মহাশ্বেতা দেবী
| মহাশ্বেতা দেবী | |
|---|---|
| জীবিকা | মানবাধিকার ও আদিবাসী অধিকার আন্দোলন কর্মী , লেখক |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| সময়কাল | ১৯৫৬-বর্তমান |
| ধরণ | উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ |
| বিষয় | ভারতের অধনিসূচিত আদিবাসী |
| সাহিত্যিক আন্দোলন | গণনাট্য |
| উল্লেখযোগ্য লেখনী | হাজার চুরাশির মা অরণ্যের অধিকার তিতুমীর |
|
প্রভাব বিস্তার
|
|
মহাশ্বেতা দেবী (জন্ম ১৪ জানুয়ারি, ১৯২৬ - ) এক বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও মানবাধিকার আন্দোলন কর্মী। তিনি ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন । তিনি সাঁওতাল ইত্যাদি উপজাতিদের ওপর কাজ এবং লেখার জন্য বিখ্যাত । তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন । তাঁর লেখা শতাধিক বইয়ের মধ্যে হাজার চুরাশির মা অন্যতম। সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ২০০৭ খ্রীষ্টাব্দে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।[১]
পরিচ্ছেদসমূহ |
জীবন [সম্পাদনা]
মহাশ্বেতা দেবী একটি মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তাঁর পিতা মনীশ ঘটক ছিলেন কল্লোল যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক এবং তাঁর কাকা ছিলেন বিখ্যাত চিত্রপরিচালক ঋত্বিক ঘটক। মহাশ্বেতা দেবী শিক্ষালাভের জন্য শান্তিনিকেতনে ভর্তি হন । তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন । পরে তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজীতে এম এ ডিগ্রী লাভ করেন ।
কর্মজীবন [সম্পাদনা]
১৯৬৪ খ্রীষ্টাব্দে তিনি বিজয়গড় কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন । এই সময়েই তিনি একজন সাংবাদিক এবং লেখিকা হিসাবে কাজ করেন। পরবর্তীকালে তিনি বিখ্যাত হন মূলত পশ্চিমবাংলার উপজাতি এবং নারীদের ওপর তাঁর কাজের জন্য । তিনি বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে বিভিন্ন উপজাতি এবং মেয়েদের উপর শোষণ এবং বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন। সাম্প্রতিক কালে মহাশ্বেতা দেবী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্পনীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন । সরকার কর্তৃক বিপুল পরিমাণে কৃষিজমি অধিগ্রহণ এবং স্বল্পমূল্যে তা শিল্পপতিদের কাছে বিতরণের নীতির তিনি কড়া সমালোচক । এছাড়া তিনি শান্তিনিকেতনে প্রোমোটারি ব্যবসার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছেন ।
গ্রন্থ তালিকা [সম্পাদনা]
- অরণ্যের অধিকার
- নৈঋতে মেঘ
- অগ্নিগর্ভ
- গণেশ মহিমা
- হাজার চুরাশীর মা
- চোট্টি মুণ্ডা এবং তার তীর
- শালগিরার ডাকে
- নীলছবি (১৯৮৬, অধুনা, ঢাকা।)
- বন্দোবস্তী
- আই.পি.সি ৩৭৫
- সাম্প্রতিক
- প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে
- মুখ
- কৃষ্ণা দ্বাদশী
- ৬ই ডিসেম্বরের পর
- বেনে বৌ
- মিলুর জন্য
- ঘোরানো সিঁড়ি
- স্তনদায়িনী
- লায়লী আশমানের আয়না
- আঁধার মানিক
- যাবজ্জীবন
- শিকার পর্ব
- অগ্নিগর্ভ
- ব্রেস্ট গিভার
- ডাস্ট অন দ্য রোড
- আওয়ার নন-ভেজ কাউ
- বাসাই টুডু
- তিতু মীর
- রুদালী
- উনত্রিশ নম্বর ধারার আসামী
- প্রস্থানপর্ব
- ব্যাধখন্ড
পুরস্কার [সম্পাদনা]
- পদ্মবিভূষণ (ভারত সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক পুরস্কার ২০০৬)
- রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৯৭)
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার (সাহিত্য একাডেমির সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান)
- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার (২০০৭)
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |