পশ্চিমবঙ্গ
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| পশ্চিমবঙ্গ | |
| রাজধানী - স্থানাংক |
কলকাতা - |
| বৃহত্তম শহর | কলকাতা |
| জনসংখ্যা (২০০১) - জনসংখ্যার ঘনত্ব |
৮০,২২১,১৭১ (৪র্থ) - ৯০৪/km² |
| এলাকা - জেলা |
৮৮,৭৫২ km² (১৩তম) - ১৯টি |
| সময় অঞ্চল | IST (UTC+৫:৩০) |
| সরকার ব্যবস্থা - রাজ্যপাল - মুখ্যমন্ত্রী - বিধানসভা (আসন সংখ্যা) |
১ মে, ১৯৬০ - গোপালকৃষ্ণ গাঁধী - বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য - এককক্ষীয় (২৯৫) |
| রাষ্ট্র ভাষা | {{{রাষ্ট্র_ভাষা}}} |
| সংক্ষিপ্ত_নাম (ISO) | IN-WB |
| ওয়েবসাইট: www.wbgov.com | |
পশ্চিমবঙ্গ (ইংরেজি: West Bengal, ওয়েস্ট বেঙ্গল) ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের একটি পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য। পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সঙ্গে এই রাজ্য বৃহত্তর বঙ্গের বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতিকেন্দ্রিক অঞ্চলটি গঠন করেছে। এ রাজ্যের উত্তরে ভূটান ও সিকিম; উত্তর-পূর্বে অসম দক্ষিণ-পশ্চিমে ওড়িশা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পশ্চিমে ঝাড়খণ্ড ও বিহার এবং উত্তর-পশ্চিমে নেপাল অবস্থিত।
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চলটি বিগত দুই সহস্রাব্দ ধরে বিভিন্ন স্বাধীন রাজ্য ও সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই অঞ্চলে তাদের ভিত শক্ত করে। এরপরই কলকাতা শহর ব্রিটিশ ভারতের রাজধানীতে পরিণত হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে অবিভক্ত বাংলা পরিণত হয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার প্রাক্কালে বাংলাকে দুটি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ ও পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হিসেবে পরিগণিত হয়।
স্বাধীনতা লাভের পর বেশ কিছু সময়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গে অর্থনৈতিক স্থবিরতা দেখা দেয়। মার্কসবাদ, নকশাল আন্দোলন ও ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের প্রবণতা বহু দশক ধরে এ রাজ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। ১৯৯০-এর দশক থেকে এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে থাকে এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রসার ঘটিয়ে রাজ্যের অর্থব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ঘটানো হয়। কৃষিনির্ভর এ রাজ্যটি ভারতের মাত্র ২.৭% স্থানের অধিকারী, কিন্তু ভারতের জনসংখ্যার প্রায় ৭.৮% এখানে বসবাস করেন; ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ রাজ্য।[১] পশ্চিমবঙ্গ তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্যও সুবিদিত ; এ রাজ্যে বাস করেন বহু বিখ্যাত কবি, লেখক, শিল্পী ও বিদ্বজ্জন। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রায় তিন দশক ধরে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যটি শাসন করে আসছে; এটি বিশ্বের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকারগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘকালীন শাসনের উদাহরণ।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
- মূল নিবন্ধ : বাংলার ইতিহাস
- আরও তথ্যের জন্য দেখুন: বঙ্গ এবং বাঙালি জাতি
বৃহত্তর বাংলায় সভ্যতার সূত্রপাত আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগে।[২][৩] এই সময়ে দ্রাবিড়, টিবেটো-বার্মান ও অস্ত্রো-এশীয়রা এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল। বঙ্গ বা বাংলা কথাটির প্রকৃত উৎস কি তা জানা যায় না। তবে অনুমিত হয়, ১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বঙ নামে যে দ্রাবিড়ভাষী জাতি এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল, তাদের নাম অনুসারেই এই বঙ্গ কথাটির উদ্ভব হয়।[৪] আর্যদের আগমনের পর খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে বাংলা-বিহার অঞ্চলে গড়ে ওঠে মগধ রাজ্য। মহাবীর ও গৌতম বুদ্ধের সমসাময়িক এই রাজ্য তৎকালীন ভারতের জনপদ নামে আখ্যাত চারটি প্রধান রাজ্যের অন্যতম ছিল।