কর্ণাটক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কর্ণাটক
ಕರ್ನಾಟಕ
State

Flag

Seal
ভারতে কর্ণাটকের অবস্থান
কর্ণাটকের মানচিত্র
স্থানাঙ্ক (Bangalore): ১২°৫৮′১৩″ উত্তর ৭৭°৩৩′৩৭″ পূর্ব / ১২.৯৭০২১৪° উত্তর ৭৭.৫৬০২৯° পূর্ব / 12.970214; 77.56029স্থানাঙ্ক: ১২°৫৮′১৩″ উত্তর ৭৭°৩৩′৩৭″ পূর্ব / ১২.৯৭০২১৪° উত্তর ৭৭.৫৬০২৯° পূর্ব / 12.970214; 77.56029
দেশ  ভারত
প্রতিষ্ঠা 1956-11-01
রাজধানী বেঙ্গালুরু
বৃহত্তম শহর বেঙ্গালুরু
জেলা ৩০
সরকার
 • রাজ্যপাল হংসরাজ ভরদ্বাজ
 • মুখ্যমন্ত্রী ডি ভি সদানন্দ গৌড়া
 • কর্ণাটক বিধানসভা দ্বিকক্ষীয় (২২৫ + ৭৫ আসন)
আয়তন[১]
 • মোট ১,৯১,৭৯১
এলাকার ক্রম ৮ম
জনসংখ্যা (২০০১)[২]
 • মোট ৫,২৮,৫০,৫৬২
 • স্থান ৯ম
সময় অঞ্চল ভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+০৫:৩০)
আইএসও ৩১৬৬ কোড IN-KA
মানব উন্নয়ন সূচক বৃদ্ধি 0.600 (medium)
মানব উন্নয়ন সূচক র্যাঙ্ক ২৫তম (২০০৫)
সাক্ষরতা ৬৯.৩% (১৮তম)
সরকারি ভাষা কন্নড়, ইংরেজি[৩][৪]
ওয়েবসাইট karunadu.gov.in

কর্ণাটক (কন্নড়: ಕರ್ನಾಟಕ টেমপ্লেট:IPA-kn, কন্নড়িগাদের দেশ) হল দক্ষিণ পশ্চিম ভারতের একটি রাজ্য। ১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর রাজ্য পুনর্গঠন আইন বলে এই রাজ্য স্থাপিত হয়। রাজ্যটির আদি নাম ছিল মহীশূর রাজ্য। ১৯৭৩ সালে রাজ্যের নাম বদলে রাখা হয় কর্ণাটক

কর্ণাটকের পশ্চিমে আরব সাগর, উত্তর-পশ্চিমে গোয়া, উত্তরে মহারাষ্ট্র, পূর্বে অন্ধ্রপ্রদেশ, দক্ষিণ-পূর্বে তামিলনাড়ু এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে কেরল অবস্থিত। রাজ্যের মোট আয়তন ১,৯১,৯৭৬ বর্গকিলোমিটার (৭৪,১২২ মা) (ভারতের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ৫.৮৩%)। কর্ণাটক আয়তনের হিসেবে ভারতের অষ্টম বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার হিসেবে ভারতের নবম বৃহত্তম রাজ্য। এই রাজ্যে ৩০টি জেলা রয়েছে। রাজ্যের সরকারি তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা কন্নড়

কর্ণাটক দুটি প্রধান নদী অববাহিকায় অবস্থিত। রাজ্যের উত্তরে রয়েছে কৃষ্ণা ও তার উপনদীগুলির (ভীমা, ঘটপ্রভা, বেদবতী, মালপ্রভাতুঙ্গভদ্রা)। দক্ষিণে রয়েছে কাবেরী ও তার উপনদীগুলির (হেমাবতী, শিমশা, অর্কবতী, লক্ষ্মণতীর্থ ও কবিনী) অববাহিকা। এই নদীগুলি পূর্ববাহী। সব কটিই বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।

