্লা

রসগোল্লা সাদা রঙের এক প্রকার ছানার মিষ্টি।

স্পঞ্জ রসগোল্লা[উৎস সম্পাদনা]

স্পঞ্জ রসগোল্লা, রসগোল্লা সদৃশ রসে ডোবা রসালো মিষ্টি। যা স্পঞ্জের মতো নরম। ১৮৬৮ সালে কলকাতার নবীন চন্দ্র দাস প্রথম ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লার বদলে এই ধরনের রসগোল্লা তৈরি করেন বলে জানা যায়।

কিছুকথা[উৎস সম্পাদনা]

মিষ্টি হল বাঙালি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান মিষ্টি ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়।

এর মধ্যে রসগোল্লার স্থান সবার উপরে।।

রসগোল্লা ইতিহাস[উৎস সম্পাদনা]

রসগোল্লা

যতদূর জানা যায় ভারতের ওড়িশায় প্রথম রসগোল্লা প্রস্তুত করা হয়েছিল। রথযাত্রা উৎসবে এর ব্যবহারের কথা জানা যায়। এর পর এই রসগোল্লা জনপ্রিয় হয়ে, পাশের রাজ্যগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কলকাতায় এটি উল্লেখযোগ্যভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে রসগোল্লার আদি উৎপত্তিস্থল বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল অঞ্চলে। বিশেষ করে, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় পর্তুগীজদের সময় সেখানকার ময়রাগণ ছানা, চিনি, দুধ ও সুজি দিয়ে গোলাকার একধরণের মিষ্টান্ন তৈরি করেন যা ক্ষীরমোহন বা রসগোল্লা নামে পরিচিত। পরবর্তীতে বরিশাল এলাকার হিন্দু ময়রাগণের বংশধর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতা কিংবা ওড়িশায় বিস্তার লাভ করে।

বাংলা সাহিত্যেও এই রসগোল্লাকে নিয়ে রচিত হয়েছে সরেস সাহিত্যকর্ম। বিশিষ্ট রম্য সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী রচনা করেছেন বিখ্যাত রম্যগল্প "রসগোল্লা" যা ইউরোপের বহু দেশে সমাদৃত হয়েছে।

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]

বিবিসি বাংলা

বাঙ্গালীনেট