[৫] মৌর্য রাজবংশের শাসনকালে মগধ সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটেছিল আফগানিস্তান সহ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায়। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে অশোকের রাজত্বকালে পারস্যের অংশবিশেষও এই সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। আনুমানিক ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রচিত একটি গ্রিক সূত্র থেকে গঙ্গারিডাই নামক এক অঞ্চলের উল্লেখ পাওয়া যায়। এটি বাংলার প্রাচীন বৈদেশিক বর্ণনাগুলির একটি। মনে করা হয়, শব্দটি গঙ্গাহৃদ (অর্থাৎ, যে অঞ্চলের হৃদয়ে গঙ্গা অবস্থিত) শব্দের অপভ্রংশ, যা বর্তমান বাংলা অঞ্চলটিকেই বোঝায়।[৬]
![]() |
||
|
পাল সাম্রাজ্য ধর্মপালের শাসনকালে
|
পাল সাম্রাজ্য দেবপালের শাসনকালে
|
খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতক থেকে ষষ্ঠ শতক পর্যন্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল মগধ রাজ্য। বাংলার প্রথম সার্বভৌম নরপতি হিসেবে যাঁর নাম উল্লেখ করা হয়, তিনি ছিলেন শশাঙ্ক। তাঁর রাজত্বকাল ছিল খ্রিস্টীয় সপ্তম শতক।[৭] শশাঙ্কের মৃত্যুর পর কিছুকালের জন্য বাংলায় দেখা যায় রাজনৈতিক অরাজকতা। বাংলার ইতিহাসে যা মাৎসন্যায় নামে পরিচিত। এরপরে বৌদ্ধ পাল রাজবংশ চারশো বছর এই অঞ্চল শাসন করেন। এরপর অল্প কিছুকাল শাসন করেন হিন্দু সেন রাজবংশ। দ্বাদশ শতকে সুফি ধর্মপ্রচারক বাংলায় প্রথম ইসলামের বাণী প্রচার করেন। এরপরই মুসলিম বিজয় এই অঞ্চলে ইসলামের ভিত্তিভূমি স্থাপন করতে সাহায্য করে।[৮] বখতিয়ার খিলজি নামক দিল্লি সুলতানি সাম্রাজ্যের দাসবংশের জনৈক তুর্কি সেনাপতি সেনরাজা লক্ষ্মণসেনকে পরাভূত করে বাংলার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল জয় করে নেন। এরপর কয়েকশো বছর ধরে দিল্লির সুলতানগণ ও তাঁদের দ্বারা নিযুক্ত সামন্ত শাসকগণ এই অঞ্চলে নিজ প্রভুত্ব কায়েম রাখেন। ষোড়শ শতকে মুঘল সেনাপতি ইসলাম খাঁ বাংলা জয় করেন। যদিও শাসনকর্তারা মুঘল রাজদরবারের মনোনীত ছিলেন, তবুও এই শাসনব্যবস্থা বাংলায় মুর্শিদাবাদের নবাবদের অধীনে এক প্রায়-স্বাধীন ব্যবস্থার জন্ম দিয়েছিল। নবাবরাও দিল্লির সার্বভৌমত্বকে সম্ভ্রম দেখাতেন।
[সম্পাদনা] ভূগোল ও জলবায়ু
- মূল নিবন্ধ : পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু, পশ্চিমবঙ্গের ভূগোল
[সম্পাদনা] সরকার ব্যবস্থা ও রাজনীতি
- মূল নিবন্ধ : পশ্চিমবঙ্গ সরকার
- আরও দেখুন: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি,ভারতের সংবিধান,পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক বিভাগ
পশ্চিমবঙ্গের মোট তিনটি প্রশাসনিক বিভাগ আছে।প্রেসিডেন্সি বিভাগ,বর্ধমান বিভাগ ও জলপাইগুড়ি বিভাগ।পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ১৯ টি জেলা।
- প্রেসিডেন্সি বিভাগ- দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা,হুগলী,হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগণা,দক্ষিণ ২৪ পরগণা,নদীয়া জেলামুর্শিদাবাদ জেলাজেলা নিয়ে এই বিভাগ গঠিত।
- বর্ধমান বিভাগ- দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি ও পুরুলিয়া জেলা নিয়ে এই বিভাগ গঠিত।
- জলপাইগুড়ি বিভাগ- উত্তর বঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা, মালদহ জেলা ,উত্তর দিনাজপুর জেলা,দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ,দার্জিলিং জেলা ,কোচবিহার জেলা জেলা নিয়ে এই বিভাগ গঠিত।
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
- মূল নিবন্ধ : পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি
[সম্পাদনা] পরিবহন
[সম্পাদনা] জনতত্ত্ব
- মূল নিবন্ধ : পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার পরিসংখ্যান
[সম্পাদনা] সংস্কৃতি
- মূল নিবন্ধ : পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি
[সম্পাদনা] শিক্ষা
- মূল নিবন্ধ : পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা এবং পশ্চিমবঙ্গের কলেজ
পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যালয়গুলি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে অথবা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত হয়ে থাকে। বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনও বিদ্যালয় পরিচালনা করে। প্রধানত বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমেই শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলিত; তবে সাঁওতালি, নেপালি, হিন্দি ও উর্দু ভাষাতেও পঠনপাঠন করার সুযোগ এরাজ্যে অপ্রতুল নয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলি পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ অথবা কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ (সিবিএসসি) অথবা কাউন্সিল ফর ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট একজামিনেশন (আইসিএসই) দ্বারা অনুমোদিত। ১০+২+৩ পরিকল্পনায় মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর ছাত্রছাত্রীদের দুই বছরের জন্য প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় জুনিয়র কলেজে পড়াশোনা করতে হয়। এছাড়াও তারা পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ অথবা কোনো কেন্দ্রীয় বোর্ড অনুমোদিত উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়েও প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করতে পারে। এই ব্যবস্থায় তাদের কলাবিভাগ, বাণিজ্যবিভাগ অথবা বিজ্ঞানবিভাগের যেকোনো একটি ধারা নির্বাচন করে নিতে হয়। এই পাঠ্যক্রম সম্পূর্ণ করার পরই তারা সাধারণ বা পেশাদার স্নাতক স্তরের পড়াশোনা করতে পারে।
২০০৬ সালের হিসেব অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আঠারো।[৯][১০] কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম ও অন্যতম বৃহৎ আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রয়েছে প্রায় ২০০টি কলেজ।[১১] বেঙ্গল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যের দুটি প্রসিদ্ধ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম।[১২] শান্তিনিকেতনে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন এক প্রতিষ্ঠান।[১৩]অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (কলকাতা), বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় (বর্ধমান), বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় (মেদিনীপুর), উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় (রাজা রামমোহনপুর, শিলিগুড়ি), বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় (কল্যাণী, নদিয়া), পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় , পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আরও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় – আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে খ্যাতিসম্পন্ন রাজ্যের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি হল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, খড়গপুর, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট, কলকাতা, জাতীয় প্রযুক্তি সংস্থান, দুর্গাপুর (পূর্বতন আঞ্চলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ), ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশানাল ইউনিভার্সিটি অফ জুরিডিক্যাল সায়েন্সেস ও ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউশন।
[সম্পাদনা] গণমাধ্যম
২০০৫ সালের হিসেব অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রের সংখ্যা ৫০৫।[১৪] এগুলির মধ্যে ৩৮৯টি বাংলা সংবাদপত্র।[১৪] কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকা ভারতে একক-সংস্করণে সর্বাধিক বিক্রিত বাংলা পত্রিকা। এই পত্রিকার দৈনিক গড় বিক্রির পরিমাণ ১,২৩৪,১২২টি কপি।[১৪] অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বাংলা সংবাদপত্রগুলি হল আজকাল, বর্তমান, সংবাদ প্রতিদিন, উত্তরবঙ্গ সংবাদ ও গণশক্তি। দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য স্টেটসম্যান, এশিয়ান এজ, হিন্দুস্তান টাইমস ও দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইংরেজি দৈনিকের নাম। এছাড়াও হিন্দি, গুজরাটি, ওড়িয়া, উর্দু ও নেপালি ভাষাতেও সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়ে থাকে।
