দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা
| দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা | |
| — জেলা — | |
|
দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা[α]
|
|
| স্থানাঙ্ক | 22°34′11″N 88°22′11″E / 22.5697°N 88.3697°E |
| দেশ | |
| রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ |
| রাজধানী | আলিপুর |
| বৃহত্তর শহর | কলকাতা |
| জনসংখ্যা |
• ৯,৭১,৩৫৭ |
| লিঙ্গ অনুপাত | 1.17 ♂/♀ |
| স্বাক্ষরতা | 59.18%% |
| সরকারি ভাষাs | বাংলা |
|---|---|
| সময় অঞ্চল | আইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০) |
এটি ভারতএর পূর্ব দিকের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলা।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
- মূল নিবন্ধ: ২৪ পরগণা জেলার ইতিহাস
১৭৫৭ সালে বাংলার নবাব মীরজাফর কলকাতার দক্ষিণে কুলপি পর্যন্ত অঞ্চলে ২৪ টি জংলীমহল বা পরগনার জমিদারি সত্ত্ব ভোগ করার অধিকার দেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে। এই ২৪টি পরগনা হল-১। আকবরপুর ২।আমীরপুর ৩।আজিমবাদ ৪।বালিয়া ৫।বাদিরহাটি ৬।বসনধারী ৭।কলিকাতা ৮। দক্ষিণ সাগর ৯।গড় ১০।হাতিয়াগড় ১১।ইখতিয়ারপুর ১২।খাড়িজুড়ি ১৩।খাসপুর ১৪।মেদনমল্ল ১৫।মাগুরা ১৬।মানপুর ১৭।ময়দা ১৮। মুড়াগাছা ১৯। পাইকান ২০।পেচাকুলি ২১।সাতল ২২।শাহনগর ২৩।শাহপুর ২৪।উত্তর পরগনা। সেই থেকে অঞ্চলটির নাম হয় ২৪ পরগণা।
১৭৫৯ সালে কোম্পানি লর্ড ক্লাইভকে এই ২৪টি পরগনা ব্যক্তিগত জায়গীর হিসাবে দেয়। ১৭৭৪ সালে লর্ড ক্লাইভের মৃত্যুর পর এটি আবার কোম্পানির হাতে চলে আসে। ইংরেজ আমলে ২৪টি পরগনা জেলা প্রশাসনিক কারণে বহুবার ভাগ হয়েছে।১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার আগে পূর্ব পাকিস্থান হবার পর যশোর জেলার বনগাঁ২৪টি পরগনা জেলার মধ্যে চলে আসে এবং সুন্দরবনের বৃহত্তম অংশ খুলনা ও বাখরগঞ্জের মধ্যে চলে আসে। ইংরেজ আমলে কলকাতা ২৪টি পরগনা জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভারতের রাজধানীতে পরিনত হয়। ১৯৮৩ সালে ডঃ অশোক মিত্রের প্রসাসনিক সংস্কার কমিটি এই জেলাকে বিভাজনের সুপারিশ করে। ১৯৮৬ সালে ১লা মার্চ জেলাটিকে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা নামে দুটি জেলায় ভাগ করা হয়। দুটি জেলাই প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে গ্রিক ভুগোলবিদ টলেমির “ট্রিটিজ অন জিওগ্রাফি” বইয়ে গঙ্গারিডি বা গঙ্গারিদাই জাতির কথা বলা হয়েছে। গঙ্গারিডি বা গঙ্গারিদাই জাতির মানুষের আবাসস্থল ছিল এই অঞ্চলে।
২৪টি পরগনা সরাসরি গুপ্ত সাম্রাজ্যের অংশ ছিল না। গৌড় রাজ শশাঙ্ক এই অঞ্চলে শাসন কায়েম করতে পারেনি। পাল বংশের রাজা ধর্মপালের রাজ্যভুক্ত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। তবে সেন যুগের বহু দেব্দেবীর মুর্তি জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আবিস্কৃত হয়েছে।
“মনসামঙ্গল” কাব্যে ২৪টি পরগনা জেলার অনেক জায়গার নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। চাঁদ সওদাগর চম্পকনগরী থেকে যাত্রা শুরু করে তাঁর তরী ভাসিয়েছিলেন ভাগীরথীর প্রবাহে।তিনি কুমারহট্ট, ভাটপাড়া,কাকিনাড়া,মুলাজোর,গারুলিয়া,ইছাপুর, দিগঙ্গা-চনক (ব্যারাকপুর),খড়দহ, চিৎপুর, কলিকাতা,কালীঘাট ইত্যাদি জায়গা পার হয়েছিলেন।তিনি চম্পকনগরী থেকে যাত্রা শুরু করে বারুইপুরে পৌছেছিলেন।
