বর্ধমান জেলা ভারতের পূর্ব দিকের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলা। এটি মূলত কৃষি প্রধান জেলা। একে পশ্চিম বঙ্গের শস্য ভান্ডার বলা হয়। ধান এ জেলার প্রধান ফসল। এ ছাড়া গম ,পাট ,আলু , পেঁয়াজ ,আখ হয়। জেলার রানিগঞ্জ আর আসানসোল কয়লাখনির জন্য প্রসিদ্ধ। দূর্গাপুরে আছে লৌহ-ইস্পাত কারখানা। জেলা সদর বর্ধমান থেকে অল্প দূরে কাঞ্চন নগর ছুরি , কাঁচির জন্য প্রসিদ্ধ। ধাত্রিগ্রাম তাঁতের কাপড়ের জন্য প্রসিদ্ধ।
বর্ধমানের ইতিহাস শুরু খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সন তথা মেসোলিথিক বা প্রস্তর যুগের অন্তিম সময়। Burdwan নামটি সংস্কৃত বর্ধমান থেকে ইংরেজ কর্তৃক প্রদত্ত। গলসি থানা সংলগ্ন "মল্লসরুল" গ্রামে প্রাপ্ত ষষ্ঠ শতকের একটি তাম্রলিপিতে প্রথম নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়।নামের মূল নিয়ে দুটি মত রয়েছে।প্রথম মতানূযায়ী, নামটি ২৪ তম জৈন তীর্থাঙ্কর বা বর্ধমানস্বামী'র নামানুসারে।জৈন কল্পসূত্রাণুসারে,মহাবীর কিছুসময় অস্তিকগ্রামে কাটিয়েছিলেন, যা পরে বর্ধমান নামে পরিচিত হয়।অন্যমতানুযায়ী, বর্ধমানা অর্থ সম্পন্ন কেন্দ্র। গাঙ্গেয় উপত্যকায় আর্য সভ্যতার বিকাশের সময়ে, উন্নতি এবং সম্পনতার প্রতীক হিসাবে স্থানটি পরিচিত ছিল।
জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি [১] [সম্পাদনা]
- কাশীরাম দাস
- সাধক কমলাকান্ত
- রাসবিহারী বসু
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- কাজী নজরুল ইসলাম -আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে কবির জন্ম।
- কবিশেখর কালিদাস রায়
- লালবিহারী দে
- কুমুদরঞ্জন মল্লিক
- অক্ষয়কুমার দত-বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখক।কালনা মহাকুমার চুপি গ্রামে জন্ম
- ভবদেব ভট্ট-১০ শতকের শেষে বা ১১ শতকের শুরুতে গুসকরার কাছে সিদ্ধল গ্রামে জন্ম(মতান্তরে মঙ্গলকোটের শীতল গ্রামে)
- বৃন্দাবন দাস- পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি।বর্ধমানের কাছে দেনুর গ্রামে ১৬ শতকের শুরুতে জন্ম।
-
-
-
-
-
বর্ধমান পৌর উচ্চ বিদ্যালয়
-
-
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
-
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক চত্বরের সিংহদ্বার, রাজবাটী
-
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় আকাদেমিক চত্বর, দক্ষিণ দরজা
-
-
-
-
-
বর্ধমান মেঘনাদ সাহা তারামণ্ডল
-
-
-
-
-