কিশোরগঞ্জ জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কিশোরগঞ্জ জেলা
প্রশাসনিক বিভাগ ঢাকা
আয়তন (বর্গ কি.মি.) ২,৬৮৮
জনসংখ্যা মোট: ২৩,০৬,০৭৯
পুরুষ: ৫১.০০%
মহিলা: ৪৯.০০%
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: মহাবিদ্যালয় : ২৫
মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২১৫
মাদ্রাসা : ১২০
শিক্ষার হার ২১.৯৪%
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ঈসা খাঁ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সত্যজিৎ রায়, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, আনন্দমোহন বসু, সুকুমার রায়, চন্দ্রাবতী
প্রধান শস্য ধান, পাট, মিষ্টি আলু
রপ্তানী পণ্য ধান, পাট,কলা

কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জের ভৌগোলিক আয়তন প্রায় ২,৬৮৮ বর্গ কিলোমিটার। এই আয়তনে ১৩টি উপজেলা রয়েছে।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জে ১৩টি থানা। যথা:
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা

অষ্টগ্রাম উপজেলা

ইটনা উপজেলা

করিমগঞ্জ উপজেলা

কটিয়াদি উপজেলা

কুলিয়ারচর উপজেলা

তাড়াইল উপজেলা

নিকলী উপজেলা

পাকুন্দিয়া উপজেলা

বাজিতপুর উপজেলা

ভৈরব উপজেলা

মিটামইন উপজেলা

হোসেনপুর উপজেলা

ইউনিয়নে সংখ্যা :১০৬টি

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। এখানে প্রাচীনকাল থেকেই একটি সুগঠিত গোষ্ঠী হয় এবং এখনোও তা বিরাজ আছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির চালিকা শক্তি অনেকটা হাওরের উপর র্নিভর। যেমন: হাওরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় যা দেশের চাহিদার লভ্যাংশ পূরণ করতে সক্ষম। তাছাড়া কিশোরগঞ্জে পাট, ধান এবং অন্যান্য অনেক সবজি হয়ে থাকে যা দেশের বাইরেও রপ্তানি হয়।

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান, গুরুদয়াল কলেজ, চন্দ্রাবতীর বাড়ী (নীলগঞ্জ), ঈসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী জঙ্গলবাড়ী, এগারোসিন্দুর

বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ[সম্পাদনা]

  • আব্দুল হামিদ - বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি এবং সংসদের দুইবারের মনোনীত স্পিকার। একজন বিশিষ্ট এডভোকেট ও রাজনীতিবিদ।
  • সৈয়দ নজরুল ইসলাম - বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকার গঠন করেন।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

জেলা সরকারী ওয়েব