মুঘল সাম্রাজ্য
| মুঘল সাম্রাজ্য گوركانى |
||||
|
||||
| ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সাম্রাজ্য, বিস্তারের সর্বোচ্চতায় | ||||
| Capital | লাহোর, দিল্লী, আগ্রা , কাবুল, লখনৌ এবং ভোপাল | |||
| Language(s) | ফার্সি (প্রথমদিকে চাগাতাই এবং শেষের দিকে উর্দু ভাষাও ছিল) | |||
| Government | চরম রাজতন্ত্র, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোবিশিষ্ট একক সরকার | |||
| সম্রাট | ||||
| - ১৫২৬–১৪৩০ | বাবর | |||
| - ১৫৩০–১৫৩৯ এবং পুনর্গঠনের পরে ১৫৫৫–১৫৫৬ | হুমায়ুন | |||
| - ১৫৫৬–১৬০৫ | আকবর | |||
| - ১৬০৫–১৬২৭ | জাহাঙ্গীর | |||
| - ১৬২৮–১৬৫৮ | শাহ জাহান | |||
| - ১৬৫৯–১৭০৭
Later Emperors = ১৭০৭–১৮৫৭ |
আওরঙ্গজেব | |||
| History | ||||
| - পানিপথের প্রথম যুদ্ধ | ২১শে এপ্রিল, ১৫২৬ ১৫২৬ | |||
| - সিপাহি বিদ্রোহ | ২১শে সেপ্টেম্বর, ১৮৫৭ ১৮৫৮ | |||
| Area | ||||
| ৩০,০০,০০০ km2 (১১,৫৮,৩০৬ sq mi) | ||||
| Population | ||||
| - ১৭০০ est. | ১৫,০০,০০,০০০ | |||
| Currency | রুপি, তোমান | |||
| Warning: Value specified for "continent" does not comply | ||||
মুঘল সাম্রাজ্য ভারত উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল নিয়ে বিস্তৃত ছিল; অঞ্চলটি সেসময় হিন্দুস্তান বা হিন্দ নামে পরিচিত ছিল। এছাড়া আফগানিস্তান ও বেলুচিস্তানের বেশ কিছু এলাকাও মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে ছিলো। মুঘল সাম্রাজ্য ১৫২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, ১৭০৭ সাল পর্যন্ত এর সীমানা বিস্তার করে এবং ১৮৫৭ সালের এর পতন ঘটে। চেঙ্গিস খান ও তৈমুর লঙের উত্তরসূরী জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫২৬ সালে দিল্লীর লোদী বংশীয় সর্বশেষ সুলতান ইবরাহিম লোদীকে প্রথম পানিপথের যুদ্ধে পরাজিত করে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মুঘল সাম্রাজ্যের সর্বশেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের প্রাক্কালে ইংরেজদের হাতে পরাজিত হয়ে তৎকালীন বার্মার রেঙ্গুনে নির্বাসনে চলে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। তবে মূলত মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পরেই মুঘল সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ভারত উপমহাদেশে ইংরেজদের প্রভাব প্রতিপত্তি বেড়ে যায়।
[সম্পাদনা] ইতিহাস
মুঘল সাম্রাজ্যের ৩০০ বছরের বেশি ইতিহাস অনেক উত্থান পতনের সাক্ষী।
[সম্পাদনা] বাবরের ভারত আক্রমণ
ফরগণা নামে এক মধ্য এশিয় সামন্ত রাজ্যের তৈমুর বংশীয় রাজা ওমর শেখ মিরজার ছেলে বাবর মধ্য এশিয়া থেকে রাজ্যচ্যুত হয়ে কাবুল আক্রমণ করেন। এই সময় তিনি ভারত আক্রমণের পরিকল্পণা করেন। ১৫২৬ সালে পাণিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে নিহত করে মুঘল সাম্রাজ্যের সুচনা করেন। এই যুদ্ধেই ভারতে প্রথম কামান ব্যবহার হয়েছিল।
- খানুয়ার যুদ্ধ
এই যুদ্ধে বাবর রাজপুত রাজা সংগ্রাম সিংহকে পরাজিত করেন।
[সম্পাদনা] শেরশাহের উত্থান
বিহারের এক জায়গীরদারের ছেলে ফরিদ খান শেরশাহ নাম ধারণ করে বাবরপুত্র হুমায়ুনকে বিল্বগ্রাম ও চৌসার যুদ্ধে পরাজিত করলে হুমায়ুন পারস্যে রাজা তামাস্পের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। শেরশাহের শাসন ব্যবস্থা ভবিষ্যতে আকবরের শাসনব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে।
[সম্পাদনা] পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ও আকবরের উত্থান
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে শেরশাহের উত্তরাধিকারী আদিল শাহের সেনাপতি হিমু হুমায়ুনপুত্র আকবর ও তাঁর সেনাপতি বৈরাম খানের সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হোন। এরপর আকবরের শাসনকালে মুঘল সাম্রায্য উত্তর ও মধ্যভারতে বিস্তৃত হয়।১৫৬০ সালে বৈরাম খানকে সরিয়ে আকবর নিজে সকল ক্ষমতা দখল করেণ।আকবর রাজপুতদের সাথে মিত্রতানীতি নেন। মান সিংহকে সেনাপতিত্বে বরণ করেন। কিন্তু মেবারের শাসক প্রতাপসিংহকে মিত্র করতে সফল হন নি।
