হাওড়া
| হাওড়া | |
| — city — | |
|
পশ্চিমবঙ্গতে হাওড়া এর অবস্থান
|
|
| স্থানাঙ্ক | 22°35′N 88°19′E / 22.59°N 88.31°Eস্থানাঙ্ক: 22°35′N 88°19′E / 22.59°N 88.31°E |
| দেশ | ভারত |
| State | পশ্চিমবঙ্গ |
| জেলাসমূহ | হাওড়া |
| জনসংখ্যা | (2001) |
| সময় অঞ্চল | আইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০) |
| আয়তন • উচ্চতা |
• ১২ মিটার (৩৯ ft) |
হাওড়া (ইংরেজি: Howrah), ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া জেলার একটি শহর । হাওড়া একটি শিল্প-সংক্রান্ত শহর, একটি পৌরনিগম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষে। এটি জেলার কেন্দ্রস্থান এবং হাওড়া সদর সুব্ডিবিশিয়ন জেলারও কেন্দ্রস্থান। হুগলী নদীর পশ্চিমে অবস্থিত, এটি কলকাতা শহরএর যমজ শহর। হাওড়া, কলকাতার পড়ের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম জেলা। এই দুটো শহর চারটি সেতুর দারা গঙ্গা নদীর উপর সংযুক্ত। এই সেতুগুলি হল: হাওড়া ব্রিজ (রবীন্দ্র সেতু), বিদ্যাসাগর সেতু (হুগলী সেতু), বিবেকষণ্ডা সেতু (বল্লী সেতু) এবং নিবেদিতা সেতু (দৃতীয় বিবেকানন্দ সেতু)। শহর দুটির মধ্যে জেটির মাধ্যমে যোগাযোগের সুবিধা আছে। হাওড়া তে দুটো স্টেশন আছে - ইস্টার্ন রেলওয়ে ও সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে। এই শহরে ছটি অন্যন রেলওয়ে স্টেশন আছে। দুটো ন্যাশন্যাল হাইওয়ে —NH 2 ( যাকে দিল্লী-কলকাতা হাইওয়েও বলা হয় ) and NH 6 ( যাকে মুম্বাই-কলকাতা হাইওয়েও বলা হয় )—বিদ্যাসাগর সেতুর সাথে যোগ হয় কোন এক্সপ্রেসশ্বের সহজ্জে। বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সায়েন্স ইউনিভার্সিটি ,150 বছর পুরোনো এবং এক খুব সুক্ষত ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি কলকাতা শহরের। গ্রান্ড তৃঙ্ক রোড এর এক প্রান্ত আচার্য় জগদীশ চন্দ্র বোস রোড এ, যেখানের ইন্ডিয়ান বটনিক গার্ডেন এ সেই বিশ্স বিক্ষত বট গাছ আছে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ভৌগোলিক উপাত্ত [সম্পাদনা]
শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল 22.59° N 88.31° E ।[১]সমূদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ১২ মিটার (৩৯ ফুট)। এটি গঙ্গা তীরবর্তী একটি শহর।
জনসংখ্যার উপাত্ত [সম্পাদনা]
ভারতের ২০০১ সালের আদম শুমারি অনুসারে হাওড়া শহরের জনসংখ্যা হল ১,০০৮,৭০৪ জন।[২] এর মধ্যে পুরুষ ৫৪%, এবং নারী ৪৬%।
এখানে সাক্ষরতার হার ৭৭%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮১%, এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭৩%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে হাওড়া এর সাক্ষরতার হার বেশি।
এই শহরের জনসংখ্যার ৯% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।
শব্দতত্ত্ব [সম্পাদনা]
হাওড়া নামটি 'হাওর' শব্দ থেকে নেওয়া যার অর্থ — আর্দ্রভূমি,যেটা জল এবং কাদার বিষণ্নতাকে বলা হয়। এই শব্দটি পূর্ব বঙ্গে(এখন বাংলাদেশ) বেশি বেবহার করা হতো, পশ্চিম বঙ্গের থেকে।
ইতিহাস [সম্পাদনা]
হাওড়া শহরের ইতিহাস প্রায় 500 বছর পুরোনো। কিন্তু, এই জেলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য 1000 বছরের থেকেও পুরোনো, ভূরসুত রাজ্যের মাধ্যমে তা পরিষ্কার বোঝা যায়। হুগলীর আধুনিক দিনের প্রতিবেশি, 'বটর' এর দর সনাক্তকরণযোগ্য। 'বটর' এর উল্লেখ বাংলা কাব্য 'মনসামঙ্গল'এ পাওয়া যায়। এক কাব্যের রচনা বিপরদাস পিপিলাই করেছিলেন 1495এ। আজ, হাওড়ার খ্যাতির কারণ 'হাওড়া স্টেশন' এবং 'হাওড়া ব্রিজ'।