তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (আগস্ট ২৩, ১৮৯৮-সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৭১) বাংলা ভাষার একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও গল্পলেখক
পরিচ্ছেদসমূহ |
জন্ম ও শিক্ষা [সম্পাদনা]
১৮৯৮ সালের [[জুলাই ২৪|২৪ জুলাই] পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গেরবীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা-মায়ের নাম হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রভাবতী দেবী। লাভপুরের যাদবলাল হাই স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করে কলকাতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ|সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হন।
রাজনৈতিক জীবন [সম্পাদনা]
তারাশঙ্কর কংগ্রেসের কর্মী হয়ে সমাজসেবামূলক কাজ করেন এবং এর জন্য তিনি কিছুদিন জেল খাটেন। একবার তিনি ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন।
লেখার বৈশিষ্ট্য [সম্পাদনা]
তাঁর লেখায় বিশেষ ভাবে পাওয়া যায় বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের সাঁওতাল, বাগদি, বোষ্টম, বাউরি, ডোম, গ্রাম্য কবিয়াল সম্প্রদায়ের কথা। ছোট বা বড় যে ধরনের মানুষই হোক না কেন, তারাশঙ্কর তাঁর সব লেখায় মানুষের মহত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাঁর লেখার সবচেয়ে বড় গুন। সামাজিক পরিবর্তনের বিভিন্ন চিত্র তাঁর অনেক গল্প ও উপন্যাসের বিষয়। সেখানে আরও আছে গ্রাম জীবনের ভাঙনের কথা, নগর জীবনের বিকাশের কথা।
চলচ্চিত্র [সম্পাদনা]
- জলসাঘর ও অভিযান (সত্যজিৎ রায় এর পরিচালিত),বেদেনি ২০১০
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ [সম্পাদনা]
বাঙালি ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্য কর্মের সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হল :
|
|
|
|
নাটক [সম্পাদনা]
- দ্বীপান্তর(১৯৪৫)
- পথের ডাক(১৯৪৩)
- দুই পুরুষ(১৯৪৩)
পুরস্কার [সম্পাদনা]
- শরৎস্মৃতি পুরস্কার (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)।
- জগত্তারিণী স্মৃতিপদক (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)।
- রবীন্দ্র পুরস্কার।
- সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার।
- জ্ঞানপীঠ পুরস্কার।
- পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ উপাধি।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
+ + +