বাংলা সাহিত্য
| বাংলা সাহিত্য | |
|---|---|
শামসুর রাহমান, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী |
|
| বাংলা সাহিত্য (বিষয়শ্রেণী তালিকা) বাংলা ভাষা |
|
| সাহিত্যের ইতিহাস | |
| বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস | |
| বাঙালি সাহিত্যিকদের তালিকা | |
| কালানুক্রমিক তালিকা - বর্ণানুক্রমিক তালিকা | |
| বাঙালি সাহিত্যিক | |
| লেখক - ঔপন্যাসিক - কবি | |
| সাহিত্যধারা | |
| প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় চর্যাপদ - মঙ্গলকাব্য - বৈষ্ণব পদাবলি ও সাহিত্য - নাথসাহিত্য - অনুবাদ সাহিত্য -ইসলামি সাহিত্য - শাক্তপদাবলি - বাউল গান আধুনিক সাহিত্য উপন্যাস - কবিতা - নাটক - ছোটোগল্প - প্রবন্ধ - শিশুসাহিত্য - কল্পবিজ্ঞান |
|
| প্রতিষ্ঠান ও পুরস্কার | |
| ভাষা শিক্ষায়ন সাহিত্য পুরস্কার |
|
|
সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার |
|
বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় নবম শতাব্দীতে বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোঁহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্য ছিল কাব্যপ্রধান। হিন্দুধর্ম, ইসলাম ও বাংলার লৌকিক ধর্মবিশ্বাসগুলিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই সময়কার বাংলা সাহিত্যের। মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, শাক্তপদাবলি, বৈষ্ণব সন্তজীবনী, রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের বঙ্গানুবাদ, পীরসাহিত্য, নাথসাহিত্য, বাউল পদাবলি এবং ইসলামি ধর্মসাহিত্য ছিল এই সাহিত্যের মূল বিষয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত হয় খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নবজাগরণের যুগে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। এই সময় থেকে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বদলে মানুষ, মানবতাবাদ ও মানব-মনস্তত্ত্ব বাংলা সাহিত্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। ১৯১৩ সালে বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর বাংলা সাহিত্যও দুটি ধারায় বিভক্ত হয় – কলকাতা-কেন্দ্রিক পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ও ঢাকা-কেন্দ্রিক পূর্ব পাকিস্তান-বাংলাদেশের সাহিত্য। বর্তমানে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের একটি অন্যতম সমৃদ্ধ সাহিত্যধারা হিসেবে পরিগণিত হয়ে থাকে।
যুগ বিভাজন[সম্পাদনা]
বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ইতিহাস প্রধানত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: [১][২]
- আদিযুগ বা প্রাচীন যুগ (আনুমানিক ৯০০ খ্রি.–১২০০ খ্রি.)
- মধ্যযুগ (১২০০ খ্রি.– ১৮০০ খ্রি.)
- আধুনিক যুগ (১৮০০ খ্রি. – বর্তমান কাল)।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজনৈতিক ইতিহাসের মতো নির্দিষ্ট সালতারিখ অনুযায়ী সাহিত্যের ইতিহাসের যুগ বিভাজন করা সম্ভব নয়। যদিও সাহিত্যের ইতিহাস সর্বত্র সালতারিখের হিসেব অগ্রাহ্য করে না। সাহিত্যকর্মের বৈচিত্র্যে ও বৈশিষ্ট্যে নির্দিষ্ট যুগের চিহ্ন ও সাহিত্যের বিবর্তনের ধারাটি বিশ্লেষণ করেই সাহিত্যের ইতিহাসে যুগবিভাগ করা হয়ে থাকে।
আদিযুগ বা প্রাচীন যুগ[সম্পাদনা]
বাংলা সাহিত্যের উন্মেষের পূর্বে বাংলায় সংস্কৃত, প্রাকৃত ও অবহট্ঠ ভাষায় সাহিত্য রচনার রীতি প্রচলিত ছিল। এই সাহিত্যের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের আদি অধ্যায়ের সূচনা হয়।[৩] ত্রয়োদশ শতাব্দীতে তুর্কি বিজয়ের বহু পূর্বেই বাঙালিরা একটি বিশেষ জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। উন্মেষ ঘটে বাংলা ভাষারও। তবে প্রথম দিকে বাংলায় আর্য ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতি ও অনার্য সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটেনি। সংস্কৃত ভাষায় লেখা অভিনন্দ ও সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিত, শরণ, ধোয়ী, গোবর্ধন, উমাপতি ধরের কাব্যকবিতা, জয়দেবের গীতগোবিন্দম্, কবীন্দ্রবচনসমুচ্চয় ও সদুক্তিকর্ণামৃত নামক দুটি সংস্কৃত শ্লোকসংগ্রহ; এবং অবহট্ঠ ভাষায় রচিত কবিতা সংকলন প্রাকৃত-পৈঙ্গল বাঙালির সাহিত্য রচনার আদি নিদর্শন। এই সকল গ্রন্থ বাংলা ভাষায় রচিত না হলেও সমকালীন বাঙালি সমাজ ও মননের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।[৪][৫] পরবর্তীকালের বাংলা বৈষ্ণব সাহিত্যে গীতগোবিন্দম্ কাব্যের প্রভাব অনস্বীকার্য।
বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যের আদিতম নিদর্শন হল চর্যাপদ। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত চর্যা পদাবলি ছিল সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধনসংগীত। আধুনিক ভাষাতাত্ত্বিকগণ বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণের সাহায্যে প্রমাণ করেছেন যে চর্যার ভাষা প্রকৃতপক্ষে হাজার বছর আগের বাংলা ভাষা। সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্র এই পদগুলিতে প্রতিফলিত হয়েছে। সাহিত্যমূল্যের বিচারে কয়েকটি পদ কালজয়ী।
মধ্যযুগ[সম্পাদনা]
ত্রয়োদশ শতাব্দী: বাংলা সাহিত্যের "অন্ধকার যুগ"[সম্পাদনা]
প্রাক-চৈতন্য যুগ[সম্পাদনা]
চৈতন্য যুগ[সম্পাদনা]
চৈতন্যোত্তর যুগ[সম্পাদনা]
আধুনিক যুগ[সম্পাদনা]
প্রাক-রবীন্দ্র যুগ[সম্পাদনা]
রবীন্দ্র যুগ[সম্পাদনা]
রবীন্দ্রোত্তর যুগ[সম্পাদনা]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমসাময়িক বাংলা সাহিত্য[সম্পাদনা]
পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য[সম্পাদনা]
পূর্ব পাকিস্তান-বাংলাদেশের সাহিত্য[সম্পাদনা]
সাহিত্যধারা[সম্পাদনা]
চর্যাপদ[সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: চর্যাপদ
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি।[৬] খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ়ার্থ সাংকেতিক রূপবন্ধে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলি রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীতের শাখাটির সূত্রপাতও এই চর্যাপদ থেকেই। এই বিবেচনায় এটি ধর্মগ্রন্থ স্থানীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলিতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ আজও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রীস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যার প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন[সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। [৭] ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়।[৮] যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ। কৃষ্ণের জন্ম, বৃন্দাবনে রাধার সঙ্গে তাঁর প্রণয় এবং অন্তে বৃন্দাবন ও রাধা উভয়কে ত্যাগ করে কৃষ্ণের চিরতরে মথুরায় অভিপ্রয়াণ – এই হল শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য। আখ্যানভাগ মোট ১৩ টি খণ্ডে বিভক্ত। পুথিটি খণ্ডিত বলে কাব্যরচনার তারিখ জানা যায় না। তবে কাব্যটি আখ্যানধর্মী ও সংলাপের আকারে রচিত বলে প্রাচীন বাংলা নাটকের একটি আভাস মেলে এই কাব্যে। গ্রন্থটি স্থানে স্থানে আদিরসে জারিত ও গ্রাম্য অশ্লীলতাদোষে দুষ্ট হলেও আখ্যানভাগের বর্ণনানৈপূণ্য ও চরিত্রচিত্রণে মুন্সিয়ানা আধুনিক পাঠকেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। চর্যাপদের পর ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা ভাষার দ্বিতীয় প্রাচীনতম আবিষ্কৃত নিদর্শন। বাংলা ভাষাতত্ত্বের ইতিহাসে এর গুরুত্ব তাই অপরিসীম। অপরদিকে এটিই প্রথম বাংলায় রচিত কৃষ্ণকথা বিষয়ক কাব্য। মনে করা হয়, এই গ্রন্থের পথ ধরেই বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির পথ সুগম হয়।
মধ্যযুগীয় অনুবাদ সাহিত্য[সম্পাদনা]
মধ্যযুগীয় ইসলামি সাহিত্য[সম্পাদনা]
বৈষ্ণব পদাবলি[সম্পাদনা]
চৈতন্যজীবনীসাহিত্য[সম্পাদনা]
মঙ্গলকাব্য[সম্পাদনা]
মধ্যযুগের বাংলা কাব্যধারার একবিশিষ্ট শাখা হল মঙ্গলকাব্য।
রাজসভার সাহিত্য[সম্পাদনা]
শিবায়ন কাব্য[সম্পাদনা]
শাক্তপদাবলি[সম্পাদনা]
নাথ সাহিত্য[সম্পাদনা]
বাউল সাহিত্য[সম্পাদনা]
প্রাক-আধুনিক লৌকিক সাহিত্য[সম্পাদনা]
বাংলা গদ্যের উন্মেষপর্ব[সম্পাদনা]
রবীন্দ্রসাহিত্য[সম্পাদনা]
আধুনিক বাংলা কবিতা[সম্পাদনা]
বাংলা নাটক[সম্পাদনা]
বাংলা কথাসাহিত্য[সম্পাদনা]
বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্য[সম্পাদনা]
সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্র[সম্পাদনা]
কবি ও সাহিত্যিক[সম্পাদনা]
মধ্যযুগ (১৩৫০-১৮০০খ্রিস্টাব্দ)[সম্পাদনা]