কর্ণাটক নামটির ব্যুৎপত্তি বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। সাধারণভাবে মনে করা হয় কর্ণাটক নামটি এসেছে কন্নড় কারুনাডু শব্দদুটি থেকে। এর অর্থ উচ্চ ভূমি। অন্য মতে, কারু নাড়ু শব্দটির প্রকৃত অর্থ কৃষ্ণ ভূমি; কারণ কর্ণাটকের বায়ালুসীমে অঞ্চলে কালো কার্পাস মৃত্তিকা দেখা যায়। ব্রিটিশরা কৃষ্ণা নদীর দক্ষিণে দক্ষিণ ভারতের উভয় দিকেরই নাম দিয়েছিল কর্ণাটিক অঞ্চল[৫]

কর্ণাটকের ইতিহাস অতি প্রাচীন। এখানে প্রাচীন প্রস্তর যুগের নানা নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতের একাধিক শক্তিশালী সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল এই রাজ্য। এই সব সাম্রাজ্যের দার্শনিক ও চারণকবিরা যে সামাজিক, ধর্মীয় ও সাহিত্যিক আন্দোলনের সূচনা করেন, তার অস্তিত্ব আজও রয়েছে। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের দুটি ধারাতেই (কর্ণাটিকহিন্দুস্তানি) কর্ণাটকের অবদান রয়েছে। কন্নড় ভাষার লেখকেরা ভারতে সর্বাধিক সংখ্যক জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেছেন। এই রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু বর্তমান ভারতের একটি অগ্রণী বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তি কেন্দ্র।

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "State-wise break up of National Parks"Wildlife Institute of India। Government of India। আসল থেকে 2008-06-22-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 2007-06-12 
  2. "Statistical Hand Book - Economic Indicators for All States"Government of Tamil Nadu: Department of Economics and Statistics। Government of Tamil Nadu। আসল থেকে 2007-02-22-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 2007-11-01 
  3. "The Karnataka Official Language Act, 1963"। Government of Karnataka। সংগৃহীত 2 August 2011 
  4. Bopanna। "Sahyadri Education Trust vs State Of Karnataka on 4 July 1988"। Karnataka High Court। সংগৃহীত 2 August 2011 
  5. See Lord Macaulay's life of Clive and James Tallboys Wheeler: Early History of British India, London (1878) p.98. The principal meaning is the western half of this area, but the rulers there controlled the Coromandel Coast as well.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • John Keay, India: A History, 2000, Grove publications, New York, ISBN 0-8021-3797-0
  • Dr. Suryanath U. Kamath, Concise history of Karnataka, 2001, MCC, Bangalore (Reprinted 2002) OCLC 7796041
  • Nilakanta Sastri, K.A. (1955). A History of South India, From Prehistoric times to fall of Vijayanagar, OUP, New Delhi (Reprinted 2002) ISBN 0-19-560686-8.
  • R. Narasimhacharya, History of Kannada Literature, 1988, Asian Educational Services, New Delhi, Madras, 1988, ISBN 81-206-0303-6.
  • K.V. Ramesh, Chalukyas of Vātāpi, 1984, Agam Kala Prakashan, Delhi. ISBN 3987-10333. OCLC 13869730.
  • Malini Adiga (2006), The Making of Southern Karnataka: Society, Polity and Culture in the early medieval period, AD 400–1030, Orient Longman, Chennai, ISBN 81-250-2912-5
  • Altekar, Anant Sadashiv (1934) [1934]। The Rashtrakutas And Their Times; being a political, administrative, religious, social, economic and literary history of the Deccan during C. 750 A.D. to C. 1000 A.D। Poona: Oriental Book Agency। ওসিএলসি 3793499 
  • Masica, Colin P. (1991) [1991]। The Indo-Aryan Languages। Cambridge: Cambridge University Press। আইএসবিএন 0-521-29944-6 
  • Cousens, Henry (1996) [1926]। The Chalukyan Architecture of Kanarese District। New Delhi: Archeological Survey of India। ওসিএলসি 37526233 
  • Hermann Kulke and Dietmar Rothermund, A History of India, fourth edition, Routledge, 2004, ISBN 0-415-32919-1
  • Foekema, Gerard [2003] (2003). Architecture decorated with architecture: Later medieval temples of Karnataka, 1000–1300 AD. New Delhi: Munshiram Manoharlal Publishers Pvt. Ltd. ISBN 81-215-1089-9.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Hindu temples in Karnataka টেমপ্লেট:Karnataka topics

টেমপ্লেট:Archaeological sites and Monuments in Karnataka