দূরদর্শন পশ্চিমবঙ্গের সরকারি টেলিভিশন সম্প্রচারক। এছাড়া কেবল টেলিভিশনের মাধ্যমে মাল্টিসিস্টেম অপারেটরগণ বাংলা, নেপালি, হিন্দি, ইংরেজি সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চ্যানেল সম্প্রচার করে থাকেন। বাংলা ভাষায় সম্প্রচারিত ২৪ ঘণ্টার বাংলা টেলিভিশন সংবাদ-চ্যানেলগুলি হল স্টার আনন্দ, কলকাতা টিভি, ২৪ ঘণ্টা ও তারা নিউজ; ২৪ ঘণ্টার টেলিভিশন বিনোদন-চ্যানেলগুলি হল স্টার জলসা, ইটিভি বাংলা, জি বাংলা, আকাশ বাংলা ইত্যাদি। এছাড়া চ্যানেল এইট টকিজ নামে একটি ২৪ ঘণ্টার চলচ্চিত্র-চ্যানেল এবং তারা মিউজিক ও সংগীত বাংলা নামে দুটি উল্লেখনীয় ২৪ ঘণ্টার সংগীত-চ্যানেলও দৃষ্ট হয়। অল ইন্ডিয়া রেডিও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি বেতার স্টেশন। এছাড়া কলকাতা, শিলিগুড়ি ও আসানসোল থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিগত এফএম চ্যানেল সম্প্রচারিত হয়। বিএসএনএল, রিলায়েন্স ইনফোকম, টাটা ইন্ডিকম, ভোডাফোন এসার, এয়ারসেল ও এয়ারটেল সেলুলার ফোন পরিষেবা দিয়ে থাকে। সরকারি সংস্থা বিএসএনএল ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে ব্রডব্যান্ড ও ডায়াল-আপ অ্যাকসেস ইন্টারনেট পরিষেবা পাওয়া যায়।
[সম্পাদনা] খেলাধুলা
ফুটবল ও ক্রিকেট জনপ্রিয় খেলা। মোহন বাগান, ইস্ট বেঙ্গল, স্পোর্টিং ইউনিয়ন, টালিগঞ্জ অগ্রগামী, মোহামেডান স্পোর্টিং ইত্যাদি প্রধান ফুটবল ক্লাব দল।
[সম্পাদনা] আরও দেখুন
- পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কিত বিষয়গুলি
- বঙ্গ
- বাঙালি রান্না
- পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের তালিকা
- পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গীত
- কলকাতা
- পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- হাংরি আন্দোলন
|
|||||||||||
|
||||||||
[সম্পাদনা] উৎসপঞ্জি
- ↑ [May 2004] "Introduction and Human Development Indices for West Bengal", West Bengal Human Development Report 2004 (PDF); Development and Planning Department, Government of West Bengal প্রকাশিত। pp4–6। ISBN 81-7955-030-3। Retrieved on 2006-08-26।
- ↑ History of Bangladesh। Bangladesh Student Association। 2006-10-26 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “4000-year old settlement unearthed in Bangladesh”, Xinhua, 2006-March।
- ↑ (1989) "Early History, 1000 B.C.-A.D. 1202", James Heitzman and Robert L. Worden সম্পাদিত: Bangladesh: A country study। Library of Congress প্রকাশিত।।
- ↑ Sultana, Sabiha। Settlement in Bengal (Early Period)। Banglapedia। Asiatic Society of Bangladesh। 2007-03-04 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Chowdhury, AM। Gangaridai। Banglapedia। Asiatic Society of Bangladesh। 2006-09-08 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Shashanka। Banglapedia। Asiatic Society of Bangladesh। 2006-10-26 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Islam (in Bengal)। Banglapedia। Asiatic Society of Bangladesh। 2006-10-26 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ UGC recognised Universities in West Bengal with NAAC accreditation status। Education Observer। 2006-10-26 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ West Bengal University of Health Sciences। West Bengal University of Health Sciences। 2006-10-26 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ List of Affiliated Colleges। University of Calcutta। 2008-03-29 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Mitra, P. “Waning interest”, Careergraph, The Telegraph, 31 August 2005। 2006-10-26 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Visva-Bharati: Facts and Figures at a Glance। Visva-Bharati Computer Centre। 2007-03-31 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ ১৪.০ ১৪.১ ১৪.২ General Review। Registrar of Newspapers for India। 2008-03-29 তারিখে সংগৃহীত।
[সম্পাদনা] বহির্সংযোগ
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওয়েবসাইট
- ভারতের মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান
- পশ্চিমবঙ্গের জেলাসমূহের মানচিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের রেল মানচিত্র
- পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে আরও তথ্য