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের (১২০০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ)শুরুতে (১২০০-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ) সময়কে কোন কোন গবেষক বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলে অভিহিত করে থাকেন। ১২০৮ খ্রিস্টাব্দ তুর্কী বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়ের পর বাংলায় মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন হয়। কেউ কেউ মনে করেন এই রাজনৈতিক পরিবর্তন বাংলার শিক্ষা সমাজ এবং সাহিত্যকে ঋণাত্মকভাবে প্রভাবিত করে, যে কারণে কোন উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয় নি। ১৩৪২ খ্রিস্টাব্দে বড়ু চন্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন রচনার আগ পর্যন্ত এ সময়টাই অন্ধকার যুগ। তবে এটি একটি বিতর্কিত অভিধা।
প্রাক-আধুনিক যুগ (১৮০০খ্রিস্টাব্দ-১৯০০খ্রিস্টাব)[সম্পাদনা]
আধুনিক যুগ (১৯০০খ্রিস্টাব্দ-১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ)[সম্পাদনা]
- কাজী নজরুল ইসলাম
- শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
- বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
- শিবরাম চট্টোপাধ্যায়
- জীবনানন্দ দাশ
- সুকুমার রায়
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
- অক্ষয়কুমার দত্ত
- অদ্বৈত মল্লবর্মন
- সৈয়দ মুজতবা আলী
- সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর আধুনিক যুগ[সম্পাদনা]
- সন্দিপান চট্টোপাধ্যায়
বর্তমান[সম্পাদনা]
- দীপক মজুমদার
- আনন্দ বাগচী
- শঙ্খ ঘোষ
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
- মানিক বন্দোপাধ্যায়
- তারাশংকর বন্দোপাধ্যায়
- সতীনাথ ভাদুড়ী
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- শরদিন্দু মুখোপাধ্যায়
- আশাপূর্ণা দেবী
- মহাশ্বেতা দেবী
- লীলা মজুমদার
- নলিনী দাস
- বিমল কর
- সমরেশ বসু
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়
- শামসুর রাহমান
- সমীর রায়চৌধুরী
- শক্তি চট্টোপাধ্যায়
- নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
- বুদ্ধদেব গুহ
- ফালগুনী রায়
- জয় গোস্বামী
- সমরেশ মজুমদার
- সত্যজিত্ রায়
- হুমায়ুন আজাদ
- আহমদ শরীফ
- হুমায়ুন আহমেদ
- সুবিমল বসাক
- বেগম রোকেয়া
- তসলিমা নাসরিন
- দেবী রায়
- কেদার ভাদুড়ী
- শওকত ওসমান
- আলাউদ্দিন আল আজাদ
- অতীন বন্দোপাধ্যায়
- অদ্রীশ বর্ধন
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- আল মাহমুদ
- অন্নদাশংকর রায়
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- মুস্তফা আনোয়ার
- মলয় রায়চৌধুরী
- আফসার আহমেদ
- আবু ইসহাক
- আবুল বাশার
- আবুল মনসুর আহমেদ
- রফিক আজাদ
- শোয়াইব জিবরান
- বাসুদেব দাশগুপ্ত
- তাপু শিকদার
- উত্তম দাশ
- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- রুদ্রসাগর
- তীর্থঙ্কর মৈত্র
প্রতিষ্ঠান ও সাহিত্য পুরস্কার[সম্পাদনা]
বিনয়পদক
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ বাংলা সাহিত্য পরিচয়, ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তুলসী প্রকাশনী, কলকাতা, ২০০৮, পৃ. xxiii
- ↑ লাল নীল দীপাবলী বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী, হুমাযুন আজাদ, আগামী প্রকাশনী, ঢাকা, ২০০৫, পৃ. ১৯
- ↑ বাংলা সাহিত্য পরিচয়, পৃ. ৮
- ↑ "বিদ্যায় সাহিত্যে শিল্পে", বঙ্গভূমিকা, সুকুমার সেন, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, পৃ. ১৪৫-৯৬
- ↑ বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস, ক্ষেত্র গুপ্ত, গ্রন্থনিলয়, কলকাতা, ২০০১, পৃ. ৩৭-৪৩
- ↑ বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস, ক্ষেত্র গুপ্ত, গ্রন্থনিলয়, কলকাতা, ২০০১, পৃ. ৪৪
- ↑ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস বিরচিত, ডঃ মিহির চৌধুরী কামিল্যা, শিলালিপি, কলকাতা, ২০০৫ (২য় প্রকাশ), প্রবেশক পৃষ্ঠা ৪
- ↑ বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, প্রথম খণ্ড, অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, মডার্ণ বুক এজেন্সী প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ২০০৬, পৃ. ২২৮-২৯
|
||||||||||||||