প্রবেশদ্বার:বাংলাদেশ
বাংলাদেশ প্রবেশদ্বারে স্বাগতম |
বাংলাদেশ


নির্বাচিত নিবন্ধ
সূর্যাস্তে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত |
চট্টগ্রাম বা চিটাগং (চাটগাঁইয়া: সিটাং বা চাটগাঁও) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর, বাণিজ্যিক রাজধানী এবং একমাত্র দ্বিমাত্রিক শহর। শহরটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাকালের ভিত্তিতে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো শহর। এটি চট্টগ্রাম বিভাগ এবং জেলার প্রশাসনিক আসন। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার। ২০০৩ সালে চট্টগ্রামকে বানিজ্যিক রাজধানী স্বীকৃতি ও ২০১৭ সালে চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা করা হয়। পাহাড়, সমুদ্র এবং উপত্যকায় ঘেরা চট্টগ্রাম শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে প্রাচ্যের রাণী হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রাম বন্দর বঙ্গোপসাগরের ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর। ২০২২ সালে চট্টগ্রাম শহরের জনসংখ্যা ছিল ৮২ লাখেরও বেশি। শহরটি অনেক বড় স্থানীয় ব্যবসার আবাসস্থল, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঢাকা ও কলকাতার পর এটি বঙ্গীয় অঞ্চলের তৃতীয় বৃহত্তম নগরী। চট্টগ্রাম শহরের মোট জিডিপি ১২৮.৭৮$ বিলিয়ন (২০২২) এবং জিডিপি পিপিপি ২২৩$ বিলিয়ন(২০২২)।
শতাব্দী ধরে কার্যকরী প্রাকৃতিক বন্দর সহ বিশ্বের প্রাচীনতম বন্দরগুলির মধ্যে চট্টগ্রাম প্রাচীন গ্রিক এবং রোমান মানচিত্রে টলেমির বিশ্ব মানচিত্রে উপস্থিত ছিল। এটি রেশম পথের দক্ষিণ ভাগে অবস্থিত ছিল। নবম শতাব্দীতে, আব্বাসীয় খিলাফতের বণিকরা চট্টগ্রামে একটি ব্যবসায়িক পোস্ট স্থাপন করছিল। ১৪শ শতাব্দীতে বাংলার মুসলিমরা বন্দরটি জয় করে। এটি দিল্লী সালতানাত, বাংলা সালতানাত এবং মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে একটি রাজকীয় টাকশালের স্থান ছিল। ১৫ এবং ১৭ শতকের মধ্যে, চট্টগ্রাম আরাকানের প্রশাসনিক, সাহিত্যিক, বাণিজ্যিক এবং সামুদ্রিক কার্যক্রমের একটি কেন্দ্র ছিল, বঙ্গোপসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড হিসেবে ৩৫০০ বছর ধরে শক্তিশালী বাঙালি প্রভাবের অধীনে ছিল। ১৬শ শতাব্দীতে, বন্দরটি একটি পর্তুগিজ বাণিজ্য পোস্টে পরিণত হয়েছিল এবং জোয়াও ডি ব্যারোস এটিকে "বাংলা রাজ্যের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং ধনী শহর" হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন। ১৬৬৬ সালে মুঘল সাম্রাজ্য চট্টগ্রাম থেকে পর্তুগিজ এবং আরাকানিদের বিতাড়িত করে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
নির্বাচিত জীবনী
২০২৫ সালে ইউনূস |
মুহাম্মদ ইউনূস (জন্ম: ২৮ জুন ১৯৪০) একজন বাংলাদেশী সামাজিক উদ্যোক্তা, অধ্যাপক, সমাজসেবক ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। তিনি ২০২৪ সালের ৮ ই আগস্ট থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্রবিত্ত ধারণার প্রেরণার জন্য তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের সাথে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং ২০১০ সালে, কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেলসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি সেই সাতজন ব্যক্তির একজন যারা নোবেল শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল পেয়েছেন।
২০১২ সালে, তিনি স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হন এবং ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি তার অর্থকর্ম সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করেছিলেন। তিনি গ্রামীণ আমেরিকা এবং গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সদস্য, যা ক্ষুদ্রঋণকে সহায়তা করে থাকে। তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালে তিনি ইলেকট্রনিক স্পোর্টস (ইস্পোর্টস) এর উন্নয়নে উন্নয়নের জন্য ইস্পোর্টস আন্দোলনের অংশ হিসেবে গ্লোবাল ইস্পোর্টস ফেডারেশনের সাথে অংশীদারিত্ব করেছিলেন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
নির্বাচিত চিত্র
| জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান ভবন। এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত। | |
আপনি জানেন কি...
- ... বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম নকশাকার শিবনারায়ণ দাশ?
- ... বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতি পূর্ণ দেশ?
- ... বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপ এলাকা?
- ... ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়?
- ... আহমদ ছফা'র উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত "অলাতচক্র" বাংলা ভাষার প্রথম ত্রিমাত্রিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র?
- ... এমআরটি লাইন ৬ বাংলাদেশের সর্বপ্রথম চালু হওয়া দ্রুতগামী গণপরিবহন ব্যবস্থা?
বিষয়শ্রেণীসমূহ
স্বীকৃত ভুক্তি
নির্বাচিত বিস্তৃত দৃশ্য
উইকিপ্রকল্প
প্রকল্পে যোগ দিন, উইকিপিডিয়ায় বাংলাদেশ সংক্রান্ত নিবন্ধ লিখুন, সমৃদ্ধ করুন। |
আপনি কি করতে পারেন

- বাংলাদশ সম্পর্কিত নিবন্ধের তালিকা হতে লাল লিংক দেখানো বিষয় নিয়ে নিবন্ধ তৈরি করতে পারেন।
- অন্যান্য ভাষায় উইকিপ্রকল্প হতে বাংলাদেশ বিষয়ক নিবন্ধ অনুবাদ করতে পারেন।
- বর্তমান নিবন্ধসমূহ তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ, সম্প্রসারণ ও রচনাশৈলীর উন্নয়ন করতে পারেন।
- নিবন্ধগুলিতে উইকিমিডিয়া কমন্স হতে দরকারী ও প্রাসঙ্গিক মুক্ত চিত্র যুক্ত করতে পারেন।
- বাংলাদেশ সংক্রান্ত নিবন্ধসমূহে বিষয়শ্রেনী না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
- নিবন্ধসমূহে তথ্যসূত্রের ঘাটতি থাকলে, পর্যাপ্ত সূত্র যোগ করতে পারেন।