কর্ণপুর রচিত “চৈতন্যচরিতামৃত” গ্রন্থে ও ২৪টি পরগনা জেলার অনেক জায়গার নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।“মনসামঙ্গল” কাব্যে ও “চৈতন্যচরিতামৃত” গ্রন্থে পাওয়া বিভিন্ন জায়গার নাম ও বিবরণ তুলনা করলে দেখে যায় ২৪টি পরগনা জেলার উক্ত জায়গাগুলির অস্তিত্ব ছিল। চাঁদসওদাগর বারুইপুরে পৌছে আদি গঙ্গা তীরবর্তী মনসামন্দির লুঠ করেন। শ্রীচৈতন্যদেব বারুইপুরের কাছে অতিসরাতে অনন্ত পন্ডিতের আতিথ্য গ্রহণ করেন।মথুরাপুর থানা অঞ্চলে ছিল ছত্রভোগ বন্দর।
ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগে এই অঞ্চলের নদীপথে পর্তুগিজ জলদস্যুদের একচ্ছত্র আদিপত্য ছিল। পরবর্তি ১০০ বছর তাদের আদিপত্য বজায় ছিল উত্তর ২৪টি পরগনা ও দক্ষিণ ২৪টি পরগনার বসিরহাট অঞ্চলে। এই সময় পর্তুগিজ জলদস্যুদের অত্যাচারে অনেক সমৃদ্বশালী জনপদ জনশূন্য হয়ে যায়।
১৭ শতাব্দীর শুরুতে প্রতাপাদিত্য, যিনি বারো ভুঁইয়াদের অন্যতম ছিলেন, যশোর,খুলনা, বরিশালসহ গোটা ২৪টি পরগনা জেলার অধিপতি ছিলেন। যশোররাজ প্রতাপাদিত্য পর্তুগিজ জলদস্যুদের সঙ্গে বারবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিলেন। তিনি সাগরদ্বীপ, সরসুনা ,জগদ্দল প্রভৃতি অঞ্চলে দুর্গ বানিয়ে এদের আটকাবার চেষ্ঠা করেন।
১৬১০ সালে মুঘল সেনাপতি মান সিংহের হাতে প্রতাপাদিত্য পরাজিত হন়। ভবানন্দ মজুমদার নামে এক তালুকদারের বিশ্বাসঘাতকতায়, যিনি বর্ধমানে গিয়ে মান সিংহের সাথে দেখা করেন, এবং প্রতাপাদিত্যকে কীভাবে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলা যায় সে ব্যাপারে পরামর্শ দেন ।
মান সিংহ ছিলেন কামদেব ব্রহ্মচারীর শিষ্য । কামদেবের বংশধর হালিশহরের জায়গিরদার লক্ষীকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় কে ১৬১০ সালে সম্রাট জাহাঙ্গির মাগুরা,পাইকান, আনোয়ারপুর, কলকাতা ইত্যাদি একুশটি অঞ্চলের জমিদারি স্বত্ত্ব দেন। প্রতাপাদিত্য যখন রাজা বসন্ত রায়কে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন তখন থেকে প্রতাপাদিত্যের সংস্রব ত্যাগ করেছিলেন লক্ষীকান্ত । হালিশহর নামটি লক্ষীকান্তর পূর্বপুরুষ পাঁচু শক্তি খানের হাভেলির কারণে কালক্রমে হালিশহর হয় । পাঁচু শক্তি খান ছিলেন হুমায়ুনের আফগান সেনাদের প্রধান ।লক্ষীকান্তর বংশধরদের বলা হয় সাবর্ণ চৌধুরী, কেননা তাঁরা আকবরের কাছ থেকে 'রায়' এবং জাহাঙ্গিরের কাছ থেকে 'চৌধুরী' খেতাব পান ।
লক্ষীকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়ের নাতি কেশবচন্দ্র মুর্শিদকুলি খাঁর আমলে দক্ষিণ ২৪টি পরগনা ও খুলনার জমিদার নিযুক্ত হন।
[সম্পাদনা] ভূ-পরিচয়
উত্তর ২৪টি পরগনা ও দক্ষিণ ২৪টি পরগনা জেলার প্রায় পুরোটাই পলিগঠিত সমভুমি, উত্তর থেকে দক্ষিণে সামান্য ঢালু। ১৮৩০ সালে ড্যাম্পিয়ার ও হজেস নামে দুই জন সার্ভে অফিসার সুন্দরবনের ব-দ্বীপ অঞ্চলের উত্তর সীমা নির্ধারন করেন। এই রেখার নাম হয় ড্যাম্পিয়ার-হজেস রেখা। এর দক্ষিণে সুন্দরবনের কর্দমাক্ত সিক্ত বনাঞ্চল বাদাবন নামে পরিচিত।এই বাদাবন(Mangrove forest) রয়াল বেঙ্গল টাইগারের বাসভুমি। গরাণ, গেঁওয়া, সুঁদরি, গর্জন, হেতাঁল, গোলপাতা ইত্যাদি সুন্দরবনের গাছপালা।
দক্ষিণ ২৪টি পরগনা জেলার নদীগুলির মধ্যে হুগলি,বিদ্যাধরী,পিয়ালী, মাতলা, ইছামতি ও যমুনা প্রধান। হুগলি নদী জেলার পশ্চিম সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত। বাকি নদীগুলি গঙ্গা ও পদ্মার শাখা নদী।
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক বিভাগ
- আলিপুর মহকুমা-গার্ডেনরিচ, বেহালা,ঠাকুরপুকুর, মেটিয়াবুরুজ,মহেশতলা,
- বারুইপুর মহকুমা-
- ক্যানিংমহকুমা-
- ডায়মন্ডহারবার মহকুমা-
- কাকদ্বীপ মহকুমা-
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
[সম্পাদনা] যোগাযোগ
[সম্পাদনা] কৃষি
[সম্পাদনা] শিল্প
[সম্পাদনা] স্বাস্থ্য
[সম্পাদনা] দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কৃতি সন্তান
- শিবনাথ শাস্ত্রী
- উমেশচন্দ্র দত্ত
- রামনারায়ণ তর্করত্ন (১৮২২-১৮৮৬)
- দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
- চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য
- ঋষি রাজনারায়ণ বসু
- জানকীনাথ বসু (১৮৬০-
- দুর্গারাম কর চৌধুরী (১৭৬০-১৮২০)
- ভরতচন্দ্র শিরোমণি (১৮০৪-১৮৭৮)
- আনন্দচন্দ্র বেদান্তবাগীশ (১৮১৯-১৮৭৫)
- গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন (১৮২২-১৯০৩)
- রামচন্দ্র তর্কালঙ্কার (১৭৯৩-১৮৪৫)
- প্রিয়নাথ কর
- মহামহোপাধ্যায় নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার (১৮৪০-১৯০৮)
- তারাকুমার কবিরত্ন (১৮৪৩-১৯৩৫)
- হেরম্বচন্দ্র তত্ত্বরত্ন (১৮৩৭-১৯০৯)
- হরিশচন্দ্র কবিরত্ন (১৮৪৮-১৯৩৮)
- কালীকৃষ্ণ ভট্টাচার্য(১৮৪৯-১৯২৯)
- ডাঃ শ্রীনাথ বিদ্যানিধি (১৮৫০-১৯০৮)
- অঘোরনাথ চক্রবর্তী (১৮৫২-১৯১৫)
- শরচ্চন্দ্র দেব (১৮৫৮-?)
- ডাঃ চুনীলাল বসু (১৮৬১-১৯৩০)
- লীলাবতী মিত্র (১৮৬৪-১৯২৪)
- সুরেন্দ্রনাথ বিদ্যারত্ন (১৮৭১-১৯৫৮)
- সতীশচন্দ্র ভট্টাচার্য (১৮৯৪-১৯৭৪)
- লজ্জাবতী বসু (১৮৭৪-১৯৪২)
- ডঃ কার্তিকচন্দ্র বসু ( ১৮৭৩-১৯৫৫)
- হরিমোহন ভট্টাচার্য (১৮৮০-১৯৬৭)
- নরেন্দ্রনাথ বসু (১৮৯০-১৯৬৪)
- মনীন্দ্রলাল বসু ১৮৯৭-১৯৮৬)
- মতিলাল বসু
- পঙ্কজ দত্ত(১৯১৫-১৯৮৭)
- পূর্ণেন্দু বসু (১৯১৬-১৯৯৩)
- সমরেন্দ্রনাথ সেন (১৯১৮-১৯৯২)
- সুবোধচন্দ্র ব্যানার্জী (১৯১৮-১৯৭৪)
- বেলা মিত্র (১৯২০-১৯৫২)
- অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী (১৯২১-১৯৮৫)
- মানবেন্দ্র নাথ রায় (নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য) (১৮৮৭-১৯৫৪)
- হরিকুমার চক্রবর্তী (১৮৮২-১৯৬৩)
- সাতকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৮৯-১৯৩৭)
- জগদানন্দ মুখার্জী (১৯১০-১৯৭৩)
- শৈলেশ্বর বাসু (১৮৮৬-১৯২৮)
- কালীচরণ ঘোষ (১৮৯৫-১৯৮৪)
- বিজয় দত্ত (১৯০৩-১৯৯১)
- প্রবোধচন্দ্র ভট্টাচার্য(১৯০৯-১৯৯৭)
- সলিল চৌধুরী
[সম্পাদনা] আকর গ্রন্থ
- আদি গঙ্গার তীরে-ডঃ প্রতিসকুমার রায়চৌধুরী-মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ, কলকাতা।
- চব্বিশ পরগনার আঞ্চলিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি-গোকুল চন্দ্র দাস-প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স কলকাতা
- পশ্চিমবঙ্গ-জেলা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা সংখ্যা
- পশ্চিমবঙ্গ-শিবনাথ শাস্ত্রী সংখ্যা
- দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার অতীত-কালিদাস দত্ত
- রামতনু লাহিড়ী ও তৎকালীন বঙ্গসমাজ-শিবনাথ শাস্ত্রী
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
- দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
- পশ্চিমবঙ্গের জেলাসমূহের মানচিত্র
- পশ্চিমবঙ্গের জেলাসমূহ প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
- A travel article on Dhosa & Tilpi by Rangan Datta
- A travel Article on Frazerganj by Rangan Datta
- A travel article on Achipur by Rangan Datta
- Rangan Datta's personal web-site
|
|||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |