বুদ্ধ পূর্ণিমা
| বুদ্ধ পূর্ণিমা | |
|---|---|
| আনুষ্ঠানিক নাম | Wesak বৈশাখী পূজা বৈশাখ বুদ্ধ পূর্ণিমা Visakha Bucha Saga Dawa 佛誕 (fó dàn) Phật Đản |
| অপর নাম | বুদ্ধের জন্মদিন বা বুদ্ধদিবস |
| পালনকারী | বৌদ্ধ |
| ধরন | Buddhist |
| অর্থ | The birth, enlightenment and passing away of Buddha |
| তারিখ | বৃষের প্রথম পূর্ণিমা (সাধারণ বর্ষের মে মাসে অথবা অধিবর্ষের জুন মাসে পালিত) |
| পালন | Meditation, Observing the eight precepts, partaking in vegetarian food, giving to charity, "bathing" the Buddha |
| সর্ম্পকিত | Hanamatsuri |
বৌদ্ধধর্ম |
|---|
|
মুখ্য চরিত্রাবলি |
|
চতুরার্থ সত্য |
|
|
বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্রতম উৎসব। এই পুণ্যোৎসব বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয়। এই পবিত্র তিথিতে বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বোধি বা সিদ্ধিলাভ করেছিলেন এবং মহাপরিনির্বাণ লাভ করেছিলেন। এই দিনে বৌদ্ধধর্মাবলম্বীগণ স্নান করেন, শুচিবস্ত্র পরিধান করে মন্দিরে মন্দিরে বুদ্ধের বন্দনায় রত থাকেন। শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি বৌদ্ধ ধর্মে প্রভাবিত দেশসমূহে বিশেষ মর্যাদা সহকারে এই উৎসব পালিত হয়ে থাকে। এইসকল দেশে এই দিনে সরকার কর্তৃক মদ্য, মাছ, মাংসাদির বিক্রয়ের প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপিত থাকে। দেশবাসীগণকে সাদারঙা পোষাক পরিধানের পরামর্শ দেয়া হয়। ভক্তগণ প্রতিটি মন্দিরে বহু প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করেন, ফুলের মালা দিয়ে মন্দিরগৃহ সুশেভিত করে বুদ্ধের আরাধনায় নিমগ্ন হন। এছাড়া বুদ্ধগণ এই দিনে বুদ্ধ পূজার পাশাপাশি পঞ্চশীল, অষ্টশীল, সূত্রপাঠ, সূত্রশ্রবণ, সমবেদ প্রার্থণাও করে থাকেন[১]।
পরিচ্ছেদসমূহ |
বিভিন্ন দেশে উদযাপন[সম্পাদনা]
বাংলাদেশ[সম্পাদনা]
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতি বছরই পালিত হয়। বৌদ্ধধর্মের উৎসব হলেও ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশে সর্বসাধারণের জন্য এই দিনটি সরকারি ছুটি থাকে। প্যাগোডায় প্যাগোডায় চলতে থাকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দিবস উদযাপনের যাবতীয় কার্যক্রম। এছাড়া বিভিন্ন গ্রাম ও বিহারে এই দিনে মেলা বসে। সবচেয়ে বড় মেলাটি বসে চট্টগ্রামের বৈদ্যপাড়া গ্রামে, যা বোধিদ্রুম মেলা নামে সমধিক পরিচিত।[১]
শ্রীলঙ্কা[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |