ছাতিম
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। |
|
|
উইকিপিডিয়ার জন্য মানসম্মত অবস্থায় আনতে এই নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদের উইকিফাই প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত আন্তঃসংযোগ প্রয়োগের মাধ্যমে নিবন্ধের উন্নয়নে সহায়তা করুন। |
ছাতিম গাছ “অ্যাপোসাইনেসি” বর্গের অন্তর্ভূত একটি উদ্ভিদ যার বৈজ্ঞানিক নাম এলস্টোনিআ স্কলারিস। বাংলাদেশ সহ ভারত উপমহাদেশের প্রায় সর্বত্র এটি জন্মে। আর্দ্র, কর্দমাক্ত, জলসিক্ত স্থানে ছাতিম বেশী জন্মে। হিন্দীতেও এ গাছের নাম ছাতিম। ছাতিমমূলাবর্তে সাতটি পাতা এক সঙ্গে থাকে বলে সংস্কৃতে এক সপ্তপর্ণ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] বর্ণনা
ছাতিম গাছ বিশালাকার চিরসবুজ বৃক্ষ যা ২৫ মি. পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। অভ্যন্তরে দুধের মতন সাদা তেতো রস থাকে। গাছের ধূসর বর্ণ বাকল বা ছাল অসমতল, শাখা পত্রমূলাবর্ত বিশিষ্ট। গাছের গুঁড়ি মোটা হয় ; বা মনে হয় যেন শাখা দিয়ে ঠেক দেওয়া আছে। ১০ থেকে ১৫ সে. মি. লম্বা পাতা একই মূলাবর্তে ৪ থেকে ৭ টা পর্যন্ত থাকে। শাখার শীর্ষে সবুজ মেশানো সাদা রংয়ে থোকায় থোকায় ক্ষুদ্রাকৃতি ফুলফোটে। ৩০ থেকে ৬০ সে.মি. লম্বা সরু ফল এক বৃন্তে সাধারণতঃ দুটো ক’রে ঝুলে থাকে।
[সম্পাদনা] ঔষধী গুণ
ছাতিম গাছের বাকল বা ছাল শুকিয়ে নিয়ে ওষুধের কাজে ব্যবহার করা হয়। দীর্ঘস্থায়ী অতিসার এবং আমাশয়ে এটি অত্যন্ত উপকরী। জ্বর ধীরে ধীরে নামায় বলে ম্যালেরিয়াতেও উপকারী। অন্যান্য ওষুধে জ্বর নামার সময় খুব ঘাম এবং পরে যে দুর্বলতা হয়, ছাতিমে তা হয় না। চর্মরোগেও ছাতিম ফলপ্রদ। স্নায়ুর শক্তিসূত্রে অসাড়তা আনে বলে রক্তের চাপ কমাতে ছাতিম উপকারী। কিছু পরীক্ষায় দেখা গেছে যে অ্যাণ্টিবায়োটিক কোন গুণ বা শারীরিক ক্রিয়ার সাহায্য করার কোন শক্তি ছাতিমের নেই।
[সম্পাদনা] অন্যান্য প্রয়োগ
ছাতিমের কাঠ দিয়ে খুব সাধারণ মানের আসবাব, প্যাকিং কেস, চায়ের পেটি, পেনসিল এবং দেশলাইযের কাঠি তৈরী হয়। পুরাকালে ছাতিমের কাঠ দিয়ে শিশুদের লেখার জন্য তক্তা বানান হত। মনে করা হয় সেই কারণেই জ্ঞৈানিক নামে “এলস্টোনিআ”-এর পর “স্কলারিস” কথাটি যোগ করা হয়েছে।