শিলিগুড়ি করিডোর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শিলিগুড়ি করিডোর, মানচিত্রে লাল রঙের বৃত্তের দ্বারা চিহ্নিত

শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির সঙ্গে দেশের অবশিষ্ট অংশের সংযোগরক্ষাকারী একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই ভূখণ্ডের আকৃতি মুরগির ঘাড়ের মতো বলে একে চিকেন’স নেক নামেও অভিহিত করা হয়। এই ভূখণ্ডের প্রস্থ ২১ থেকে ৪০ কিলোমিটার। এর দুপাশে নেপালবাংলাদেশ রাষ্ট্র।

শিলিগুড়ি এই অঞ্চলের প্রধান শহর। এই শহরটি ভুটান, নেপাল, উত্তর-পূর্ব ভারত ও ভারতের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী প্রধান কেন্দ্র।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে শিলিগুড়ি করিডোরের সৃষ্টি হয়। ২০০২ সালে ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ এই অঞ্চলে একটি মুক্ত বাণিজ্যাঞ্চল গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করে। এই প্রস্তাবে উক্ত অঞ্চলের মাধ্যমে অবাধে চার দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন চালানোর কথা বলা হয়।[১] তবে অবৈধ ড্রাগ ও অস্ত্রচোরাচালান বর্তমানে এই অঞ্চলের প্রধান সমস্যা।[২]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "Nepal, Bangladesh, Bhutan and India to set up FTA." Federation of Nepalese Chambers of Commerce and Industry News & News. July–August 2002. Accessed 30 May 2008.
  2. "Siliguri corridor 'vulnerable', warns security expert." DNA. 22 July 2007. Accessed 30 May 2008.

গুরুত্ব :

 এই করিডর টির  অবস্থান একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরী  করেছে যা  কিনা বাংলাদেশের জন্য খুব  গুরুত্বপূর্ণ।ভারতের বিভাজন  ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের এবং মুসলিম লীগের মধ্যে শত্রুতা একটি ফলাফল  হিসাবে ঘটেছে. শুরু থেকেই , নতুন এই দুটি রাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক যুদ্ধবিগ্রহ এবং মোকাবিলার দ্বারা চিহ্নিত ছিল.এই বিচ্ছিন্নতা সন্নিহিত  অঞ্চলে একটি প্রতিকূল রাষ্ট্র তৈরি করে যা  "পূর্ব পাকিস্তান" হিসেবে  উদ্ভব  হয় , যা ভারতের পূর্বোত্তর রাজ্যগুলির জন্য একটি অনগ্রসর পরিস্থিতি তৈরি করে।