হলদিঘাটের যুদ্ধ
এই যুদ্ধে মুঘল পক্ষীয় সেনাপতি মান সিংহ মেবারের রাণা প্রতাপ সিংহকে পরাজিত করেন।
রাজমহলের যুদ্ধ
এই যুদ্ধে দাউদ খান কররাণী পরাজিত হলে বাংলায় মুঘল শাসন শক্তিশালী হয়। যদিও পরে বারো ভুঁইয়া নামে পরিচিত জমিদারেরা বিদ্রোহ করেন। আকবরের পুত্র ছিলেন জাহাঙ্গীর।
[সম্পাদনা] শাহজাহানের শাসনকাল
শাহজাহান তখতে এসে সমস্ত উত্তরাধিকারীর দাবীদারদের হত্যা করেন। শাহজাহানের শাসনকালে তাজমহল তৈরি হয়।
[সম্পাদনা] ঔরংজীবের উত্থান
শাহজাহান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর ছেলেরা গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। দারা, সুজা ও মুরাদকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসেন ঔরংজীব। তিনি মারাঠা, ইংরেজ, শিখ ও অন্যান্য মুঘল্বিরোধীদের দমন করার সাময়িক চেষ্টা করেন। কিন্তু স্থায়ীভাবে সফল হননি।
[সম্পাদনা] দাক্ষিণাত্য ক্ষত
এসময় মারাঠা নেতা শিবাজী সক্রিয় হয়ে ওঠেন যা মুঘল সাম্রায্যকে বিপন্ন করে।
[সম্পাদনা] ঔরংজীবের মৃত্যু ও পতনের সুচনা
ঔরংজীবের মৃত্যুতে আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর যোগ্য উত্তরসুরীর অভাব ভারতকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়
[সম্পাদনা] সৈয়দ ভাতৃদ্বয় ও ফারুখশিয়ার
ফারুখশিয়ার নামে মুঘল সম্রাট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে ফরমান দেন।মুঘল সম্রাটদের অযোগ্যতা অনেক আমলাদের সক্রিয় করে তোলে এদের মধ্যে সৈয়দ ভাতৃদ্বয় উল্লেখ্য।
[সম্পাদনা] মহম্মদ শাহ আমল ও নাদির শাহের আক্রমণ
মহম্মদ শাহ সৈয়দ ভাতৃদ্বয়দের দমন করলেও তিনি অতি নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এসময় ভারত আক্রমণ করেন। দিল্লি শ্মশানে পরিণত হয়।
[সম্পাদনা] মারাঠা সাম্রাজ্য ও আব্দালির আক্রমণ
মারাঠা সাম্রাজ্যের এসময় চরম উন্নতি হয়। কিন্তু আফগান নেতা আহমেদ শাহ আব্দালির হাতে পাণিপথের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠা প্রভাব বিনস্ট হয়। দিল্লি আবার লুন্ঠিত হয়।
[সম্পাদনা] বক্সারের যুদ্ধ
এই যুদ্ধে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম অযোধ্যার নবাব সুজা উদ দোউলা ও বাংলার নবাব মীর কাশীমের সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিরোধীতা করেন কিন্তু নাকাম হন। তিনি ইংরেজদের দেওয়ানী দিতে বাধ্য হন। এরপর মুঘল সম্রাট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর আশ্রিত হয়ে থাকেন। এই সময় মুঘল সাম্রাজ্য লালকেল্লায় সীমাবদ্ধ ছিল।
[সম্পাদনা] সিপাহী বিদ্রোহ ও মুঘল সাম্রাজ্যের অবসান
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ অবদমিত হলে যোগদান কারী মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে রেংগুণে পাঠানো হয়। এভাবে মুঘল সাম্রাজ্য শেষ হয়।
[সম্পাদনা] অবদান
[সম্পাদনা] স্থাপত্য
- বাবরি মসজিদ
- ফতেহপুর সিক্রি
- তাজমহল
- লাল কেল্লা
- ময়ুর সিংহাসন
- লাহোর কেল্লা
- বিবি কি মকবরা
[সম্পাদনা] খাদ্য
- মোগলাই
[সম্পাদনা] চিত্রকলা
মুঘল আমলে এক বিশেষ চিত্রকলার প্রচলন হয় যা মুঘল চিত্রকলা নামে পরিচিত।
[সম্পাদনা] সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন
মুঘল আমলে দক্ষিণ এশীয়, মধ্য এশীয় ও পশ্চিম এশীয় সংস্কৃতির মিলন হয়।
[সম্পাদনা] সামরিক
মুঘল সম্রাটরাই প্রথম ভারতে ব্যাপকভাবে কামান, বারুদ ও বন্দুক ব্যবহার করেন।
[সম্পাদনা] ধাতুবিদ্যা
মুঘল আমলে ধাতুবিদ্যা বিষয়ে উন্নতি হয়। আলি কাশ্মীরি নামে এক কারিগর বিশেষ ধরণের গোলক তৈরি করা আবিষ্কার করেন।
[সম্পাদনা] অর্থনৈতিক
শের শাহের মুদ্রা ব্যবস্থাকে উন্নত করা হয়।
[সম্পাদনা] বিচার ব্যবস্থা
মুঘল বিচারব্যবস্থার প্রয়োগ আজও ভারতে অনেকাংশে অনুসরণ করা হয়।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
|
||||||||||||||