ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)
মহাসচিব প্রকাশ কারাট
লোকসভার নেতা বাসুদেব আচারিয়া[১]
রাজ্যসভার নেতা সীতারাম ইয়েচুরি[১]
সংস্থাপিত ১৯৬৪
সদর দপ্তর ২৭-২৯, ভাই বীর সিংহ মার্গ, নতুন দিল্লি - ১১০০০১
সংবাদপত্র People's Democracy (ইংরাজি),
लोक लेहार (হিন্দি),
গণশক্তি (বাংলা)
ছাত্র শাখা ভারতের ছাত্র ফেডারেশন
যুব শাখা ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন
মহিলা শাখা সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি
শ্রমিক শাখা সেন্টার অফ ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নস
কৃষক শাখা সারা ভারত কৃষক সভা
রাজনৈতিক মতাদর্শ মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ
নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত মর্যাদা জাতীয় দল
জোট বামফ্রন্ট
লোকসভা আসন ১৬
রাজ্যসভা আসন ১৪
নির্বাচনী প্রতীক
ECI-hammer-sickle-star.png
ওয়েবসাইট
cpim.org

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) (সংক্ষেপে সিপিআই(এম) বা সিপিএম) ভারতের একটি রাজনৈতিক দলকেরল, পশ্চিমবঙ্গত্রিপুরা রাজ্যে এই দল একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিগণিত হয়। বর্তমানে ত্রিপুরায় এই দলের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৪ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ভেঙে এই দলের উদ্ভব হয়। সিপিআই(এম) দলের দাবি অনুযায়ী, ২০০৭ সালে এই দলের সদস্য সংখ্যা ছিল ৯৮২,১৫৫।[২]

পরিচ্ছেদসমূহ

[সম্পাদনা] ইতিহাস

[সম্পাদনা] ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি বিভাজন ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্ক্সবাদী)-এর উদ্ভব

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই) বিভাজনের পর "ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)"-র উদ্ভব হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বছরগুলিতে অবিভক্ত সিপিআই ছিল একাধিক গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী। তেলেঙ্গানা, ত্রিপুরাকেরলে এই দল সশস্ত্র বিপ্লবে নেতৃত্বদান করে। যদিও পরবর্তীকালে সংসদীয় গণতন্ত্রে যোগ দিয়ে পার্টি পরিত্যাগ করে সশস্ত্র বিপ্লবের পন্থা। ১৯৫০ সালে পার্টির সাধারণ সম্পাদক তথা দলের চরমপন্থী গোষ্ঠীর এক বিশিষ্ট প্রতিনিধি বি. টি. রণদিভে বাম-অ্যাডভেঞ্চারবাদের অভিযোগে পদচ্যুত হন।

এ. কে. গোপালন ভবন, নতুন দিল্লি; সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়
এর্নাকুলামে সিপিআই(এম)-এর প্রচারযান

ভারতের স্বাধীনতার পর জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার কৌশলগত কারণে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে। সোভিয়েত সরকারও চায় ভারতীয় কমিউনিস্টরা ভারত রাষ্ট্রের সমালোচনার ব্যাপারে মধ্যপন্থা অবলম্বন করুক এবং কংগ্রেস সরকারের সহায়ক মনোভাবাপন্ন হোক। যদিও সিপিআই-এর একটি বিরাট অংশ দাবি করে যে ভারত একটি অর্ধ-সামন্ততান্ত্রিক দেশই রয়ে গিয়েছে। আর তাই সোভিয়েত বাণিজ্য ও বিদেশনীতির খাতিরে শ্রেণি সংগ্রামের গুরুত্ব হ্রাস করা অনুচিত হবে। অধিকন্তু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ব্যাপারে তখনও প্রতিকূল মনোভাবাপন্নই রয়ে গিয়েছিল। ১৯৫৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের একমাত্র অ-কংগ্রেসি রাজ্য সরকার ই. এম. এস. নাম্বুদিরিপাদ ক্যাবিনেটকে বরখাস্ত করে কেরলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে।

একই সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিএসইউ) ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়। ১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিক থেকে সিপিসি অভিযোগ করতে থাকে যে সিপিএসইউ ক্রমশ সংশোধনবাদী হয়ে পড়ছে এবং মার্কসবাদ-লেনিনবাদের আদর্শ থেকে সরে আসছে। ইতোমধ্যে চীন-ভারত বৈদেশিক সম্পর্কেরও অবনতি ঘটে। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের সূচনা হয়।

[সম্পাদনা] আরও দেখুন

[সম্পাদনা] পাদটীকা

  1. ১.০ ১.১ http://cpim.org/statement/2007/11132007-nandigram-dasmunsi.htm
  2. Political-Organizational Report adopted at the XIXth Congress of the CPI(M) held in Coimbatore, Tamil Nadu, March 29-April 23, 2008. http://cpim.org/documents/2008-19%20cong-pol-org%20report.pdf. 

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

টেমপ্লেট:Communist Parties

[সম্পাদনা] পার্টি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইট

[সম্পাদনা] পার্টি সংবাদপত্র

[সম্পাদনা] নিবন্ধ

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